শিরোনাম
ফের বাঙলা কলেজ শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক নির্বাচিত হলেন নাহিদা পারভীন
রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারি বাঙলা কলেজে ২০২৫ সেশনের শিক্ষক পরিষদ নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪শে জুন) উৎসবমুখর ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে ভোট গ্রহণের মাধ্যমে এই নির্বাচন সম্পন্ন হয়।
কলেজ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে সক্রিয় অংশগ্রহণ ও ভোট প্রদানের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক চেতনার ভিত্তিতে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত করেন কলেজের শিক্ষকবৃন্দ। নির্বাচন উপলক্ষে সকাল থেকেই কলেজে প্রাণচাঞ্চল্য ও ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা লক্ষ করা যায়।
১৬২ জন ভোটারের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সম্পাদক পদে পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন গণিত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা পারভীন। অভিজ্ঞতা ও পূর্ববর্তী কার্যক্রমে সুনামের কারণে তার ওপর আবারও আস্থা রেখেছেন কলেজটির শিক্ষক সমাজ।
নির্বাচিত অন্যান্য সদস্যরা হলেন: যুগ্ম সম্পাদক পদে মোহাম্মদ শাহ আলম (সহকারী অধ্যাপক, ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ), কোষাধ্যক্ষ পদে মোঃ আবদুল মুকীত (প্রভাষক, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ), দপ্তর সম্পাদক পদে হাসান আলী (প্রভাষক, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ), এবং সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে সায়লা ইয়াসমিন প্রিয়া (সহকারী অধ্যাপক, রসায়ন বিভাগ)।
নির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন প্রফেসর মোঃ জামান রিজভী (অধ্যাপক, হিসাববিজ্ঞান বিভাগ), তাহিয়া সারওয়ার (সহযোগী অধ্যাপক, প্রাণিবিদ্যা বিভাগ), এবং তানিয়া হাসিন (সহকারী অধ্যাপক, মৃত্তিকাবিজ্ঞান বিভাগ)।
নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে সম্পূর্ণ নির্বাচন নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ গোলাম রাব্বানী, অধ্যাপক, হিসাববিজ্ঞান বিভাগ। নির্বাচন কমিশনার হিসেবে ছিলেন খন্দকার মোঃ রেদওয়ানুর রহমান (সহযোগী অধ্যাপক, ইংরেজি বিভাগ) এবং কামরুন নাহার (সহযোগী অধ্যাপক, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ)। তাঁদের পেশাদারী ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় পুরো প্রক্রিয়াটি নিরবচ্ছিন্নভাবে শেষ হয়।
নির্বাচনে পুনরায় নির্বাচিত হয়ে সম্পাদক নাহিদা পারভীন জানান, “শিক্ষক সমাজের এই সমর্থন ও আস্থাকে তিনি দায়িত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে মূল্যায়ন করতে চান। তার মতে, শিক্ষক পরিষদ শুধু একটি প্রতিনিধি কমিটি নয়, বরং এটি শিক্ষার পরিবেশ, নীতিনৈতিকতা ও সহকর্মী সহমর্মিতার প্রতিচ্ছবি। তিনি বলেন, আগামীদিনে তিনি সহকর্মীদের সম্মিলিত সহযোগিতা নিয়ে একটি ইতিবাচক, কার্যকর ও শিক্ষাবান্ধব কর্মপরিবেশ গঠনে সক্রিয় থাকবেন। শিক্ষকদের অধিকার রক্ষা ও গঠনমূলক আলোচনার সংস্কৃতি বজায় রেখে শিক্ষার মানোন্নয়নে কাজ করাই হবে নতুন পরিষদের মূল অঙ্গীকার।”
নির্বাচিত পরিষদের সদস্যরাও জানান, তারা কলেজ প্রশাসন ও সকল শিক্ষককে নিয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করবেন এবং শিক্ষক সমাজের অধিকার, মর্যাদা ও স্বার্থরক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা রাখবেন।
নির্বাচনটি শিক্ষক সমাজ ও কলেজ প্রশাসনের কাছে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও সহমর্মিতা চর্চার অনন্য উদাহরণ হিসেবে প্রশংসিত হয়েছে।
রাজশাহী কলেজ শাখা ছাত্রদলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি আয়োজন
বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাজশাহী কলেজ শাখা ছাত্রদলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৭ জুন) দুপুর ১টায় কলেজ শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক খালিদ বিন ওয়ালির (আবির) এর নেতৃত্বে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, কলেজ শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব আমিনুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য কাফি, ছাত্রনেতা সামিউল ইসলাম শিমুল, শরিফুল ইসলাম সৌরভ, জুবায়ের রশিদ, রুহুল আমিনসহ ছাত্রদলের অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা।
কলেজ শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক খালিদ বিন ওয়ালির (আবির) বলেন, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির আওতায় আমরা রাজশাহী কলেজ শাখা ছাত্রদলের উদ্যোগে আজকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করেছি। মূলত ৫ আগষ্ট স্বৈরাচারী সরকার পতনের পর থেকেই দেশব্যাপী আমাদের বিভিন্ন কর্মসূচি চলমান রয়েছে।

এছাড়াও আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ইতোমধ্যে পাঁচ বছরের মধ্যে সারাদেশে ৫০কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন। সেই ধারাবাহিকতায় দেশব্যাপী ছাত্রদলের কর্মীরা কাজ করে যাচ্ছে।
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি কে কেন্দ্র কলেজ শাখা ছাত্রদলের উদ্যোগে কলেজের বিভিন্ন প্রাঙ্গণে গাছ লাগানো হয়। এর আওতায় কলেজের প্রশাসন ভবনের পেছনে পলাশ ফুল, ইংরেজি বিভাগের সামনে দুইটি মেহগনি ও কলেজের কেন্দ্রীয় মসজিদের পেছনে একটি মেহগনির গাছ লাগানো হয়েছে।
এইচএসসি পরিক্ষার্থী সুহিনের আত্মহত্যা, নেপথ্যে মানসিক চাপ
রাজধানীর পীরেরবাগ এলাকায় সোহানুজ্জামান সুহিন নামে এক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে। তিনি সরকারি বাtঙলা কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র (রোল নম্বর ১০১৮৪) এবং আসন্ন এইচএসসি-২০২৫ ব্যাচের পরিক্ষার্থী ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সুহিন মিরপুর পীরেরবাগ ঝিলপাড় এলাকার একটি বাসায় ব্যাচেলর হিসেবে ভাড়া থাকতেন। তার গ্রামের বাড়ি ঠাকুরগাঁও জেলায়। তার পিতার নাম নুর আলম এবং মাতার নাম শামসুন্নাহার লাভলী।
নিহতের চাচা জানান, “আগামী ২৬ জুন শুরু হতে যাওয়া এইচএসসি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল সুহিন। তবে সম্প্রতি সে মোবাইল ফোনে অতিরিক্ত আসক্ত হয়ে পড়ে এবং প্রায় সময় মোবাইল গেমে মগ্ন থাকত। এ নিয়ে বাবা নুর আলম তাকে অনেক বকাবকি করেন। চাচার ধারণা, পারিবারিক এ মানসিক চাপে পড়েই সুহিন আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়।”
সুহিনের সহপাঠী এবং রুমমেট বর্ষা বলেন, “আমরা শুরু থেকেই একসাথে আছি। ঈদের ছুটিতে বাড়ি যাওয়ার পর আমি আজকে আসলাম। এসেই শুনি ও আত্মহত্যা করেছে। এ বিষয়ে আমি তেমন কিছু বলতে পারব না তবে পড়াশুনা নিয়ে ওর বাবা ওরে অনেক বকাঝকা এবং গালিগালাজ করেছে। সে এ বিষয়টি নিয়ে ও অনেক মানসিক চাপে ছিলো।”
স্হানীয় প্রতিবেশীরাও জানান, সুহিন স্বভাবতই শান্ত প্রকৃতির ছিল, তবে সম্প্রতি সে কিছুটা গুটিয়ে গিয়েছিল।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মিরপুর মডেল থানার ডিউটি অফিসার বলেন, “দুপুরের দিকে আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছাই এবং মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠাই। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলেই মনে হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে না আসা পর্যন্ত মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করে বলা যাবে না।”
এ ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে সহপাঠীদের মধ্যেও। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার আত্মহত্যার খবর শেয়ার করে শোক প্রকাশ করছেন।
মানসিক চাপ, পারিবারিক বিরোধ এবং কিশোরদের মোবাইল আসক্তির মত বিষয়গুলো নিয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে এই ঘটনা।
বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্সপ্রাপ্ত-২১৫ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দিলো রাজশাহী কলেজ
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত দেশসেরা রাজশাহী কলেজের গৌরবময় ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে ২০২৪ সালের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ২১৫ জন পরিক্ষার্থী দেশের বিভিন্ন মেডিকেল, ইঞ্জিনিয়ারিং, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়ায় সংবর্ধনা প্রদান করেছে রাজশাহী কলেজ।
বৃহস্পতিবার (১২ জুন) দুপুর ১২ টার দিকে কলেজ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই ২১৫ জন শিক্ষার্থীকে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মাননা জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মু. যহুর আলী। এসময় তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ন্যায়ের পথে থেকে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করার। রাজশাহী কলেজ শুধু একজন শিক্ষার্থী নয়, একজন ভালো মানুষ তৈরির কারিগর। পাশাপাশি ২০২৫ সালের পরীক্ষার্থীদের এই অর্জন পরবর্তীদের জন্য প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
এছাড়াও এ সময় তিনি জুলাই বিপ্লবের শহীদদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ ও আহতদের সুস্থতা কামনা করেন।
অনুষ্ঠানে চান্সপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা তাদের অনুভূতি করে বলেন, রাজশাহী কলেজ আমাদের যে ভিত্তি দিয়েছে, এটাই আমাদের এই সাফল্যে সহায়ক হয়েছে। এই সংবর্ধনা আমাদের ভবিষ্যতের পথচলায় অনুপ্রেরণা যোগাবে। কেউ কেউ আবেগঘন কণ্ঠে জানান, এই স্বপ্নপূরণের পথে রাজশাহী কলেজ ছিল আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।
চান্সপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী এ.কে.এম. আসাদ-উজ-জামান বলেন, এই কৃতিত্ব আমার একার নয় আমার পরিবার, শিক্ষক এবং রাজশাহী কলেজের সম্মিলিত অবদান। কলেজ আমাদের যে ভিত্তি তৈরি করে দিয়েছে, সেটাই আজকের এই সাফল্যের পেছনে মূল শক্তি।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক প্রফেসর ড. মোঃ সেরাজ উদ্দীন, অনুষ্ঠান কমিটির আহ্বায়ক সহযোগী অধ্যাপক ড. শাহ মোঃ মাহবুব আলম, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. শিখা সরকার সহ কলেজের বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও শিক্ষার্থীরা ।
দিনব্যাপী এই আয়োজনের শেষ ভাগে কৃতি শিক্ষার্থীরা মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, গান, কবিতা ও নৃত্য পরিবেশন করেন। উৎসবমুখর এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সকলের অংশগ্রহণ ছিল গর্ব, প্রেরণা ও ভালোবাসার
এক অপূর্ব সম্মিলন।
শেরপুরের এক কলেজ থেকেই ২ শতাধিক শিক্ষার্থী চান্স পেলেন মেডিকেল ও বিশ্ববিদ্যালয়ে
২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষে দেশের বিভিন্ন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও উচ্চতর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির ক্ষেত্রে উজ্জ্বল সাফল্য দেখিয়েছে শেরপুর সরকারি কলেজ। এ বছর কলেজটির দুই শতাধিক শিক্ষার্থী মেডিকেল কলেজ, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় এবং জাতীয় পর্যায়ের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন।
শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনেকে বুয়েট, চুয়েট, কুয়েট, রুয়েট এবং বিভিন্ন সরকারি মেডিকেল কলেজে সুযোগ পেয়েছেন। পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের অন্যান্য গুণগতমানসম্পন্ন বিশ্ববিদ্যালয়েও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছেন।
সাফল্য অর্জনে শিক্ষকদের নিবেদিত প্রচেষ্টা, নিয়মিত ক্লাস-পরীক্ষা এবং শিক্ষার্থীদের অধ্যবসায়ের ফল বলে জানিয়েছেন কলেজ সংশ্লিষ্টরা। কলেজের এই সাফল্যে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আনন্দ ও গর্বের অনুভূতি বিরাজ করছে। স্থানীয়ভাবে বিষয়টি ইতিবাচক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
এ বিষয়ে গণিত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শামছুল হুদা চৌধুরী বলেন, শিক্ষার্থীদের কৃতিত্বই আমাদের বড় পাওয়া। তারা যদি নিয়মিত ক্লাস করে তাহলে এডমিশনের প্রস্তুতি অনেকটায় সহজ হয়।
এ বিষয়ে শেরপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আবদুর রউফ বলেন, ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষে বিভিন্ন উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (মেডিকেল কলেজ, বুয়েট, চুয়েট, কুয়েট, রুয়েট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের শীর্ষস্থানীয় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়) ২ শতাধিক শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। ভর্তির সুযোগ পাওয়ায় শেরপুর সরকারি কলেজের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। আমি প্রতিষ্ঠান প্রধান হিসেবে শিক্ষার্থীদের সাফল্য কামনা করি।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য