ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

জামায়াতের কড়া সমালোচনায় হেফাজত আমির

অনলাইন ডেস্ক
৫ আগস্ট, ২০২৫ ১২:৪০
অনলাইন ডেস্ক
জামায়াতের কড়া সমালোচনায় হেফাজত আমির

জামায়াতী ইসলামী বাংলাদেশকে ‘ভণ্ড’ আখ্যায়িত করে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ্ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী বলেছেন, ‘জামায়াতে ইসলাম একটি ভণ্ড ইসলামী দল, সহীহ ইসলামী দল নয়। তারা মদিনার ইসলাম নয় বরং মওদুদীর ইসলাম কায়েম করতে চায়। মওদুদীর মতাদর্শ অনুসরণ করলে ইমান থাকবে না।’


সোমবার (৪ আগস্ট) রাতে নাজিরহাট পৌরসভার চৌধুরী ছখিনা কমিউনিটি সেন্টারে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। 


এ সভায় ইসলামী দলগুলোর ঐক্যবদ্ধতার প্রয়োজনীয়তার কথা বললেও জামায়াতের ব্যাপারে কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন হেফাজতের এ শীর্ষ নেতা।


বাবুনগরী বলেন, ‘আমরা জামায়াতকে ইসলামি দল মনে করি না। তারা কখনও মদিনার ইসলাম চায়নি, তারা চায় মওদুদীবাদ প্রতিষ্ঠা করতে। তাই তাদের সঙ্গে ঐক্য সম্ভব নয়। ’


তিনি আরও বলেন, ‘জামায়াত দেশের বৃহত্তর দল নয়; বিএনপি হচ্ছে দেশের বৃহত্তম দল। জামায়াত ইসলাম নয়, মওদুদীবাদ প্রতিষ্ঠা করতে চায়।’



আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট আলেম ও বুজুর্গ আল্লামা শাহ সালাহউদ্দিন নানুপুরী। এতে আরও বক্তব্য রাখেন এহইয়াউসসুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মাওলানা শেখ হুসাইন মুহাম্মদ শাহজাহান, মাওলানা আইয়ুব বাবুনগরী, মাওলানা জুনাইদ বিন জালাল, মাওলানা আবু তালেব ও আনাস সুলতানি প্রমুখ।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ২০২৪ সালে ছিল স্বাধীনতা রক্ষার যুদ্ধ : তারেক রহমান

    অনলাইন ডেস্ক
    ৫ আগস্ট, ২০২৫ ১১:৪৬
    অনলাইন ডেস্ক
    ২০২৪ সালে ছিল স্বাধীনতা রক্ষার যুদ্ধ : তারেক রহমান

    বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ১৯৭১ সাল ছিল স্বাধীনতা অর্জনের যুদ্ধ। আর ২০২৪ সালে ছিল স্বাধীনতা রক্ষার যুদ্ধ। ’৭১ সালের শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের বাংলাদেশ ভোলেনি। ’২৪-এর গণঅভ্যুথানের শহীদদেরও বাংলাদেশ ভুলবে না।


    মঙ্গলবার (৫ জুলাই) গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তিতে জাতির উদ্দেশে বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।


    তারেক রহমান বলেন, ৫ আগস্ট। আজ থেকে ঠিক একবছর আগে ২০২৪ সালের এই দিনে ফ্যাসিস্ট বাংলাদেশ ছেড়ে পালিয়েছে। রাহুমুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ। স্বাধীনতা প্রিয় গণতন্ত্র প্রিয় জনগণের জন্য দিনটি আনন্দের। দিনটি বিজয়ের। রাহুমুক্ত বাংলাদেশের এই দিনটিকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে। তাঁবেদারমুক্ত বাংলাদেশের জনগণ প্রতিবছর এ দিনটিকে স্বাধীনভাবে সানন্দে সরকারি ছুটির দিন হিসেবে উপভোগ করবে। স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার চর্চার নতুন অঙ্গীকারে উদ্বুদ্ধ হবে।


    তিনি বলেন, একুশ শতকের এই বাংলাদেশে পলাতক স্বৈরাচার এক বিভীষিকার রাজত্ব কায়েম করেছিল। গুম-খুন, অপহরণ, হামলা-মামলা, নির্যাতন, নিপীড়নকে সাধারণ এবং স্বাভাবিক ঘটনায় রূপান্তর করেছিল। এই ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে দেড় দশকের বেশি সময় ধরে চলা আন্দোলনের সময় বিএনপিসহ ভিন্ন দল ও মতের গণতন্ত্রের পক্ষের শক্তির লাখো কোটি নেতাকর্মীর জন্য দেশকে নরকে পরিণত করে রাখা হয়েছিল। শত শত মিথ্যা মামলার কারণে ভিন্ন দল এবং মতের লাখ লাখ নেতাকর্মী সমর্থককে ঘরবাড়ি ছাড়া করে দেওয়া হয়েছিল। অনেকের পারিবারিক বন্ধন ছিন্ন হয়ে গেছে।


    বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, গণতন্ত্রকামী মানুষের কণ্ঠ রুদ্ধ করতে পলাতক স্বৈরাচারের নির্দেশে দেশে শত শত গোপন বন্দিখানা ‘আয়নাঘর’ বানানো হয়েছিল। সেই আয়নাঘরের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে জলজ্যান্ত মানুষকে দিনের পর দিন রাতের পর রাত বছরের পর বছর আটকে রাখা হতো। অনেককে চিরতরে গায়েব করে দেওয়া হয়েছে। বিএনপির সাবেক এমপি ইলিয়াস আলী কিংবা কমিশনার চৌধুরী আলমের আজও খোঁজ মেলেনি।


    তিনি বলেন, বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশনসহ দেশের সব সাংবিধানিক বিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানকে অকার্যকর করে দেওয়া হয়েছিল। সংবিধান উপেক্ষা করে মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়ে নির্বাচনী ব্যবস্থাকে প্রহসনে পরিণত করা হয়েছিল। দেশকে চিরতরে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে বিনষ্ট করার সব আনুষ্ঠানিকতা প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছিল। বই, খাতা, কলমের পরিবর্তে রাজনীতির নামে শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল লগি-বৈঠা-হাতুড়ি-চাপাতি।


    তিনি বলেন, বিপর্যস্ত করে দেওয়া হয়েছিল দেশের অর্থনীতি। ব্যাংকগুলোকে দেউলিয়া করে ফেলা হয়েছিল। দেশ থেকে ২৮ লাখ কোটি টাকা পাচার করে দেওয়া হয়েছে। অন্যায় অনিয়ম অনাচার দুরাচার লুটপাট দৈনন্দিন চিত্র হয়ে উঠেছিল। দেশে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছিল ব্যক্তিতন্ত্র।


    তারেক রহমান বলেন, তবে ফ্যাসিস্টের শেষ রক্ষা হয়নি। দেশের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ, ছাত্র-জনতা, কৃষক-শ্রমিক, রিকশাওয়ালা, মুটে মজুর, গার্মেন্টস কর্মী, হোটেল-রেস্তোরাঁ কর্মী, পরিবহন শ্রমিক, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী, সংস্কৃতিকর্মী, গৃহবধূ, নারী-শিশু এমনকি আমাদের মায়েরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে রাজপথে নেমে এসেছিল। গণঅভ্যুত্থান দমন করতে হেলিকপ্টার থেকে গুলি করে মানুষ হত্যা করা হয়েছিল। কোলের শিশু, শহীদ আবু সাঈদ, ওয়াসিম, মুগ্ধ, আমাদের এসব সাহসী সন্তানকে বুকে গুলি করে শহীদ করে দেওয়া হয়েছিল।


    তিনি বলেন, শুধু ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানেই দেড় হাজারের বেশি মানুষ শহীদ হয়েছেন। ছাত্র-জনতা, কৃষক-শ্রমিক, নারী-শিশু-বৃদ্ধ, সাংবাদিক, শ্রমজীবী, পেশাজীবী, ফ্যাসিস্টের গুলির নিশানা থেকে কাউকেই রেহাই দেওয়া হয়নি। এই অভ্যুত্থানে আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৩০ হাজার মানুষ। হাত-পা শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ হারিয়ে আমাদের শত শত সন্তান, শত শত ভাই ও বোনেরা চিরতরে পঙ্গু হয়ে গেছেন কিংবা চোখ হারিয়ে আজীবনের জন্য অন্ধ হয়ে গেছেন।


    তিনি আরও বলেন, এ জন্য আমি বলি, ১৯৭১ সাল ছিল স্বাধীনতা অর্জনের যুদ্ধ। আর ২০২৪ সালে ছিল স্বাধীনতা রক্ষার যুদ্ধ। ’৭১ সালের শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের বাংলাদেশ ভোলেনি। ’২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের শহীদদেরও বাংলাদেশ ভুলবে না। ’৭১ সাল থেকে আজ পর্যন্ত দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা অর্জন, স্বাধীনতা রক্ষা, স্বৈরাচার এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলন এভাবে ইতিহাসের প্রতিটি বাঁকে লাখো মানুষ শহীদ হয়েছেন। আজকের এই দিনে আমি আবারও সব শহীদের অবদানকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি। আহতদের দ্রুত আরোগ্য লাভের জন্য আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করছি।


    ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা এবং অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য নিজের জীবন বিলিয়ে দিয়ে শহীদরা আমাদের ঋণী করে গেছেন। এবার শহীদের প্রতি আমাদের ঋণ পরিশোধের পালা। শহীদদের পরিবারের কাছে বাংলাদেশ ঋণী। দেশে জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করে সাম্য মানবিক মর্যাদা সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি ইনসাফভিত্তিক গণতান্ত্রিক মানবিক বাংলাদেশ গঠনের মাধ্যমেই আমরা শহীদদের প্রতি ঋণ পরিশোধ করতে পারি।


    তিনি বলেন, একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার প্রথম এবং রাজনৈতিক উদ্যোগ হচ্ছে জনগণের সরাসরি ভোটে জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক একটি রাষ্ট্র এবং সরকার প্রতিষ্ঠা। জনগণের কাছে দায়বদ্ধ একটি সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কাজ করছে।


    তিনি আরও বলেন, যারা কৌশলে ফ্যাসিবাদী শাসনের সঙ্গে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তুলনা করতে চান, তাদের স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলতে চাই, ৫ আগস্ট বাংলাদেশে যা ঘটেছে, এটি শুধু বাংলাদেশ নয় বিশ্বের ইতিহাসেও মনে হয় নজিরবিহীন। ৫ আগস্ট গণভবন ছেড়ে ফ্যাসিস্ট পালিয়েছে। সংসদ ভবন রেখে সাংসদ পালিয়েছে। আদালত ছেড়ে প্রধান বিচারপতি পালিয়েছে। বায়তুল মোকাররম ছেড়ে প্রধান খতিব পালিয়েছে। ক্যাবিনেট ছেড়ে মন্ত্রীরা পালিয়েছে। ফ্যাসিস্টের দোসররা গা ঢাকা দিয়েছে। তবে উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে, পলাতক এই ফ্যাসিস্ট চক্রের মনে এখনো কোনো অনুতাপ অনুশোচনা নেই।


