ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

নিউজিল্যান্ডের মাটিতে ঐতিহাসিক টেস্ট জয় বাংলাদেশের

নিজস্ব প্রতিবেদক
৫ জানুয়ারি, ২০২২ ৭:৩০
নিজস্ব প্রতিবেদক
নিউজিল্যান্ডের মাটিতে ঐতিহাসিক টেস্ট জয় বাংলাদেশের

অবিশ্বাস্য মনে হলেও চোখের সামনেই ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ দল। নিউজিল্যান্ডের মাটিতে সব সংস্করণ মিলিয়ে জয় অধরা, এ তথ্য বদলে চিরস্মরণীয় এক জয় তুলে নিল বাংলাদেশ।

মাউন্ট মঙ্গানুই টেস্টে নিউজিল্যান্ডকে ৮ উইকেটে হারিয়েছে মুমিনুল হকের দল। নিজেদের টেস্ট ইতিহাসে এটাই সেরা জয় বাংলাদেশের। বে ওভালে বাংলাদেশের সমর্থকদের মুখে স্লোগান উঠেছিল ‘বাংলাদেশ! বাংলাদেশ!’ জয়ের স্মারক হিসেবে স্টাম্প তুলে নিয়ে মাঠ ছাড়েন মুমিনুল-মুশফিক।

৫ উইকেটে ১৪৭ রানে চতুর্থ দিনের খেলা শেষ করেছিল নিউজিল্যান্ড। আজ পঞ্চম ও শেষ দিনে সকালের সেশনে ১০.৪ ওভারের মধ্যে মাত্র ২২ রান তুলতেই বাকি ৫ উইকেট হারিয়ে ১৬৯ রানে অলআউট হয় টম লাথামের দল। এতে জয়ের জন্য মাত্র ৪০ রানের লক্ষ্য পায় বাংলাদেশ।

দ্বিতীয় ওভারে সাদমান ইসলামকে (৩) হারালেও নাজমুল হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে জয়ের পথ পাড়ি দিচ্ছিলেন মুমিনুল। দলীয় ৩৪ রানে নাজমুলকে (১৭) তুলে নেন কাইল জেমিসন। স্লিপে দারুণ ক্যাচ নেন রস টেলর। এরপর মুশফিকুর রহিমকে নিয়ে জয় এনে দেন মুমিনুল।

বিদেশের মাটিতে এটি বাংলাদেশের ষষ্ঠ টেস্ট জয়। এর আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়ের মাটিতে জিতলেও নিউজিল্যান্ডের মাটিতে ৯ টেস্ট খেলে হারতে হয় সব ম্যাচেই। দশম চেষ্টায় পাওয়া জয়টি নিঃসন্দেহে বিদেশের মাটিতে এ সংস্করণে বাংলাদেশের সেরা জয়।

নিউজিল্যান্ড বড় দলগুলোর জন্যই খুব কঠিন এক জায়গা। সেখানে টেস্টের বর্তমান এই বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে শেষ চার দিন দাপট বিস্তার করে পাওয়া জয় চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। এর মধ্য দিয়ে ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের টানা ১৭ টেস্ট অপরাজিত থাকার ধারারও অবসান ঘটল।

দেশ ও দেশের বাইরে মিলিয়ে টেস্টে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এটাই প্রথম জয় বাংলাদেশের। নিউজিল্যান্ডের মাটিতে এর আগে সব সংস্করণ মিলিয়ে টানা ৩২ হারের ধারারও অবসান ঘটাল মুমিনুল হকের দল।

মাহমুদুল হাসান চোট পাওয়ায় সাদমান ইসলামের সঙ্গে ওপেন করেন নাজমুল হোসেন। দ্বিতীয় ওভারে সাদমানকে তুলে নিয়ে ভয় ধরিয়ে দিয়েছিলেন টিম সাউদি। উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন সাদমান। নাজমুলকে নিয়ে ৭৫ বলে ৩১ রানের জুটি গড়েন মুমিনুল। চার মেরে জয় এনে দেন মুশফিক।

১৩ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন বাংলাদেশ অধিনায়ক। ৫ রানে অপরাজিত ছিলেন মুশফিক। শেষ দিনে দুই সেশন হাতে রেখে সকালের সেশনেই নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ১৬.৫ ওভারে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ

তবে মাউন্ট মঙ্গানুই টেস্ট স্মরণীয় হয়ে থাকবে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ব্যাটসম্যানদের দৃঢ়তার পর নিউজিল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংসে বোলারদের অসাধারণ পারফরম্যান্স। বিশেষ করে ইবাদত হোসেন, নিউজিল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংসে ৬ উইকেট নিয়ে টেস্টে বাংলাদেশের পেসারদের মধ্যে সেরা পারফরম্যান্সের রেকর্ড গড়েন ইবাদত।

