ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

লড়াই চলবে

ব্লকেড সরিয়ে নিন, রাজপথের একপাশে অবস্থান করুন : নাহিদ

অনলাইন ডেস্ক
১৬ জুলাই, ২০২৫ ১৮:১৩
অনলাইন ডেস্ক
ব্লকেড সরিয়ে নিন, রাজপথের একপাশে অবস্থান করুন : নাহিদ

দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ ছাত্র-জনতাকে সারা দেশে ব্লকেড সরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

বুধবার (১৬ জুলাই) নাহিদের বরাতে এ কথা জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।

বিকেলে এক ফেসবুক পোস্টে সারজিস লিখেছেন, ব্লকেড সরিয়ে নিন। রাজপথের একপাশে অবস্থান করুন। লড়াই চলবে। -নাহিদ

জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দীন পাটোয়ারী আরেক ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ব্লকেড উঠিয়ে নিন। রাজপথে অবস্থান নিন।

দলটির নেতারা বলছেন, এনসিপি শান্তিপূর্ণভাবে গোপালগঞ্জ অভিমুখে পদযাত্রা করলে পরিকল্পিত হামলার মাধ্যমে তা দমন করার চেষ্টা করা হয়েছে। তবে নেতাকর্মীরা রাজপথ ছাড়বে না, রাজনৈতিক লড়াই অব্যাহত থাকবে।

প্রসঙ্গত, জুলাইয়ের ১ তারিখ থেকে ‘দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচি পালন করছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। মাসব্যাপী এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ গোপালগঞ্জে পদযাত্রা ছিল দলটির। গতকাল মঙ্গলবার দলের ভেরিফায়েড ফেসবুকে এই কর্মসূচিকে ‘মার্চ টু গোপালগঞ্জ’ নাম দেওয়া হয়।

এই কর্মসূচি ঘিরে গোপালগঞ্জ সদরে আজ সকালে পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। কাছাকাছি সময়ে হামলা করা হয় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার গাড়ি বহরেও। এ দুই ঘটনায় স্থানীয় ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জড়িত বলে জানায় গোপালগঞ্জ পুলিশ।

দুপুর ১টা ৩৫ মনিটের দিকে গোপালগঞ্জ শহরের পৌরপার্ক এলাকায় এনসিপির সমাবেশ মঞ্চে হামলা চালায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। তারা মঞ্চে থাকা সাউন্ড বক্স, মাইক ও চেয়ার ভাঙচুর করেন এবং উপস্থিত এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়। এনসিপির নেতাকর্মীরা পুলিশের সহায়তায় সেখান থেকে সরে যান।

এ ঘটনার আধা ঘণ্টা পরে ওই সমাবেশ স্থলেই পুলিশি নিরপত্তায় সমাবেশ করে এনসিপি। সেখানে নাহিদ ইসলাম, সারজিস আলম ও আখতার হোসেনসহ কেন্দ্রীয় নেতারা বক্তব্য রাখেন।

সমাবেশ শেষ হওয়ার পর এনসিপির নেতারা যখন গাড়ি বহর নিয়ে মাদারীপুর রওনা হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তখন আবার ছাত্রলীগের কয়েকশ নেতাকর্মী তাদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় পুলিশও পিছু হটে। এনসিপির নেতাকর্মীরা পালিয়ে জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আশ্রয় নেন। হামলাকারীরা এনসিপির সমাবেশ মঞ্চ এবং আশপাশের বিভিন্ন স্থানে চেয়ার-টেবিল ও আসবাবপত্রে অঅগুন ধরিয়ে দেন। এতে শহরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

এরপর থেকে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সঙ্গে হামলাকারীদের ব্যাপক সংঘর্ষ শুরু হয়। গোপালগঞ্জ শহরের বিভিন্ন স্থানে এ সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশের সঙ্গে যোগ দেয় বিজিবি। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকেও বাড়তি জনবল নিয়োজিত করা হয়। বিকেলের দিকে গোপালগঞ্জ জেলা কারাগারে হামলা ও ভাঙচুরের খবর পাওয়া যায়। এরপর সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশ একযোগে হামলাকারীদের সরাতে অভিযান শুরু করে।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    সেনা-পুলিশ পাহারায় গোপালগঞ্জ ছাড়লেন এনসিপি নেতারা

    অনলাইন ডেস্ক
    ১৬ জুলাই, ২০২৫ ১৮:৬
    অনলাইন ডেস্ক
    সেনা-পুলিশ পাহারায় গোপালগঞ্জ ছাড়লেন এনসিপি নেতারা

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীরা গোপলগঞ্জ ছেড়ে গেছেন। সেনাবাহিনী ও পুলিশের পাহারায় তারা গোপালগঞ্জ ছাড়েন।

    এই তথ্য নিশ্চিত করে এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব মুশফিক উস সালেহিন জানিয়েছেন, তারা বিকাল ৫টা পরে গোপালগঞ্জ ছেড়ে বের হয়ে যান। খবর বিবিসি বাংলার।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, কড়াপাহাড়ায় তাদের ১৫ থেকে ১৬টি গাড়ির বহর গোপালগঞ্জ ছাড়েন। এই বহরে এনসিপি নেতাদের মধ্যে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, আখতার হোসেন, হাসনাত আব্দুল্লাহ, সারজিস আলমসহ শীর্ষ নেতারা রয়েছেন।

    এদিকে এনসিপির সমাবেশ শেষ হওয়ার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ১৪৪ ধারা জারি করেছে স্থানীয় প্রশাসন।

    এর আগে পুলিশ ও ইউএনওর গাড়ি এবং সমাবেশ মঞ্চে হামলার পর এনসিপি গাড়ি বহরে হামলা চালায় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। বুধবার দুপুর পৌনে ৩টার দিকে এ হামলা চালানো হয়। পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে।

    জানা যায়, এনসিপির নেতারা সমাবেশস্থলে যাওয়ার পথে আগে থেকেই গাছ কেটে রাস্তা অবরোধ করে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা। এসব প্রতিবন্ধকতা উপেক্ষা করে এদিন দুপুর ২টায় সমাবেশ মঞ্চে উঠেন এনসিপি নেতারা। সমাবেশ শেষ করে যাওয়া পথে ফের গাড়ি বহরে হামলা চালায় তারা।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      জাতীয় নেতাদের নিরাপত্তা দিতে পারে না, তারা করবে নির্বাচন: হান্নান মাসউদ

      অনলাইন ডেস্ক
      ১৬ জুলাই, ২০২৫ ১৭:৫৩
      অনলাইন ডেস্ক
      জাতীয় নেতাদের নিরাপত্তা দিতে পারে না, তারা করবে নির্বাচন: হান্নান মাসউদ

      গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ। বুধবার (১৬ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে এক পোস্টে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।

      হুঁশিয়ারি দিয়ে স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, এর জন্যে তোদের চরম মূল্য দিতে হবে, এই গভর্নমেন্টকেও। একটা জেলায় জাতীয় নেতাদের নিরাপত্তা দিতে পারে না, তারা করবে নির্বাচন! এসময় আগে দেশ নিয়ন্ত্রণ করার আহ্বানও জানান তিনি।

      প্রসঙ্গত, এদিন দুপুরে প্রথমে গোপালগঞ্জ শহরের যে স্থানে এনসিপির পদযাত্রা ও সমাবেশ হবার কথা ছিল, সেখানে অতর্কিত হামলা চালায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কিছু নেতাকর্মী। তারা হঠাৎ হামলা ও ভাঙচুর চালিয়ে পাল্টা ধাওয়া খেয়ে পালিয়ে যায়।

      এর কিছুক্ষণ পরই সমাবেশ শেষে চলে যাবার মুহূর্তে একদল সশস্ত্র ব্যক্তি এনসিপির নেতা-কর্মীদের ঘিরে হামলার চেষ্টা করে। তারা চারদিক থেকে এনসিপির নেতা-কর্মী ও পুলিশের গাড়ি আটকে দেয়। এ সময় পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা সাউন্ড গ্রেনেড ও ফাঁকা গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। এনসিপির নেতা-কর্মীরা অন্য দিক দিয়ে গাড়ি ঘুরিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

      এর আগে, সকালে সদর উপজেলার গান্ধীয়াশুর এলাকায় ঘোনাপাড়া-টেকেরহাট আঞ্চলিক সড়কে গাছ কেটে সড়ক অবরোধ করে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এ সময় তাদের সঙ্গে কথা বলতে গেলে ইউএনওর গাড়ি বহরে হামলার ঘটনা ঘটে।

      তারও আগে গোপালগঞ্জ সদরের উলপুরে পুলিশের গাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও আগুন দেয়ার ঘটনা ঘটে। তাতে আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        এনসিপির সমাবেশে হামলা ইস্যুতে জামায়াত আমির

        গোপালগঞ্জ তো দেশেরই অংশ, দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে দায় সরকারের ওপর বর্তাবে

        অনলাইন ডেস্ক
        ১৬ জুলাই, ২০২৫ ১৭:৪৯
        অনলাইন ডেস্ক
        গোপালগঞ্জ তো দেশেরই অংশ, দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে দায় সরকারের ওপর বর্তাবে

        গোপালগঞ্জে কী হচ্ছে— এমন প্রশ্ন তুলে দ্রুত সরকারকে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, অন্যথায় ইতিহাসের পূর্ণ দায় সরকারের ওপরেই বর্তাবে।

        বুধবার (১৬ জুলাই) বিকেলে ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন আমির।

        তিনি লিখেছেন, গোপালগঞ্জ তো বাংলাদেশেরই অংশ। যতদূর জানতে পেরেছি, এনসিপির নেতৃবৃন্দ স্বাভাবিক নিয়মে সর্বপর্যায়ের প্রশাসনের সঙ্গে পূর্ব থেকেই আলাপ-আলোচনা করে তাদের কর্মসূচি বাস্তবায়নে সহায়তা চেয়েছেন। এটি তাদের রাজনৈতিক অধিকার। কিন্তু এখন যে অবস্থায় এসে দাঁড়িয়েছে, কার্যত মাঠে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো উপস্থিতিই লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। অতি দ্রুত সরকারকে অবশ্যই প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। অন্যথায় ইতিহাসের পূর্ণ দায় সরকারের ওপরেই বর্তাবে।

        তিনি আরও লেখেন, আমরা সংশ্লিষ্ট এলাকার জনগণকে সব ধরনের উশৃঙ্খলতা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানাই এবং শান্তিপ্রিয়, ফ্যাসিবাদবিরোধী জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আন্তরিক আহ্বান জানাচ্ছি। মহান আল্লাহ সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে তার সাহায্য প্রেরণ করুন। আমিন।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          গোপালগঞ্জে এনসিপির কর্মসূচিতে হামলার ঘটনায় বিএনপির বিবৃতি

          অনলাইন ডেস্ক
          ১৬ জুলাই, ২০২৫ ১৭:১২
          অনলাইন ডেস্ক
          গোপালগঞ্জে এনসিপির কর্মসূচিতে হামলার ঘটনায় বিএনপির বিবৃতি

          গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পূর্বঘোষিত ‘মার্চ টু গোপালগঞ্জ’ কর্মসূচিতে হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

          বুধবার (১৬ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।

          বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আওয়ামী স্বৈরাচারী শাসকগোষ্ঠীর পতনের পর দুষ্কৃতকারীরা আবারো দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টিসহ নৈরাজ্যের মাধ্যমে ফায়দা হাসিলের অপতৎপরতায় লিপ্ত হয়েছে। আজ গোপালগঞ্জে এনসিপির পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচির ওপর বর্বরোচিত হামলা, ককটেল বিস্ফোরণ, ইউএনওসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও পুলিশ সদস্যদের আহত করার বর্বর ঘটনা সেই অপতৎপরতারই বহিঃপ্রকাশ।’

          তিনি বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতির কারণে আওয়ামী দোসররা মরণকামড় দিয়ে ইন্টেরিম গভর্নমেন্টকে বেকায়দায় ফেলে ফায়দা লুটে দেশে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্য এখন মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। এসব দুষ্কৃতকারীদের কঠোর হস্তে দমন ছাড়া বিকল্প কোনো পথ নেই।’

          বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘গণতন্ত্র ও মানুষের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠাসহ দেশে যাতে আবারও ফ্যাসিবাদের উত্থান হতে না পারে সেজন্য দেশের মানুষের জানমাল রক্ষায় দল, মত নির্বিশেষে সকল শ্রেণিপেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। এর ব্যত্যয় হলে দেশ আবারও স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় হুমকির মুখে পড়বে।’

          বিবৃতিতে গোপালগঞ্জে এনসিপির পূর্বঘোষিত কর্মসূচিতে হামলা ও দুষ্কৃতকারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর আহ্বান জানান তিনি। তিনি আহত পুলিশ সদস্যদের আশু সুস্থতা কামনাও করেন।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত