ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

জামায়াতের জাতীয় সমাবেশে

সমাবেশ শুরুর আগেই কানায় কানায় পূর্ণ সোহরাওয়ার্দী উদ্যান

অনলাইন ডেস্ক
১৯ জুলাই, ২০২৫ ১২:২৩
অনলাইন ডেস্ক
সমাবেশ শুরুর আগেই কানায় কানায় পূর্ণ সোহরাওয়ার্দী উদ্যান

রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জাতীয় সমাবেশে নেতাকর্মীদের ঢল নেমেছে। সমাবেশ আনুষ্ঠানিক শুরুর অনেক আগেই দলটির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের উপস্থিতিতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান প্রায় কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়।

সারাদেশ থেকে বাস, ট্রেন ও লঞ্চে করে আসা নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে প্রবেশ করছেন। তাদের হাতে জাতীয় পতাকা, দলীয় প্রতীক দাঁড়িপাল্লা রয়েছে। উদ্যানের বাইরেও জামায়াতের হাজার হাজার নেতাকর্মী অবস্থান করছেন।

আজ শনিবার (১৯ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ঘুরে এসব চিত্র দেখা গেছে। দুপুর ২টায় আনুষ্ঠানিকভাবে সমাবেশ শুরু হওয়ার কথা।

দলটির দায়িত্বশীল নেতারা জানান, আজকের সমাবেশে স্মরণকালের সবচেয়ে বড় জনসমাগম ঘটবে। জামায়াতের উদ্দেশ্য— বড় ধরনের সমাবেশ করে রাজনীতির মাঠে নতুনভাবে আলোড়ন সৃষ্টি করা। সমাবেশ থেকে নতুন প্রজন্মের উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেবেন জামায়াতের আমীর ডা. শফিকুর রহমান। গণহত্যার বিচার ও সংস্কার শেষে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন এবং চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনার ভিত্তিতে জনআকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা; এ দুই বিষয়ে দলের প্রধান দিকনির্দেশনামূলক বার্তা দেবেন। পাশাপাশি সমাবেশের মূল মঞ্চে জামায়াতের সমাবেশে জাতীয় নেতা, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য, কর্মপরিষদ সদস্য, বিভিন্ন দলের নেতা এবং জুলাইয়ের শহীদ পরিবারের প্রতিনিধিরা থাকবেন।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    কখন কোথা থেকে ছাড়বে জামায়াতের ভাড়া করা লঞ্চ-ট্রেন

    অনলাইন ডেস্ক
    ১৮ জুলাই, ২০২৫ ১৬:৪০
    অনলাইন ডেস্ক
    কখন কোথা থেকে ছাড়বে জামায়াতের ভাড়া করা লঞ্চ-ট্রেন

    রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রথমবারের মতো বড় ধরনের জাতীয় সমাবেশ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শনিবার (১৯ জুলাই) অনুষ্ঠিতব্য এ সমাবেশে দেশজুড়ে নেতাকর্মীদের ঢাকায় আনতে ট্রেন, লঞ্চ ও বাসসহ বিভিন্ন পরিবহন ভাড়া করেছে দলটি।

    জামায়াত সূত্র জানায়, সমাবেশে অংশ নিতে চারটি রুটে মোট চার জোড়া রিজার্ভ ট্রেন চলবে। চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিরাজগঞ্জ ও ময়মনসিংহ রুট থেকে এসব ট্রেন ঢাকায় আসবে এবং সমাবেশ শেষে নিজ নিজ গন্তব্যে ফিরে যাবে।

    বাংলাদেশ রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের চিঠি থেকে জানা গেছে, রাজশাহী থেকে একটি বিশেষ ট্রেন শুক্রবার দিবাগত রাত ১টায় ছেড়ে শনিবার সকাল ৬টায় ঢাকায় পৌঁছাবে। একই ট্রেন শনিবার রাত ৮টায় ঢাকা থেকে ছেড়ে রোববার রাত ১টা ১৫ মিনিটে রাজশাহীতে পৌঁছাবে। ট্রেনটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, হরিয়ান ও সরদহরোড স্টেশনে যাত্রাবিরতি করবে।

    এই বিশেষ ট্রেন পরিচালনায় ‘মধুমতি এক্সপ্রেস’-এর রেক ব্যবহারের অনুমতি চাওয়া হয়েছে এবং পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের সিএমই (রাজশাহী) এ বিষয়ে সম্মতি দিয়েছেন বলে জানানো হয়।

    Train

    একইভাবে সিরাজগঞ্জ থেকে চলাচলকারী ৭৭৫/৭৭৬ নম্বর ট্রেনটি শনিবার সকাল ৬টায় সিরাজগঞ্জ বাজার থেকে ছেড়ে সকাল সাড়ে ৯টায় ঢাকায় পৌঁছাবে। সমাবেশ শেষে রাত ১১টা ৫৫ মিনিটে ছেড়ে রোববার ভোর ৩টা ৩০ মিনিটে সিরাজগঞ্জ বাজারে পৌঁছাবে।

    ময়মনসিংহ রুটে এক জোড়া বিশেষ ট্রেন চালানোর প্রস্তাব অনুমোদন পেয়েছে বলে জানিয়েছেন রেলওয়ের উপ-পরিচালক (টিটি) মো. খায়রুল কবির। চট্টগ্রাম রুটে শুক্রবার রাতে একটি ট্রেন ছেড়ে শনিবার সকালে ঢাকায় পৌঁছাবে এবং সমাবেশ শেষে শনিবার রাতেই ফিরে যাবে।

    এছাড়া বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চল থেকে ঢাকায় আসার জন্য বড় লঞ্চ ভাড়া করেছে জামায়াত। যা শুক্রবার রাতে ছাড়বে। এসব লঞ্চে সমাবেশের ব্যানারও টানানো হয়েছে। পাশাপাশি অন্তত ১০ হাজার বাস প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলেও জানা গেছে।

    দলের পক্ষ থেকে ধারণা করা হচ্ছে, এবারের জাতীয় সমাবেশে ১০ লাখের বেশি লোকের উপস্থিতি হবে। তাই পরিবহন ব্যবস্থাপনা থেকে শুরু করে আয়োজন ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে জামায়াতে ইসলামী।

    মন্তব্য

    সমাবেশ ঘিরে চারটি স্পেশাল ট্রেন ভাড়া করল জামায়াত

    অনলাইন ডেস্ক
    ১৮ জুলাই, ২০২৫ ১৬:২২
    অনলাইন ডেস্ক
    সমাবেশ ঘিরে চারটি স্পেশাল ট্রেন ভাড়া করল জামায়াত

    ঢাকায় ১৯ জুলাই অনুষ্ঠেয় জাতীয় সমাবেশ ঘিরে চারটি স্পেশাল ট্রেন ভাড়া করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানায়, দলটির নিজস্ব অর্থায়নে অতিরিক্ত ১০ শতাংশ ভাড়া পরিশোধ করে এসব ট্রেন বুকিং দেওয়া হয়েছে।

    স্পেশাল ট্রেনগুলো চলবে ঢাকা-রাজশাহী, ঢাকা-ময়মনসিংহ, ঢাকা-সিরাজগঞ্জ ও ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে। চট্টগ্রাম থেকে যাত্রা করা ট্রেনটি ছাড়বে ১৮ জুলাই রাত ১০টায় এবং ফিরতি যাত্রা করবে ১৯ জুলাই বিকেল ৪টায় ঢাকার কমলাপুর স্টেশন থেকে।

    চট্টগ্রামগামী ট্রেনে মোট আসন ১ হাজার ৭২টি। এর মধ্যে কয়েকটি এসি বগিও রয়েছে। রেলওয়ের বাণিজ্যিক বিভাগ জানিয়েছে, স্পেশাল ট্রেন হওয়ায় স্বাভাবিক ভাড়ার চেয়ে ১০ শতাংশ এবং এসি বগির ক্ষেত্রে ২০-৩০ শতাংশ বাড়তি ভাড়া আদায় করা হয়েছে। সবমিলিয়ে শুধু চট্টগ্রামের ট্রেন থেকেই রেলওয়ের আয় হবে ১২ লাখ ৫২ হাজার টাকা। সবমিলিয়ে চারটি ট্রেন থেকে অর্ধকোটি টাকা আয় করবে রেলওয়ে।

    রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) ফরিদ আহমেদ বলেন, নীতিমালা অনুযায়ী যে কেউ ট্রেন ভাড়া নিতে পারে। জামায়াতও নিয়ম মেনে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে ট্রেন নিয়েছে।

    রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা (ডিসিও) তৌষিয়া আহমেদ জানান, ‘আবেদন পাওয়ার পর নিয়ম মেনেই অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে সব বুকিং চূড়ান্ত।’

    জামায়াত সূত্র বলছে, স্পেশাল ট্রেন ছাড়াও চট্টগ্রামের কুমিল্লা, ফেনী, নোয়াখালী, চাঁদপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা থেকেও ভাড়ায় চালিত অসংখ্য বাসে নেতাকর্মীরা ঢাকায় যাবেন।

    দলটির এক কেন্দ্রীয় নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘১৯ জুলাইয়ের সমাবেশ আমাদের রাজনৈতিক পুনর্জন্মের মঞ্চ। এটি শুধু একটি কর্মসূচি নয়, বরং এক দশকের বেশি সময় ধরে চলা দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান জানানোর সুযোগ।’

    তিনি আরো বলেন, ‘আমরা এবার প্রথমবারের মতো সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দলীয়ভাবে সমাবেশ করছি। এটি জামায়াতের জন্য যেমন তাৎপর্যপূর্ণ, তেমনি সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতেও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করবে।’

    দলীয় সূত্রে জানা যায়, সমাবেশ সফল করতে ঢাকা মহানগরীসহ প্রতিটি জেলার সাংগঠনিক ইউনিটকে পরিবহন, থাকা-খাওয়ার দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। জামায়াতের সর্বোচ্চ উপস্থিতি নিশ্চিত করতে তৃণমূলে ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে।

    সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ সমাবেশের মাধ্যমে জামায়াতের রাজনৈতিক সক্রিয়তা নতুনভাবে দৃশ্যমান হবে। একই সঙ্গে বিএনপির সঙ্গে দূরত্ব ঘোচানো এবং অন্যান্য ইসলামী দলগুলোর সঙ্গে ঐক্য গড়ার প্রচেষ্টারও অংশ এটি।

    সবমিলিয়ে, ১৯ জুলাইয়ের সোহরাওয়ার্দী সমাবেশ জামায়াতের জন্য একটি পরীক্ষার মঞ্চ, যেখানে দলটি প্রমাণ করতে চায়— তারা এখনো মাঠে আছে, এবং তাদের শিকড় মাটি থেকে উপড়ে ফেলা যায়নি।

    প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    গোপালগঞ্জ নিয়ে নতুন প্রস্তাব আমির হামজার, চাইলেন ৬৩ জেলার বাংলাদেশ

    অনলাইন ডেস্ক
    ১৮ জুলাই, ২০২৫ ১৩:২২
    অনলাইন ডেস্ক
    গোপালগঞ্জ নিয়ে নতুন প্রস্তাব আমির হামজার, চাইলেন ৬৩ জেলার বাংলাদেশ

    গোপালগঞ্জ জেলাকে চার ভাগ করে চার জেলায় দিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন আলোচিত ইসলামী বক্তা এবং কুষ্টিয়া-৩ আসনে জামায়াতে ইসলামীর সম্ভাব্য প্রার্থী মুফতি আমির হামজা। তিনি বলেন, শুধু গোপালগঞ্জ জেলার নাম পরিবর্তন নয়, আমি মনে করি— আশপাশের চারটা জেলার মধ্যে ভাগ করে দিলে ভালো হয়। বিশেষ করে নড়াইল, ফরিদপুর, মাদারীপুর ও বরিশাল- এই চারটা জেলার মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হোক।

    গোপালগঞ্জে ছাত্রলীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) কুষ্টিয়ায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আয়োজনে এক বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    শহরের সাদ্দাম বাজার থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়ে মজমপুর গেট প্রদক্ষিণ করে পাঁচ রাস্তার মোড়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে জামায়াত।
    এ সময় আমির হামজা বলেন, গোপালগঞ্জকে বাংলার মানচিত্র থেকে মুছে ৬৩ জেলা নিয়ে বাংলাদেশ করা হোক। এ জেলা দেশের মানচিত্রে না থাকাই ভালো।

    জুলাই যোদ্ধাদের ওপর হামলা মানে দেশের ১৮ কোটি মানুষের ওপরে হামলার সমান মন্তব্য করে তিনি দ্রুত সময়ে জড়িতদের গ্রেপ্তার এবং বিচার নিশ্চিতের দাবি জানান।

    সমাবেশে জেলা জামায়াতের অন্যান্য বক্তা বলেন, অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে গোপালগঞ্জের নতুন নাম রাখতে হবে। এ ছাড়া জেলাটির পুলিশ সুপার এ ঘটনার দায় এড়াতে পারে না বলে উল্লেখ করে তাকে জবাবদিহিতার আওতায় আনার দাবি জানান তারা।

    জেলা জামায়াতের এই সমাবেশে জেলা নায়েবে আমির মো. আব্দুল গফুর, জেলা সেক্রেটারি অধ্যাপক সুজা উদ্দিনসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      এনসিপির কর্মসূচিতে হামলা

      বৃহস্পতিবার ঢাকাসহ সারাদেশে বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা জামায়াতের

      অনলাইন ডেস্ক
      ১৬ জুলাই, ২০২৫ ২১:২
      অনলাইন ডেস্ক
      বৃহস্পতিবার ঢাকাসহ সারাদেশে বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা জামায়াতের

      গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কর্মসূচিতে হামলার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) ঢাকাসহ সব জেলা ও মহানগরে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করবে জামায়াতে ইসলামী।

      বুধবার (১৬ জুলাই) এক বিবৃতিতে এ কর্মসূচি ঘোষণা দেন দলের সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার।

      বিবৃতিতে তিনি বলেন, “ফ্যাসিবাদী ছাত্রলীগ গোপালগঞ্জে ‘মার্চ টু গোপালগঞ্জ’ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া এনসিপির নেতা-কর্মীদের ওপর পতিত স্বৈরাচারের দোসর নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা নৃশংস হামলা চালিয়েছে।  এমনকি তাদের গাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। এসপি অফিসেও হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। সন্ত্রাসীদের হামলায় এনসিপির বহু সংখ্যক নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণ আহত হয়েছেন। সন্ত্রাসীরা অগ্নিসংযোগ করে ব্যাপক ক্ষতিসাধন করেছে।
       
      তিনি জানান, তাদের সৃষ্ট সন্ত্রাস, নৈরাজ্য, অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে দেশের সব জেলা/মহানগরীতে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হবে।

      হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলার লক্ষ্যে এ কর্মসূচি পালনের জন্য সংগঠনের সর্বস্তরের জনশক্তি ও দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য
        সর্বশেষ সংবাদ
          সর্বাধিক পঠিত