আজ সকালের সেশনে নিজের টানা দুই ওভারে নেন ২ উইকেট। টেস্ট ক্যারিয়ারে প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেটের দেখাও পেলেন তিনি।

৩৬ রানে ৩ উইকেট নেওয়া তাসকিন ও ১ উইকেট নেওয়া মিরাজের অবদানও ভুলে যাওয়ার নয়। তার আগে নিজেদের প্রথম ইনিংসে চারটি অর্ধশতকে ভর করে ৪৫৮ রান তোলে বাংলাদেশ।

নিউজিল্যান্ড প্রথম ইনিংসে ৩২৮ রানে অলআউট হওয়ায় ১৩০ রানের লিড পায় বাংলাদেশ। এরপর বাংলাদেশের বোলাররা চেপে ধরায় নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে নিউজিল্যান্ড আর কুলিয়ে উঠতে পারেনি। নিউজিল্যান্ডের প্রথম ইনিংসে ৩টি করে উইকেট নেন শরীফুল ইসলাম ও মিরাজ। এই ইনিংসে ১ উইকেট নেওয়া ইবাদতের ম্যাচ ফিগার ৩৯-৯--১২১-৭। এ জয়ে দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ। ৯ জানুয়ারি হ্যাগলি ওভালে শুরু হবে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    আধিপত্য বিস্তার করা আরেকটি দিন

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ৪ জানুয়ারি, ২০২২ ১৩:২
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    আধিপত্য বিস্তার করা আরেকটি দিন

    চতুর্থ দিন শেষ। আগের তিন দিনের মতো এই দিনটিতেও লেখা থাকল বাংলাদেশের নাম। পেসারদের তোপে এলোমেলো নিউ জিল্যান্ডের ব্যাটিং লাইনআপ। মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে ১৩০ রানের লিড পায় বাংলাদেশ। দিন শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে নিউ জিল্যান্ডের লিড ১৭ রানের। ম্যাচের অবস্থা বলছে, স্বাগতিকদের কোণঠাসা করে রেখেছে বাংলাদেশ। কারণ নিউ জিল্যান্ডের হাতে রয়েছে আর ৫ উইকেট। মঙ্গলবারের খেলা শেষে তাদের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ১৪৭ রান।

    লাঞ্চ পরবর্তী সেশনে তাদের দুটি উইকেট নিয়ে যে আত্মবিশ্বাস অর্জন করেছিল বাংলাদেশ, তা কাজে লাগিয়ে শেষ সেশনে আরো তিন উইকেট তুলে নেয় তারা। শেষ বিকেলে তো দলীয় স্কোরবোর্ডে কোনো রান জমা না হতেই তিন ব্যাটসম্যান প্যাভিলিয়নে। এমন দাপুটে দিনের নায়ক ইবাদত হোসেন। ১৭ ওভারে ৪ মেডেনসহ ৩৯ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন তিনি।

    শেষ বিকালে দুই ওভার মিলিয়ে ৭ বলের ব্যবধানে ইনিংস সেরা উইল ইয়াং, হেনরি নিকলস ও টম ব্লান্ডেলকে ফেরান ইবাদত। ইয়াংকে ৬৯ রানে ফিরিয়ে তার সঙ্গে রস টেলরের ৭৩ রানের জুটি ভাঙেন তিনি। তারপরই বিপর্যয়। ৩৭ রানে অপরাজিত টেলরের সঙ্গে অন্য প্রান্তে দিন শেষ করা রাচিন রবীন্দ্র ৬ রানে টিকে আছেন।

    ৬ উইকেটে ৪০১ রানে দিন শুরু করেছিল বাংলাদেশ। ১৭৬.২ ওভারে তারা অলআউট হয় ৪৫৮ রানে, যা তাদের দ্বিতীয় লম্বা টেস্ট ইনিংস। আর ঘরের মাঠে ১২ বছর পর নিউ জিল্যান্ড কোনো ইনিংসে এতগুলো ওভার করল। বোঝাই যাচ্ছে, বাংলাদেশের হাতে ছিল লাগাম।

    মেহেদী হাসান মিরাজ ও ইয়াসির আলী রাব্বি সপ্তম উইকেটে ৭৫ রান যোগ করেন। লোয়ার অর্ডারে ঝলমলে এক ইনিংস খেলেন মিরাজ, তার ৪৭ রান এসেছে ৮টি বাউন্ডারিতে। চতুর্থ দিন সকালে দুইবার এলবিডব্লিউ আপিলে বেঁচে যান তিনি, রাচিন ও নিল ওয়াগনারের ইনসাইড এজ দুই অনফিল্ড আম্পায়ার সাড়া দেননি।

