শিরোনাম
যুক্তরাষ্ট্রকে উড়িয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ
টুর্নামেন্ট শুরুর প্রথম দুই ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া ও শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে আগেই অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপের সুপার সিক্স নিশ্চিত করেছিল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী ক্রিকেট দল। সবশেষ আজ বুধবার যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে হ্যাটট্রিক জয় পূরণ করল বাংলাদেশের মেয়েরা। শেষ ম্যাচে এদিন যুক্তরাষ্ট্রকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ।
যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া স্বল্প লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দলীয় ২১ রানেই বিদায় নেন বাংলাদেশের দুই ওপেনার আফিয়া প্রত্যাশা ও সুমাইয়া আক্তার। সাময়িক বিপর্যয় বেশ সামাল দেন স্বর্ণা আক্তার এবং দিলারা আক্তার। স্বর্ণা ২২ রানে ও দিলারা ১৭ করে বিদায় নেন। এই দুই ব্যাটার টানা বিদায় নিলে আবারো চাপে পড়ে বাংলাদেশ দল।
তবে দিলারা বিশ্বাস (১০) ও পরে মিষ্টি সাহাকে নিয়ে বাকি পথে নিরাপদেই পাড়ি দেন রাবেয়া। দুজনে অবিচ্ছিন্ন থেকে মাঠ ছাড়েন। ২৪ বলে ১৮* রান আসে রাবেয়ার ব্যাট থেকে। আর মিষ্টি অপরাজিত থাকেন ১৪ রানে।
এর আগে টস হেরে বোলিংয়ে নেমে যুক্তরাষ্ট্রকে অল্প রানেই আটকে দেয় বাংলাদেশ। শুরুতেই লাসিয়া মুল্লাপুদিকে (৫) সাজঘরে ফেরান দিশা বিশ্বাস। এরপর ৫৭ রানের জুটি গড়েন দিশা ধিংগ্রা ও স্নিগ্ধা পল। তবে ৩৯ বলে ২০ রান করে রানআউট হন ধ্রিংলা। স্নিগ্ধা আউট হন ৩৭ বলে ২৬ রান করে।
ধ্রিংলা ও স্নিগ্ধার বিদায়ের পর গীতিকা কোদালি ও ইসানি ভাঘেলার জুটিতে একশ’ ছাড়ায় যুক্তরাষ্ট্র। শেষ বলে ১৬ রানে মারুফা আক্তারের শিকার হন অধিনায়ক গীতিকা। ১৭ রানে অপরাজিত থাকেন ইসানি।
স্কোর কার্ডঃ
যুক্তরাষ্ট্র- ২০ ওভারে ১০৩/৪ (স্নিগ্ধা ২৬, ধিংগ্রা ২০; দিশা ১৩/২, মারুফা ১৭/১) বাংলাদেশ- ১৭.৩ ওভারে ১০৪/৫ (স্বর্ণা ২২, রাবেয়া ১৮*; আদিতিবা ১৫/২) ফল: বাংলাদেশ ৫ উইকেটে জয়ী
চবির কেন্দ্রীয় বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শুরু হলো আজ
সারওয়ার মাহমুদ ,চবিঃ খেলাধুলা ও সুস্থ সংস্কৃতি চর্চার লক্ষ্যে প্রতি বছর ন্যায় আজ( ১৮ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে দু’দিন ব্যাপি (১৮-১৯ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ২০২৩ শুরু হয়েছে। সকাল ১০ টায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে এ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর বেনু কুমার দে-এর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন চবি শারীরিক শিক্ষা বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) জনাব আনিসুল আলম।
চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীণ আখতার তাঁর ভাষণে চবি কেন্দ্রীয় বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার ক্রীড়াবিদসহ উপস্থিত সকলকে স্বাগত ও আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, মানুষের কর্মশক্তির প্রধান উৎস হচ্ছে সুস্থ দেহ ও প্রফুল্ল মন। সবল স্বাস্থ্য যোগায় কর্মশক্তি এবং সুস্থ মন যোগায় কর্ম প্রেরণা ও উদ্দীপনা। শিক্ষার্থীদের পরিপূর্ণ বিকাশের জন্য লেখাপড়ার পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রম হিসেবে খেলাধুলার গুরুত্ব অপরিসীম। তিনি বলেন, কুসংস্কারমুক্ত মুক্তচিন্তার তরুণরাই পারবে একবিংশ শতাব্দীর বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়তে। মাননীয় উপাচার্য আরও বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বিনির্মাণে তরুণদের শিক্ষা-গবেষণা, ক্রীড়া, শিল্প-সংস্কৃতিসহ বহুমাত্রিক দক্ষতা সম্পন্ন সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে হবে। মাননীয় উপাচার্য দু’দিন ব্যাপি চবির বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সাফল্য কামনা করেন এবং ক্রীড়াবিদসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে স্ব স্ব দায়িত্বের প্রতি নিষ্ঠাবান থাকার আহবান জানান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতীয় সংগীতের সুর ও মুর্চ্ছনায় মাননীয় উপাচার্য জাতীয় পতাকা, উপ-উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয় পতাকা, স্ব স্ব হলের প্রভোস্ট হল পতাকা ও শারীরিক শিক্ষা বিভাগের পরিচালক অলিম্পিক পতাকা উত্তোলন করেন। এ সময় মশাল হাতে মাঠ প্রদক্ষিণ করে দুই শিক্ষার্থী ।এছাড়াও অনুষ্ঠানে চ.বি. সিনেট ও সিন্ডিকেট সদস্যবৃন্দ, অনুষদসমূহের ডিনবৃন্দ, শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ, দায়িত্বপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার, হলসমূহের প্রভোস্টবৃন্দ, বিভাগীয় সভাপতি, ইনস্টিটিউট এবং গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালকবৃন্দ, প্রক্টর ও সহকারী প্রক্টরবৃন্দ, হলসমূহের আবাসিক শিক্ষকবৃন্দ, অফিস প্রধানবৃন্দ, অফিসার সমিতি, কর্মচারী সমিতি ও কর্মচারী ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ, শারীরিক শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ এবং বিপুল সংখ্যক ক্রীড়ামোদী শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ ও সুধীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এবারের ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় হলসমূহ হতে ছাত্রদের ১৮টি ইভেন্টে ১২৪ জন ক্রীড়াবিদ এবং ছাত্রীদের ১০টি ইভেন্টে ৪৫ জন ক্রীড়াবিদ অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছে। এছাড়াও প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত ৩টি ইভেন্টে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিদায়ী শিক্ষার্থী ক্রীড়াবিদদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয় এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতি নিয়ে ‘কালারস একাডেমির’ পরিবেশনায় অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ ডিসপ্লে।
জুনেই ঢাকায় আসছে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন মেসি ও আর্জেন্টিনা
কাতার বিশ্বকাপ চলাকালে বাংলাদেশের সমর্থকদের উন্মাদনা দেখেছেন আর্জেন্টাইনরা। পরে চ্যাম্পিয়নের মুকুট লিওনেল মেসির মাথায় উঠার পর আর্জেন্টিনা দূতাবাসেও শুভেচ্ছা বিনিময় হয়েছে। তখন থেকেই গুঞ্জন উঠেছিল, আর্জেন্টিনাকে ঢাকায় আনতে চায় বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন। অবশেষে সেই গুঞ্জন সত্যি হতে চলেছে। সবকিছু ঠিক থাকলে জুনে ঢাকায় আসবে আলভিসিলেস্তেরা।
লিওনেল মেসি সহ ঢাকায় আর্জেন্টিনা দলকে নিয়ে আসার প্রস্তুতি প্রায় চূড়ান্ত বলে জানিয়েছেন বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন।
তিনি বলেছেন, ‘আর্জেন্টিনার প্রস্তাবিত এই সফর চূড়ান্ত হয়ে এসেছে। এখন শুধু টার্মস এন্ড কন্ডিশন নিয়ে আলোচনা চলছে। ওরা আমাদের জানিয়েছে যে, জুনের ফিফা উইন্ডোতে ওরা আসতে চায়। টার্মস এন্ড কন্ডিশন সমস্যা না হলে জুনে ওরা আসবে বলাই যায়।’
কিন্তু বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের সংস্কার কাজের যা অবস্থা, তাতে খেলা হবে কোথায় সেই প্রশ্ন আসেই। কাজী সালাউদ্দিন বলেছেন, ’বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামেই খেলা হবে। আমরা আজ জাতীয় ক্রীড়া পরিষদকে চিঠি দিয়েছ জরুরিভিত্তিতে সব করে দিতে। তারা রাজি হয়েছে। স্টেডিয়াম ঠিকঠাক না হলে খেলাই তো হবে না।’
ঢাকায় আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ হবে কারা? আসছে এমন প্রশ্নও। কাজী সালাউদ্দিন বলেন,‘আর্জেন্টিনা ওদের কোচের সঙ্গে আলোচনা করে কয়েকটি দেশের নাম দেবে আমাদের। তারপর সেই নামগুলো নিয়ে কাজ করব আমরা। শেষে একটি দেশ ঠিক করা হবে।'
এর আগে ২০১১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফিফা প্রীতি ম্যাচে আর্জেন্টিনা ৩-১ গোলে হারিয়েছিল নাইজেরিয়াকে। আর্জেন্টিনার হয়ে একটি গোল করেছিলেন গনজালো হিগুয়াইন ও আনহেল দি মারিয়া। অপর গোলটি ছিল আত্মঘাতী।
মাশরাফি কত ভালো, তা প্রকাশে যথেষ্ট ভাষা খুঁজে পাচ্ছেন না ইমাদ
ঢাকা ডমিনেটরসের বিপক্ষে খেলার এক ফাঁকে মাশরাফি বিন মুর্তজার সঙ্গে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেল ইমাদ ওয়াসিমকে। সিলেট স্ট্রাইকার্স অধিনায়কের সঙ্গে কী নিয়ে যেন মজা করছিলেন পাকিস্তানি এই স্পিনার। ভাব ভঙ্গি দেখে বোঝাই যাচ্ছিল, মাশরাফির সঙ্গে তাঁর বোঝাপড়া বেশ জমেছে। যার প্রমান ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে মাশরাফির প্রশংসা করলেন ইমাদ। বাঁহাতি স্পিনার বলেছেন, মাশরাফি কতটা ভালো, তা প্রকাশ করার মতো যথেষ্ট শব্দ তাঁর কাছে নেই।
সিলেট অধিনায়ক মাশরাফির প্রশংসা করে ম্যাচ শেষে ইমাদ বলেছেন, ‘সে বাংলাদেশের হয়ে ২০ বছর খেলেছে। ক্রিকেটের কিংবদন্তি। অসাধারণ নেতা ও দারুণ মানুষ। ক্রিকেটে ওঠা-নামা সম্পর্কে জানেন; কারণ, ২০০০ সাল থেকে ক্রিকেট খেলছেন। সে কতটা ভালো, তা প্রকাশ করার মতো যথেষ্ট শব্দ আমার কাছে নেই। তার জন্য আমার সবটুকুই সম্মানের।’
ইমাদ জানালেন, মাশরাফিকে তিনি বড় ভাইয়ের মতোই সম্মান করেন, ‘তাকে বড় ভাইয়ের মতোই সম্মান করি। অভিভাবক হিসেবে সে যা বলে তা–ই আমরা অনুসরণ করি। খেলাটাকে খুব উপভোগ করে। আমার সঙ্গে কাজ করা সেরা মানুষদের একজন সে।’
বিপিএলে পাঁচ ম্যাচ খেলে এ পর্যন্ত সবকটিতেই জিতেছে সিলেট। ইমাদ জানালেন সিলেটের ড্রেসিংরুমের পরিবেশ খুব ভালো। দলের সমন্বয়ও দারুণ, ‘ড্রেসিংরুমের পরিবেশ খুবই ভালো।
মেসি-নেইমার-এমবাপেকে নিয়েও পিএসজির হার
শেষ কয়েক ম্যাচে ব্যর্থতার বৃত্তে ঘুরপাক খাওয়া পিএসজি রোববার রাতে লিগ ওয়ানে রেনের কাছে হেরেছে ০-১ গোলে। চলমান লিগে সবশেষ তিন ম্যাচের দুটিতেই হারল দলটি। একইসঙ্গে রেনের মাঠে লিগে এই নিয়ে সবশেষ চার ম্যাচের তিনটিতে হারের তিক্ত স্বাদ পেল প্যারিসের দলটি, অন্যটি হয়েছিল ড্র।
এদিন লিওনেল মেসি ও নেইমারকে শুরুর একাদশে রাখলেও ছিলেন না কিলিয়ান এমবাপে। তবে বিরতির পর মাঠে নেমে দলকে ম্যাচে ফেরানোর দারুণ এক সুযোগ হাতছাড়া করেন ফরাসি এই তারকা। ২০তম মিনিটে গোলের জন্য প্রথম শট নিতে পারে পিএসজি। বক্সের সামনে থেকে মেসির বাঁ পায়ের সেই শট ক্রসবারের ওপর দিয়ে উড়ে যায়।
এর আগে দ্বিতীয়ার্ধের ৫৬তম মিনিটে জোড়া পরিবর্তন আনেন গালতিয়ে। উগো একিতিকে ও নর্দি মুকিয়েলের জায়গায় নামান এমবাপে ও আশরাফ হাকিমিকে। ৬৫তম মিনিটে গোলের দেখা পায় রেনে। বাঁ দিকের বাইলাইনের কাছাকাছি থেকে সতীর্থের কাট-ব্যাকে বাঁ পায়ের শটে রেনকে এগিয়ে নেন হামারি ত্রাওরে।
পুরো ম্যাচে গোলের জন্য পিএসজির সমান ৮টি শট নিয়ে ৬টিই লক্ষ্যে রাখে রেন। এই পরিসংখ্যানেই ফুটে উঠেছে দুই দলের ম্যাচের তফাৎ।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য