শিরোনাম
‘গত ১৭ বছরে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি প্রমাণ করা যায়নি’
গত ১৭ বছরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি প্রমাণ করা যায়নি বলে মন্তব্য করেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।
বুধবার (২ জুলাই) ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির নেতাদের নিয়ে রাজধানীর জিয়া উদ্যানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।
এ সময় তিনি বলেন, আমাদের দলের কোনো লোক যদি অপরাধ করে, তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হলে আমরা তাতে খুশি হবো। যারা অপরাধ করছে, আমরা তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, যে লক্ষ্যে ফ্যাসিবাদের পতন ঘটেছে, সে লক্ষ্য এখনো অর্জিত হয়নি। জনগণ এখনো তার ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে তাদের নির্বাচিত সরকার গঠন করতে পারেনি।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, শহীদদের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে, গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল আধুনিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে নির্বাচনের বিকল্প নেই।
একটি গোষ্ঠী ঐক্যকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে অভিযোগ করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, জনগণ জানে কারা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে স্বৈরাচারকে সমর্থন যুগিয়েছিল, আর কারা অবিরাম গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করতে গিয়ে নিগৃহীত হয়েছে। অন্য কোনো রাজনৈতিক দল ভুল বার্তা দিলেও জনগণ গ্রহণ করবে না, বরং এতে তারা নিজেদের গ্রহণযোগ্যতা হারাবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, এমরান সালেহ প্রিন্স, ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. জাকির হোসেন বাবলু, ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্যসচিব রোকনুজ্জামান সরকার, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলমগীর হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক এবি সিদ্দিকুর রহমান প্রমুখ।
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান খালেদা জিয়ার
গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে ‘ঐক্য বজায় রাখার’ ডাক দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। মঙ্গলবার (১ জুলাই) বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিএনপি আয়োজিত জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের শোক ও বিজয়ের প্রথম বর্ষপূর্তির বিশেষ অনুষ্ঠানে এ আহ্বান জানান তিনি।
গুলশানের বাসা ’ফিরোজা’ থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে দেওয়া বক্তৃতায় তিনি গুম, খুন ও বিচারভহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার ব্যক্তিদের তালিকা তৈরি ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়ার তাগিদ দেন।
খালেদা জিয়া বলেন, আমাদের সামনে যে সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে নতুন করে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার তা আমাদের দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে। কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে। জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। সর্বোপরি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বকে রক্ষা করতে হবে। যেকোনো মূল্যে বীরের এই রক্তস্রোত, মায়ের অশ্রুধারা যেন বৃথা না যায় তা নিশ্চিত করতে হবে। ঐক্য বজায় রাখতে হবে। আসুন আমরা সবাই মিলে শহীদ জিয়ার স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করি। বাস্তবায়িত করি কোটি মানুষের নতুন বাংলাদেশের নির্মাণের স্বপ্নকে।
সংক্ষিপ্ত বক্তব্যের শুরুতে তিনি বলেন, রক্তস্নাত জুলাই-আগস্ট একবছর পর আমাদের মাঝে ফিরে এসেছে। দীর্ঘ ১৬ বছর ফ্যাসিস্টদের নির্মম অত্যাচার, নির্যাতন, গ্রেপ্তার, হত্যা ও খুনের মাধ্যমে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে এবং একদলীয় শাসন ব্যবস্থা চিরস্থায়ী করতে চেয়েছিল আওয়ামী শাসক গোষ্ঠী। ছাত্র-জনতার সম্মিলিত অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদের পতন ঘটেছে। সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে নতুন করে বাংলাদেশকে গড়বার।
গুম-খুন-বিচারবর্হিভূত হত্যার শিকার ব্যক্তিদের তালিকা করার প্রতি জোর দিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, গুম-খুন-বিচারবর্হিভূত হত্যার শিকার যারা হয়েছেন তাদের তালিকা প্রস্তুত করতে হবে। দ্রুত বিচারের ব্যবস্থা করতে হবে এবং রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি নিশ্চিত করতে হবে। প্রতিটি পরিবারের সন্মান এবং তাদের পুনর্বাসন এবং তাদের নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে হবে।
গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা করে
শহীদদের ঋণ পরিশোধের এখনই সময়: তারেক রহমান
জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে শহীদদের ঋণ পরিশোধের বার্তা দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (১ জুলাই) রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিএনপির ‘গণ-অভ্যুত্থান ২০২৪ : জাতীয় ঐক্য ও গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা’ শীর্ষক আলোচনা সভা এবং শহীদ পরিবারের সম্মাননা অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এ কথা বলেন তিনি।
স্বাধীনতা আন্দোলন থেকে শুরু করে বিভিন্ন সময়ে গণআন্দোলনে দেশের মানুষ সুন্দর ভবিষ্যতের আকাঙ্ক্ষায় বারবার অকাতরে প্রাণ দিয়েছেন। কিন্তু এরপরও সাম্য-ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশের স্বপ্ন অধরাই থেকেছে। বারবার দেশের কাঁধে চেপে বসেছে ফ্যাসিবাদ আর অপশাসনের ভূত।
এই ধারার অবসান চেয়ে তারেক রহমান প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছেন, ‘আমাদের প্রশ্ন, সবার প্রশ্ন–মানুষ কি এভাবেই জীবন দিতে থাকবে তাহলে? এই মানুষগুলো কিন্তু কানাডার বেগমপাড়ায় বসবাস, মালয়েশিয়ার সেকেন্ড হোম কিংবা সুইস ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট খোলার দাবিতে কিন্তু আন্দোলন করেনি। তাদের দাবি ছিল, রাষ্ট্র ও সমাজে গণতন্ত্র এবং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা।’
চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে ফ্যাসিবাদের শেকল ছিঁড়ে বাংলাদেশের মানুষ এখন মুক্ত। সেই গণআন্দোলনের শহীদদের আত্মত্যাগ যেন বৃথা না যায়, সেজন্য এখনো উদ্যোগী হতে আহ্বান জানিয়েছেন তারেক রহমান।
তিনি বলেন, ‘ফ্যাসিবাদমুক্ত পরিবেশের সুযোগ কাজে লাগাতে হবে। আরও একবার ভুল করা চলবে না। জনগণের সরাসরি ভোটে, জনগণের প্রতি জবাবদিহিমূলক নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা করার মধ্য দিয়েই শহীদদের কাঙ্ক্ষিত একটি ইনসাফভিত্তিক গণতান্ত্রিক, মানবিক বাংলাদেশ গড়তে হবে। এর মধ্য দিয়ে শহীদদের প্রতি আমাদের ঋণ পরিশোধের এখনই সময়।’
‘আ.লীগ কখনই শোধরাবে না, সুযোগ পেলে আগের চেয়েও ভয়ঙ্কর হবে’
আওয়ামী লীগ আবারও পুরো জাতির সঙ্গে মশকরা করেছে। এর মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হলো, তারা কখনোই শোধরাবে না, সুযোগ পেলে জানোয়ারের মতো মেতে উঠবে। এমন মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সিনিয়র সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহম্মদ।
মঙ্গলবার (১ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই কথা বলেন।
পোস্টে তিনি বলেন, ‘ভুল বুঝতে পারা দুর্বলতা নয়—এই অংশটি দেখে আমি ভেবেছিলাম তারা বুঝি নিজেদের অপরাধকে ভুল হিসেবে উপস্থাপন করে জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে যাচ্ছে। পরে দেখি না, তারা আবারও পুরো জাতির সঙ্গে মশকরা করেছে। এর মধ্যে দিয়ে প্রমাণ হলো আওয়ামী লীগ কখনই শুধরাবে না।’
তিনি আরও লেখেন, ‘সুযোগ পেলেই এরা আগের চেয়েও ভয়ংকর হবে, হিংস্র-জানোয়ারের মতো মেতে উঠবে প্রতিশোধের নেশায়। যখনই কোনো না কোনো কারণে গণতন্ত্রকামী শক্তিগুলোর মধ্যে কোনো বাহাস হয়, একটুখানি দূরত্ব দেখা দেয় তখন আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ফেরার নেশায় মত্ত হয় আওয়ামী লীগ। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে আওয়ামী লীগ ফিরবে না।’
ফয়েজ আহম্মদ আরও লিখেছেন, ‘খুনি হাসিনাই আওয়ামী লীগকে আর ফিরতে দিবে না। কারণ আওয়ামী লীগকে ফিরতে হলে জুলাই গণহত্যাসহ ১৬ বছরের সব গুম-খুনের দায় স্বীকার করতে হবে। সেক্ষেত্রে হাসিনা কোনোভাবেই দায় এড়াতে পারবে না।’
তিনি লেখেন, ‘অপরদিকে খুনি হাসিনা জানে, তার এবং তার পরিবারের রাজনৈতিক নেতৃত্ব দলের নেতাকর্মীদের কাছে প্রত্যাখ্যাত হয়ে পড়েছে। সুতরাং আওয়ামী লীগকে ফিরতে হলে নতুন ব্যবস্থাপনায় ফিরতে হবে, যা হাসিনা তার জীবদ্দশায় হতে দেবে বলে মনে হয় না। সুতরাং আওয়ামী লীগ এখন ক্ষণে ক্ষণে গর্জে ওঠার ভান করবে আর অভ্যুত্থান বিরোধী বয়ান তৈরিতে ব্যস্ত থাকবে।’
জুলাই ঘোষণাপত্র ও সনদ আমরা আদায় করে ছাড়ব : নাহিদ ইসলাম
জুলাই ঘোষণাপত্র ও সনদ আদায়ে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) অনড় থাকবে বলে জানিয়েছেন দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, জুলাই ঘোষণাপত্র নিয়ে টালবাহানা সহ্য করা হবে না।
মঙ্গলবার (১ জুলাই) গণঅভ্যুত্থানপূর্তি উপলক্ষে রংপুরের পীরগঞ্জে বাবনপুর জাফরপাড়া গ্রামে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারতের পর এ কথা বলেন তিনি।
চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের এক দফার ঘোষক নাহিদ ইসলাম বলেন, একটি নতুন বাংলাদেশ গড়তে হলে আমাদের অবশ্যই বিচার, সংস্কার এবং গণপরিষদের মাধ্যমে নতুন সংবিধানের দিকে যেতে হবে এবং জুলাই ঘোষণাপত্র নিয়ে যে টালবাহানা শুরু হয়েছে, তা সহ্য করা হবে না। আমরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলতে চাই, যারা মনে করছেন হাজার লক্ষ মানুষ যারা রাজপথে নেমে এসেছিল তারা ঘরে ফিরে গিয়েছে তাহলে আপনারা ভুল ভাবছেন। আমরা বাংলাদেশের প্রতিটি পথে প্রান্তরে যাব। ছাত্র-জনতা, তরুণ, শ্রমিকদের আবারও রাজপথে নেমে আসতে আহ্বান জানাব। তারপর জুলাই ঘোষণাপত্র এবং জুলাই সনদ আদায় করে ছাড়ব ইনশাআল্লাহ।
তিনি আরও বলেন, জুলাই ঘোষণাপত্র ও সনদ আমরা আদায় করে ছাড়ব। আমরা বাংলার প্রতি প্রান্তরে যাব। সব মানুষকে আবার মাথা তুলে দাঁড়াতে উদ্বুদ্ধ করব। আবু সাঈদরা যে কারণে শহীদ হয়েছিল আমরা সেই আকাঙ্ক্ষা মানুষের কাছে তুলে ধরব। আবু সাঈদ যেভাবে পুলিশের গুলির সামনে বুক চেতিয়ে দাঁড়িয়েছিল, সেটাই ছিল আমাদের অনুপ্রেরণা।
নাহিদ ইসলাম বলেন, এনসিপির ‘দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচি মানে দেশ গঠনের জন্য যে উদ্যোগ দরকার তার জন্য এ কর্মসূচি। এ কর্মসূচির মাধ্যমে আমরা মানুষের সঙ্গে কথা বলব। আবু সাঈদের স্বপ্ন, জুলাইয়ের স্বপ্ন- আমরা মানুষের কাছে তুলে ধরব। আবু সাঈদ লড়াইয়ের অনুপ্রেরণা।
অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক এই উপদেষ্টা বলেন, আবু সাঈদের মতো অন্য সব শহীদেরা ফ্যাসিবাদী বিলোপের বিরুদ্ধে আমাদের যে লড়াই, তার অনুপ্রেরণা। যুগ যুগ ধরে বাংলাদেশের মানুষ আবু সাঈদ, ওয়াসীম, মুগ্ধসহ সব শহীদদের এবং আহত যোদ্ধাদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।
এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেন, জুলাইয়ের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারতের মধ্য দিয়ে আমরা রংপুর থেকে ‘দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচি শুরু করছি। হাজারো মানুষের জীবন, রক্ত ও ত্যাগের বিনিময়ে নতুন বাংলাদেশ আমরা পেয়েছি। এই নতুন বাংলাদেশকে গড়তে অবশ্যই পুরোনো কাঠামো ভেঙে নতুন বন্দোবস্তের জন্য মৌলিক সংস্কার বাস্তবায়ন করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, যারা গণহত্যা সংগঠিত করেছে বাংলাদেশের ওপর মানবতাবিরোধী অপরাধ চাপিয়ে দিয়েছে তাদেরকে বিচারের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। একই সাথে বাংলাদেশের পুরোনো মুজিববাদী সংবিধান ফেলে দিয়ে নতুন এক সংবিধান প্রণয়ন করতে গণপরিষদ নির্বাচনের আয়োজন করতে হবে। এই সবকিছুর মধ্যদিয়ে নতুন এক বাংলাদেশ পুনর্গঠিত হবে।
এসময় এনসিপির মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ, মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব তাসনিম জারাসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানপূর্তি উপলক্ষে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে শাহাদত বরণ করা আবু সাঈদের কবর জিয়ারতের মধ্যদিয়ে ‘দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচি শুরু হয়।
কবর জিয়ারত শেষে এনসিপি নেতৃবৃন্দ শহীদ আবু সাঈদের মা-বাবাসহ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে তাদের খোঁজখবর নেন। এসময় আবু সাঈদের মা মনোয়ারা বেগম মাথায় হাত বুলিয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের এক দফার ঘোষক নাহিদ ইসলামকে দোয়া করেন।
আবু সাঈদের মা মনোয়ারা বেগম ও বাবা মকবুল হোসেন অশ্রুসজল ছিলেন। এমন হৃদয়বিদারক পরিবেশে চোখের জল আটকে রাখতে পারেননি অন্যরাও। তারা আবু সাঈদের পরিবারকে সান্ত্বনা দেন। একই সঙ্গে এনসিপির সারা দেশব্যাপি জুলাই পদযাত্রার মাধ্যমে আবু সাঈদের স্বপ্নের নতুন বাংলাদেশ গড়তে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
জানা গেছে, রংপুরের পীরগঞ্জে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত ও শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে গাইবান্ধায় পথসভা ও পদযাত্রা করবে এনসিপি। বেলা তিনটায় রংপুরের পার্কের মোড়, লালবাগ, শাপলা চত্বর ও জাহাজ কোম্পানীর মোড় পদযাত্রা করে টাউন হলে পথসভা করার কথা রয়েছে।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য