    টিম সাউদি দিনের ৩৬তম ওভারে মিরাজকে মাঠছাড়া করেন, যা ছিল কিউই পেসারের ৪৬৮ বলে প্রথম টেস্ট উইকেট। কাইল জেমিসনও তার প্রথম উইকেট পান, যখন রাব্বি ২৬ রানে লেগ সাইডে ব্লান্ডেলের কট বিহাইন্ড হন। সাউদি তাসকিন আহমেদকে (৫) এলবিডব্লিউ করেন এবং শরিফুল ইসলামকে (৭) বোল্ড করে বাংলাদেশকে গুটিয়ে দেন বোল্ট, যা ছিল তার চতুর্থ উইকেট।

    ১৩০ রানে পিছিয়ে থেকে লাঞ্চের আগে ৩ ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়ে ১০ রান করে নিউ জিল্যান্ড। তবে দ্বিতীয় সেশনে বাংলাদেশ দুটি উইকেট তুলে নিয়ে চালকের আসনে বসে। চা বিরতিতে তারা যায় ৬২ রানে পিছিয়ে থেকে। যদিও এই সেশনের শুরুটা হয়েছিল বাউন্ডারির ফুলঝুরিতে। কিন্তু তাসকিন নবম ওভারে টম ল্যাথামের স্টাম্প উপড়ে ফেলেন।

    প্রথম ইনিংসে ১২২ রান করা ডেভন কনওয়ে এই ইনিংসে ভুগছিলেন। মাত্র ১৩ রান করেন তিনি। বাঁহাতি ব্যাটসম্যান ধরা পড়েন গালিতে। বল ইনসাইড এজে প্যাডে লেগে সাদমান ইসলামের হাতে ধরা পড়ে। আম্পায়ার আউট না দিলে বাংলাদেশ এলবিডব্লিউ ও ক্যাচের জন্য রিভিউ নেয়। ক্যাচে তাকে মাঠ ছাড়ার সিদ্ধান্ত আসে।

    আট বলের ব্যবধানে দুটি উইকেট হারাতে পারত নিউ জিল্যান্ড। কিন্তু লিটন দাস ইয়াংকে ৩১ রানে জীবন দেন। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে কিউই ব্যাটসম্যান হাফ সেঞ্চুরি করলেও দিন শেষে তিনি নয়, নায়ক ইবাদত। দিনের আলো ফুটলে একবুক আশা নিয়ে মাঠে নামবে বাংলাদেশ।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      হাফিজ ইতি টানলেন আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ৩ জানুয়ারি, ২০২২ ২১:২০
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      হাফিজ ইতি টানলেন আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের

      পাকিস্তান ক্রিকেটের অনন্য এক নাম মোহাম্মদ হাফিজ। দীর্ঘ ১৮ বছরের ক্যারিয়ারে নেতৃত্বও দিয়েছেন পাকিস্তান ক্রিকেটকে। তবে বয়সের কাছে থমকে যেতে হলো তাকে। লম্বা এই ক্যারিয়ারের ইতি টেনে দিলেন প্রফেসর খ্যাত মোহাম্মদ হাফিজ।

      আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ছাড়ার ঘোষণা দিলেও টি-টোয়েন্টি ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট খেলে যাবেন বলে জানিয়েছেন ৪১ বছর বয়সী এই অল-রাউন্ডার।

      পাকিস্তানের জার্সিতে হাফিজের অভিষেক জয় ২০০৩ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে ম্যাচ দিয়ে। এরপর খেলেছেন ৫৫টি টেস্ট, ২১৮টি ওয়ানডে ও ১১৯টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। তিন ফরম্যাট মিলে রয়েছে ১২ হাজার ৭৮০ রান।

      হাফিজ গত ২০২০ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলে অবসরের যাবার সিদ্ধান্ত নেন। তবে করোনাভাইরাসের কারণে সেটি পিছিয়ে যায় ২০২১ সাল পর্যন্ত। তাই বিশ্বকাপে খেলে আর না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এই তারকা অল-রাউন্ডার। তাই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সেমি-ফাইনালের ম্যাচটাই হয়ে রইলো ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ।

      টেস্ট থেকে অবসর নেন ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে। এরপর ২০১৯ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচটির পর থেকে আর সুযোগ হয়নি ওয়ানডে খেলার।

      হাফিজের নেতৃত্বে ২০১২ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে খেলে পাকিস্তান। ২০১৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও নেতৃত্ব দেন দলকে, তবে গ্রুপ পর্বেই বাদ পড়ে যায় পাকিস্তান। অধিনায়ক হিসেবে হাফিজ ২৯ টি-টোয়েন্টিতে ১৮ ম্যাচ জিতেন, হারেন ১১টি ম্যাচ।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        আশরাফুল-নান্নু কাণ্ডে অসন্তুষ্ট বিসিবি

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ৩ জানুয়ারি, ২০২২ ২১:১৭
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        আশরাফুল-নান্নু কাণ্ডে অসন্তুষ্ট বিসিবি

        এক সময় দুজনেই খেলেছেন একসঙ্গে। দুজনই আবার বাংলাদেশ দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন, সময়ের সেরা খেলোয়াড়ও তারা। মিনহাজুল আবেদীন নান্নু এখন নেতৃত্ব দিচ্ছেন দলের নির্বাচকদের। মোহাম্মদ আশরাফুল এখনও খেলছেন ঘরোয়া ক্রিকেটে।

        তবে হঠাৎ সামনে এসেছেন বিতর্কিত ইস্যু নিয়ে। সম্প্রতি বেসরকারি একটি টেলিভিশন চ্যানেলে আশরাফুলের করা একটি মন্তব্যের জের ধরেই বেশ কিছু মন্তব্য করে বসেন নান্নু।

        আশরাফুল বলেছিলেন, “নির্বাচক প্যানেলের সদস্যদের মেয়াদ ৩ থেকে ৪ বছর হলে ভালো হয়। কারণ দীর্ঘমেয়াদি নির্বাচক প্যানেল দিয়ে ক্রিকেটে সুফল ফেরানো সম্ভব নয়।”

        জবাবে নান্নু আশরাফুলকে দেশদ্রোহী ও ফিক্সার উল্লেখ করে বলেন, “যেসব খেলোয়াড় দেশদ্রোহী হয়ে ম্যাচ ফিক্সিংয়ে জড়িয়ে নিষিদ্ধ হয়, ওদের কাছ থেকে ভালো পরামর্শ আশা করা কঠিন।”

        প্রধান নির্বাচকের এমন মন্তব্যে পালটা জবাবে আশরাফুল বলেন, “নান্নু ভাই যেভাবে নাম ধরে দেশদ্রোহী, ম্যাচ ফিক্সার বললেন, এটা তো ২০১৩ সালে হয়েছে। আমি সবার কাছে ক্ষমা চেয়েছি, শাস্তিও হয়েছে। যেভাবে আক্রমণ করলেন, কষ্ট লেগেছে। আমি তো উল্টাপাল্টা কিছু বলিনি। আর আমি কোনো ব্যক্তির নাম বলিনি, আমি ওই দায়িত্বের কথা বলেছি। নান্নু ভাই লাইভে সরাসরি আক্রমণ করলেন আমার নাম ধরে। এটা আসলে খুব দুঃখজনক।”

        দুজনের এমন পাল্টাপাল্টি বক্তব্য কানে গেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কর্মকর্তাদেরও। এ নিয়ে বোর্ডে কথা হয়েছে বলে জানান, ক্রিকেট অপারেশন্স চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস।

        সোমবার গণমাধ্যমে জালাল ইউনুস বলেন, “সে (আশরাফুল) একজন বর্তমান খেলোয়াড়, আবার সাবেক অধিনায়কও অবশ্যই। যেহেতু সে এখনও আমাদের অধীনে খেলছে সেহেতু এভাবে ব্যক্তিগত আক্রমণ করা ঠিক হয়নি। আমি শুনেছি এটা… যেটা হয়েছে, এটা নিয়ে আমাদের আলাপও হয়েছে। দেখা যাক, এটা নিয়ে আমরা বোর্ড সভাপতির সাথে আলাপ করবো।”

        নান্নুর বক্তব্য নিয়ে জালাল ইউনুস বলেন, “কারও ব্যাপারেই এভাবে আক্রমণ... আপনি একটা অবস্থানে আছেন বোর্ডের। ঐ জায়গা থেকে এটা না করাটাই ভালো হতো। যেহেতু নির্বাচক প্যানেল আমাদের ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের আওতায়, আমরা এটা নিয়ে আজকেও আলাপ করেছি। এখন বোর্ড সভাপতির সাথেও কথা বলব।”

        নির্বাচক ও আশরাফুলের এমন কাণ্ড ভবিষ্যৎ দল নির্বাচনে আশরাফুলকে বিবেচনা নাও করা হতে পারে এমন প্রশ্নও উঠেছে। এমন প্রশ্নে জালাল ইউনুস বলেন, “আমার মনে হয় না এমন কিছু হবে। আমার মনে হয় না ব্যক্তিগতভাবে কেউ এর শিকার হবে। যারা আসবে পারফরম্যান্সের জোরেই দলে আসবে।”

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য
          সর্বশেষ সংবাদ
            সর্বাধিক পঠিত