শিরোনাম
ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হেফাজতের বিরাট অবদান ছিল : সালাহউদ্দিন
বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হেফাজতে ইসলামের বিরাট অবদান ছিল। বাংলাদেশের স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অংশ নেওয়া সকল শক্তি, মতাদর্শের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ রয়েছে। তাদের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ থাকা জরুরি।
শুক্রবার (১ আগস্ট) হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ্ মুহিবুল্লাহ্ বাবুনগরীর সঙ্গে ফটিকছড়ির আল জামিয়াতুল ইসলামীয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসায় সাক্ষাত শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিএনপির চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে আমাদের মুরুব্বি, হেফাজত আমির আল্লামা শাহ্ মুহিবুল্লাহ্ বাবুনগরীর স্বাস্থ্যের খোঁজ খবর নিতে এসেছি। কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশে নয়।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন পেছানোর কোনো সুযোগ নেই জানিয়ে সালাহউদ্দিন বলেন, অনেকেই নির্বাচন পেছানোর ষড়যন্ত্র করছে যা জনগণ প্রত্যাখান করবে। আমরা প্রায় সংস্কারে ঐক্যমত পোষণ করেছি কয়েকটি বাদে। জুলাই সনদে আমরা স্বাক্ষর করতে রাজি আছি। নির্বাচন বিলম্ব করে কারা সুযোগ নিতে চায় তাদের জনগণ ভালো ভাবেই চেনে।
ফটিকছড়িতে ফ্যাসিস্টবিরোধী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দদের উদ্দেশে তিনি বলেন, কেবল ফটিকছড়ি নয়, সমগ্র দেশে যারা ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ছিল তাদের মধ্যে যেন ঐক্যে ফাটল সৃষ্টি না হয়।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহসাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সদ্য সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সরওয়ার আলমগীর ও ফটিকছড়ি উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কর্নেল আজিম উল্লাহ বাহার (অব.)।
আ. লীগের গেরিলা প্রশিক্ষণের হটস্পট দিল্লি-গোপালগঞ্জ
দেশ এবং দেশের বাইরে থাকা আওয়ামী লীগের বেশকিছু নেতাকর্মী রীতিমতো গেরিলা প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। আর এই প্রশিক্ষণ হয়েছে দিল্লি, কলকাতা ছাড়াও রাজধানী ঢাকা এবং গোপালগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে।
প্রশিক্ষণ নেওয়া কর্মীদের প্রধান উদ্দেশ্য দেশের মধ্যে বড় ধরনের অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করা এবং হাইকমান্ডের সবুজ সংকেত পাওয়ার পর ঢাকা দখলে নেওয়া। এজন্য মাস্টারপ্ল্যানের অংশ হিসাবে তালিকাভুক্ত হাজার হাজার নেতাকর্মী দেশে ও বিদেশে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। ইতোমধ্যে কোর গ্রুপের একটি বড় অংশ প্রাথমিক প্রশিক্ষণ শেষ করেছেন।
সম্প্রতি পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া এ চক্রের কয়েকজন সদস্যের কাছ থেকে চাঞ্চল্যকর এমন অনেক তথ্য বেরিয়ে আসছে। সরকারের নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্র যুগান্তরকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
সূত্র জানায়, অবাক হওয়ার বিষয় হলো— যারা প্রশিক্ষণ নিয়েছে তাদের একটি অংশ অবসরে যাওয়া সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারি। যারা এখন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। এছাড়া প্রশিক্ষণ নিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বেশকিছু নেতাকর্মীও। প্রশিক্ষণ হয়েছে দিল্লি, কলকাতা ছাড়াও রাজধানী ঢাকা এবং গোপালগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে। চূড়ান্ত সফলতা অর্জনের আগ পর্যন্ত এ প্রশিক্ষণ অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে আওয়ামী লীগের। এরই অংশ হিসাবে ৮ জুলাই রাজধানীর একটি কনভেনশন হলে ৪০০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। ওই প্রশিক্ষণ চলাকালে কনভেনশন সেন্টারে দেওয়া হয় সরকারবিরোধী নানা স্লোগান।
সূত্র জানায়, কনভেনশন হলে প্রশিক্ষণের তথ্য পেয়ে ১৩ জুলাই রাজধানীর একটি আবাসিক এলাকায় অভিযান চালায় আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার বিভিন্ন ইউনিট। ওই অভিযানে গ্রেফতার করা হয় দুজনকে।
এরা হলেন—সোহেল রানা (৪৮) ও শামীমা নাসরিন শম্পা (৪৬)। সোহেল রানার বাবার নাম আব্দুস সোবহান গোলন্দাজ। বাড়ি বরগুনার তালতলী থানার মৌপাড়া গ্রামে। রাজধানীর উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টরে ১৮ নম্বর রোডে তার বাসা।
গ্রেফতার শম্পার স্বামী আহাদুজ্জামান একজন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা। বাড়ি গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী থানার বড়াশুর গ্রামে। বাবার বাড়ি ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা থানার বাজরা গ্রামে।
প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে কী ধরনের আলোচনা হয়েছে—জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গ্রেফতারকৃতরা এ বিষয়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে। এসব তথ্য যাচাই করে দেখা হচ্ছে।
তারা জানিয়েছে, ঢাকা দখল করাই ছিল তাদের প্রধান টার্গেট। এজন্য তারা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশের অপেক্ষায় ছিলেন। পরিকল্পনা মোতাবেক শেখ হাসিনার নির্দেশ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সারা দেশ থেকে তালিকাভুক্ত হাজার হাজার নেতাকর্মী একযোগে ঢাকা চলে আসবেন। সবাই সমবেত হবেন রাজধানীর শাহবাগে। শাহবাগ মোড় দখল করে জনমনে আতঙ্ক তৈরিসহ জনগণকে জানান দেওয়া হবে যে-আওয়ামী লীগের কয়েক লাখ লোক ঢাকা দখলে নিয়ে ফেলেছে। প্রশাসনও তাদের সঙ্গে আছে। তাৎক্ষণিকভাবে এর প্রভাব পড়বে সারা দেশে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী আওয়ামী অধ্যুষিত কয়েকটি জেলাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের লোকজনও মাঠে নামার সাহস দেখাবে। এমন পরিস্থিতিতে বড় ধরনের সংঘাত ও অরাজক পরিস্থিতি বেগবান করার সব প্রস্তুতি আগে থেকে ছক করা থাকবে। এভাবে ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে সক্ষম হলে পরবর্তী পদক্ষেপ হিসাবে শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে দ্রুত ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হবে। ওই সময় পরিস্থিতি ও প্রেক্ষাপট বুঝে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ গুলশান বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) কামরুল হাসান যুগান্তরকে বলেন, ‘এটি একটি অনেক বড় কর্মযজ্ঞ। তদন্তের স্বার্থেই এই মুহূর্তে বিষয়টি নিয়ে কিছু বলা যাচ্ছে না। একটু গুছিয়ে নিই। পরে বলব।’ তিনি বলেন, ‘এ ঘটনায় শুধু ডিবি নয়, আরও কয়েকটি সংস্থা কাজ করছে।’
অপর একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ায় আওয়ামী লীগ তার স্ট্র্যাটেজি পরিবর্তন করেছে। তবে আওয়ামী লীগের এহেন রাষ্ট্রবিরোধী ও সরকারকে ফেলে দেওয়ার নানামুখী চক্রান্তের বিষয় সরকার জানার পর জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারসহ পরিস্থিতি মোকাবিলায় বেশি কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। প্রথমত, পুরো বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি বিশ্বস্ত টিম দিয়ে ফেস করা। দ্বিতীয়ত, জড়িতদের কেউ যাতে পালিয়ে যেতে না পারে সেজন্য পুরো চক্রকে গ্রেফতার না করা পর্যন্ত বিষয়টি গোপন রাখা।
জামায়াত আমিরের বাইপাস সার্জারি শনিবার
আগামীকাল শনিবার ২ আগস্ট বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের বাইপাস সার্জারি করা হবে বলে জানিয়েছেন দলটির সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার।
জামায়াত আমিরের দ্রুত সুস্থতা এবং সফল অস্ত্রোপচারের জন্য দেশ-বিদেশে অবস্থানরত দলীয় নেতাকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও সর্বস্তরের জনগণের নিকট দোয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মিয়া গোলাম পরওয়ার।
বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) রাতে এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা জানান।
অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘প্রিয় রাহবারের সফল অস্ত্রোপচার ও দ্রুত সুস্থতা কামনায় সবাই যার যার অবস্থান থেকে নফল ইবাদতের মাধ্যমে—নফল সালাত, নফল রোজা ও আল্লাহর রাস্তায় দান-সদকার মাধ্যমে দোয়া করুন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আসন্ন জুমার দিনে মসজিদে-মসজিদে দ্বিনি ভাইদের সঙ্গে নিয়ে আমরা দোয়া করতে পারি, যাতে আল্লাহ তা’য়ালা প্রিয় আমিরকে পূর্ণ সুস্থতা ও শক্তি দান করে আবারও দ্বিনের ময়দানে ফিরিয়ে আনেন।’
ডা. শফিকুর রহমানের হৃৎপিণ্ডের তিনটি প্রধান রক্তনালিতে জটিলতা ধরা পড়ায় চিকিৎসকরা বাইপাস সার্জারির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে আমিরের জন্য সবার আন্তরিক দোয়া কামনা করা হয়েছে।
গত মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে এনজিওগ্রাম করা হয় ডা. শফিকুর রহমানের। চিকিৎসকরা তার হার্টে তিনটি প্রধান রক্তনালিতে ব্লক ধরা পড়ার কথা জানিয়েছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, তার এ অবস্থায় বাইপাস সার্জারি করানোই সবচেয়ে যুক্তিযুক্ত সিদ্ধান্ত হতে পারে।
এর আগে গত ১৯ জুলাই জাতীয় সমাবেশে হঠাৎ শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে জামায়াত আমিরকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এনজিওগ্রাম ও অন্যান্য পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে তার হার্টে গুরুতর ব্লক ধরা পড়ে।
সমাবেশে যোগ দিতে ২০ কোচের ট্রেন ভাড়া করেছে ছাত্রদল
রাজধানীর শাহবাগে আগামী ৩ আগস্ট শনিবার ছাত্র সমাবেশের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। সমাবেশে চট্টগ্রাম থেকে ছাত্রদের আনতে ২০ কোচের একটি বিশেষ ট্রেন ভাড়া করেছে ছাত্রদল। ট্রেনটি চট্টগ্রাম থেকে সমাবেশ শুরুর আগে ঢাকায় এসে আবার সমাবেশ শেষে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যাবে।
বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপকের কার্যালয় থেকে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে একটি জরুরি তারবার্তায় বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজার ঢাকা ও চট্টগ্রামকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ওই তারবার্তায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল চট্টগ্রাম মহানগরের চাহিদার প্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম-ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে পিএইচটি টাইপ কোচ দিয়ে একজোড়া স্পেশাল ট্রেন পরিচালনা করা হবে।
আরও বলা হয়, ট্রেনে মোট কোচ থাকবে ২০টি। এসব কোচে মোট আসন থাকবে এক হাজার ১২৬টি।
ট্রেনটি ৩ আগস্ট সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে ঢাকায় পৌঁছাবে দুপুর একটা ১৫ মিনিটে। এবং ঢাকা থেকে সন্ধ্যা ৭টায় ছেড়ে ট্রেনটির আবার চট্টগ্রাম পৌঁছাবে ৪ আগস্ট রাত ১টায়।
তারবার্তায় আরও বলা হয়, বিশেষ ট্রেন পরিচালনার আগে বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা চট্টগ্রাম রেলওয়ের বিধি মোতাবেক ভাড়া ও আনুষঙ্গিক সকল চার্জ আদায়ের ব্যবস্থা করবেন। বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা, চট্টগ্রাম সময়সূচী অনুযায়ী রেক গঠন ও ট্রেন পরিচালনার ব্যবস্থা করবেন।
এছাড়া ট্রেনের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ও যাবতীয় পরিচর্যার ব্যবস্থা করতে; ইঞ্জিন ও ক্রু সরবরাহের ব্যবস্থা করতে; ট্রেনের পাওয়ার কার ও বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের ব্যবস্থা করতে এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার জন্য ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে আরএনবির ব্যবস্থা করতে সংশ্লিষ্ট বিভাগকে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
এখন বিএনপির নির্বাচন দাবির যৌক্তিকতা প্রমাণ হচ্ছে : মির্জা ফখরুল
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গত বছরের ৭ আগস্ট সমাবেশ থেকে তিন-মাসের মধ্যে নির্বাচন চেয়েছিলাম, তখন সমালোচনা করা হয়েছিল। কিন্তু এখন বিএনপির নির্বাচন দাবির যৌক্তিকতা প্রমাণ হচ্ছে।
আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে ঐতিহাসিক জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আলোচনাসভায় অংশ নিয়ে তিনি এসব বলেন।
মৌলিক সংস্কার করে লন্ডন বৈঠকের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচন হলে দ্বিধা কেটে যাবে বলেও মন্তব্য করেন মির্জা ফখরুল।
তিনি বলেন, ‘ম্যাজিকাল দেশ তৈরি করতে চায় সরকার, কিন্তু তা জনগণের মধ্য থেকে আসুক। কিন্তু সরকারের মধ্যে তা দেখতে পাচ্ছি না।’
সংস্কার নিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘এত সমস্যার মধ্যেও ১২টাতে ঐকমত্য হয়েছে। বাকিগুলোও আশাবাদী।
রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া না হলে তিক্ততা তৈরি হবে। লিমিট থাকা উচিত সবার কথা বলার সময়।’
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য