ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

মার্চ টু গোপালগঞ্জ ঘোষণা সারজিসের!

অনলাইন ডেস্ক
১৫ জুলাই, ২০২৫ ২১:৮
অনলাইন ডেস্ক
মার্চ টু গোপালগঞ্জ ঘোষণা সারজিসের!

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম মার্চ টু গোপালগঞ্জ ঘোষণা করেছেন।

মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) বিকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ ঘোষণা দেন।

 

 

তিনি লেখেন, জুলাইয়ের প্রথম প্রহর থেকে ‘দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচি পালন শুরু করে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। সেই কর্মসূচির অংশ হিসেবে বুধবার (১৬ জুলাই) গোপালগঞ্জে যাবেন দলটির নেতারা।

এরপর নিজের পোস্টের কমেন্ট সেকশনে তিনি আরো লিখেছেন, আমরা আসছি! জুলাই পদযাত্রায়, গোপালগঞ্জ জেলা শহরে, সকাল ১১টায়।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ১০ হাজার বাস রিজার্ভ, জামায়াতের সমাবেশে অংশ নেবে ১০ লাখের বেশি নেতাকর্মী

    অনলাইন ডেস্ক
    ১৫ জুলাই, ২০২৫ ২০:১১
    অনলাইন ডেস্ক
    ১০ হাজার বাস রিজার্ভ, জামায়াতের সমাবেশে অংশ নেবে ১০ লাখের বেশি নেতাকর্মী

    আগামী ১৯ জুলাই ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় সমাবেশের ডাক দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। এই সমাবেশকে দলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ উপস্থিতি ও সাড়াদানকারী সমাবেশে পরিণত করতে প্রতিদিনই ঢাকাসহ সারাদেশে মিছিল, মিটিং ও গণসংযোগ করছে দলটি।

    দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের জানিয়েছেন, সমাবেশ সফল করতে এরই মধ্যে লঞ্চ ও ট্রেন বাদ দিয়ে শুধু ১০ হাজার বাস ভাড়া করা হয়েছে। তিনি আশা করছেন— ১০ লক্ষাধিক নেতাকর্মীর সমাগম ঘটবে এবং এর জন্য শুধু ছয় হাজার স্বেচ্ছাসেবক সার্বিক শৃঙ্খলা ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য নিয়োজিত থাকবে।

    জাতীয় সমাবেশ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পুলিশের সার্বিক সহযোগিতাসহ নানা বিষয়ে আলোচনার জন্য মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) বিকেল ৩টা থেকে সোয়া ঘণ্টাব্যাপী ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সঙ্গে বৈঠক করেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দ। অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়েরের নেতৃত্বে ৭ সদস্যের প্রতিনিধি দল পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে এই বৈঠকে অংশ নেন।

    পুলিশের সহযোগিতার আশ্বাস ও সমাবেশ ব্যবস্থাপনা

    বৈঠক শেষে অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের সাংবাদিকদের বলেন, আমরা কয়েকদিন আগেও ডিএমপিতে এসেছিলাম। সাত দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আগামী ১৯ জুলাই জাতীয় সমাবেশের আয়োজন করেছে জামায়াতে ইসলামী। এই সমাবেশ সফল, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আমরা পুলিশের কাছে সহযোগিতা ও পরামর্শ চেয়েছি। তখন ডিএমপির পক্ষ থেকে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল।

    তিনি আরও বলেন, সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির বৈঠকের পর আজকে আমরা আবার ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছি। আমাদের যারা নেতৃবৃন্দ, কর্মীরা সারাদেশ থেকে আসবেন, তাদের গাড়ি পার্কিং, কোন রুটে গাড়ি ঢুকবে, বের হবে, মাঠে মাইক সেটিংসহ সার্বিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিষয়ে আমরা কথা বলেছি। তারা আমাদের কিছু পরামর্শ দিয়েছেন। সবমিলিয়ে আমাদের পরিকল্পনা শান্তিপূর্ণভাবে সমাবেশ সফল করা।

    জুবায়ের জানান, যখন যেটা প্রয়োজন, পুলিশের পক্ষ থেকে সেই সহযোগিতা করা হবে বলে আশ্বস্ত করা হয়েছে। তিনি আশা করছেন যে, সমাবেশে আসা-যাওয়া, নিরাপত্তা নিশ্চিত করাসহ ট্রাফিক ব্যবস্থা সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ হবে। জাতীয় সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির সবার যোগাযোগের নম্বর ডিএমপিকে দেওয়া হয়েছে।

    সম্ভাব্য শঙ্কা ও নিরাপত্তা প্রস্তুতি

    বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কোনো ধরনের হুমকি বা সমাবেশ বাধাগ্রস্ত হওয়ার শঙ্কার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত এ ধরনের শঙ্কা করছি না। তারপরও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, বিশেষ করে ঢাকা মহানগর জামায়াতসহ সবাই সাবধান থাকব, সাবধান আছি। অনেক গেদারিং হবে, অনেক অনেক নেতাকর্মী আসবেন। নিরাপত্তাজনিত যেসব বিষয় রয়েছে, সেগুলো নিয়েই মূলত পুলিশের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। আমরা যেন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা বা পরিস্থিতি এড়াতে সবক্ষেত্রেই সাবধান থাকি সেজন্য ডিএমপির পক্ষ থেকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, সমাবেশ বাস্তবায়নসহ শৃঙ্খলা ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা, সিনিয়র নেতৃবৃন্দের যাতায়াত, গাড়ি ঢোকা-বের হওয়া, পার্কিং ব্যবস্থাপনাসহ সবকিছুর জন্য ৬ হাজার স্বেচ্ছাসেবক নিয়োজিত থাকবে।

    আমরা তো আশা করছি ইতিহাসের সর্বোচ্চ উপস্থিতি থাকবে জাতীয় সমাবেশে। এখন পর্যন্ত বিপুল সাড়া পাচ্ছি। শুধু ১০ হাজারের মতো বাস আসবে। এ ছাড়া, ট্রেন, লঞ্চ তো আছেই। আশা করছি ১০ লাখের বেশি জনসমাগম হবে, যোগ করেন জুবায়ের।

    ডিএমপির সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেওয়া ৭ সদস্যের প্রতিনিধি দলে অন্যরা হলেন- কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের সেক্রেটারি ড. রেজাউল করিম, কেন্দ্রীয় মজলিসের শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি মো. দেলাওয়ার হোসেন, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি মোহাম্মদ কামাল হোসেন ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহকারী প্রচার সম্পাদক আবদুস সাত্তার সুমন।

    ডিএমপির পক্ষ থেকে সভায় সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইমস অ্যান্ড অপারেশন) নজরুল ইসলাম। এ ছাড়া, সভায় উপস্থিত ছিলেন- যুগ্ম কমিশনার (অপারেশ) মো. শহীদুল্লাহ, উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) গৌতম কুমার বিশ্বাস, রমনা জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার মাসুদ আলমসহ ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

    প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    বিএনপির জনসমর্থন ক্ষুণ্ণ করতে ষড়যন্ত্র করছে দুই একটি ইসলামি দল : রিজভী

    অনলাইন ডেস্ক
    ১৪ জুলাই, ২০২৫ ১৭:৫৬
    অনলাইন ডেস্ক
    বিএনপির জনসমর্থন ক্ষুণ্ণ করতে ষড়যন্ত্র করছে দুই একটি ইসলামি দল : রিজভী

    বিএনপির জনসমর্থন ক্ষুণ্ণ করতে দুই একটি ইসলামি দল ষড়যন্ত্র করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

    সোমবার (১৪ জুলাই) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ অভিযোগ করেন তিনি।

    দেশের সাম্প্রতিক ঘটনাবলির সঙ্গে বিএনপিকে জড়িয়ে ষড়যন্ত্র হচ্ছে- এমন অভিযোগ করে রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, কুমিল্লার মুরাদনগরে হিন্দু নারী ধর্ষণ থেকে শুরু করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সাম্য হত্যা ও মিটফোর্ডের ঘটনায় এমন শক্তি জড়িত, যারা ‘তাবেদার শক্তির এ দেশীয় ধারক ও বাহক’। বিএনপির প্রতি জনগণের সমর্থন ক্ষুণ্ণ করার জন্য এগুলো আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র এবং তাতে যুক্ত হয়েছে দুই একটি ইসলামিক দল।

    তিনি বলেন, এর মধ্যে একটি ইসলামি দল আমরা জানি যে, তারা যুগ যুগ ধরে আওয়ামীপন্থি ও পার্শ্ববর্তী দেশেরপন্থি। তারাই সবচেয়ে বেশি ষড়যন্ত্র করছে। কারা এসব করছেন তাদের পরিচয় আমরা জানি।

    রিজভী বলেন, রাষ্ট্রের ভেতর ও বাহির থেকে গভীর চক্রান্ত চলছে এবং টার্গেট করা হয়েছে তারেক রহমানকে। জাতীয়তাবাদী শক্তিকে দুর্বল করার লক্ষ্যেই এসব হামলা চালানো হচ্ছে বলে তিনি মনে করেন।

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে একটি গুপ্ত সংগঠন কর্তৃক অপপ্রচার ও অবমাননাকর বক্তব্যের প্রতিবাদে ড্যাব ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ শাখার উদ্যোগে এই প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকা মহানগর উত্তর ড্যাবের সভাপতি অধ্যাপক ডা. সরকার মাহবুব আহমেদ শামীমের সভাপতিত্বে তুমুল বৃষ্টির মধ্যে সমাবেশ শেষে একটি মিছিল বের করা হয়। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ড্যাবের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার ও ড্যাবের সদ্য সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদ।

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপপ্রচার প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, তারেক রহমান টার্গেট হওয়ার কারণ হলো- তিনি ১০ হাজার মাইল দূরে থেকে বিগত ৫-৬ বছর দেশের মানুষকে সংগঠিত করছেন। গ্রামাঞ্চল থেকে শহর এবং শহরাঞ্চল থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত তিনি মানুষকে সংগঠিত করেছেন। এ জন্যই কয়েকটি রাজনৈতিক দলের যত প্রতিহিংসা। তারেক রহমান কোনো অপরাধীকে প্রশ্রয় দেননি, এখন পর্যন্ত ৫ থেকে ৬ হাজার নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিয়েছেন। বিএনপি বৃহৎ পরিবার, বিভিন্ন জায়গায় অনেকে বিএনপির নাম ভাঙিয়ে অপকর্মের চেষ্টা করছে, তবে এসব জানার সাথে সাথে ব্যবস্থা নিচ্ছেন তারেক রহমান। নেতাকর্মীদের প্রতি কোনো উসকানির মুখে প্রতিক্রিয়া না দেখানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

    রিজভী বলেন, গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে সমস্ত অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র আমরা সামাল দিতে পারব, কারণ জনগণ আমাদের সাথে আছে। শাসকগোষ্ঠী জনগণকে ভয় পাচ্ছে। যদি জনগণ তাদের সঙ্গে থাকত, তাহলে তারা কখনোই নির্বাচন পেছানোর কথা বা পিআরের কথা বলত না। তারা ধোঁয়াশা তৈরি করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছে।

    তিনি বলেন, আধিপত্যবাদী শক্তি জাতীয়তাবাদী শক্তিকে কখনোই পছন্দ করে না। কারণ, তারা জানে জাতীয়তাবাদী শক্তি দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকারের প্রশ্নে কোনো আপোস করবে না। এই কারণেই একের পর এক সংঘাতমূলক ও সহিংস ঘটনা এবং রক্তপাত ঘটানো হচ্ছে।

    রিজভী আরও অভিযোগ করেন, বিভিন্ন ইসলামি সংগঠন প্রোপাগান্ডা ওতৈ কন্টেন্ট রি করে ফেসবুকে ছড়াচ্ছে। কুমিল্লার মুরাদনগরে এক হিন্দু মেয়ে ধর্ষণের ঘটনায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে যুবদলকে দায়ী করা হয়েছে। যদিও ভুক্তভোগীর স্বামী নিজেই বলেছেন, এতে বিএনপির কেউ জড়িত ছিল না; বরং স্থানীয় এক উপদেষ্টার লোকজন জড়িত ছিল।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মোবাইল চুরির দায়ে এক মানসিক ভারসাম্যহীন যুবককে পিটিয়ে হত্যা এবং ছাত্রদলের সাম্যকে হত্যার ঘটনা উল্লেখ করে রিজভী প্রশ্ন তোলেন, এগুলো কিসের আলামত? তিনি বলেন, লন্ডনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে ড. ইউনূসের বৈঠক ও একটি যুক্ত বিবৃতি প্রকাশের পর থেকেই বাংলাদেশে পিআর (সংখ্যানুপাতিক) পদ্ধতিতে নির্বাচনের দাবি শুরু হয়েছে। এর উদ্দেশ্য এখন পরিষ্কার।

    মিটফোর্ডের সামনে ব্যবসায়ী সোহাগকে হত্যার প্রসঙ্গ টেনে রিজভী বলেন, এ ঘটনা দুই দিন পরে ভাইরাল হলো কেনো? ভিডিওতে যাদের ছবি দেখা গেছে তাদের অনেকের নাম মামলায় নেই তাই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে অনুরোধ, তারা যেন সত্য তথ্য উদঘাটন করে।

    তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, আধিপত্যবাদী শক্তি এবং আধিপত্যবাদী শক্তির দালালরা গভীর চক্রান্ত করছে। তাদের পাতানো ষড়যন্ত্রের জালে আমাদের নেতাকর্মী বা আমাদের পক্ষের সমর্থক, পেশাজীবী সংগঠন কাউকে পা দেওয়া যাবে না।

    ড্যাবের সদ্য সাবেক সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ডা. মো. মেহেদী হাসান ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ড্যাবের সাধারণ সম্পাদক ডা. নিয়াজ শহীদ রানার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন ড্যাব নেতা ডা. এম এ সেলিম, ডা. মো. মোসাদ্দেক হোসেন বিশ্বাস ডাম্বেল, ডা. মোস্তাক রহিম স্বপ্নন, ডা. সফিউল্লাহ ঝিন্টু, ডা. মুজিবুল হক দোয়েল, ডা. এরফানুল হক সিদ্দিকী, ডা. শেখ ফরহাদ, ডা. আদনান হাসান মাসুদ, ডা. হাসনুল শামীম, ডা. মো. সামছুল আলম, ডা. শহিদুল হাসান বাবুল, ডা. জাফর ইকবাল, ডা. সায়িদ মেহবুব কাদির, ডা. আতিকুর রহমান সুজন, ডা. ইমতিয়াজ হোসেন সাজিদ, ডা. শহিদুল হক রাহাত, ডা. এনামুল হক এনাম, ডা. আশফাক কনক, ডা. আরেফিন সুমন, ডা. জাহিদ ইকবাল, ডা. জালাল উদ্দিন রুমী, ডা. রুস্তম আলী মধু, ডা. মাহমুদুল আলম তারেক, ডা. আল আমিন, ডা. শাওন বিন রহমান, ডা. জাহানারা লাইজু, ডা. রাকিবুজজামান, ডা. নুরুল্লাহ মাসুদ, ডা. সালাহউদ্দিন আল আজাদ সোহাগ, ডা. আতিক, ডা. শাকিল, ডা. মারুফ, ডা. গালিব হাসান, ডা. লাবিদ রহমান, ডা. ইব্রাহিম রহমান বাবু, ডা. সাইফ, ডা. ইরাজ, ডা. বাসেদুর রহমান সোহেল, ডা. রাকিবুল ইসলাম আকাশ, ডা. আমিরুল ইসলাম পাভেল, ডা. মীর রাসেখ অভি, ডা. মাসুম, ডা. রুদ্র, ডা. মনজুর রশীদ, কামরুল ইসলাম, ডা. মোহাম্মদুল হক জনি, ডা. শেখ মাহাবুব, ডা. মোতাহার, নার্স নেত্রী বিলকিস জাহান চৌধুরী, এ্যামট্যাবের মহাসচিব বিপ্লবুজ্জামান বিপ্লব সহ কয়েক শ’ চিকিৎসক।

    মন্তব্য

    নয়াপল্টন থেকে শাহবাগ অভিমুখে ছাত্রদলের বিক্ষোভ শুরু

    অনলাইন ডেস্ক
    ১৪ জুলাই, ২০২৫ ১৬:৫৮
    অনলাইন ডেস্ক
    নয়াপল্টন থেকে শাহবাগ অভিমুখে ছাত্রদলের বিক্ষোভ শুরু

    আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, জনমনে অস্থিরতা সৃষ্টির অপচেষ্টা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সুষ্ঠু শিক্ষাব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ার প্রতিবাদে রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।

    সোমবার (১৪ জুলাই) দুপুর ৩টা ২৫ মিনিটে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হওয়া মিছিলটি কাকরাইল ও মৎস্য ভবন হয়ে শাহবাগে গিয়ে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

    মিছিলে নেতৃত্ব দেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির।

    সরেজমিনে দেখা গেছে, সকাল থেকেই নয়াপল্টন এলাকায় ছাত্রদল নেতাকর্মীদের সরব উপস্থিতি ছিল। ব্যানার, ফেস্টুন, স্লোগানে মুখর ছিল কার্যালয়ের সামনের এলাকা। বিভিন্ন ইউনিট থেকে আসা নেতাকর্মীদের চোখেমুখে ছিল ক্ষোভ ও প্রতিবাদের ছাপ।

    এসময় এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন ছিল। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় তারা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

    নেতাকর্মীদের অভিযোগ, একটি ‘গুপ্ত সংগঠন’ দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষায় সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে বলেও তারা দাবি জানান।

    ছাত্রদল বলছে, দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ থেকেই এ কর্মসূচি। বিক্ষোভের মাধ্যমে তারা তাদের দাবির পক্ষে জোরালো বার্তা দিতে চায়।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      মিটফোর্ডের ঘটনা তদন্ত-অনুসন্ধানে কমিটি করবে বিএনপি

      অনলাইন ডেস্ক
      ১৪ জুলাই, ২০২৫ ১২:৪০
      অনলাইন ডেস্ক
      মিটফোর্ডের ঘটনা তদন্ত-অনুসন্ধানে কমিটি করবে বিএনপি

      মিটফোর্ডের নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের অন্তর্নিহিত কারণ অনুসন্ধানের জন্য আমরা উপযুক্ত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে একটি ‘তদন্ত ও তথ্যানুসন্ধানী কমিটি’ গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। এই ঘটনায় তারা প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন করবেন এবং তা জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

      সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই মন্তব্য করেন।

      মির্জা ফখরুল বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা কোনো রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির জন্য ব্যবহার হচ্ছে কিনা এবং এর মাধ্যমে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের পরিবেশকে বিঘ্নিত করার জন্য বিশেষ কোনো মহলের প্ররোচনায় এই ধরনের ঘটনাকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে সন্দেহ করার যথেষ্ট অবকাশ রয়েছে।

      তিনি বলেন, কুমিল্লার মুরাদনগরে সংঘটিত তিনটি নৃশংস হত্যাকাণ্ড, কুমিল্লায় মসজিদের ইমাম হত্যা, খুলনায় যুবদল নেতা মাহবুব মোল্লাকে হত্যা ও রগকাটা; এমন হত্যাকাণ্ডের ক্ষেত্রে সকলের প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর সমমানের ছিল কিনা সে প্রশ্নও তোলা যেতেই পারে।

      তিনি আরও বলেন, পরিকল্পিতভাবে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্য মিটফোর্ডের হত্যাকাণ্ডকে রাজনৈতিক দুরভিসন্ধি বাস্তবায়নে ব্যবহৃত হচ্ছে বলে মনে করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। প্রকাশ্য দিবালোকে অসংখ্য মানুষের সামনে, আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার নিকটবর্তী অবস্থান থাকা সত্ত্বেও এই রূপ ঘটনার কোনো প্রতিরোধ না হওয়ায় পুরো ঘটনাটি সম্পর্কে জনমনে প্রশ্ন উদ্রেকের যথেষ্ট কারণ রয়েছে।

      সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. মঈন খান, বেগম সেলিমা রহমান, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, মেজর (অব) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম ও ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য
        সর্বশেষ সংবাদ
          সর্বাধিক পঠিত