ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

ছাত্রশিবিরের গুজব আর সজীব ওয়াজেদ জয়ের গুজবের ভাষা একই: নাছির

অনলাইন ডেস্ক
২৯ জুন, ২০২৫ ১৬:৫০
অনলাইন ডেস্ক
ছাত্রশিবিরের গুজব আর সজীব ওয়াজেদ জয়ের গুজবের ভাষা একই: নাছির

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির বলেছেন, শিবির নেতারা বিএনপির নাম জড়িয়ে ধর্ষণের গুজব ছড়িয়ে দলের নেতাকর্মীদের চরিত্রহননের অপচেষ্টা চালিয়েছে। উদ্দেশ্য ছিল বিএনপির কর্মীদের বিরুদ্ধে জনমত ও মব উসকে দেওয়া। এমন গুজব সন্ত্রাস ধরা পড়ার পরও তারা ভুল স্বীকার করেনি, প্রকাশ করেনি কোনো অনুশোচনা।

আজ রবিবার (২৯ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।

নাছির উল্লেখ করেন, কুমিল্লার মুরাদনগরের রামচন্দ্রপুর দক্ষিণ ইউনিয়নে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের সভাপতি মোহাম্মদ আলী সুমনের নেতৃত্বে এক নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন এবং তা ভিডিও ধারণ করে ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় দেশবাসী ক্ষুব্ধ। এই ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ফজর আলী নামের আরেকজন ব্যক্তি আওয়ামী লীগের কর্মী বলেও তথ্যপ্রমাণ পাওয়া গেছে।

তিনি বলেন, এই অমানবিক ঘটনার সাথে বিএনপি বা ছাত্রদলের কারো কোনো ন্যূনতম সংশ্লিষ্টতা ছিল না। কিন্তু আমরা লক্ষ্য করলাম, উক্ত ঘটনাকে বিকৃত করে মধ্যরাতে  জামায়াত শিবির চক্র বিএনপির বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ অপপ্রচার করেছে। এতে নেতৃত্ব দিয়েছেন কেন্দ্রীয়  শিবির নেতা সাদিক কায়েম এবং ঢাবি শিবিরের সভাপতি এস এম ফরহাদ; যারা গণ-অভ্যুত্থানের পরে ছাত্রলীগের নেতা থেকে শিবির নেতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। এখনও তাদের গুজব আর সজীব ওয়াজেদ জয়ের গুজবের ভাষা একই। 

নাছির আরও বলেন, গুজব রটনা ছাত্রশিবিরের মধ্যে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েছে। ছাত্রশিবির গুজব সন্ত্রাস নামের দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত। তাদের এই রোগ ছোঁয়াচে রোগের মতো নতুন নতুন অনেক দলের মধ্যেও প্রবেশ করেছে। ছাত্রশিবির মিথ্যা ও অপতথ্যের আশ্রয় নিয়ে রাজনীতির পরিবেশ দূষিত করেছে। 

তিনি বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল নারীর প্রতি সকল ধরনের সহিংসতা, শ্লীলতাহানি, ধর্ষণসহ সব ধরনের নারী নিপীড়নের বিরুদ্ধে সোচ্চার। আমরা সব ধরনের নারী নির্যাতনের বিচার দাবি করছি।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ‘দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা’ করতে যাচ্ছে এনসিপি

    অনলাইন ডেস্ক
    ২৯ জুন, ২০২৫ ১২:১০
    অনলাইন ডেস্ক
    ‘দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা’ করতে যাচ্ছে এনসিপি

    জুলাইয়ের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আগামী ১ থেকে ৩০ জুলাই পর্যন্ত সারা দেশে ‘দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচি পালন করবে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

    রোববার (২৯ জুন) বেলা ১১টায় রাজধানীর বাংলামটরে দলটির অস্থায়ী কার্যালয়ে জুলাই অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন দলটির আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম।

    তিনি বলেন, শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারতের মাধ্যমে দেশের ৬৪টি জেলায় ‘দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচি পালন করা হবে।

    নাহিদ আরও জানান, ১৬ জুলাই আবু সাঈদের মৃত্যুর মাধ্যমে শহীদ হওয়া শুরু হয়। তাই আমরা ১৬ জুলাই বৈষম্যবিরোধী শহীদ দিবস হিসেবে সারা দেশে পালন করব। এ ছাড়া ৩ আগস্ট শহীদ মিনারে ছাত্র-জনতার পক্ষ থেকে জুলাই ঘোষণাপত্র এবং ইশতেহার পাঠ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে। ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। এই দিনকে ছাত্র-জনতার মুক্তি দিবস পালন করবে জাতীয় নাগরিক পার্টি।

    তিনি বলেন, জুলাই ঘোষণাপত্র দেওয়ার প্রতিশ্রুত মেয়াদ শেষ। সরকারের জায়গা থেকে কোনো পদক্ষেপ দেখিনি। সরকার ব্যর্থ হয়েছে। তাই আমরাই দেবো।

    এ ছাড়া ৮ আগস্ট নতুন বাংলাদেশ দিবস পালনের সিদ্ধান্ত থেকে সরকারকে সরে আসার আহ্বানও জানান তিনি।

         

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      বাংলাদেশে পিআর সিস্টেমে নির্বাচন সম্ভব নয় : সালাহউদ্দিন

      অনলাইন ডেস্ক
      ২৮ জুন, ২০২৫ ২০:৬
      অনলাইন ডেস্ক
      বাংলাদেশে পিআর সিস্টেমে নির্বাচন সম্ভব নয় : সালাহউদ্দিন

      বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে পিআর (প্রোপরশোনাল রিপ্রেজেন্টেশন) বা আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতিতে নির্বাচন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ।

      শনিবার (২৮ জুন) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ‘যুদ্ধের ময়দান থেকে রাষ্ট্রের প্রধান জিয়াউর রহমান’ স্মারক প্রকাশনা ও আর্কাইভ উন্মোচন অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

      যারা পিআর সিস্টেমে নির্বাচন চাচ্ছেন তাদের উদ্দেশ্য আছে জানিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, নির্বাচন বিলম্ব অথবা নির্বাচন বানচাল করতে চায় তারা।

      বিএনপি জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে আগাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার দ্রুত জাতীয় নির্বাচনের দিনক্ষণ জানাবেন আশা তার।

      সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নে তিনি বলেন, স্থানীয় নির্বাচনের জন্য এখন উপযুক্ত সময় নয়।

      এ দিকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসমাবেশে যোগ দিয়ে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, পিআর পদ্ধতি ছাড়া নির্বাচন দেশের মানুষ মেনে নেবে না।

      প্রয়োজনীয় রাষ্ট্র সংস্কার, অতীতের গণহত্যায় জড়িতদের বিচার ও পিআর পদ্ধতিতে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের দাবিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এ মহাসমাবেশ আয়োজন করে।

      মহাসমাবেশে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির (চরমোনাই পীর) মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, পিআর পদ্ধতি ছাড়া নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিকল্প নেই।

      জনগণের ভোটের অবমূল্যায়ন রুখতে সংসদ নির্বাচনে পিআর পদ্ধতি চালু করতে হবে।

       

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        গণঅভ্যুত্থানের প্রথম বার্ষিকী, জামায়াতের ১২টি কর্মসূচি ঘোষণা

        অনলাইন ডেস্ক
        ২৮ জুন, ২০২৫ ১৯:৩০
        অনলাইন ডেস্ক
        গণঅভ্যুত্থানের প্রথম বার্ষিকী, জামায়াতের ১২টি কর্মসূচি ঘোষণা
        গণঅভ্যুত্থানের প্রথম বার্ষিকী, জামায়াতের ১২টি কর্মসূচি ঘোষণা

        জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের প্রথম বার্ষিকী উপলক্ষে কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শনিবার (২৮ জুন) দুপুর ১২টার দিকে দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

        গণঅভ্যুত্থানে শহীদ, আহত ও পঙ্গুত্ববরণকারীদের জন্য সারা দেশে শাখায় শাখায় দোয়া অনুষ্ঠান করবে জামায়াতে ইসলামী।

        কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে-

        ১ জুলাই

        জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ, আহত ও পঙ্গুত্ববরণকারীদের জন্য দেশব্যাপী শাখায় শাখায় দোয়া অনুষ্ঠান।

        ২-৪ জুলাই

        দরিদ্র, অসহায়, দুস্থ ও এতিমদের মাঝে খাবার বিতরণ।

        ৮-১৫ জুলাই

        জামায়াত নেতাদের শহীদ ও আহত পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ, মতবিনিময় ও দোয়া অনুষ্ঠান।

        ১৬ জুলাই

        শহীদ আবু সাঈদ স্মরণে আলোচনাসভা ও দোয়া অনুষ্ঠান (রংপুরে)।

        ১৯ জুলাই

        ক) জামায়াত ঘোষিত ৭-দফা বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় সমাবেশ,

        খ) শহীদ পরিবার কর্তৃক আয়োজিত অনুষ্ঠানে আমিরে জামায়াতের অংশগ্রহণ।

        ২০-২৪ জুলাই

        জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের মূল উদ্দেশ্য ও গণ-প্রত্যাশা পূরণের লক্ষ্যে সেমিনার-সিম্পোজিয়াম।

        ২৫-২৮ জুলাই

        জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের ওপর ডকুমেন্টারি প্রদর্শনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

        ২৯-৩০ জুলাই

        মহিলা ও ছাত্রীদের উদ্যোগে আলোচনাসভা।

        ১ আগস্ট

        জাতীয় সেমিনার (শহীদ স্মারকের ইংরেজি ও আরবি অনুবাদের মোড়ক উন্মোচন)।

        ১-৩ আগস্ট

        ছাত্রদের উদ্যোগে আলোকচিত্র প্রদর্শনী কর্মসূচি পালন।

        ৫ আগস্ট

        দেশব্যাপী গণমিছিল পালন এবং রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিতে জাতীয় ও স্থানীয়ভাবে অংশগ্রহণ।

        ৬-৮ আগস্ট

        সাংবাদিক, শিক্ষক, চিকিৎসক, আইনজীবী, প্রকৌশলী ও আলেম-ওলামাদের উদ্যোগে আলোচনাসভা।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          জুলাই অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি

          জুলাই মাসে ‘জুলাই’ ফেরাতে চায় এনসিপি

          অনলাইন ডেস্ক
          ২৮ জুন, ২০২৫ ১৯:১৪
          অনলাইন ডেস্ক
          জুলাই মাসে ‘জুলাই’ ফেরাতে চায় এনসিপি

          ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে গত বছরের ৫ আগস্ট পতন হয় শেখ হাসিনা সরকারের। তার আগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে জুলাই মাস ধরে চলে আন্দোলন, যা পরিচিতি পায় ‘জুলাই বিপ্লব’ বা ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান’ নামে। ছাত্র-জনতার সেই বিপ্লবী জুলাইয়ের এক বছর পূর্তি হতে যাচ্ছে দিন দুয়েক পরই। অবশ্য অনেকেই মনে করছেন, বছর পার না হতেই দেশজুড়ে আলোড়ন তোলা এই বিপ্লবের ঘটনাবহুল দিনগুলো জনমানস থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে কিংবা ঝাপসা বিভ্রান্তিকর ইতিহাসের পাঠ দিতে শুরু করেছে। একই সঙ্গে জুলাইয়ের দৃঢ় ঐক্যে ধরেছে ফাটল। এমন প্রেক্ষাপটে জুলাই বিপ্লবের অনুভূতি ফিরিয়ে আনতে মাসব্যাপী নানান কর্মসূচির পরিকল্পনা করছে অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের নিয়ে গড়া রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

          দলটির দায়িত্বশীল একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জুলাই মাসজুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হবে দলের পক্ষ থেকে। যার মধ্যে অন্যতম হলো সারা দেশে লংমার্চ। জুলাই বিপ্লবের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের কবর চত্বর থেকে শুরু হয়ে রাজধানী ঢাকায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হতে পারে এই কর্মসূচি। ঢাকাসহ যেসব জায়গায় আন্দোলন সংঘটিত হয়েছে এবং শহীদরা প্রাণ বিসর্জন দিয়েছেন, সেসব জায়গায় বিশেষ কর্মসূচি রাখার চিন্তা করছে নতুন এই রাজনৈতিক দলটি। বিশেষ করে জুলাই বিপ্লবের যেসব কর্মসূচিতে ছাত্র-জনতা উজ্জীবিত হয়েছিল, সেগুলো প্রতীকীভাবে পালন করা হতে পারে।

          এনসিপির সম্ভাব্য কর্মসূচিগুলোর মধ্যে রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিসহ সারা দেশে ডকুমেন্টারি প্রদর্শন, প্রজেকশন ম্যাপিং ও জুলাইয়ের গান এবং ড্রোন শো। বিশেষ করে অভ্যুত্থানে সবচেয়ে বেশি উন্মাদনা ছড়ানো বাংলা র‌্যাপ গান নিয়ে ঢাকায় হবে বড় কর্মসূচি। এর মধ্যে ‘কথা ক’, ‘বাংলা মা’, ‘বায়ান্ন’, ‘দেশ সংস্কার’, ‘স্বাধীনতার গন্ধ’, ‘দেশ কার’, ‘আবু সাঈদ’, ‘রক্ত’, ‘দেশ কারও বাপের না’, ‘শকুনের চোখ’, ‘আওয়াজ উডা’সহ আন্দোলনে প্রেরণা জোগানো গানগুলোকে স্মরণ করা হবে।

          এ ছাড়া জুলাই ঘিরে সারা দেশে আর্ট ক্যাম্প, চলচ্চিত্র উৎসব, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ভিডিওচিত্র প্রদর্শনসহ নানান কর্মসূচি থাকবে। সবশেষ ৩ কিংবা ৫ আগস্ট ঢাকায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে হবে জুলাই মহাসমাবেশ। ৩ আগস্ট একদফা এবং ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার বিজয়কে বিশেষভাবে পালন করার চিন্তা করছে জাতীয় নাগরিক পার্টি।

          এনসিপির কর্মসূচি পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন সেলের সম্পাদক অনিক রায়  বলেন, ‘জুলাই-আগস্ট কেন্দ্র করে আমরা নানান কর্মসূচি হাতে নিচ্ছি। জুলাইকে যাতে সবার মাঝে পুনরুজ্জীবিত করা যায় এবং আবার সে অনুভূতিকে ফিরিয়ে আনা যায়, সেজন্য আমরা কাজ করছি। রোডমার্চ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আর্ট ক্যাম্প, সমাবেশসহ বেশকিছু কর্মসূচির পরিকল্পনা রয়েছে। বিশেষ করে জুলাইয়ের সিগনিফিকেন্ট (তাৎপর্যপূর্ণ) দিনগুলো কেন্দ্র করে আমাদের বিশেষ আয়োজন থাকবে। এসব আয়োজনে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারাসহ সারা দেশের মানুষ অংশগ্রহণ করবে বলে আমরা প্রত্যাশা করি।’

          সারা দেশের ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে জুলাইকেন্দ্রিক কর্মসূচি পালিত হবে বলে জানান দলটির যুগ্ম সদস্য সচিব আলাউদ্দিন মোহাম্মদ। তিনি বলেন, ‘সারা দেশে লংমার্চ এবং ঢাকায় মহাসমাবেশ হবে। এ ছাড়া ঢাকায় আমাদের অফিসসহ আন্দোলনের স্পটগুলোতে ভিডিওচিত্র প্রদর্শনী হবে। পুরো জুলাই তথা গণঅভ্যুত্থানকে স্মরণ করার জন্য আমরা সব ধরনের পরিকল্পনা করছি।’

          কর্মসূচি থাকবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনেরও: বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনও জুলাইকেন্দ্রিক বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করবে বলে জানা গেছে। সংগঠনটির মুখপাত্র সিনথিয়া জাহীন আয়েশা কালবেলাকে বলেন, ‘আমরা দেখছি মিডিয়া, পাঠ্যপুস্তক, এমনকি প্রাতিষ্ঠানিক রাজনীতিও ধীরে ধীরে জুলাইয়ের রাজনৈতিক তাৎপর্যকে ধোঁয়াটে করে ফেলতে চাচ্ছে। এক ধরনের ‘ডি-কালেক্টিভ মেমোরি’ তৈরি করা হচ্ছে, যাতে জনগণ নিজেদের ইতিহাস ভুলে যায়, নিজেদের বিরুদ্ধে সংঘটিত অন্যায়-অবিচারকে ভুলে যায়। এই বাস্তবতায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কাছে জুলাই এক ঐতিহাসিক দায়। কারণ, জুলাই মানে শুধু শোক নয়, জুলাই মানে প্রতিরোধ, নির্মাণ এবং দায়িত্বশীল রাজনৈতিক স্মৃতির পুনরুদ্ধার।’

          জুলাই সামনে রেখে সাংগঠনিক বহুমাত্রিক কর্মপরিকল্পনার কথা জানিয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখপাত্র বলেন, ‘স্মৃতি-মিছিল ও পোস্টার ক্যাম্পেইন, শহর ও প্রান্তিক অঞ্চলে পোস্টার, ব্যানার, দেয়াললিখন ও স্মৃতিচারণাভিত্তিক র্যালির মাধ্যমে জুলাইয়ের ইতিহাসকে জনমানসে ফিরিয়ে আনা হবে। জুলাই আন্দোলনের প্রামাণ্য দলিল সংরক্ষণ এবং জনসাধারণের কাছে তুলে ধরার জন্য একটি মুক্ত অনলাইন প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলার চিন্তা রয়েছে আমাদের।’

          সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক হাসান ইনাম বলেন, ‘পুরো জুলাই জুড়েই বিভিন্ন রকম আয়োজন ও কর্মসূচির জন্য পরিকল্পনা করছি আমরা। গত এক বছর জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে যেসব কাজ করা হয়নি বা অসমাপ্ত পড়ে আছে, সেই কাজগুলোর দিকেই মনোযোগ দেব আমরা। গণহত্যার ডকুমেন্টেশন, গণহত্যায় জড়িতদের বিচার নিশ্চিতকরণ, জুলাই ঘোষণাপত্র আদায় করাসহ বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি হাতে নেওয়ার পরিকল্পনা আছে আমাদের।’

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত