ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

স্থায়ী কমিটির অভিমত

বিএনপিকে ‘বেঁধে ফেলতে’ নতুন সংস্কার প্রস্তাব

অনলাইন ডেস্ক
২৩ জুলাই, ২০২৫ ১৪:৩৮
অনলাইন ডেস্ক
বিএনপিকে ‘বেঁধে ফেলতে’ নতুন সংস্কার প্রস্তাব

বিএনপিকে বেঁধে ফেলতে অন্তর্বর্তী সরকার তথা জাতীয় ঐকমত্য কমিশন সংস্কারের নামে বিভিন্ন নতুন প্রস্তাব সামনে আনছে বলে মনে করে দলটি। বিএনপির অভিমত, গণতন্ত্রের ইতিহাসে দেশে দেশে যেগুলোর নিয়মিত অনুশীলন (রেগুলার প্র্যাকটিস), সেগুলোও কমিশন উপেক্ষা করতে চাচ্ছে। যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ভারতসহ অনেক দেশে দলীয় প্রধান ও প্রধানমন্ত্রী একই ব্যক্তি হওয়ার নজির রয়েছে। বাংলাদেশেও দলের প্রধানই সারাজীবন প্রধানমন্ত্রী হয়ে আসছেন। সুতরাং দলীয় প্রধানের প্রধানমন্ত্রী না হতে পারার প্রস্তাব বিএনপি মানবে না। কমিশন এমন সংস্কার প্রস্তাব করলে তারা জাতীয় সনদে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দেবে।


সোমবার রাতে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এমন আলোচনা ও সিদ্ধান্ত হয় বলে বৈঠক সূত্রে জানা গেছে। অবশ্য গতকাল মঙ্গলবার রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপে ঐকমত্য কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, রাজনৈতিক দলের প্রধান ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না। তবে এ সিদ্ধান্তের সঙ্গে যারা একমত নন, তারা জাতীয় সনদে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দিতে পারবেন।


বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। বৈঠকে দলীয় প্রধানের প্রধানমন্ত্রী হতে পারা না পারা, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য এবং নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।


বিএনপি নেতারা মনে করছেন, রাজনীতিতে ক্রিয়াশীল অন্য দলগুলো অনেক বড় দল নয়। নির্বাচন হলে তাদের ক্ষমতায় যাওয়ার সম্ভাবনাও ক্ষীণ। সেক্ষেত্রে ঐকমত্য কমিশনের সব প্রস্তাব মেনে নিলেও তাদের কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু বিএনপির পক্ষে এ সিদ্ধান্ত (দলীয় প্রধানের প্রধানমন্ত্রী হতে না পারা) মেনে নেওয়া কঠিন। কারণ, বিএনপির একটা লিডারশিপ স্ট্রাকচার এবং সারা দেশে নেতৃত্বের একটা ‘চেইন অব কমান্ড’ আছে। তা ছাড়া নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া দলের সংসদীয় কমিটিই ঠিক করে থাকে কে প্রধানমন্ত্রী হবেন? এখানে কোনো আইনি বাধ্যবাধকতা থাকা উচিত নয়। সংখ্যাগরিষ্ঠতা দলের সংসদীয় কমিটি যদি মনে করে, তারা দলীয় প্রধানকেই প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন করবে, তাহলে গণতান্ত্রিক এ প্রক্রিয়ার সুযোগ বন্ধ করা ঠিক হবে না।


বিএনপির স্থায়ী কমিটির দুজন সদস্য বলেন, বিএনপি বরাবরই সংস্কারের পক্ষে। সেজন্য তারাই প্রথম ২০২২ সালে ৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাব দিয়েছে। সুতরাং প্রয়োজনীয় ও যৌক্তিক সংস্কার তারা চান। তবে বর্তমানে অযৌক্তিক অনেক সংস্কার প্রস্তাব আনা হচ্ছে, যার উদ্দেশ্য বিএনপিকে বেঁধে ফেলা। কারণ, বিএনপি দেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল। অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচন হলে আগামীতে বিএনপিই রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় যাবে, সম্প্রতি বিভিন্ন সংগঠনের জরিপেও সে তথ্য উঠে এসেছে। সুতরাং কোনো অযৌক্তিক সংস্কার প্রস্তাব বিএনপি মানবে না। তাদের যুক্তি, বিশ্বের গণতন্ত্রের সূতিকাগার হিসেবে পরিচিত যুক্তরাজ্যে দলীয় প্রধান ও প্রধানমন্ত্রী একই ব্যক্তি হয়ে থাকেন। এ ছাড়া পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু এবং লাল বাহাদুর শাস্ত্রী ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের প্রধান হিসেবে দেশটির প্রধানমন্ত্রী হন। আমাদের দেশেও দলীয় প্রধানরাই সারাজীবন প্রধানমন্ত্রী হয়ে আসছেন। তা ছাড়া বাংলাদেশে দলীয় প্রধানের পরিচয়েই মূলত সেই দলের প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন। নির্বাচনে বিজয়ের ক্ষেত্রেও দলীয় প্রধানের পরিচয়ই মুখ্য ভূমিকা রাখে।


স্থায়ী কমিটির ওই দুই সদস্য আরও বলেন, আমরা বলেছি, নির্বাচনে বিজয়ী হলে ফ্যাসিবাদবিরোধী যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের নিয়ে জাতীয় সরকার গঠন করব। এর অংশ হিসেবে মিত্রদের মধ্যে আগামী নির্বাচনে আমরা যাদের ধানের শীষের মনোনয়ন দেব, তারা তো বিএনপিপ্রধানের নেতৃত্ব মেনেই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন। সুতরাং দলীয় প্রধানের প্রধানমন্ত্রী হতে না পারার এমন ‘অযৌক্তিক’ প্রস্তাব মানার প্রশ্নই উঠে না।


প্রধানমন্ত্রী, সংসদ নেতা এবং দলীয় প্রধান একই ব্যক্তি হবেন কিনা—এই সংস্কার প্রস্তাব বেশ কয়েকদিন ধরে ঐকমত্য কমিশনের সংলাপে আলোচনায় ছিল। বিএনপি, এলডিপি, লেবার পার্টি, এনডিএম, ১২ দলীয় জোট, জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট এবং আম জনতার দল এ বিষয়ে ভিন্নমত দিয়েছে। তারা মনে করে, একজন ব্যক্তি একসঙ্গে দলীয় প্রধান, প্রধানমন্ত্রী এবং সংসদ নেতা হতে পারেন। বিপরীতে জামায়াতে ইসলামী, এনসিপিসহ বেশিরভাগ দলই দলীয় প্রধানকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের অনুমতি দেওয়ার বিরোধিতা করে। এমন অবস্থায় গতকাল ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে অনুষ্ঠিত ঐকমত্য কমিশন এবং রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় পর্যায়ের সংলাপের ১৭তম দিনে কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ ঘোষণা দেন, রাজনৈতিক দলের প্রধান ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না। তবে এ সিদ্ধান্তের সঙ্গে যারা একমত নন, তারা জাতীয় সনদে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দিতে পারবেন।


সংলাপে অংশ নিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী, সংসদ নেতা এবং দলীয় প্রধান—একই ব্যক্তি হবেন কি না, এ বিষয়ে প্রায় সবাই একমত যে, একই ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা হতে পারেন, তবে দলীয় প্রধান হওয়া নিয়ে কিছু দলের দ্বিমত রয়েছে। তিনি বলেন, আমরা আগেই বলেছি, ৭০ অনুচ্ছেদে যেমন ভিন্নমত (ডিসেন্টিং ভয়েস) রাখার সুযোগ রেখেছি, এটিও সেভাবে রাখা যেতে পারে। আমাদের অবস্থান হলো, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় দলীয় প্রধান প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না—এমন বিধান যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ কোথাও নেই। এটা তার একটি গণতান্ত্রিক অধিকার। পার্লামেন্টারিয়ানরা যাকে চাইবেন, তিনিই হবেন প্রধানমন্ত্রী। দলীয় প্রধান প্রধানমন্ত্রী হবেনই এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই, আবার তাকে প্রধানমন্ত্রিত্ব থেকে বাদ দেওয়ারও কোনো যৌক্তিকতা নেই।


স্থায়ী কমিটির গত বৈঠকের মতো এ বৈঠকেও রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য কেমন হওয়া উচিত, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। দলটি তাদের মধ্যে ক্ষমতার কিছু ভারসাম্য আনতে রাজি আছে। তবে এমন ভারসাম্য চায় না, যেখানে সরকারপ্রধান তথা প্রধানমন্ত্রীর হাতে পর্যাপ্ত ক্ষমতা থাকবে না। স্থায়ী কমিটি মনে করে, সার্বিক বিবেচনায় সংসদীয় গণতন্ত্রে রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য প্রধানমন্ত্রীর হাতে পর্যাপ্ত ক্ষমতা থাকা প্রয়োজন। বিএনপি নেতারা অভিমত দেন, রাষ্ট্রপতির কিছু ক্ষমতা অর্থাৎ স্বাধীন সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে দু-একটি বিষয়ে ক্ষমতা বাড়ানো যেতে পারে। তবে রাষ্ট্রপতিকে যদি ব্যাপকভাবে ক্ষমতায়িত করা হয়, তাহলে সংসদীয় গণতন্ত্র তো তেমন অর্থবহ থাকবে না। সেক্ষেত্রে সংসদেরই বা কী দরকার। প্রধানমন্ত্রীর হাতে যথেষ্ট ক্ষমতা না থাকলে সংসদীয় গণতন্ত্র অকার্যকর হয়ে পড়বে। তবে এ আলোচনায় এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এটা নিয়ে আগামীতে আরও আলোচনা হবে।


এদিকে স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সোমবার উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভেতরে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্তে হতাহতের মর্মান্তিক ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করা হয়। এ বিষয়ে সভায় শোক প্রস্তাব গৃহীত হয়। সভায় নিহত ছাত্রছাত্রী ও পাইলটের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত, আহতদের আশু সুস্থতা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করা হয়।


প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

মাইলস্টোনের দুর্ঘটনায় রাজশাহী কলেজ ছাত্রশিবিরের আলোচনাসভা ও দোয়া মাহফিল

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
২২ জুলাই, ২০২৫ ২১:০
ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
মাইলস্টোনের দুর্ঘটনায় রাজশাহী কলেজ ছাত্রশিবিরের আলোচনাসভা ও দোয়া মাহফিল

রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক‍্যাম্পাসে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় রাজশাহী কলেজে ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে আলোচনাসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান দুর্ঘটনায় নিহতদের আত্মার মাগফিরাত এবং আহতদের সুস্থতা কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

মঙ্গলবার (২২ জুলাই) বাদ মাগরিব কলেজ শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মাহমুদুল হাসান মাসুমের সভাপতিত্বে কলেজের কেন্দ্রীয় মসজিদে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর মু. যহুর আলী, 

প্রধান আলোচক হিসেবে ছিলেন, রাজশাহী মহানগর ছাত্রশিবিরের সভাপতি শামীম উদ্দিন। দোয়া পরিবেশন করেন উলামা মশায়েখ পরিষদের সভাপতি মাওলানা রুহুল আমিন। এছাড়াও সঞ্চালনা করেন কলেজ শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি মো: মোশাররফ হোসেন মাহদী। 

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের সামরিক খাত উন্নয়নে সরকারি উদ্যোগ গ্রহণ প্রয়োজন। দীর্ঘদিন আগের কেনা সামরিক বিমান ব্যবহার যেমন দেশের নিরাপত্তার জন্য হুমকি তেমনি পাইলটদের জীবনের নিরাপত্তায় হুমকিস্বরূপ। এছাড়াও বাংলাদেশের সমসাময়িক প্রতিকূলতা মোকাবিলার সবাই কে সচেতন থাকার আহ্বান জানান বক্তারা। 

উল্লেখ্য গতকাল সোমবার দুপুরে বিমান বাহিনীর এফ-৭ বিজেআই প্রশিক্ষণ বিমানটি উড্ডয়নের পর উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসে বিধ্বস্ত হয়। এ ঘটনায় বিমানের পাইলটসহ সাধারণ অনেক শিক্ষার্থী নিহত হয় এবং আহতদের ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।


প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ‘আমি তো সেদিন চলেই গিয়েছিলাম কিছু সময়ের জন্য, জানি না কোথায় ছিলাম’

    অনলাইন ডেস্ক
    ২২ জুলাই, ২০২৫ ১৫:৭
    অনলাইন ডেস্ক
    ‘আমি তো সেদিন চলেই গিয়েছিলাম কিছু সময়ের জন্য, জানি না কোথায় ছিলাম’
    ছবি : সংগৃহীত

    খুলনার দাকোপ উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

    মঙ্গলবার (২২ জুলাই) সকালে দাকোপ উপজেলার চালনা পৌরসভা এলাকায় আবু সাঈদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি।

    পরে খুলনা জেলার দাকোপ উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে স্থানীয় চালনা বিল্লালিয়া আলিম মাদরাসা ময়দানের পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, আমি তো সেদিন চলেই গিয়েছিলাম কিছু সময়ের জন্য, জানি না কোথায় ছিলাম। আপনাদের চোখের পানি, আল্লাহ তায়ালার রহমত, তিনি ফেরত দিয়েছেন। দিনের পথে লড়তে চাই জীবনের শেষ শ্বাস পর্যন্ত। আর বিদায় নিতে চাই শহীদ হয়ে। রক্তাক্ত চাদর গায়ে দিয়ে আল্লাহর দরবারে দাঁড়াতে চাই। আল্লাহ যখন জিজ্ঞেস করবেন তোর গায়ে রক্তের চাদর কেন? সেদিন যেন বলতে পারি আল্লাহ তোমার চাইতে আমার জন্য কি আর বড় সাক্ষী কেউ আছে? তুমি তো আমার সবচেয়ে বড় সাক্ষী। বলতে চাই, ইয়া মাবুদ বাংলাদেশকে তুমি কোরআনের শাসন দাও।

    ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, আমরা অনেক শাসন দেখেছি। এগুলো শাসন ছিল না, ছিল শোষণ। আমরা সৎ শাসক চাই, কোরআনের শাসন চাই।

    বক্তৃতায় তিনি বলেন, মাওলানা আবু সাঈদ ইসলামী আন্দোলনে অংশ নিয়ে শহীদ হয়েছেন। চব্বিশের আন্দোলনে আমাদের সন্তান আরেক আবু সাঈদ শহীদ হয়েছে। তোমার দ্বীন কায়েমের জন্য আর যতো আবু সাঈদকে প্রয়োজন তুমি কবুল করে নাও। তিনি বলেন, জালিম শাসকের আমলে আমাদের দুইজন আমিরসহ সারাদেশে যারা শহীদ হয়েছেন সবাইকে তুমি কবুল করো।

    উত্তরায় বিমান বিধ্বস্ত নিয়ে বলেন, গতকাল সামরিক প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হয়ে অনেক শিক্ষার্থী, শিক্ষক ইন্তেকাল করেছেন। ডাক্তাররা বলছেন আরও ৩০ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। যারা হাসপাতালে আছেন আল্লাহ তাদেরকে সুস্থ করে তুলুন। তাদেরকে আপনজনের বুকে ফিরিয়ে দিন।

    দাকোপ উপজেলার ভারপ্রাপ্ত আমির মাওলানা আকতার হোসেনের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি মাওলানা মো. ওয়াহিদুজ্জামানের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার।

    এখানে আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সেক্রেটারি ও খুলনা অঞ্চল পরিচালক মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও খুলনা অঞ্চল সহকারী পরিচালক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, অঞ্চল টিম সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা মশিউর রহমান খান ও মাস্টার শফিকুল আলম, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও খুলনা জেলা আমির মাওলানা এমরান হুসাইন, খুলনা মহানগরী আমির অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান, বাগেরহাট জেলা আমির মাওলানা রেজাউল করিম, খুলনা মহানগরী ছাত্রশিবির সভাপতি আরাফাত হোসেন মিলন, খুলনা জেলা নায়েবে আমির মাওলানা গোলাম সরোয়ার, বাগেরহাট জেলা নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট শেখ আব্দুল ওয়াদুদ, খুলনা জেলা সেক্রেটারি মুন্সি মিজানুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি মুন্সি মঈনুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান ও অধ্যাপক মিয়া গোলাম কুদ্দুস, বাগেরহাট জেলা সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক ইকবাল হোসেন, খুলনা জেলা কর্ম ও শূরা সদস্য অধ্যাপক আব্দুর রব, বটিয়াঘাটা উপজেলা আমির মাওলানা শেখ মো. আবু ইউসুফ, চালনা বিল্লালিয়া আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা অজিহুর রহমান, পাইকগাছা উপজেলা আমির মাওলানা আবু সাঈদ, কয়রা উপজেলা আমির মাওলানা মিজানুর রহমান, হরিণটানা থানা আমির আব্দুল গফুর, পাইকগাছা উপজেলা সেক্রেটারি মো. আলতাফ হোসেন, কয়রা উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা মো. সাইফুল্লাহ, রামপাল উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা জিহাদুজ্জামান, মোংলা পৌর যুব বিভাগের সেক্রেটারি মাওলানা মোস্তাইন প্রমুখ। এ ছাড়া জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন ।

    এর আগে আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান সকাল ১০টার দিকে খুলনা জেলার দাকোপ উপজেলার চালনার বি এম গ্যাস কোম্পানির হেলিপ্যাডে অবতরণ করন। সেখান থেকে দাকোপ উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির শহীদ মাওলানা আবু সাঈদের বাড়িতে তার পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় সেখানে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। পরে তিনি চালনা সরকারি পৌর কবরস্থানে তার কবর জিয়ারত করেন। দুপুরে বি এম গ্যাস কোম্পানির হেলিপ্যাড থেকে হেলিকপ্টারযোগে আমিরে জামায়াত পাবনার ঈশ্বরদীতে শহীদ মোস্তাফিজুর রহমান কলমের বাড়ির উদ্দেশ্যে দাকোপ ত্যাগ করেন।

    উল্লেখ্য, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জাতীয় সমাবেশ-এ যাওয়ার পথে ফরিদপুরের ভাঙ্গার চৌরাস্তা মোড়ে শনিবার (১৯ জুলাই) রাত পৌনে ৩টার দিকে রয়েল পরিবহনের একটি দ্রুতগামী বাসের ধাক্কায় দাকোপ উপজেলা আমির মাওলানা আবু সাঈদ (৫২) মারা যান। এ সময় গুরুতর আহত হন জামায়াত কর্মী মো. আনিসুর রহমান ও মো. ইকবাল হোসেন। আহতদের ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে চালনা স্বাসে ভর্তি ক তারা এখন আশঙ্কামুক্ত।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      দলীয় প্রধান প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না, রাজনৈতিক দলকে জানাল কমিশন

      অনলাইন ডেস্ক
      ২২ জুলাই, ২০২৫ ১৩:৫০
      অনলাইন ডেস্ক
      দলীয় প্রধান প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না, রাজনৈতিক দলকে জানাল কমিশন

      দলীয় প্রধান প্রধানমন্ত্রীর পদে থাকতে পারবেন না বলে রাজনৈতিক দলগুলোকে জানিয়েছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। তবে এ সিদ্ধান্তে জাতীয় সনদে কোনো দল চাইলে নোট অব ডিসেন্ট দিতে পারবে।


      মঙ্গলবার (২২ জুলাই) ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর ১৭তম দিনের আলোচনার শুরুতে বিষয়টি জানিয়েছেন কমিশনের সহ সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ।


      তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী পদে দলীয় প্রধান থাকতে পারবেন না বলে অধিকাংশ দল একমত হয়েছে। কিছু দল এ বিষয়ে ভিন্নমত ব্যক্ত করেছে। ওইসব দল ও জোট জাতীয় সনদে নোট অব ডিসেন্ট দিতে পারবে।


      প্রস্তাবটি নিয়ে একাধিক দিন সংলাপ আলোচনা হয়। সেখানে বিএনপিসহ তার সমমনা দল এলডিপি, লেবার পার্টি, এনডিএম, ১২ দলীয় জোট, জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট এবং আম জনতার দল একই ব্যক্তিকে দলীয় প্রধান, প্রধানমন্ত্রী এবং সংসদ নেতা করার পক্ষে মত দেয়। তবে, জামায়াত, এনসিপিসহ বাকি দল দলীয় প্রধানকে প্রধানমন্ত্রী করার বিপক্ষে মত দেন।


      সংস্কার না আগে নির্বাচন প্রশ্নে চাপে নেই জাতীয় ঐকমত্য কমিশন

      এ প্রসঙ্গের অবতারণা করে আলী রীয়াজ বলেন, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের অনুরোধ যারা নোট অব ডিসেন্ট দিতে উৎসাহী, যদি আপনারা প্রয়োজন মনে করেন সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে পারেন। এটা আমাদের অনুরোধ। কিন্তু আমরা অতীত যেভাবে নোট অব ডিসেন্টের কথা বলা আছে, সেভাবে জাতীয় সনদে তারা নোট অব ডিসেন্ট দিতে পারবে। এটা সিদ্ধান্ত হিসেবে আপনাদের জানালাম।


      আজকের আলোচনার আলোচ্য সূচি-প্রধানমন্ত্রীর একাধিক পদে থাকার বিধান (সিদ্ধান্ত গ্রহণ), তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিষয়ে রাজনৈতিক দলের প্রস্তাবের ভিত্তিতে একটি সমন্বিত প্রস্তাব-সর্বশেষ আলোচনার পর সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং নির্বাচন কমিশন, সরকারি কর্মকমিশন, মহা-হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, দুর্নীতি দমন কমিশন এবং ন্যায়পাল নিয়োগের বিধান সম্পর্কিত।


      এদিকে আজকের আলোচনার শুরুতে উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান বাহিনীর প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের হতাহতের ঘটনায় শোক প্রস্তাব পাঠ করেন কমিশনের সদস্য ড. বদিউল আলম মজুমদার।

      মন্তব্য

      হাসিনা-কাদেরের সাথে তোরা বিএনপি নেতার ছবি ভাইরাল

      জেলা প্রতিনিধি
      ২১ জুলাই, ২০২৫ ২২:১৯
      জেলা প্রতিনিধি
      হাসিনা-কাদেরের সাথে তোরা বিএনপি নেতার ছবি ভাইরাল

      আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ঘনিষ্ঠ সহচর একাধিক মামলার আসামি দুই আওয়ামী লীগ নেতাকে একই সারিতে নিয়ে অনুষ্ঠান করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক বজলুল করিম চৌধুরী আবেদ।  

      রোববার (২০ জুলাই) বিকেল থেকে এমন একটি ভিডিও ও কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে । এ নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে নোয়াখালী জেলা বিএনপির নেতাকর্মিদে মাঝে।

      জানা যায়, গত ১৯ জুলাই দুপুরের দিকে আমেরিকার সানকেন মিডোজ স্টেট পার্কে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার রামপুর-মুছাপুর ইয়াং স্টার আয়োজনে গেট টুগেদার ২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়। এতে মুছাপুর ও রামপুর ইউনিয়নের প্রবাসীরা অংশ গ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরর ঘনিষ্ঠ সহচর মুছাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইউপি চেয়ারম্যান ও নিউইর্য়ক স্টেট আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব আলী ও রামপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ইকবাল বাহার চৌধুরীকে একই সারিতে বসিয়ে বক্তব্য রাখেন বিএনপি নেতা বজলুল করিম চৌধুরী আবেদ। নেতাকর্মি ওই ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে নিন্দার ঝড় তুলেন। এ নিয়ে নোয়াখালীর রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক মিশ্র প্রতিক্রিয়া ও আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে।

      স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের পরিবারের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত মুছাপুর ইউনিয়ন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও নিউইয়র্ক স্টেট আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব আলী ও রামপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ইকবাল বাহার চৌধুরী। অভিযোগ রয়েছে,ওবায়দুল কাদের ও তার ছোট ভাই কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের আত্মগোপনে থাকা সভাপতি আব্দুল কাদের মির্জার অবৈধ অর্থ পাচারের মূলহোতা নিউইর্য়ক স্টেট আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব আলী। এ ছাড়াও আইয়ুব আলীর বিরুদ্ধে মুছাপুর ক্লোজার থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন, মুছাপুর ক্লোজার এলাকার ৬শত একর খাস জমি দখল করে বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মিদের অভিযোগ, এই দুই আওয়ামী লীগ নেতা ওবায়দুল কাদের ও তার ছোট ভাই কাদের মির্জার নির্দেশে বিরোধী দলের নেতাকর্মিদের ওপর গত ১৭ বছর দমন নিপীড়ন চালিয়েছেন। ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর তারা গোপনে আমেরিকায় পালিয়ে যায়। আওয়ামী লীগ নেতা আইয়ুব আলীর সাথে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনারও ব্যাপক ঘনিষ্ঠতা ছিল। এমন বেশ কিছু ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রয়েছে।   

      ভাইরাল হওয়া ছবি দিয়ে বিএনপি সমর্থক তাফসির হোসেন নামে এক ব্যক্তি লিখেছেন,প্রিয় আবেদ ভাই। নোয়াখালী ৫ আসনের নেতাকর্মিরা আপনার থেকে এমন কিছু আশা করে নাই। আওয়ামী দোসরদের সাথে আপনার ছবি দেখে হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। জিয়াউর রহমান নামে এক ব্যক্তি লিখেছেন, নোয়াখালী ৫ আসনের এমপি প্রার্থী আবেদ সাহেব কি আওয়ামী লীগ পুনর্বাসনের দায়িত্বে নামছেন নাকি। ভালো খুব ভালো, এগিয়ে যান।  

      অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্যে বজলুল করিম চৌধুরী আবেদ ১৩-১৪ হাজার মাইল দূরে গিয়ে সবার সাথে একত্রিত হতে পারায় তিনি শুকরিয়া আদায় করেন। এ সময় তিনি উপস্থিত সকলে সুস্বাস্থ্য, নেক হায়াত ও সবার হেদায়েত কামনা করেন আল্লাহর কাছে।  

      এ বিষয়ে জানতে নিউইয়র্ক স্টেট আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব আলী ও রামপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ইকবাল বাহার চৌধুরীর মুঠোফোনে কল করা হলেও সংযোগ পাওয়া যায়নি। তাই এ বিষয়ে তাদের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।  

      নোয়াখালী জেলা বিএনপির সদস্য সচিব হারুনুর রশীদ আজাদের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও ফোন রিসিভ হয়নি। তাই এ বিষয়ে তার কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

      যোগাযোগ করা হলে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক বজলুল করিম চৌধুরী আবেদ বলেন, গত ১২ জুলাই আমি আমেরিকা আসি। ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ এসে আমার এলাকার দুটি ইউনিয়নের গেট টুগেদারের অনুষ্ঠানে দাওয়াত দেয়। অনুষ্ঠানে আর কারা ছিল, এ বিষয়ে তারা আমাকে কিছু বলে নাই। আমিও জানি না।

      তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের ওই দুই নেতাকে আমি চিনি না। তাদের সাথে আমার পরিচয়ও নেই। ওটা জাস্ট একটা পুরষ্কার বিতরণের অনুষ্ঠান ছিল। আয়োজকরা বলেছে কেউ বক্তব্য রাখবেনা। আপনি বাংলাদেশ থেকে এসেছেন ২ মিনিট শুভেচ্ছা জানাবেন। ওরা দুজনই কাদের মির্জার সাথে ক্লোজ এবং সন্ত্রাসী কর্মকান্ডেও ছিল। আমি পরে খবর নিয়ে জেনেছি। কিন্ত আয়োজকরা আমাকে তাদের বিষয়ে সতর্ক করলে এ ছবি উঠত না। ২-১জনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবি দিয়ে পোস্ট করেছে বলে শুনেছি।       

       

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য
        সর্বশেষ সংবাদ
          সর্বাধিক পঠিত