ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

যারা এনসিসি গঠনের বিপক্ষে, তারা ফ্যাসিবাদী কাঠামোয় থাকতে চায় : নাহিদ

অনলাইন ডেস্ক
১৮ জুন, ২০২৫ ২০:১৬
অনলাইন ডেস্ক
যারা এনসিসি গঠনের বিপক্ষে, তারা ফ্যাসিবাদী কাঠামোয় থাকতে চায় : নাহিদ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, কয়েকটি রাজনৈতিক দল জাতীয় সাংবিধানিক কাউন্সিল (এনসিসি) গঠনের বিপক্ষে মতামত দিয়েছে। আমরা বলতে চাই, যারা এনসিসি গঠনের বিপক্ষে, তারা মূলত ফ্যাসিবাদী কাঠামোয় থেকে যেতে চান।

বুধবার (১৮ জুন) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর দ্বিতীয় পর্যায়ের তৃতীয় বৈঠকের বিরতিতে তিনি এ কথা বলেন।

অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমরা জানতে চাই— আপনারা কি আগের ফ্যাসিবাদী কাঠামোয় থেকে যেতে চান? কারণ, কয়েকটি রাজনৈতিক দল জাতীয় সাংবিধানিক কাউন্সিল (এনসিসি) গঠনের বিপক্ষে মতামত দিয়েছে। আমরা বলতে চাই, যারা এনসিসি গঠনের বিপক্ষে, তারা মূলত ফ্যাসিবাদী কাঠামোয় থেকে যেতে চান।

নাহিদ ইসলাম বলেন, মানবাধিকার কমিশন থাকার পরও বিগত ১৬ বছরে তারা কোনো কথা বলেনি। দুদক ও নির্বাচন কমিশন তাদের কার্যক্রমে বিশ্বাসযোগ্যতা হারায়। কারণ, তারা একটি দল ও ব্যক্তির আজ্ঞাবহতে পরিণত হয়েছিল।

এনসিপির এই নেতা জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোকে এনসিসি গঠনের বিষয়ে মতামত দেওয়ার আহ্বান জানান।

এনসিসি গঠনকে ক্ষমতার ভারসাম্য হিসেবে উল্লেখ করেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, নির্বাহী বিভাগের অসম ক্ষমতা হ্রাস করতেই আমাদের নতুন বাংলাদেশের যাত্রা। তাই আমরা এনসিসি গঠনের পক্ষে মত দিয়েছি। তবে এখানে সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান নিয়োগের ক্ষমতা থাকা উচিত নয়। পাশাপাশি এনসিসিতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান বিচারপতিকে রাখা উচিত নয়। এটা নিয়ে আরও আলোচনার প্রয়োজন আছে।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    জামায়াতকে ‘বেশি কথা বলতে দেওয়ায়’ সংলাপ থেকে সিপিবি-গণফোরামের ওয়াকআউট

    অনলাইন ডেস্ক
    ১৮ জুন, ২০২৫ ১৮:৩৪
    অনলাইন ডেস্ক
    জামায়াতকে ‘বেশি কথা বলতে দেওয়ায়’ সংলাপ থেকে সিপিবি-গণফোরামের ওয়াকআউট

    জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সংলাপে জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের বেশি কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয়েছে অভিযোগ তুলে এর প্রতিবাদে ‘ওয়াক আউট’ করেছেন বাংলাদেশের কমিসউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), গণফোরামসহ কয়েকটি দলের প্রতিনিধিরা।  

    তবে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্য ড. বদিউল আলম মজুমদার ও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার আবারও তাদের সম্মেলন কক্ষে নিয়ে যান।

    বুধবার (১৮ জুন) বিকেলে জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরের বক্তব্য শেষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বক্তব্য দেওয়া শুরু করলে প্রথমে গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান হৈ চৈ করে সংলাপস্থল থেকে বের হয়ে যান। এসময় তিনি বলেন, ‘এখানে কীসের সংলাপ হচ্ছে, কার সঙ্গে সংলাপ করবো। তারা যা ইচ্ছা তাই করছে। ’

    এরপর বের হয়ে যান সিপিবির সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্সসহ দুইজন। মিজানুর রহমন অপেক্ষমান সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে থাকেন। তখন তাকে জড়িয়ে ধরে সংলাপস্থলে যাওয়ার অনুরোধ করেন ১২ দলীয় জোটের মুখপাত্র শাহাদাত হোসেন সেলিম। তবে সে সময় গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কথা বলতে থাকেন রুহিন হোসেন প্রিন্স। পরে কথা বলেন সেলিম।

    সিপিবি সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামীর তিনজন কথা বলেছেন। আমাদের একজন কথা বলতে গেলে তাকে বাধাগ্রস্ত করা হয়েছে। আমরা প্রতিবাদ করেছি। ওনারা সেটা নোট নিয়েছেন। তাই আমরা সংলাপে ফিরে যাচ্ছি। ’

    শাহাদাৎ হোসেন সেলিম বলেন, “আমরা যখন কথা বলেছি তখন আমাদের থামিয়ে দেওয়া হয়। জামায়াতে ইসলামী অপ্রাসঙ্গিক কথা বলছিল, তখন আমি বললাম এটা প্রাসঙ্গিক নয়। তখন তিনি বলেছেন, ‘আপনি কতজন লোককে প্রতিনিধিত্ব করেন’। ”

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      জাতীয় স্বার্থে বিএনপি ঐকমত্যকে গুরুত্ব দেবে: আমীর খসরু

      অনলাইন ডেস্ক
      ১৭ জুন, ২০২৫ ১৫:৯
      অনলাইন ডেস্ক
      জাতীয় স্বার্থে বিএনপি ঐকমত্যকে গুরুত্ব দেবে: আমীর খসরু

      বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন,  ‘আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করলে বিএনপি জাতীয় স্বার্থে সবসময়ই ঐকমত্যকে গুরুত্ব দেবে। দেশের যে কোনো সংকটে বিএনপি সবাইকে নিয়েই কাজ করবে।’

      আজ  রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপার্সনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূত পাওলো ফার্নান্ডো ডায়াস ফোরেসের সঙ্গে বিএনপির প্রতিনিধি দলের বৈঠক শেষে আয়োজিত সাংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। 

      প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

      আমীর খসরু বলেন, দেশে নির্বাচিত সরকার এলে ব্রাজিল সবধরনের সহযোগিতার  আশ্বাস দিয়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের কৃষি খাতে তারা কাজ করতে আগ্রহী। ব্রাজিল পৃথিবীর শীর্ষ কৃষি প্রধান দেশ। বাংলাদেশেরও বেশিরভাগ মানুষ এই পেশার সঙ্গে জড়িত। আগামীতে দেশের কৃষি খাত কিভাবে আরো সমৃদ্ধ করা যায় সে ব্যাপারে সহায়তা দেবে দেশটি।

      বাংলাদেশের ক্রীড়া ক্ষেত্রেও ব্রাজিল সহায়তা করতে চায় এমনটা জানিয়ে বিএনপির এই সিনিয়র নেতা বলেন,  বাংলাদেশের ফুটবলের উন্নয়নে কাজ করবে ব্রাজিল। আপনারা জানেন পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ফুটবলের দেশ বলতে ব্রাজিল কে বোঝায়। তারা যখন আমাদের ফুটবলের উন্নয়নে কাজ করতে চায় সেটি নিঃসন্দেহে আনন্দের। ফুটবলের পাশাপাশি বাস্কেটবলের উন্নয়নেও তারা কাজ করবে।

      সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও চেয়ারপার্সনের পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক বিশেষ সহযোগী উপদেষ্টা কমিটির সদস্য শামা ওবায়েদ।

      facebook sharing button

      messenger sharing button

      twitter sharing button

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        নগরভবনে সভা করলেন ইশরাক, নামের সঙ্গে ‘মাননীয় মেয়র’

        অনলাইন ডেস্ক
        ১৬ জুন, ২০২৫ ১৫:২২
        অনলাইন ডেস্ক
        নগরভবনে সভা করলেন ইশরাক, নামের সঙ্গে ‘মাননীয় মেয়র’

        শপথ গ্রহণ না করেই ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র হিসেবে সংবর্ধনা পেয়েছেন বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন। ঈদের ছুটির পর আজ সোমবার ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মিলনায়তনে এক মতবিনিময় সভায় তাকে সংবর্ধনা দেন করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

        সোমবার সকাল ১১টার দিকে নগর ভবনের অডিটোরিয়ামে উপস্থিত হলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের পক্ষ থেকে করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ইশরাককে ফুল ও ক্রেস্ট দিয়ে সংবর্ধনা দেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হন বিএনপি নেতা ইশরাক। নগরভবনে এটিই তার প্রথম সভা। সভার ব্যানারে তার নামের শেষে ‘মাননীয় মেয়র, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন’ লেখা ছিল। পরিচ্ছন্ন ঢাকা ও নাগরিক সেবা নিশ্চিতকল্পে এই সভার আয়োজন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা। সভায় ইশরাক হোসেনকে মেয়র হিসেবে সম্মোধন করেন কর্মকর্তারা।

        অন্যদিকে ইশরাকের শপথের দাবিতে নগর ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেছেন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। সোমবার দ্বিতীয় দিনের মতো নগর ভবনের সামনে অবস্থান নেন তারা। তাদের কর্মসূচির কারণে সকাল থেকে নগর ভবনের প্রধান ফটকে তালা ঝুলছে। ভেতরে বিএনপির নেতাকর্মীরা কয়েক ভাগে ভাগে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছেন।

        মন্তব্য

        শেখ মুজিবের মতো হাসিনাও একদলীয় ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তন করেছিল

        অনলাইন ডেস্ক
        ১৬ জুন, ২০২৫ ১২:৮
        অনলাইন ডেস্ক
        শেখ মুজিবের মতো হাসিনাও একদলীয় ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তন করেছিল

        বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, শেখ মুজিবুর রহমানের মতো তার মেয়ে শেখ হাসিনাও একই পথ ধরে তাদের প্রকৃত দর্শন একদলীয় ব্যবস্থার পুনঃপ্রবর্তন করেছিল। নানা কালাকানুন প্রণয়ন করে সাংবাদিক ও সংবাদপত্রের ওপর অব্যাহত জুলুম চালিয়েছে তারা। 

        সোমবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা লেখেন। 

        পোস্টে তারেক রহমান লেখেন, ১৯৭৫ সালের ১৬ জুন বাংলাদেশের ইতিহাসে এক কালো দিবস। এদিনে তৎকালীন শাসকগোষ্ঠী সব দল বাতিল করে চরম কর্তৃত্ববাদী একদলীয় বাকশাল কায়েম করে তাদের অনুগত ৪টি সংবাদপত্র রেখে গোটা জাতিকে নির্বাক করে দিয়েছিল। ফলে বিভিন্ন সংবাদপত্রে কর্মরত অসংখ্য সংবাদকর্মী বেকার হয়ে পড়েছিল। তাদের রুজি-রোজগার ও সন্তানদের ভবিষ্যৎ চরম নৈরাজ্যের দিকে ঠেলে দেওয়া হয়। 

        তিনি লেখেন, আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের মূল চেতনা ছিল বাংলাদেশের ভৌগলিক স্বাধীনতা অর্জন ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা। চিরায়ত গণতন্ত্রে মানুষের নাগরিক স্বাধীনতা নিশ্চিত হয় এবং যার মূল শর্ত হচ্ছে বাক, চিন্তা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা। সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় ভিন্নমত প্রকাশের সুযোগ থাকায় রাষ্ট্র ও সমাজ জবাবদিহিতার আওতায় আসে এবং দেশের সরকার গঠনে নাগরিক ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটে। কিন্তু স্বাধীনতা পরবর্তী ক্ষমতাসীনরা স্বাধীনতা যুদ্ধের মূল চেতনার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে বহুদলীয় গণতন্ত্রের পথচলাকে স্তব্ধ করে দিয়ে একদলীয় বাকশাল ব্যবস্থা কায়েম করে। পরবর্তীকালে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এদেশের কাঙ্ক্ষিত বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন করেন।

        ‘বাকশাল সরকারের সকল প্রকার অগণতান্ত্রিক কালাকানুন বাতিল করে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা পুন:প্রতিষ্ঠিত করেন।’

        বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হরণ মূলত চিন্তা ও বিবেককে বন্দি রাখা। শেখ মুজিবুর রহমানের মতো তার মেয়ে শেখ হাসিনাও একই পথ ধরে তাদের প্রকৃত দর্শন একদলীয় ব্যবস্থার পুনর্প্রবর্তন করেছিল নতুন আঙ্গিকে। নানা কালাকানুন প্রণয়ন করে সাংবাদিক ও সংবাদপত্রের ওপর অব্যাহত জুলুম চালিয়েছে তারা। বাংলাদেশে গণমাধ্যমের  স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছিল।

        ‘সত্য উচ্চারণ করলেই নেমে আসত নির্যাতনের খড়গ। বাংলাদেশের গণমাধ্যম কর্মীসহ সকল পর্যায়ের মানুষকে সার্বক্ষণিক শঙ্কিত থাকতে হয়েছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও সাইবার সিকিউরিটি এ্যাক্টের মতো একের পর এক ‘ড্রাকোনিয়ান আইন’ প্রণয়ন করে সংবাদপত্র ও মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে ভয়াল দুর্গে বন্দি করা হয়েছিল।’

        তিনি আরও বলেন, বিগত ৫ আগস্ট ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের পর গণমাধ্যম কিছুটা স্বাধীনতা ভোগ করলেও এখনও ফ্যাসিবাদ শক্তির হাত থেকে গণমাধ্যম পুরোপুরি মুক্ত নয়। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি সংবাদপত্রের স্বাধীনতা বহুদলীয় গণতন্ত্রের মৌলিক উপাদান। গণতন্ত্রের নিরাপত্তা ও স্থায়িত্ব দিতে হলে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে।

        মন্তব্য
        সর্বশেষ সংবাদ
          সর্বাধিক পঠিত