    তারেক রহমান বলেন, হাজারো শহীদের রক্তস্নাত রাজপথে ফ্যাসিবাদবিরোধী অভূতপূর্ব জাতীয় ঐক্য গড়ে উঠেছে। বাংলাদেশে আর কখনোই ফ্যাসিবাদ কায়েম হবে না, কাউকে গণতন্ত্র হত্যা করার সুযোগ দেওয়া হবে না, বাংলাদেশকে আর কখনোই তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে দেওয়া হবে না। আমি মনে করি, এসব প্রশ্নে জাতীয় ঐক্য বহাল আছে, থাকবে।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      জুলাই ঘোষণাপত্র অনুষ্ঠানে যাবেন না হান্নান মাসউদ, ভিন্ন কারণে বর্জন ছাত্র ফেডারেশনেরও

      অনলাইন ডেস্ক
      ৫ আগস্ট, ২০২৫ ১০:৫৪
      অনলাইন ডেস্ক
      জুলাই ঘোষণাপত্র অনুষ্ঠানে যাবেন না হান্নান মাসউদ, ভিন্ন কারণে বর্জন ছাত্র ফেডারেশনেরও

      আজ মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউতে অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্যোগে ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ প্রকাশ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। কিন্তু এই অনুষ্ঠান বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে’ সক্রিয় ভূমিকা পালন করা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ এবং ছাত্র সংগঠন ছাত্র ফেডারেশন।


      মঙ্গলবার রাত ২টার দিকে নিজের ফেসবুক পোস্টে হান্নান মাসউদ লিখেছেন, ‘জুলাই ঘোষণাপত্র প্রদান অনুষ্ঠানে দাওয়াতের কার্ড পেলাম। শুনেছি এই সরকার জুলাই অভ্যুত্থানের লেজিটিমেট বডি ১৫৮ জন সমন্বয়ক, সহ-সমন্বয়ককে দাওয়াত দিতে পারেনি, হয়তো কতগুলা আসন বসাবে কিন্তু ১৫৮ জনের জন্যে জায়গা হবে না।’


      তিনি আরও লেখেন, ‘জানিনা এই চেয়ারগুলোতে শহীদ পরিবারের জায়গা হবে কি না! যাদের সাহসিকতা আর নেতৃত্বে এই অভ্যুত্থান আর এই সরকারের কাছে, বছর না পেরোতেই তারা মূল্যহীন। আমার সহযোদ্ধা, যারা মৃত্যুকে পরোয়া না করে হাসিনার পতনের আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে— তারা এবং সকল শহীদ পরিবার তাদের প্রাপ্য সম্মান না পেলে, আমি আব্দুল হান্নান মাসউদ ব্যক্তিগতভাবে আগামীকালকের জুলাই ঘোষণাপত্রের প্রোগ্রাম বর্জন করার ঘোষণা দিচ্ছি।’


      এদিকে সোমবার (৪ আগস্ট) রাত দশটার দিকে ছাত্র ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সৈকত আরিফ জানান, তারা অনুষ্ঠান বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।


      তিনি বলেন, ‘অভ্যুত্থানের এক বছর পেরিয়ে গেলেও সরকার এখনো শহীদদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করতে পারেনি। আহত ও শহীদ পরিবারগুলোর যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে। এর ফলে তাদের এই উদযাপন আয়োজনের নৈতিক অধিকার আমরা মানি না।’


      আরও বলেন, ‘দ্বিতীয়ত, জুলাই ঘোষণাপত্র নিয়ে সরকার ছাত্র সংগঠনের সাথে কোনো আলোচনা করেনি। এমনকি গত ১ বছরে ছাত্র সংগঠনের সাথে কোনো বৈঠকই করেনি। বরং তারা বৈষম্য বিরোধীদের একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীকেই অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব আকারে চিহ্নিত করে বাকি ছাত্র সংগঠনগুলোর প্রতি অন্যায় করেছে, যা একইসাথে অন্তবর্তী সরকারের নিরপেক্ষতা ক্ষুণ্ন করেছে। তাই আমরা আগামীকাল যাচ্ছি না।’


      ছাত্র ফেডারেশন বলছে, তারা ছিল অভ্যুত্থানে সক্রিয় ছাত্র সংগঠনগুলোর অন্যতম।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠের অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন মির্জা ফখরুল

        অনলাইন ডেস্ক
        ৫ আগস্ট, ২০২৫ ১০:৪১
        অনলাইন ডেস্ক
        জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠের অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন মির্জা ফখরুল

        অন্তবর্তীকালীন সরকারের পক্ষ থেকে বহুল প্রত্যাশিত জুলাই ঘোষণাপত্র অবশেষে প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে এই ঘোষণাপত্র পাঠ করবেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।


        ঘোষণাপত্র পাঠের এই অনুষ্ঠানে বিএনপি অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল সেখানে উপস্থিত থাকবেন।


        সোমবার রাতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দলের মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।


        তিনি জানান, ‘মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে থাকবেন স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান ও সালাহউদ্দিন আহমেদ।’


        এর আগে বিকেলে অন্তবর্তীকালীন সরকারের পক্ষ থেকে বিএনপিকে অনুষ্ঠানটিতে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          ‘জুলাই ঘোষণাপত্র সংবিধানে যুক্ত না করলে ফ্যাসিবাদ আবার আসবে’

          অনলাইন ডেস্ক
          ৫ আগস্ট, ২০২৫ ১০:৩০
          অনলাইন ডেস্ক
          ‘জুলাই ঘোষণাপত্র সংবিধানে যুক্ত না করলে ফ্যাসিবাদ আবার আসবে’

          বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর এডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন বলেছেন, ‘জুলাই ঘোষণাপত্র সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে ফ্যাসিবাদের পথ বন্ধ করতে হবে। জাতিকে সান্ত্বনা দেওয়ার জন্য শুধুমাত্র জুলাই ঘোষণাপত্রের এক টুকরো কাগজ উপস্থাপন করা হলে জুলাইয়ের চেতনা বাস্তব রূপ লাভ করতে পারবে না। ফ্যাসিবাদ একেক রূপে ফিরে আসবে।’


          সোমবার (৪ আগস্ট) ন্যাশনাল ফিজিওথেরাপি ফোরামের (এনপিএফ) আয়োজনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। তিনি অভিযোগ করেন, ‘আধিপত্যবাদের দোসর ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর একটি দল আওয়ামী লীগের শূন্যস্থান পূরণ করতে ভারতের খপ্পরে পড়ে জুলাই চেতনার বিপক্ষে ভূমিকা রাখছে।’


          ভারতের প্রভাব নিয়ে সতর্ক করে ড. হেলাল বলেন, ‘যারাই ভারতের খপ্পরে পড়বে, তাদেরকেই ভারতে পাড়ি জমাতে হবে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব যারা বিশ্বাস করে তারা কখনো দেশ ছেড়ে বিদেশে চলে যেতে পারে না।’


          তিনি আরও বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামী বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র চললেও দলটির কোনো নেতাকর্মী কখনো বাংলাদেশ ছেড়ে পালিয়ে যায়নি বা বিদেশে বসে রাজনীতি করেনি। জামায়াতে ইসলামী সবসময় জনগণের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে রাজপথে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছে।’


          জামায়াতের অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যতিত পৃথিবীর কোথাও জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের কোনো ঠিকানা নেই। জামায়াতে ইসলামী স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বে বিশ্বাসী, এজন্য নেতাকর্মীরা এদেশের অতন্দ্রী প্রহরী হিসেবে কাজ করছে। জামায়াত ক্ষমতায় গেলে দেশপ্রেমিক, সচেতন সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে বৈষম্যহীন, কল্যাণমুখী ও মানবিক বাংলাদেশ গঠন করা হবে।’


          সভায় সভাপতিত্ব করেন এনপিএফ ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সভাপতি ডা. এস এম কামাল হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন কর্মপরিষদ সদস্য মো. আব্দুল হাই এবং গুলিবিদ্ধ জুলাই যোদ্ধা ইয়াছির আলী।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত