শিরোনাম
হাসিনা-কাদেরের সাথে তোরা বিএনপি নেতার ছবি ভাইরাল
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ঘনিষ্ঠ সহচর একাধিক মামলার আসামি দুই আওয়ামী লীগ নেতাকে একই সারিতে নিয়ে অনুষ্ঠান করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক বজলুল করিম চৌধুরী আবেদ।
রোববার (২০ জুলাই) বিকেল থেকে এমন একটি ভিডিও ও কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে । এ নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে নোয়াখালী জেলা বিএনপির নেতাকর্মিদে মাঝে।
জানা যায়, গত ১৯ জুলাই দুপুরের দিকে আমেরিকার সানকেন মিডোজ স্টেট পার্কে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার রামপুর-মুছাপুর ইয়াং স্টার আয়োজনে গেট টুগেদার ২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়। এতে মুছাপুর ও রামপুর ইউনিয়নের প্রবাসীরা অংশ গ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরর ঘনিষ্ঠ সহচর মুছাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইউপি চেয়ারম্যান ও নিউইর্য়ক স্টেট আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব আলী ও রামপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ইকবাল বাহার চৌধুরীকে একই সারিতে বসিয়ে বক্তব্য রাখেন বিএনপি নেতা বজলুল করিম চৌধুরী আবেদ। নেতাকর্মি ওই ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে নিন্দার ঝড় তুলেন। এ নিয়ে নোয়াখালীর রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক মিশ্র প্রতিক্রিয়া ও আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের পরিবারের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত মুছাপুর ইউনিয়ন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও নিউইয়র্ক স্টেট আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব আলী ও রামপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ইকবাল বাহার চৌধুরী। অভিযোগ রয়েছে,ওবায়দুল কাদের ও তার ছোট ভাই কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের আত্মগোপনে থাকা সভাপতি আব্দুল কাদের মির্জার অবৈধ অর্থ পাচারের মূলহোতা নিউইর্য়ক স্টেট আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব আলী। এ ছাড়াও আইয়ুব আলীর বিরুদ্ধে মুছাপুর ক্লোজার থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন, মুছাপুর ক্লোজার এলাকার ৬শত একর খাস জমি দখল করে বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মিদের অভিযোগ, এই দুই আওয়ামী লীগ নেতা ওবায়দুল কাদের ও তার ছোট ভাই কাদের মির্জার নির্দেশে বিরোধী দলের নেতাকর্মিদের ওপর গত ১৭ বছর দমন নিপীড়ন চালিয়েছেন। ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর তারা গোপনে আমেরিকায় পালিয়ে যায়। আওয়ামী লীগ নেতা আইয়ুব আলীর সাথে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনারও ব্যাপক ঘনিষ্ঠতা ছিল। এমন বেশ কিছু ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রয়েছে।
ভাইরাল হওয়া ছবি দিয়ে বিএনপি সমর্থক তাফসির হোসেন নামে এক ব্যক্তি লিখেছেন,প্রিয় আবেদ ভাই। নোয়াখালী ৫ আসনের নেতাকর্মিরা আপনার থেকে এমন কিছু আশা করে নাই। আওয়ামী দোসরদের সাথে আপনার ছবি দেখে হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। জিয়াউর রহমান নামে এক ব্যক্তি লিখেছেন, নোয়াখালী ৫ আসনের এমপি প্রার্থী আবেদ সাহেব কি আওয়ামী লীগ পুনর্বাসনের দায়িত্বে নামছেন নাকি। ভালো খুব ভালো, এগিয়ে যান।
অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্যে বজলুল করিম চৌধুরী আবেদ ১৩-১৪ হাজার মাইল দূরে গিয়ে সবার সাথে একত্রিত হতে পারায় তিনি শুকরিয়া আদায় করেন। এ সময় তিনি উপস্থিত সকলে সুস্বাস্থ্য, নেক হায়াত ও সবার হেদায়েত কামনা করেন আল্লাহর কাছে।
এ বিষয়ে জানতে নিউইয়র্ক স্টেট আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব আলী ও রামপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ইকবাল বাহার চৌধুরীর মুঠোফোনে কল করা হলেও সংযোগ পাওয়া যায়নি। তাই এ বিষয়ে তাদের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
নোয়াখালী জেলা বিএনপির সদস্য সচিব হারুনুর রশীদ আজাদের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও ফোন রিসিভ হয়নি। তাই এ বিষয়ে তার কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
যোগাযোগ করা হলে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক বজলুল করিম চৌধুরী আবেদ বলেন, গত ১২ জুলাই আমি আমেরিকা আসি। ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ এসে আমার এলাকার দুটি ইউনিয়নের গেট টুগেদারের অনুষ্ঠানে দাওয়াত দেয়। অনুষ্ঠানে আর কারা ছিল, এ বিষয়ে তারা আমাকে কিছু বলে নাই। আমিও জানি না।
তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের ওই দুই নেতাকে আমি চিনি না। তাদের সাথে আমার পরিচয়ও নেই। ওটা জাস্ট একটা পুরষ্কার বিতরণের অনুষ্ঠান ছিল। আয়োজকরা বলেছে কেউ বক্তব্য রাখবেনা। আপনি বাংলাদেশ থেকে এসেছেন ২ মিনিট শুভেচ্ছা জানাবেন। ওরা দুজনই কাদের মির্জার সাথে ক্লোজ এবং সন্ত্রাসী কর্মকান্ডেও ছিল। আমি পরে খবর নিয়ে জেনেছি। কিন্ত আয়োজকরা আমাকে তাদের বিষয়ে সতর্ক করলে এ ছবি উঠত না। ২-১জনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবি দিয়ে পোস্ট করেছে বলে শুনেছি।
‘একটা লড়াই হয়েছে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে, আরেকটা লড়াই হবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে’
দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করার ঘোষণা দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। আজ শনিবার (১৯ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দলটির জাতীয় সমাবেশে তিনি এ ঘোষণা দেন।
জামায়াত আমির বলেন, একটা লড়াই হয়েছে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে, আরেকটা লড়াই হবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে। দুর্নীতির মূল উদঘাটন করার জন্য যা দরকার, আমরা তারুণ্য এবং যৌবনের শক্তিকে একত্রিত করে সেই লড়াইয়েও বিজয় লাভ করব।
সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে মঞ্চে পড়ে যান ডা. শফিকুর রহমান। পরে কিছু সুস্থ হলে তিনি বসে বক্তব্য রাখেন।
বক্তব্যে জামায়াত আমির বলেন, ফ্যাসিবাদের পতনের পর অত্যন্ত অনুকূল পরিবেশে আমরা সমাবেশ করার সুযোগ পেয়েছি। যারা ত্যাগের বিনিময়ে সাড়ে ১৫ বছরের কঠিন অন্ধকার যুগের যাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছেন, যারা লড়াই করে আহত হয়েছেন, পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন আমরা তাদের সকলের কাছে গভীরভাবে ঋণী।
তিনি আরও বলেন, আবু সাঈদরা যদি বুক পেতে না দাঁড়াত, এ জাতির মুক্তির জন্য যদি বুকে গুলি লুফে না নিতো হয়তো বা আজকের এই বাংলাদেশটা আমরা দেখতাম না।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দুর্নীতি বন্ধ করবে তার প্রমাণ কী? তার প্রথম প্রমাণ হচ্ছে.... বলতে বলতে মঞ্চে লুটিয়ে পড়েন ডা. শফিকুর রহমান। এর কিছুক্ষণ পর তিনি আবার অল্প সময়ের জন্য দাঁড়িয়ে বক্তব্য দেওয়া শুরু করলে পুনরায় অসুস্থবোধ করেন। তখন তিনি বসে বক্তব্য দেন।
এর আগে দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান সমাবেশস্থলে এসে পৌঁছান। উদ্যানে প্রবেশের সময় রাস্তার দুপাশে নেতাকর্মীরা তাকে ঘিরে স্লোগান দেন। আপ্লুত আমির হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান। এ সময় তাকে হাসিমুখে দেখা গেছে।
ফেসবুক পোস্টে হান্নান মাসউদ
‘চকরিয়ায় এনসিপির গাড়িবহর আটকে রেখেছে বিএনপির লোকজন’
কক্সবাজারের চকরিয়ায় বিএনপির লোকজন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) গাড়িবহর আটকে রেখেছেন বলে জানিয়েছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ।
শনিবার (১৯ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টার দিকে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ অভিযোগ করেন।
পোস্টে হান্নান মাসউদ লিখেছেন, ‘চকরিয়ায় জাতীয় নাগরিক পার্টির গাড়িবহর আটকে রেখেছে বিএনপির লোকজন। তারা গাড়িবহর আটকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির একজন সদস্যের নামে স্লোগান দিচ্ছেন। লোহাগড়ায় ব্যানার-ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলেছে। যেমন লীগ গত ১৬ বছর ধরে করছে, ঠিক তেমনি আপনারাও করছেন। তাদের পরিণতি দেখে যদি শিক্ষা না নিতে পারেন, তাহলে সেইম পরিণতির জন্য আপনারাও অপেক্ষা করুন।’

এদিকে, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদকে নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপির) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর দেওয়া বক্তব্যকে ‘কুরুচিপূর্ণ’ বলে উল্লেখ করেছেন স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা। শনিবার (১৯ জুলাই) বিকেলে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর দেওয়া বক্তব্যের জেরে কক্সবাজারে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। এ সময় চকরিয়ায় এনসিপির পথসভায় স্থানীয় বিএনপির কর্মীরা বাধা দিয়ে ভ্রাম্যমাণ মঞ্চ ভাঙচুর করেন।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সুশীলের ভূমিকায় দেখতে চাই না : সারজিস
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সুশীল সরকারের ভূমিকায় নয়, বরং অভ্যুত্থান পরবর্তী সরকার হিসেবে দেখতে চান বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।
শনিবার (১৯ জুলাই) রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত জাতীয় সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।
এনসিপির এ নেতা বলেন, অভ্যুত্থানের এক জুলাই পেরিয়ে আমরা আরেক জুলাইয়ে এসেছি। কিন্তু বাংলাদেশ থেকে মুজিববাদীদের ষড়যন্ত্র এখনো শেষ হয়নি। গোপালগঞ্জে এখনো মুজিববাদীরা আস্তানা গেড়ে রয়েছে। শুধু আইনিভাবে এই মুজিববাদের মোকাবিলা করা যাবে না। অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে এই মুজিববাদের কোমর ভেঙে দিতে হবে। আমাদের মধ্যে রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতে পারে। কিন্তু এই মুজিববাদের প্রশ্নে অভ্যুত্থানের সব সৈনিককে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
সারজিস বলেন, বাংলাদেশে আবারো মুজিববাদী-ভারতপন্থি শক্তি সক্রিয় হচ্ছে। এ দেশে আর কোনো পন্থির জায়গা হবে না। দেশে ভারতীয় আধিপত্যবাদের কোনো জায়গা হবে না।
তিনি আরও বলেন, হাজারের অধিক ছাত্রজনতা জীবন দিয়েছে। গত ৫ আগস্ট যে স্বপ্ন আমরা দেখেছিলাম, সে স্বপ্ন এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে আমরা সুশীল সরকারের ভূমিকা চাই না। আমরা তাদের অভ্যুত্থান পরবর্তী সরকারের ভূমিকায় দেখতে চাই। বাংলাদেশে খুনি হাসিনার বিচার হতেই হবে। দেশের বিচার বিভাগকে কোনো দলের বিচার বিভাগ হিসেবে দেখতে চাই না। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ক্ষমতার তোষামোদ বাহিনী হিসেবে দেখতে চাই না। আমাদের নতুন সংবিধান ও গণপরিষদ নির্বাচন লাগবে। নারী ও সংখ্যালঘুদের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।
এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক বলেন, ফ্যাসিস্টবিরোধী আমাদের যে শক্তি, এদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। কিন্তু ঐক্যবদ্ধ থাকতে গিয়ে অন্ধভাবে কারো দালালি করা যাবে না। রাজনীতিতে প্রতিযোগিতা থাকবে কিন্তু তার সৌন্দর্য নষ্ট করা যাবে না। তবেই বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।
কড়া হুঁশিয়ারি জামায়াত আমিরের
স্বৈরাচারের ভাষা বাদ দিন, না হলে বুঝে নেব ফ্যাসিবাদ আপনাদের মনেও
জাতীয় ঐক্যের নামে অহংকার, তুচ্ছতাচ্ছিল্য আর অরাজনৈতিক ভাষা ব্যবহারকারীদের প্রতি কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, আবু সাঈদরা যদি বুক পেতে না দিত, হয়ত আজকের বাংলাদেশ আমরা দেখতাম না। অনেকের জীবন হয়ত ফ্যাসিবাদীদের হাতে চলে যেত। আজকে যারা বিভিন্নভাবে দাবিদাওয়া তুলে ধরছেন, তখন তারা কোথায় থাকতেন? সুতরাং অহংকার করে, তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে কাউকে ছোট করে কথা না বলি। না হলে আমরা বুঝে নেব, স্বৈরাচারী বীজ তাদের মনে বাসা বেঁধেছে।
শনিবার (১৯ জুলাই) রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত জাতীয় সমাবেশের সমাপনীতে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জামায়াত আমির আরও বলেন, জাতীয় ঐক্যকে ধারণ করুন। অহংকার নয়, সংযম দেখান। অতীতে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই ছিল। সেই লড়াইয়ে আমরা জিতেছি। এখন আগামীর বাংলাদেশে আরেকটা লড়াই হবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে। দুর্নীতিকে মূলোৎপাটনে আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকব। জামায়াতে ইসলামী সেই লড়াইয়ে ছিল, থাকবে এবং জয়লাভ করবে ইনশাআল্লাহ।
বক্তব্যের শুরুতে তিন নেতাকর্মীর মৃত্যুর খবর দিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আজকের সমাবেশে অংশ নিতে গিয়ে আমাদের তিন ভাই ইন্তেকাল করেছেন। আল্লাহ তাদের জান্নাত দিন। পরিবারকে ধৈর্য ধরার তাওফিক দিন।
তিনি বলেন, জাতির সামনে আমাদের অনেক করণীয়। অতীতে বুক পেতে দিয়ে জামায়াত শহীদ দিয়েছে। আজ যারা নতুন কথা বলছেন, তাদের অতীতের অবস্থান ইতিহাসে নেই। সুতরাং আমরা জাতীয় ঐক্য চাই। কিন্তু কারো জাতিকে ছোট করে কথা বলার অধিকার নেই।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত



মন্তব্য