ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

জামায়াত আমিরের হৃদযন্ত্রে অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন

অনলাইন ডেস্ক
২ আগস্ট, ২০২৫ ১৩:১৬
অনলাইন ডেস্ক
জামায়াত আমিরের হৃদযন্ত্রে অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা.শফিকুর রহমানের হৃদযন্ত্রে অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ওপেন হার্ট সার্জারি সম্পন্ন হয় জামায়াত আমিরের। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ডা. জাহাঙ্গীর।


তিনি জানান, ওপেন হার্ট সার্জারি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।৪টি বাইপাস করা হয়েছে।সাত দিনের মধ্যে বাসায় ফিরতে পারবেন জামায়াত আমির।


এর আগে শনিবার পৌনে ৭টার দিকে ডা. শফিকুর রহমানকে অপারেশন থিয়েটারে নেয়া হয়। সেখানে সাড়ে ৮টার দিকে তার অপারেশন শুরু হয়। চার ঘণ্টার বেশি সময় লাগতে পারে বলে চিকিৎসকরা আভাস দিয়েছিলেন।


তার আগে শুক্রবার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, দলের আমির ডা. শফিকুর রহমানের ওপেন হার্ট সার্জারি করা হবে শনিবার। এ দিন সকাল সাড়ে সাতটার দিকে তাকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়া হবে। রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে বিশিষ্ট চিকিৎসক জাহাঙ্গীর কবিরের তত্ত্বাবধানে একটি টিম তার এই চিকিৎসার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে।


জামায়াত আমিরের হৃদযন্ত্রে অস্ত্রোপচার শুরুজামায়াত আমিরের হৃদযন্ত্রে অস্ত্রোপচার শুরু

এনজিওগ্রামে তার হার্টের আর্টারিতে কম বেশি ৬টার মত ব্লক ধরা পড়েছে। এরমধ্যে তিনটি ব্লক খুব বেশি ৮৬ শতাংশ পর্যন্ত। আর কিছু ব্লক আছে ৬০ শতাংশের মত। তার চিকিৎসা সফলতা ও সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করা হয়েছিল।


শুক্রবার জামায়াত আমিরের খোঁজ নিতে হাসপাতালে যান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান, আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক এবং জামায়াতের শহীদ নেতাদের পরিবারের সদস্যরা। তারা ডা. শফিকুর রহমানের অসুস্থতার খোঁজখবর নেন এবং মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করেছেন। জামায়াতের ফেসবুক পেজে দেয়া এক পোস্টে এই তথ্য জানানো হয়েছে।


প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    বিএনপি ক্ষমতায় গেলে সবার পরামর্শে দেশ চালাবে : নজরুল ইসলাম

    অনলাইন ডেস্ক
    ১ আগস্ট, ২০২৫ ২০:২৬
    অনলাইন ডেস্ক
    বিএনপি ক্ষমতায় গেলে সবার পরামর্শে দেশ চালাবে : নজরুল ইসলাম

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, আগামী দিনে বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতা পেলে সবার পরামর্শ নিয়ে দেশ পরিচালনা করবে। দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করবে।


    শুক্রবার (১ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চট্টগ্রামের হাটজারীতে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সাবেক আমির মরহুম আল্লামা আহমেদ শাহ শফি ও আল্লামা জুনায়েদ বাবু নগরীর কবর জিয়ারতে গিয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।


    এ সময় তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৬ বছরের সংগ্রাম আর ২০২৪-এর জুলাই-আগস্টের অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আমাদের একটি দাবি আদায় হয়েছে। সেটি হলো- বাংলাদেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়েছে। সবচেয়ে বেশি শহীদ, সবচেয়ে বেশি বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার, সবচেয়ে বেশি মামলা-হামলার শিকার বিএনপি হয়েছে। কিন্তু বিএনপি সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এই লড়াই-সংগ্রাম চালিয়ে গেছে।


    তিনি আরও বলেন, আমাদের মূল দাবি ছিল দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা- এটা এখনো অসম্পূর্ণ আছে। এর জন্য বিভিন্ন আলোচনার পর্যালোচনা চলছে। কিছু সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা চলছে। এর জন্য ঐকমত্য কমিশনও গঠন করা হয়েছে। জুলাই সনদের ব্যাপারে আমরা মতামত দিয়েছি। ফলে নির্বাচনের পথে আর বাধা আছে বলে আমরা মনে করি না। আমরা আশা করি, সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয় নিয়ে একটা দিকনির্দেশনা আসবে।


    এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, জুলাইয়ের জাতীয় সনদ-২০২৫ এর একটা কসরা ড্রাফ জাতীয় ঐকমত্য কমিশন থেকে সব দলের কাছে পাঠানো হয়েছে। সেগুলো বাস্তবায়নের জন্য দুই বছরের সময়সীমা একটা প্রস্তাব করেছে। সেখানে আমরা সংশোধন করে ড্রাফটা ঐকমত্য কমিশনে জমা দিয়েছি।


    চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে অবস্থিত দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদ্রাসা হেফাজতে ইসলামের মূলকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। শুক্রবার সেখানে মাদ্রাসা পরিচালকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ, জুমার নামাজ আদায় ও কবর জিয়ারতে যান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান ও সালাহউদ্দিন আহমেদ। এ সময় তাদের সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এবং চট্টগ্রাম জেলা ও উপজেলা নেতাকর্মীরা।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হেফাজতের বিরাট অবদান ছিল : সালাহউদ্দিন

      অনলাইন ডেস্ক
      ১ আগস্ট, ২০২৫ ১৯:৫৬
      অনলাইন ডেস্ক
      ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হেফাজতের বিরাট অবদান ছিল : সালাহউদ্দিন

      বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হেফাজতে ইসলামের বিরাট অবদান ছিল। বাংলাদেশের স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অংশ নেওয়া সকল শক্তি, মতাদর্শের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ রয়েছে। তাদের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ থাকা জরুরি।


      শুক্রবার (১ আগস্ট) হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ্ মুহিবুল্লাহ্ বাবুনগরীর সঙ্গে ফটিকছড়ির আল জামিয়াতুল ইসলামীয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসায় সাক্ষাত শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।


      সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিএনপির চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে আমাদের মুরুব্বি, হেফাজত আমির আল্লামা শাহ্ মুহিবুল্লাহ্ বাবুনগরীর স্বাস্থ্যের খোঁজ খবর নিতে এসেছি। কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশে নয়।


      ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন পেছানোর কোনো সুযোগ নেই জানিয়ে সালাহউদ্দিন বলেন, অনেকেই নির্বাচন পেছানোর ষড়যন্ত্র করছে যা জনগণ প্রত্যাখান করবে। আমরা প্রায় সংস্কারে ঐক্যমত পোষণ করেছি কয়েকটি বাদে। জুলাই সনদে আমরা স্বাক্ষর করতে রাজি আছি। নির্বাচন বিলম্ব করে কারা সুযোগ নিতে চায় তাদের জনগণ ভালো ভাবেই চেনে।


      ফটিকছড়িতে ফ্যাসিস্টবিরোধী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দদের উদ্দেশে তিনি বলেন, কেবল ফটিকছড়ি নয়, সমগ্র দেশে যারা ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ছিল তাদের মধ্যে যেন ঐক্যে ফাটল সৃষ্টি না হয়।


      এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহসাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সদ্য সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সরওয়ার আলমগীর ও ফটিকছড়ি উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কর্নেল আজিম উল্লাহ বাহার (অব.)।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        আ. লীগের গেরিলা প্রশিক্ষণের হটস্পট দিল্লি-গোপালগঞ্জ

        অনলাইন ডেস্ক
        ১ আগস্ট, ২০২৫ ১৬:৪০
        অনলাইন ডেস্ক
        আ. লীগের গেরিলা প্রশিক্ষণের হটস্পট দিল্লি-গোপালগঞ্জ

        দেশ এবং দেশের বাইরে থাকা আওয়ামী লীগের বেশকিছু নেতাকর্মী রীতিমতো গেরিলা প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। আর এই প্রশিক্ষণ হয়েছে দিল্লি, কলকাতা ছাড়াও রাজধানী ঢাকা এবং গোপালগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে।


        প্রশিক্ষণ নেওয়া কর্মীদের প্রধান উদ্দেশ্য দেশের মধ্যে বড় ধরনের অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করা এবং হাইকমান্ডের সবুজ সংকেত পাওয়ার পর ঢাকা দখলে নেওয়া। এজন্য মাস্টারপ্ল্যানের অংশ হিসাবে তালিকাভুক্ত হাজার হাজার নেতাকর্মী দেশে ও বিদেশে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। ইতোমধ্যে কোর গ্রুপের একটি বড় অংশ প্রাথমিক প্রশিক্ষণ শেষ করেছেন।


        সম্প্রতি পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া এ চক্রের কয়েকজন সদস্যের কাছ থেকে চাঞ্চল্যকর এমন অনেক তথ্য বেরিয়ে আসছে। সরকারের নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্র যুগান্তরকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।


        সূত্র জানায়, অবাক হওয়ার বিষয় হলো— যারা প্রশিক্ষণ নিয়েছে তাদের একটি অংশ অবসরে যাওয়া সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারি। যারা এখন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। এছাড়া প্রশিক্ষণ নিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বেশকিছু নেতাকর্মীও। প্রশিক্ষণ হয়েছে দিল্লি, কলকাতা ছাড়াও রাজধানী ঢাকা এবং গোপালগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে। চূড়ান্ত সফলতা অর্জনের আগ পর্যন্ত এ প্রশিক্ষণ অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে আওয়ামী লীগের। এরই অংশ হিসাবে ৮ জুলাই রাজধানীর একটি কনভেনশন হলে ৪০০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। ওই প্রশিক্ষণ চলাকালে কনভেনশন সেন্টারে দেওয়া হয় সরকারবিরোধী নানা স্লোগান।


        সূত্র জানায়, কনভেনশন হলে প্রশিক্ষণের তথ্য পেয়ে ১৩ জুলাই রাজধানীর একটি আবাসিক এলাকায় অভিযান চালায় আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার বিভিন্ন ইউনিট। ওই অভিযানে গ্রেফতার করা হয় দুজনকে। 


        এরা হলেন—সোহেল রানা (৪৮) ও শামীমা নাসরিন শম্পা (৪৬)। সোহেল রানার বাবার নাম আব্দুস সোবহান গোলন্দাজ। বাড়ি বরগুনার তালতলী থানার মৌপাড়া গ্রামে। রাজধানীর উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টরে ১৮ নম্বর রোডে তার বাসা। 


        গ্রেফতার শম্পার স্বামী আহাদুজ্জামান একজন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা। বাড়ি গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী থানার বড়াশুর গ্রামে। বাবার বাড়ি ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা থানার বাজরা গ্রামে।


        প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে কী ধরনের আলোচনা হয়েছে—জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গ্রেফতারকৃতরা এ বিষয়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে। এসব তথ্য যাচাই করে দেখা হচ্ছে। 


        তারা জানিয়েছে, ঢাকা দখল করাই ছিল তাদের প্রধান টার্গেট। এজন্য তারা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশের অপেক্ষায় ছিলেন। পরিকল্পনা মোতাবেক শেখ হাসিনার নির্দেশ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সারা দেশ থেকে তালিকাভুক্ত হাজার হাজার নেতাকর্মী একযোগে ঢাকা চলে আসবেন। সবাই সমবেত হবেন রাজধানীর শাহবাগে। শাহবাগ মোড় দখল করে জনমনে আতঙ্ক তৈরিসহ জনগণকে জানান দেওয়া হবে যে-আওয়ামী লীগের কয়েক লাখ লোক ঢাকা দখলে নিয়ে ফেলেছে। প্রশাসনও তাদের সঙ্গে আছে। তাৎক্ষণিকভাবে এর প্রভাব পড়বে সারা দেশে। 


        পরিকল্পনা অনুযায়ী আওয়ামী অধ্যুষিত কয়েকটি জেলাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের লোকজনও মাঠে নামার সাহস দেখাবে। এমন পরিস্থিতিতে বড় ধরনের সংঘাত ও অরাজক পরিস্থিতি বেগবান করার সব প্রস্তুতি আগে থেকে ছক করা থাকবে। এভাবে ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে সক্ষম হলে পরবর্তী পদক্ষেপ হিসাবে শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে দ্রুত ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হবে। ওই সময় পরিস্থিতি ও প্রেক্ষাপট বুঝে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।


        জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ গুলশান বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) কামরুল হাসান যুগান্তরকে বলেন, ‘এটি একটি অনেক বড় কর্মযজ্ঞ। তদন্তের স্বার্থেই এই মুহূর্তে বিষয়টি নিয়ে কিছু বলা যাচ্ছে না। একটু গুছিয়ে নিই। পরে বলব।’ তিনি বলেন, ‘এ ঘটনায় শুধু ডিবি নয়, আরও কয়েকটি সংস্থা কাজ করছে।’


        অপর একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ায় আওয়ামী লীগ তার স্ট্র্যাটেজি পরিবর্তন করেছে। তবে আওয়ামী লীগের এহেন রাষ্ট্রবিরোধী ও সরকারকে ফেলে দেওয়ার নানামুখী চক্রান্তের বিষয় সরকার জানার পর জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারসহ পরিস্থিতি মোকাবিলায় বেশি কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। প্রথমত, পুরো বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি বিশ্বস্ত টিম দিয়ে ফেস করা। দ্বিতীয়ত, জড়িতদের কেউ যাতে পালিয়ে যেতে না পারে সেজন্য পুরো চক্রকে গ্রেফতার না করা পর্যন্ত বিষয়টি গোপন রাখা।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          জামায়াত আমিরের বাইপাস সার্জারি শনিবার

          অনলাইন ডেস্ক
          ১ আগস্ট, ২০২৫ ১৩:৫৫
          অনলাইন ডেস্ক
          জামায়াত আমিরের বাইপাস সার্জারি শনিবার

          আগামীকাল শনিবার ২ আগস্ট বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের বাইপাস সার্জারি করা হবে বলে জানিয়েছেন দলটির সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার।


          জামায়াত আমিরের দ্রুত সুস্থতা এবং সফল অস্ত্রোপচারের জন্য দেশ-বিদেশে অবস্থানরত দলীয় নেতাকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও সর্বস্তরের জনগণের নিকট দোয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মিয়া গোলাম পরওয়ার।


          বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) রাতে এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা জানান।


          অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘প্রিয় রাহবারের সফল অস্ত্রোপচার ও দ্রুত সুস্থতা কামনায় সবাই যার যার অবস্থান থেকে নফল ইবাদতের মাধ্যমে—নফল সালাত, নফল রোজা ও আল্লাহর রাস্তায় দান-সদকার মাধ্যমে দোয়া করুন।’


          তিনি আরও বলেন, ‘আসন্ন জুমার দিনে মসজিদে-মসজিদে দ্বিনি ভাইদের সঙ্গে নিয়ে আমরা দোয়া করতে পারি, যাতে আল্লাহ তা’য়ালা প্রিয় আমিরকে পূর্ণ সুস্থতা ও শক্তি দান করে আবারও দ্বিনের ময়দানে ফিরিয়ে আনেন।’


          ডা. শফিকুর রহমানের হৃৎপিণ্ডের তিনটি প্রধান রক্তনালিতে জটিলতা ধরা পড়ায় চিকিৎসকরা বাইপাস সার্জারির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।


          জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে আমিরের জন্য সবার আন্তরিক দোয়া কামনা করা হয়েছে।


          গত মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে এনজিওগ্রাম করা হয় ডা. শফিকুর রহমানের। চিকিৎসকরা তার হার্টে তিনটি প্রধান রক্তনালিতে ব্লক ধরা পড়ার কথা জানিয়েছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, তার এ অবস্থায় বাইপাস সার্জারি করানোই সবচেয়ে যুক্তিযুক্ত সিদ্ধান্ত হতে পারে।


          এর আগে গত ১৯ জুলাই জাতীয় সমাবেশে হঠাৎ শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে জামায়াত আমিরকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এনজিওগ্রাম ও অন্যান্য পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে তার হার্টে গুরুতর ব্লক ধরা পড়ে।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত