ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

চুপ থাকার পরিস্থিতি নেই, ইশরাকের বিষয়ে সিদ্ধান্ত শিগগির

অনলাইন ডেস্ক
১৯ জুন, ২০২৫ ১৭:৪৫
অনলাইন ডেস্ক
চুপ থাকার পরিস্থিতি নেই, ইশরাকের বিষয়ে সিদ্ধান্ত শিগগির

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, ‘ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নিয়ে একটু সমস্যা চলছে। আমরা এ বিষয় নিয়ে উদ্বিগ্ন। সেখানে নাগরিক সেবা যেভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। এখন আর বসে থাকার সুযোগ নেই। খুব দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ 

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পুরাতন সভাকক্ষে ‘উপজেলা পরিষদের মাধ্যমে নির্মাণাধীন পাবলিক লাইব্রেরি উদ্বোধন’ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘ডেঙ্গুর প্রকোপ নিয়ে আমরা সতর্ক আছি। এ নিয়ে আমরা খুব দ্রুত বিস্তারিত আলোচনা করব।

আপনারা জানেন দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে কিছু সমস্যা চলছে। তার পরও আমরা বাহিরে থেকে যতটুকু পারছি কাজ করছি।’
তিনি বলেন, ‘কিছু এলাকা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে অবকাঠামোগত উন্নয়নে বৈষম্যের শিকার হয়েছে। সেসব এলাকায় আমরা উন্নয়নে জোর দেব।

শিক্ষা ও দারিদ্র্যের হার উত্তরবঙ্গের দিকে কিছুটা বেশি। তাদের প্রতি আমাদের কিছু প্রতিশ্রুতি রয়েছে। এসব এলাকায় গুদাম না থাকায় কৃষকরা ভালো দাম পাচ্ছেন না ফসলের। ফলে আমরা সেসব এলাকায় গুদাম স্থাপন এবং প্রক্রিয়াকরণ জোনের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করব। তিস্তা নদীর ভাঙনের ফলে যারা গৃহহীন হয়েছে তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপদেষ্টা বলেন, ‘রাজনৈতিক প্রিভিলেজের কারণে কোনো এলাকায় বেশি উন্নয়ন আর কোনো এলাকায় কম উন্নয়ন যাতে না হয়—সেদিকে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে। আমরা দেখেছি গোপালগঞ্জের একটি উপজেলায় গেলে দেখা যাচ্ছে কতটুকু উন্নয়ন হয়েছে আর রংপুরের আরেকটি জেলায় কতটুকু উন্নয়ন হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকার খুব অল্প সময়ের জন্য দায়িত্ব নিয়েছে। সুতরাং এই অল্প সময়ে লাইব্রেরি স্থাপনের মতো এ রকম উদ্যোগ নেওয়া খুব চ্যালেঞ্জিং। আমরা মাত্র ২৩ কোটি টাকায় সারা দেশে ১১টি জেলার ৪৪টি পাবলিক লাইব্রেরি করছি। আমরা খুব দ্রুত দেশের সব উপজেলায় পাবলিক লাইব্রেরি করার প্রকল্প হাতে নেব। আমরা এমন একটা লাইব্রেরি করতে চাই, যেখানে সবাইকে আসতে আগ্রহী করবে। অন্য সরকারি ভবনের মতো পড়ে থাকবে না।’

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    আজও স্লোগানে উত্তাল নগরভবন, বন্ধ প্রধান ফটক

    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    ১৯ জুন, ২০২৫ ১৩:১৫
    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    আজও স্লোগানে উত্তাল নগরভবন, বন্ধ প্রধান ফটক

    গত কয়েকদিনের মতো আজও নগর ভবনে উপস্থিত হয়েছে বিএনপি নেতা ইশরাককে মেয়র হিসেবে চাওয়া তার অনুসারীরা। ঢাকাবাসীর ব্যানারে আন্দোলন করছে তারা। আগে থেকেই এখানে অবস্থান করছিল ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ইশরাকপন্থি কর্মচারীরা। তাদের ‌‘ইশরাক ইশরাক’ সম্মিলিত স্লোগানে উত্তাল হয়ে আছে পুরো নগরভবন প্রাঙ্গণ। বন্ধ আছে প্রধান ফটক।

    বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) ঢাকাবাসীর ব্যানারে ছোট বড় মিছিল নিয়ে তারা নগরভবনে একত্রিত হয়েছেন।

    যদিও গত কয়েকদিন ধরে ৭০টি ওয়ার্ডের পরিচ্ছন্নতা পরিদর্শক, ওয়ার্ড সচিবের সঙ্গে বৈঠক পর গতকাল নগরভবনে মশক নিধন কার্যক্রমের উদ্বোধন করছেন বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন। পরে আবার এডিস মশা ও করোনা ভাইরাস দক্ষিণ সিটির স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

    গত ১৫ মে থেকে ৩ জুন পর্যন্ত নগর ভবন থেকে দেওয়া সব নাগরিক সেবা বন্ধ ছিল। জরুরি প্রয়োজনে এসে এসময় সেবাপ্রার্থী নাগরিকদের বারবার ঘুরে যেতে হয়েছে। সে সময় দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ইশরাকপন্থি কর্মচারীরা নগরভবনের মূল ফটক আটকে রাখার পাশাপাশি প্রতিটি বিভাগে তালা ঝুলিয়ে সেবা কার্যক্রম বন্ধ করে রাখে। পরে ঈদের বিরতির পর গত রোববার (১৫ জুন) থেকে ইশরাকের অনুসারীরা ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের নগরভবনে একত্রিত হয়ে ফের অবস্থান কর্মসূচি পালন করতে শুরু করেন।

    যদিও সেসময় এসে নগরভবনে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে জানিয়ে বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন বলেছিলেন, জন্ম নিবন্ধন সনদসহ দৈনন্দিন জরুরি সেবা চালু থাকবে, অন্যান্য উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা কর্মকর্তারা অফিস করতে পারবে না। প্রধান ফটকের তালা খোলা হবে না, এটা আন্দোলনের একটা প্রতীক। জনগণের দৈনন্দিন সেবা, আমাদের তত্ত্বাবধানে চালু থাকবে।

    এরই ধারাবাহিকতায় আজও নগরভবনে উপস্থিত হয়ে আন্দোলন কর্মসূচি পালন করছে ইশরাকপন্থীরা।তারা ‘শপথ শপথ শপথ চাই, ইশরাক ভাইয়ের শপথ চাই’, ‘মেয়র নিয়ে তালবাহানা, সহ্য করা হবে না’, ‘চলছে লড়াই চলবে, ইশরাক ভাই লড়বে’, ‘নগর পিতা ইশরাক ভাই, আমরা তোমার ভুলি নাই’ এমন স্লোগান দিয়ে যাচ্ছে আন্দোলনকারীরা।

    প্রসঙ্গত ২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন হয়। সেসময় আওয়ামী লীগের প্রার্থী  শেখ ফজলে নূর তাপসকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। নির্বাচনে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ফল বাতিল চেয়ে ২০২০ সালের ৩ মার্চ মামলা করেন ইশরাক।

    ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গেল ২৭ মার্চ ঢাকার নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল সেই ফল বাতিল করে অবিভক্ত ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার ছেলে ইশরাককে মেয়র ঘোষণা করে।

    এরপর ২৭ এপ্রিল ইশরাককে ডিএসসিসি মেয়র ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। কিন্তু তাকে যেন শপথ পড়ানো না হয় সেজন্য গত ১৪ মে হাই কোর্টে রিট আবেদন করা হয়। এমন পরিস্থিতিতে মেয়রের দায়িত্ব বুঝিয়ে দিতে গত ১৫ মে থেকে আন্দোলন নামেন ইশরাক সমর্থকরা। তাদের আন্দোলনের কারণে ডিএসসিসি নগর ভবন কার্যত অচল হয়ে পড়ে। কিন্তু আইনি জটিলতার কথা বলে ইশরাকের শপথের আয়োজন থেকে বিরত থাকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।

    এরপর এ রিট মামলার ওপর কয়েক দফা শুনানির পর তা খারিজ করে আদেশ দেয় হাইকোর্টের বেঞ্চ।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      যারা এনসিসি গঠনের বিপক্ষে, তারা ফ্যাসিবাদী কাঠামোয় থাকতে চায় : নাহিদ

      অনলাইন ডেস্ক
      ১৮ জুন, ২০২৫ ২০:১৬
      অনলাইন ডেস্ক
      যারা এনসিসি গঠনের বিপক্ষে, তারা ফ্যাসিবাদী কাঠামোয় থাকতে চায় : নাহিদ

      জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, কয়েকটি রাজনৈতিক দল জাতীয় সাংবিধানিক কাউন্সিল (এনসিসি) গঠনের বিপক্ষে মতামত দিয়েছে। আমরা বলতে চাই, যারা এনসিসি গঠনের বিপক্ষে, তারা মূলত ফ্যাসিবাদী কাঠামোয় থেকে যেতে চান।

      বুধবার (১৮ জুন) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর দ্বিতীয় পর্যায়ের তৃতীয় বৈঠকের বিরতিতে তিনি এ কথা বলেন।

      অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমরা জানতে চাই— আপনারা কি আগের ফ্যাসিবাদী কাঠামোয় থেকে যেতে চান? কারণ, কয়েকটি রাজনৈতিক দল জাতীয় সাংবিধানিক কাউন্সিল (এনসিসি) গঠনের বিপক্ষে মতামত দিয়েছে। আমরা বলতে চাই, যারা এনসিসি গঠনের বিপক্ষে, তারা মূলত ফ্যাসিবাদী কাঠামোয় থেকে যেতে চান।

      নাহিদ ইসলাম বলেন, মানবাধিকার কমিশন থাকার পরও বিগত ১৬ বছরে তারা কোনো কথা বলেনি। দুদক ও নির্বাচন কমিশন তাদের কার্যক্রমে বিশ্বাসযোগ্যতা হারায়। কারণ, তারা একটি দল ও ব্যক্তির আজ্ঞাবহতে পরিণত হয়েছিল।

      এনসিপির এই নেতা জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোকে এনসিসি গঠনের বিষয়ে মতামত দেওয়ার আহ্বান জানান।

      এনসিসি গঠনকে ক্ষমতার ভারসাম্য হিসেবে উল্লেখ করেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, নির্বাহী বিভাগের অসম ক্ষমতা হ্রাস করতেই আমাদের নতুন বাংলাদেশের যাত্রা। তাই আমরা এনসিসি গঠনের পক্ষে মত দিয়েছি। তবে এখানে সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান নিয়োগের ক্ষমতা থাকা উচিত নয়। পাশাপাশি এনসিসিতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান বিচারপতিকে রাখা উচিত নয়। এটা নিয়ে আরও আলোচনার প্রয়োজন আছে।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        জামায়াতকে ‘বেশি কথা বলতে দেওয়ায়’ সংলাপ থেকে সিপিবি-গণফোরামের ওয়াকআউট

        অনলাইন ডেস্ক
        ১৮ জুন, ২০২৫ ১৮:৩৪
        অনলাইন ডেস্ক
        জামায়াতকে ‘বেশি কথা বলতে দেওয়ায়’ সংলাপ থেকে সিপিবি-গণফোরামের ওয়াকআউট

        জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সংলাপে জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের বেশি কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয়েছে অভিযোগ তুলে এর প্রতিবাদে ‘ওয়াক আউট’ করেছেন বাংলাদেশের কমিসউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), গণফোরামসহ কয়েকটি দলের প্রতিনিধিরা।  

        তবে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্য ড. বদিউল আলম মজুমদার ও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার আবারও তাদের সম্মেলন কক্ষে নিয়ে যান।

        বুধবার (১৮ জুন) বিকেলে জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরের বক্তব্য শেষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বক্তব্য দেওয়া শুরু করলে প্রথমে গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান হৈ চৈ করে সংলাপস্থল থেকে বের হয়ে যান। এসময় তিনি বলেন, ‘এখানে কীসের সংলাপ হচ্ছে, কার সঙ্গে সংলাপ করবো। তারা যা ইচ্ছা তাই করছে। ’

        এরপর বের হয়ে যান সিপিবির সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্সসহ দুইজন। মিজানুর রহমন অপেক্ষমান সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে থাকেন। তখন তাকে জড়িয়ে ধরে সংলাপস্থলে যাওয়ার অনুরোধ করেন ১২ দলীয় জোটের মুখপাত্র শাহাদাত হোসেন সেলিম। তবে সে সময় গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কথা বলতে থাকেন রুহিন হোসেন প্রিন্স। পরে কথা বলেন সেলিম।

        সিপিবি সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামীর তিনজন কথা বলেছেন। আমাদের একজন কথা বলতে গেলে তাকে বাধাগ্রস্ত করা হয়েছে। আমরা প্রতিবাদ করেছি। ওনারা সেটা নোট নিয়েছেন। তাই আমরা সংলাপে ফিরে যাচ্ছি। ’

        শাহাদাৎ হোসেন সেলিম বলেন, “আমরা যখন কথা বলেছি তখন আমাদের থামিয়ে দেওয়া হয়। জামায়াতে ইসলামী অপ্রাসঙ্গিক কথা বলছিল, তখন আমি বললাম এটা প্রাসঙ্গিক নয়। তখন তিনি বলেছেন, ‘আপনি কতজন লোককে প্রতিনিধিত্ব করেন’। ”

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          জাতীয় স্বার্থে বিএনপি ঐকমত্যকে গুরুত্ব দেবে: আমীর খসরু

          অনলাইন ডেস্ক
          ১৭ জুন, ২০২৫ ১৫:৯
          অনলাইন ডেস্ক
          জাতীয় স্বার্থে বিএনপি ঐকমত্যকে গুরুত্ব দেবে: আমীর খসরু

          বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন,  ‘আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করলে বিএনপি জাতীয় স্বার্থে সবসময়ই ঐকমত্যকে গুরুত্ব দেবে। দেশের যে কোনো সংকটে বিএনপি সবাইকে নিয়েই কাজ করবে।’

          আজ  রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপার্সনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূত পাওলো ফার্নান্ডো ডায়াস ফোরেসের সঙ্গে বিএনপির প্রতিনিধি দলের বৈঠক শেষে আয়োজিত সাংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। 

          প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

          আমীর খসরু বলেন, দেশে নির্বাচিত সরকার এলে ব্রাজিল সবধরনের সহযোগিতার  আশ্বাস দিয়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের কৃষি খাতে তারা কাজ করতে আগ্রহী। ব্রাজিল পৃথিবীর শীর্ষ কৃষি প্রধান দেশ। বাংলাদেশেরও বেশিরভাগ মানুষ এই পেশার সঙ্গে জড়িত। আগামীতে দেশের কৃষি খাত কিভাবে আরো সমৃদ্ধ করা যায় সে ব্যাপারে সহায়তা দেবে দেশটি।

          বাংলাদেশের ক্রীড়া ক্ষেত্রেও ব্রাজিল সহায়তা করতে চায় এমনটা জানিয়ে বিএনপির এই সিনিয়র নেতা বলেন,  বাংলাদেশের ফুটবলের উন্নয়নে কাজ করবে ব্রাজিল। আপনারা জানেন পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ফুটবলের দেশ বলতে ব্রাজিল কে বোঝায়। তারা যখন আমাদের ফুটবলের উন্নয়নে কাজ করতে চায় সেটি নিঃসন্দেহে আনন্দের। ফুটবলের পাশাপাশি বাস্কেটবলের উন্নয়নেও তারা কাজ করবে।

          সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও চেয়ারপার্সনের পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক বিশেষ সহযোগী উপদেষ্টা কমিটির সদস্য শামা ওবায়েদ।

          facebook sharing button

          messenger sharing button

          twitter sharing button

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত