ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

যারা নির্বাচনকে ভয় পায়, তাদের রাজনীতির দরকার নেই: আমীর খসরু

অনলাইন ডেস্ক
২৮ জুলাই, ২০২৫ ১৬:২
অনলাইন ডেস্ক
যারা নির্বাচনকে ভয় পায়, তাদের রাজনীতির দরকার নেই: আমীর খসরু

যারা নির্বাচনকে ভয় পায়, তাদের রাজনীতির দরকার নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।


রোববার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) ভাসানী জনশক্তি পার্টি ও ভাসানী অনুসারী পরিষদের উদ্যোগে এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। জুলাই বিপ্লবের এক বছর উপলক্ষে এ সভার আয়োজন করা হয়।


আমির খসরু বলেছেন, যারা নির্বাচনকে ভয় পায়, তাদের রাজনীতির দরকার নেই। তারা প্রেসার গ্রুপ হিসেবে কাজ করুক। এনজিও হিসেবে কাজ করতে পারে। আপনি রাজনীতিও করবেন, আবার নির্বাচনেও যাবেন না, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করবেন, এটা তো হতে পারে না।


তিনি বলেন, যেসব দেশে এ ধরনের বিপ্লব হয়েছে এবং সে দেশগুলোর মধ্যে যেখানে নির্বাচনকে বিলম্বিত করার চেষ্টা হয়েছে, সেখানে বিভাজন হয়েছে। গৃহযুদ্ধ হয়েছে। ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। যারা দ্রুত নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রে ফিরে যেতে পেরেছে, তারা আর্থিক, সামাজিক ও গণতান্ত্রিকভাবে ভালো করেছে।


বিএনপির এই নেতা বলেন, আমরা বিভিন্ন দল; সবকিছুতে ঐকমত্য হবে না। জাতীয় বিষয়ে এক থাকতে হবে। কিন্তু রাজনৈতিক আদর্শ, চিন্তা, দর্শন আলাদা। এই বিভেদ না থাকলে তো গণতন্ত্র হবে না। একদলীয় শাসন, বাকশাল করতে বসিনি।


‘ভিন্নমত থাকতে পারে, কিন্তু একে অপরের প্রতি সহনশীল হতে হবে। সাংঘর্ষিক রাজনীতিতে যাওয়া যাবে না। দ্বিমত থাকবে, কিন্তু শ্রদ্ধা থাকতে হবে,’ যোগ করেন তিনি।


আমীর খসরু বলেন, স্বৈরশাসক হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর বাংলাদেশের মানুষের মনস্তত্ত্বে পরিবর্তন এসেছে। যেসব দল ও ব্যক্তি এই পরিবর্তনকে বুঝতে পারছে না, তাদের কোনো রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নেই। পরিবর্তন মানুষকে সঙ্গে নিয়ে আনতে হবে। 

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ওয়াক আউটের পর ফের আলোচনায়

    নির্বাহী বিভাগের কর্তৃত্ব খর্ব করা চলবে না : সালাহউদ্দিন আহমেদ

    অনলাইন ডেস্ক
    ২৮ জুলাই, ২০২৫ ১৪:২৪
    অনলাইন ডেস্ক
    নির্বাহী বিভাগের কর্তৃত্ব খর্ব করা চলবে না : সালাহউদ্দিন আহমেদ

    জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সংলাপ থেকে কিছু সময়ের জন্য ওয়াক আউট করার পর আবার আলোচনায় যোগ দিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, দেশে যেন আর কখনও স্বৈরাচার বা ফ্যাসিবাদ জন্ম নিতে না পারে, সে লক্ষ্যে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগে বিএনপি সর্বোচ্চ সহযোগিতা করে যাচ্ছে। তবে, নির্বাহী বিভাগের ক্ষমতা খর্ব করা হলে রাষ্ট্র পরিচালনায় ভারসাম্য নষ্ট হবে।


    সোমবার (২৮ জুলাই) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর দ্বিতীয় দফার সংলাপের ২০তম দিনে তিনি এসব কথা বলেন।


    সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “আমাদের পক্ষ থেকেই প্রস্তাব ছিল, কেউ যেন ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে না পারেন—সেটি গৃহীত হয়েছে। আমরা আরও প্রস্তাব দিয়েছি নির্বাচন কমিশন গঠনে একটি স্বাধীন সার্চ কমিটি গঠন করা হোক যেখানে সরকারি দল, বিরোধী দল এবং বিচার বিভাগের প্রতিনিধি থাকবে। সেটিও গ্রহণযোগ্য হয়েছে।”


    তিনি আরও বলেন, “আমরাই প্রস্তাব করেছি যে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হলে এবং পরবর্তী সংসদ এখানে কোনো সংশোধনী আনলে তা রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের আগে গণভোটে যেতে হবে। এটি গৃহীত হওয়া মানে দেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য একটি বড় পদক্ষেপ।”


    তবে এসব অগ্রগতির মধ্যেও নির্বাহী বিভাগের ক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, “নির্বাহী বিভাগের জবাবদিহিতা যেমন সংসদের কাছে, তেমনি জনগণের কাছেও রয়েছে। কিন্তু যদি কর্তৃত্ব না থাকে, কেবল দায়িত্ব আর জবাবদিহিতা থাকে, তাহলে তা কার্যকর রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য যথেষ্ট নয়।”


    সাংবিধানিক ও সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানসমূহের নিয়োগে নির্বাহী বিভাগের হাত-পা বাঁধা হলে তা ভবিষ্যতের জন্য বাধা সৃষ্টি করতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।


    “জনগণের প্রত্যাশা পূরণে নির্বাহী বিভাগকে শক্তিশালী হতে হবে, দুর্বল নয়,” বলে মন্তব্য করেন সালাহউদ্দিন।


    বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়, তারা সংলাপে অংশ নিচ্ছে একটি গঠনমূলক লক্ষ্য নিয়ে, তবে যেখানে মৌলিক দ্বিমত রয়েছে, সেখানে অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকা বা মতপার্থক্য প্রকাশ করাও গণতন্ত্রের ভাষা।


    তিনি বলেন, “সব বিষয়ে ঐকমত্য হবে এমন দাবি কেউ করেনি। দ্বিমত থাকবে, ভিন্নমত থাকবে, আর সেগুলোর মধ্য দিয়েই তো গণতন্ত্রের সংগ্রাম এগিয়ে যায়। আমরা মনে করি না যে ‘নোট অব ডিসেন্ট দিয়ে কাউকে ঐকমত্যে বাধ্য করা উচিত। ঐকমত্যের অর্থই হচ্ছে সকলকে সঙ্গে নিয়ে পথচলা। বিএনপি অংশ না নিলে কীভাবে জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হবে, সেটি নিয়েও প্রশ্ন থেকে যায়।”


    বক্তব্য শেষে সালাহউদ্দীন আহমেদ জানান, সংলাপের পরবর্তী পর্যায়ে বিএনপি অংশ নেবে এবং ইতিবাচক আলোচনার জন্য প্রস্তুত থাকবে।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      নতুন সংবিধানের জন্য গণপরিষদ নির্বাচন লাগবে: নাহিদ ইসলাম

      অনলাইন ডেস্ক
      ২৭ জুলাই, ২০২৫ ২০:২৭
      অনলাইন ডেস্ক
      নতুন সংবিধানের জন্য গণপরিষদ নির্বাচন লাগবে: নাহিদ ইসলাম

      জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘আমরা দেশব্যাপী সংস্কারের দাবিতে নেমেছি। নতুন সংবিধানের দাবিতে নেমেছি। নতুন সংবিধানের জন্য একটা গণপরিষদ নির্বাচন লাগবে। যে গণপরিষদ নির্বাচনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ ও অভ্যুত্থানকারী জনতা বাংলাদেশের আগামীর নতুন সংবিধান নির্ধারণ করবে।’


      রোববার (২৯ জুলাই) দুপুরে নেত্রকোনা শহরের মোক্তারপাড়া এলাকায় পুরাতন কালেক্টরেট মাঠে এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।


      নাহিদ বলেন, ‘জুলাই-আগস্টে আমরা বলেছিলাম, এক নতুন বাংলাদেশ বির্নিমাণ করা হবে। আমাদের এক নতুন বন্দোবস্ত লাগবে। পুরোনো সিস্টেমে, পুরোনো আইনে আমরা আর এ বাংলাদেশকে পরিচালিত হতে দেব না। আমরা একটি ন্যায়ভিত্তিক ও জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্র তৈরি করতে চাই। সেখানে শিক্ষা-স্বাস্থ্যসহ সব ক্ষেত্রে মানুষ মানবিক মর্যাদা পাবে। ’


      তিনি আরও বলেন, ‘ ‘ঠিক এক বছর আগে জুলাই মাসে জীবন দিয়ে বাংলাদেশ থেকে শেখ হাসিনাকে উৎখাত করা হয়েছে। শেখ হাসিনা ওআওয়ামী লীগের যেসব নেতারা গণহত্যার সঙ্গে জড়িত তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।’


      নেত্রকোনায় নানাবিধ সমস্যা রয়েছে দাবি করে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, ‘এখানে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবার বেহাল দশাসহ কর্মসংস্থানের অভাব রয়েছে। আমরা এনসিপি এসব সমস্যা দূর করতে চাই। ’

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        সমন্বয়করা বাসায় বাসায় গিয়ে চাঁদাবাজি করছেন : নয়ন

        অনলাইন ডেস্ক
        ২৭ জুলাই, ২০২৫ ১৯:৩৪
        অনলাইন ডেস্ক
        সমন্বয়করা বাসায় বাসায় গিয়ে চাঁদাবাজি করছেন : নয়ন

        রাজধানীর গুলশান এলাকায় আওয়ামী লীগ নেত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য শাম্মী আহমেদের বাসায় চাঁদাবাজি করার অভিযোগে আটক হয়েছেন পাঁচজন। আজ শনিবার রাত ৮টার দিকে তাঁদের গুলশান এলাকা থেকে আটক করা হয়েছে। এই পাঁচজন হলেন মো. রিয়াদ, মো. সিয়াম, মো. সাদাফ, মো. ইব্রাহীম ও মো. আমিনুল। এ ঘটনায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে দেশজুড়ে।


        সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও চলছে সমালোচনা। 

        এদিকে চাঁদাবাজির ঘটনায় কথা বলেছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সদস্যসচিব রবিউল ইসলাম নয়ন। তিনি জানান, ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা চাঁদাবাজি করে বিএনপির ওপর দায় চাপিয়ে দিতে চায়। 

         

        রবিবার গণমাধ্যমের মুখোমুখি হলে এসব কথা বলেন এ যুবনেতা।


        তিনি বলেন, ‘ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা বাসায় বাসায় গিয়ে চাঁদাবাজি করছেন, এটা নতুন কিছু নেই। এটা একটু গ্রুপ যারা সারা বাংলাদেশে চাঁদাবাজি করে, দখলদারি করে এবং সেটাকে বিএনপির ওপর দায়ভার চাপিয়ে দিতে চায় বিভিন্ন সময়।’


        চাঁদাবাজদের পৃষ্ঠপোষকতায় সরকার নীরব রয়েছে জানিয়ে এ যুবনেতা বলেন, ‘আপনারা পুরান ঢাকার একটি ঘটনা দেখেছেন। যেটি ব্যাবসায়িক দ্বন্দের মধ্য দিয়ে ঘটেছে।

        সেটাকে বিএনপির নাম দিয়ে বাংলাদেশে একটা মব সৃষ্টি করে বিএনপির ইমেজ ক্ষুণ্ন করার জন্য ষরযন্ত্র করা হয়েছে, চেষ্টা করা হয়েছে। আপনারা জানেন একটি মিথ্যা ঘটনাকে সামনে এনে বিএনপিকে দায় চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এ রকম গুলশানের মতো একটা সোসাইটিতে বাসার ভেতরে গিয়ে চাঁদাবাজি করছে, সেটা নিয়ে কিন্তু অন্য কোনো দল কখনোই কথা বলছে না। তার মানে এই চাঁদাবাজদের পৃষ্ঠপোষকতায় সরকার নীরব রয়েছে বলে আমরা মনে করছি।’

         

        উল্লেখ্য, গত ১৭ জুলাই গুলশানে আওয়ামী লীগ নেত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য শাম্মী আহমেদের বাসায় গিয়ে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সম্মিলিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আহ্বায়ক কমিটির দুই নেতা রিয়াদ, অপুসহ কয়েকজন।


        সেদিন বাসায় ছিলেন শাম্মী আহমেদের স্বামী। তাঁকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন রিয়াদ, অপুসহ অন্যরা। পরে শাম্মী আহমেদের স্বামী ১০ লাখ টাকা চাঁদাও দেন। গতকাল রাত ৮টার দিকে চাঁদার বাকি টাকা আনতে যান তাঁরা। পুলিশ আগে থেকে এই খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে তাঁদের আটক করে। বাকিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।


        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          কেন্দ্রীয় বাদে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সব কমিটি বাতিল

          অনলাইন ডেস্ক
          ২৭ জুলাই, ২০২৫ ১৮:৩৫
          অনলাইন ডেস্ক
          কেন্দ্রীয় বাদে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সব কমিটি বাতিল

          বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটি বাদে সারা দেশের সব কমিটি স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।


          চাঁদাবাজির দায়ে নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার ইস্যুতে রোববার (২৭ জুলাই) রাজধানীর শাহবাগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।


          সাবেক সমন্বয়ক ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রিফাত রশিদ সন্ধ্যায় এই ঘোষণা দেন।


          তিনি বলেন, গতকালসহ বিগত দিনগুলোর বেশ কয়েকটি ঘটনায় আমরা দেখেছি, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারকে ব্যবহার করে অনেক ধরনের অপকর্ম করার চেষ্টা করা হয়েছে এবং হচ্ছে। কমিটির আত্মপ্রকাশের দিনই আমরা সতর্ক করে দিয়েছিলাম যে, ‘এ ধরনের অপকর্ম বরদাস্ত করা হবে না’। এরপরও বিভিন্ন মহল ও রাজনৈতিক দলগুলোর শেল্টারে অপকর্ম চলছে, তাছাড়া দেখা যাচ্ছে জুলাই যোদ্ধাদের কেউ কেউ বিপথগামী হয়েছে। এই মুহূর্তে বিষয়টি ভিজিবলি নিয়ন্ত্রণ করা আমাদের পক্ষে প্রায় অসম্ভব। তাই অরগানোগ্রামের জরুরি মিটিংয়ে উপস্থিত চারজন সম্মিলিতভাবে একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাহলো বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটি ব্যতীত সারা দেশে সব কমিটির কার্যক্রম আজ (২৭ জুলাই) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্থগিত করা হলো।


          রিফাত রশিদ আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উদ্দেশে বলছি, আজকের এই প্রেস কনফারেন্সের পর থেকে সারা দেশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে যে বা যারা কোনো ধরনের অপকর্ম করার চেষ্টা করবে তাদের বিরুদ্ধে অ্যাকশন নেবেন। এ বিষয়ে আমাদের সহযোগিতা চাইলে আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে সার্বিক সহযোগিতা করব।


          তিনি আরও বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন আগামীতে কীভাবে পরিচালিত হবে সে বিষয়ে শিগগিরই সিদ্ধান্ত জানানো হবে।



          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত