শিরোনাম
জাতীয় স্বার্থে বিএনপি ঐকমত্যকে গুরুত্ব দেবে: আমীর খসরু
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করলে বিএনপি জাতীয় স্বার্থে সবসময়ই ঐকমত্যকে গুরুত্ব দেবে। দেশের যে কোনো সংকটে বিএনপি সবাইকে নিয়েই কাজ করবে।’
আজ রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপার্সনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূত পাওলো ফার্নান্ডো ডায়াস ফোরেসের সঙ্গে বিএনপির প্রতিনিধি দলের বৈঠক শেষে আয়োজিত সাংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
আমীর খসরু বলেন, দেশে নির্বাচিত সরকার এলে ব্রাজিল সবধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের কৃষি খাতে তারা কাজ করতে আগ্রহী। ব্রাজিল পৃথিবীর শীর্ষ কৃষি প্রধান দেশ। বাংলাদেশেরও বেশিরভাগ মানুষ এই পেশার সঙ্গে জড়িত। আগামীতে দেশের কৃষি খাত কিভাবে আরো সমৃদ্ধ করা যায় সে ব্যাপারে সহায়তা দেবে দেশটি।
বাংলাদেশের ক্রীড়া ক্ষেত্রেও ব্রাজিল সহায়তা করতে চায় এমনটা জানিয়ে বিএনপির এই সিনিয়র নেতা বলেন, বাংলাদেশের ফুটবলের উন্নয়নে কাজ করবে ব্রাজিল। আপনারা জানেন পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ফুটবলের দেশ বলতে ব্রাজিল কে বোঝায়। তারা যখন আমাদের ফুটবলের উন্নয়নে কাজ করতে চায় সেটি নিঃসন্দেহে আনন্দের। ফুটবলের পাশাপাশি বাস্কেটবলের উন্নয়নেও তারা কাজ করবে।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও চেয়ারপার্সনের পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক বিশেষ সহযোগী উপদেষ্টা কমিটির সদস্য শামা ওবায়েদ।
নগরভবনে সভা করলেন ইশরাক, নামের সঙ্গে ‘মাননীয় মেয়র’
শপথ গ্রহণ না করেই ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র হিসেবে সংবর্ধনা পেয়েছেন বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন। ঈদের ছুটির পর আজ সোমবার ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মিলনায়তনে এক মতবিনিময় সভায় তাকে সংবর্ধনা দেন করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
সোমবার সকাল ১১টার দিকে নগর ভবনের অডিটোরিয়ামে উপস্থিত হলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের পক্ষ থেকে করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ইশরাককে ফুল ও ক্রেস্ট দিয়ে সংবর্ধনা দেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হন বিএনপি নেতা ইশরাক। নগরভবনে এটিই তার প্রথম সভা। সভার ব্যানারে তার নামের শেষে ‘মাননীয় মেয়র, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন’ লেখা ছিল। পরিচ্ছন্ন ঢাকা ও নাগরিক সেবা নিশ্চিতকল্পে এই সভার আয়োজন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা। সভায় ইশরাক হোসেনকে মেয়র হিসেবে সম্মোধন করেন কর্মকর্তারা।
অন্যদিকে ইশরাকের শপথের দাবিতে নগর ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেছেন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। সোমবার দ্বিতীয় দিনের মতো নগর ভবনের সামনে অবস্থান নেন তারা। তাদের কর্মসূচির কারণে সকাল থেকে নগর ভবনের প্রধান ফটকে তালা ঝুলছে। ভেতরে বিএনপির নেতাকর্মীরা কয়েক ভাগে ভাগে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছেন।
শেখ মুজিবের মতো হাসিনাও একদলীয় ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তন করেছিল
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, শেখ মুজিবুর রহমানের মতো তার মেয়ে শেখ হাসিনাও একই পথ ধরে তাদের প্রকৃত দর্শন একদলীয় ব্যবস্থার পুনঃপ্রবর্তন করেছিল। নানা কালাকানুন প্রণয়ন করে সাংবাদিক ও সংবাদপত্রের ওপর অব্যাহত জুলুম চালিয়েছে তারা।
সোমবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা লেখেন।
পোস্টে তারেক রহমান লেখেন, ১৯৭৫ সালের ১৬ জুন বাংলাদেশের ইতিহাসে এক কালো দিবস। এদিনে তৎকালীন শাসকগোষ্ঠী সব দল বাতিল করে চরম কর্তৃত্ববাদী একদলীয় বাকশাল কায়েম করে তাদের অনুগত ৪টি সংবাদপত্র রেখে গোটা জাতিকে নির্বাক করে দিয়েছিল। ফলে বিভিন্ন সংবাদপত্রে কর্মরত অসংখ্য সংবাদকর্মী বেকার হয়ে পড়েছিল। তাদের রুজি-রোজগার ও সন্তানদের ভবিষ্যৎ চরম নৈরাজ্যের দিকে ঠেলে দেওয়া হয়।
তিনি লেখেন, আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের মূল চেতনা ছিল বাংলাদেশের ভৌগলিক স্বাধীনতা অর্জন ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা। চিরায়ত গণতন্ত্রে মানুষের নাগরিক স্বাধীনতা নিশ্চিত হয় এবং যার মূল শর্ত হচ্ছে বাক, চিন্তা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা। সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় ভিন্নমত প্রকাশের সুযোগ থাকায় রাষ্ট্র ও সমাজ জবাবদিহিতার আওতায় আসে এবং দেশের সরকার গঠনে নাগরিক ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটে। কিন্তু স্বাধীনতা পরবর্তী ক্ষমতাসীনরা স্বাধীনতা যুদ্ধের মূল চেতনার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে বহুদলীয় গণতন্ত্রের পথচলাকে স্তব্ধ করে দিয়ে একদলীয় বাকশাল ব্যবস্থা কায়েম করে। পরবর্তীকালে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এদেশের কাঙ্ক্ষিত বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন করেন।
‘বাকশাল সরকারের সকল প্রকার অগণতান্ত্রিক কালাকানুন বাতিল করে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা পুন:প্রতিষ্ঠিত করেন।’
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হরণ মূলত চিন্তা ও বিবেককে বন্দি রাখা। শেখ মুজিবুর রহমানের মতো তার মেয়ে শেখ হাসিনাও একই পথ ধরে তাদের প্রকৃত দর্শন একদলীয় ব্যবস্থার পুনর্প্রবর্তন করেছিল নতুন আঙ্গিকে। নানা কালাকানুন প্রণয়ন করে সাংবাদিক ও সংবাদপত্রের ওপর অব্যাহত জুলুম চালিয়েছে তারা। বাংলাদেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছিল।
‘সত্য উচ্চারণ করলেই নেমে আসত নির্যাতনের খড়গ। বাংলাদেশের গণমাধ্যম কর্মীসহ সকল পর্যায়ের মানুষকে সার্বক্ষণিক শঙ্কিত থাকতে হয়েছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও সাইবার সিকিউরিটি এ্যাক্টের মতো একের পর এক ‘ড্রাকোনিয়ান আইন’ প্রণয়ন করে সংবাদপত্র ও মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে ভয়াল দুর্গে বন্দি করা হয়েছিল।’
তিনি আরও বলেন, বিগত ৫ আগস্ট ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের পর গণমাধ্যম কিছুটা স্বাধীনতা ভোগ করলেও এখনও ফ্যাসিবাদ শক্তির হাত থেকে গণমাধ্যম পুরোপুরি মুক্ত নয়। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি সংবাদপত্রের স্বাধীনতা বহুদলীয় গণতন্ত্রের মৌলিক উপাদান। গণতন্ত্রের নিরাপত্তা ও স্থায়িত্ব দিতে হলে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে।
ঈদের বিরতির পর নগর ভবনে ফের ইশরাক, সঙ্গে অনুসারীরা
বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনকে মেয়রের দায়িত্ব দেওয়ার দাবিতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) নগর ভবনে ঈদের বিরতির পর ফের অবস্থান নিয়েছেন সংস্থাটির কর্মচারীরা। এর সঙ্গে ঢাকাবাসীর ব্যানারেও সেখানে একত্রিত হয়েছেন ইশরাকের অনুসারীরা। তাদের সঙ্গ দিতে ও নতুন কর্মসূচির ঘোষণা দিতে নগর ভবনে উপস্থিত হয়েছেন ইশরাক হোসেন নিজেও।
রোববার (১৫ জুন) সকাল থেকে ইশরাকের অনুসারীরা নগর ভবনে একত্রিত হয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছিলেন। পরে বেলা ১১টার দিকে সেখানে প্রবেশ করেন ইশরাক হোসেন।
এর আগে গত ৩ জুন ঈদুল আজহা সামনে রেখে ডিএসসিসি মেয়র হিসেবে শপথের দাবিতে চলমান আন্দোলন সাময়িক শিথিলের ঘোষণা দিয়েছিলেন বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন।
সেময় তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, শপথের ব্যবস্থা না করলে ফের আন্দোলনে নামবে ঢাকাবাসী। ঈদের জন্য আন্দোলন শিথিল থাকবে। তবে দাবি আদায় না হলে আবারও আন্দোলন। অনতিবিলম্বে শপথের আয়োজন করা না হলে ঢাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে শপথ আয়োজন করা হবে। মেয়রের চেয়ারে কে বসবে তা নির্ধারণ করবেন দক্ষিণের বাসিন্দারা।
আন্দোলনের বিরতির আগে ১৫ মে থেকে ৩ জুন পর্যন্ত নগর ভবন থেকে দেওয়া সব নাগরিক সেবা বন্ধ ছিল। ঈদের ছুটির পর আজ ফের আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন ইশরাকের অনুসারীরা।
২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন হয়। সেসময় আওয়ামী লীগের প্রার্থী শেখ ফজলে নূর তাপসকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। নির্বাচনে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ফল বাতিল চেয়ে ২০২০ সালের ৩ মার্চ মামলা করেন ইশরাক।
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গেল ২৭ মার্চ ঢাকার নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল সেই ফল বাতিল করে অবিভক্ত ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার ছেলে ইশরাককে মেয়র ঘোষণা করেন।
এরপর ২৭ এপ্রিল ইশরাককে ডিএসসিসি মেয়র ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। কিন্তু তাকে যেন শপথ পড়ানো না হয় সেজন্য গত ১৪ মে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়। এমন পরিস্থিতিতে মেয়রের দায়িত্ব বুঝিয়ে দিতে গত ১৫ মে থেকে আন্দোলন নামেন ইশরাক সমর্থকরা। তাদের আন্দোলনের কারণে ডিএসসিসি নগর ভবন কার্যত অচল হয়ে পড়ে। কিন্তু আইনি জটিলতার কথা বলে ইশরাকের শপথের আয়োজন থেকে বিরত থাকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।
এরপর রিট মামলার ওপর কয়েক দফা শুনানি শেষে তা খারিজ করে আদেশ দেন হাইকোর্টের বেঞ্চ।
২৯৬ আসনে জামায়াতের প্রার্থী তালিকা প্রস্তুত
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রাথমিকভাবে ২৯৬টি আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকা তৈরি করেছে। ধাপে ধাপে এসব প্রার্থীর নাম অনানুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হচ্ছে। সম্ভাব্য প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় নেতারা নিজ নিজ এলাকায় গণসংযোগ, সভা-সমাবেশ এবং ভোটারদের আস্থা অর্জনের জন্য নানা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন।
সম্প্রতি জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, আসনসংখ্যা এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি। এটি প্রাথমিক ঘোষণা। নির্বাচনের জন্য আমরা সবসময় প্রস্তুত। বিভিন্ন বিষয়ে সমঝোতার কারণে এখনই বিস্তারিত বলতে চাই না। আমাদের প্রার্থীরা যে কোনো সিদ্ধান্ত মেনে নেবেন, ইনশাআল্লাহ।
দলীয় সূত্র জানায়, জামায়াত এককভাবে ৩০০ আসনেই প্রস্তুতি নিচ্ছে। প্রাথমিক তালিকায় ২৯৬ জনের নাম রয়েছে, কিছু আসনে একাধিক প্রার্থীর নামও প্রস্তাবিত।
দলের দায়িত্বশীল নেতারা জানান, প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত নয়। আগস্ট-অক্টোবরে মাঠের পরিস্থিতি ও অন্য দলের অবস্থান বিবেচনায় তালিকা চূড়ান্ত হবে। চারটি আসন—রাজশাহী-২, মানিকগঞ্জ-২, ঢাকা-৯ ও কুমিল্লা-৭—এর প্রার্থী এখনো নির্ধারণ করা হয়নি। গত এক মাসে কিছু প্রার্থীর নাম পরিবর্তন হয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও পরিবর্তন আসতে পারে।
জামায়াতের প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা (২৯৬ আসন):
পঞ্চগড়-১: অধ্যাপক ইকবাল হোসেন পঞ্চগড়-২: মুহাম্মদ সফিউল্লাহ সুফি ঠাকুরগাঁও-১: দেলাওয়ার হোসেন ঠাকুরগাঁও-২: মাওলানা আব্দুল হাকিম ঠাকুরগাঁও-৩: মিজানুর রহমান দিনাজপুর-১: মো. মতিউর রহমান দিনাজপুর-২: অধ্যক্ষ মাওলানা একেএম আফজালুল আনাম দিনাজপুর-৩: অ্যাডভোকেট ময়নুল আলম দিনাজপুর-৪: মো. আফতাব উদ্দীন মোল্লা দিনাজপুর-৫: মাওলানা আনোয়ার হোসেন দিনাজপুর-৬: মো. আনোয়ারুল ইসলাম নীলফামারী-১: মাওলানা আব্দুস সাত্তার নীলফামারী-২: ড. খায়রুল আনাম নীলফামারী-৩: ওবায়দুল্লাহ খান সালাফী নীলফামারী-৪: হাফেজ আবদুল মোন্তাকিম লালমনিরহাট-১: আনোয়ারুল ইসলাম রাজু লালমনিরহাট-২: অ্যাডভোকেট ফিরোজ হায়দার লাভলু লালমনিরহাট-৩: প্রভাষক হারুন অর রশিদ রংপুর-১: অধ্যাপক রায়হান সিরাজী রংপুর-২: এটিএম আজহারুল ইসলাম রংপুর-৩: অধ্যাপক মাহবুবার রহমান বেলাল রংপুর-৪: এটিএম আজম খান রংপুর-৫: মো. গোলাম রব্বানী রংপুর-৬: অধ্যাপক মাওলানা মো. নুরুল আমিন কুড়িগ্রাম-১: অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম কুড়িগ্রাম-২: অ্যাডভোকেট ইয়াসিন আলী সরকার কুড়িগ্রাম-৩: ব্যারিস্টার মাহবুব আলম সালেহী কুড়িগ্রাম-৪: মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক গাইবান্ধা-১: মো. মাজেদুর রহমান গাইবান্ধা-২: মো. আব্দুল করিম সরকার গাইবান্ধা-৩: মাওলানা নজরুল ইসলাম গাইবান্ধা-৪: ডা. আব্দুর রহিম সরকার গাইবান্ধা-৫: আব্দুল ওয়ারেছ জয়পুরহাট-১: ডা. ফজলুর রহমান সাঈদ জয়পুরহাট-২: এসএম রাশেদুল আলম সবুজ বগুড়া-১: অধ্যক্ষ সাহাবুদ্দিন বগুড়া-২: মো. শাহাদাতুজ্জামান বগুড়া-৩: নূর মোহাম্মদ আবু তাহের বগুড়া-৪: অধ্যক্ষ মাওলানা তায়েব আলী বগুড়া-৫: মো. দবিবুর রহমান বগুড়া-৬: আবিদুর রহমান সোহেল বগুড়া-৭: গোলাম রব্বানী চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১: ড. মো. কেরামত আলী চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২: ড. মিজানুর রহমান চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩: নুরুল ইসলাম বুলবুল নওগাঁ-১: অধ্যক্ষ মাহবুবুল হক নওগাঁ-২: এনামুল হক নওগাঁ-৩: মুহাম্মদ মাহফুজুর রহমান নওগাঁ-৪: খন্দকার মুহাম্মদ আব্দুর রাকিব নওগাঁ-৫: আ স ম সায়েম নওগাঁ-৬: মোহাম্মদ খবিরুল ইসলাম রাজশাহী-১: অধ্যাপক মুজিবুর রহমান রাজশাহী-৩: অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ রাজশাহী-৪: ডা. আবদুল বারী সরদার রাজশাহী-৫: নুরুজ্জামান লিটন রাজশাহী-৬: অধ্যাপক মুহাম্মদ নাজমুল হক নাটোর-১: মাওলানা আবুল কালাম আজাদ নাটোর-২: অধ্যাপক মো. ইউনুস আলী নাটোর-৩: প্রফেসর সাইদুর রহমান নাটোর-৪: মাওলানা আব্দুল হাকিম সিরাজগঞ্জ-১: মাওলানা শাহীনুর আলম সিরাজগঞ্জ-২: অধ্যাপক জাহিদুল ইসলাম সিরাজগঞ্জ-৩: প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আব্দুস সামাদ সিরাজগঞ্জ-৪: মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান সিরাজগঞ্জ-৫: অধ্যক্ষ আলী আলম সিরাজগঞ্জ-৬: অধ্যাপক মিজানুর রহমান পাবনা-১: ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমিন পাবনা-২: অধ্যাপক কেএম হেসাব উদ্দিন পাবনা-৩: মাওলানা আলী আজগর পাবনা-৪: অধ্যাপক আবু তালেব মণ্ডল পাবনা-৫: অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইকবাল হোসেন মেহেরপুর-১: মাওলানা তাজউদ্দিন খান মেহেরপুর-২: মো. নাজমুল হুদা কুষ্টিয়া-১: উপাধ্যক্ষ মাওলানা বেলাল উদ্দিন কুষ্টিয়া-২: মো. আব্দুল গফুর কুষ্টিয়া-৩: মুফতি আমির হামযা কুষ্টিয়া-৪: আফজাল হোসাইন চুয়াডাঙ্গা-১: মাসুদ পারভেজ রাসেল চুয়াডাঙ্গা-২: অ্যাডভোকেট মো. রুহুল আমিন ঝিনাইদহ-১: এএসএম মতিয়ার রহমান ঝিনাইদহ-২: অধ্যাপক আলী আজম মো. আবু বকর ঝিনাইদহ-৩: অধ্যাপক মতিউর রহমান ঝিনাইদহ-৪: মাওলানা আবু তালেব যশোর-১: মাওলানা আজিজুর রহমান যশোর-২: ডা. মুসলেহ উদ্দিন ফরিদ যশোর-৩: আব্দুল কাদের যশোর-৪: অধ্যাপক গোলাম রসুল যশোর-৫: গাজী এনামুল হক যশোর-৬: অধ্যাপক মোক্তার আলী মাগুরা-১: আব্দুল মতিন মাগুরা-২: এএমবি বাকের নড়াইল-১: মাওলানা ওবায়দুল্লাহ কায়সার নড়াইল-২: আতাউর রহমান বাচ্চু বাগেরহাট-১: অধ্যক্ষ মাওলানা মশিউর রহমান খান বাগেরহাট-২: শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ বাগেরহাট-৩: মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ সেখ বাগেরহাট-৪: অধ্যক্ষ আব্দুল আলিম খুলনা-১: মাওলানা শেখ আবু ইউসুফ খুলনা-২: অ্যাডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল খুলনা-৩: অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান খুলনা-৪: অধ্যক্ষ মাওলানা কবিরুল ইসলাম খুলনা-৫: অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার খুলনা-৬: মো. আবুল কালাম আজাদ সাতক্ষীরা-১: অধ্যক্ষ মো. ইজ্জত উল্লাহ সাতক্ষীরা-২: মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক সাতক্ষীরা-৩: মুহাদ্দিস রবিউল বাশার সাতক্ষীরা-৪: গাজী নজরুল ইসলাম বরগুনা-১: মাওলানা মহিবুল্লাহ হারুন বরগুনা-২: ডা. সুলতান আহম্মেদ পটুয়াখালী-১: অ্যাডভোকেট নাজমুল আহসান পটুয়াখালী-২: ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ পটুয়াখালী-৩: অধ্যাপক শাহ আলম পটুয়াখালী-৪: মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম ভোলা-১: অধ্যক্ষ মাওলানা মো. নজরুল ইসলাম ভোলা-২: মাওলানা ফজলুল করিম ভোলা-৩: নিজামুল হক নাইম ভোলা-৪: মাওলানা মোস্তফা কামাল বরিশাল-১: মাওলানা কামরুল ইসলাম বরিশাল-২: মাস্টার আব্দুল মান্নান বরিশাল-৩: জহিরউদ্দিন মুহাম্মাদ বাবর বরিশাল-৪: মাওলানা আবদুল জব্বার বরিশাল-৫: অ্যাডভোকেট মোয়াযযম হোসাইন হেলাল বরিশাল-৬: মাওলানা মাহমুদুন্নবী ঝালকাঠি-১: অধ্যাপক ডা. মাও. হেমায়েত উদ্দিন ঝালকাঠি-২: শেখ নেয়ামুল করিম পিরোজপুর-১: মাসুদ সাঈদী পিরোজপুর-২: শামীম সাঈদী পিরোজপুর-৩: শরীফ আব্দুল জলিল টাঙ্গাইল-১: মোন্তাজ আলী টাঙ্গাইল-২: হুমায়ূন কবীর টাঙ্গাইল-৩: হুসনে মোবারক বাবুল টাঙ্গাইল-৪: প্রফেসর খন্দকার আব্দুর রাজ্জাক টাঙ্গাইল-৫: আহসান হাবীব মাসুদ টাঙ্গাইল-৬: ডা. আব্দুল হামিদ টাঙ্গাইল-৭: অধ্যক্ষ আব্দুল্লাহ তালুকদার টাঙ্গাইল-৮: অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম খান জামালপুর-১: নাজমুল হক সাঈদী জামালপুর-২: ড. ছামিউল হক ফারুকী জামালপুর-৩: মাওলানা মজিবুর রহমান আজাদী জামালপুর-৪: অ্যাডভোকেট আব্দুল আউয়াল জামালপুর-৫: মুহাম্মদ আব্দুস সাত্তার শেরপুর-১: হাফেজ রাশেদুল ইসলাম শেরপুর-২: মুহাম্মদ গোলাম কিবরিয় শেরপুর-৩: নুরুজ্জামান বাদল ময়মনসিংহ-১: মাহফুজুর রহমান মুক্তা ময়মনসিংহ-২: মাহবুব মণ্ডল ময়মনসিংহ-৩: মাওলানা বদরুজ্জামান ময়মনসিংহ-৪: কামরুল আহসান ময়মনসিংহ-৫: মতিউর রহমান আকন্দ ময়মনসিংহ-৬: কামরুল হাসান মিলন ময়মনসিংহ-৭: আসাদুজ্জামান সোহেল ময়মনসিংহ-৮: অধ্যক্ষ মঞ্জুরুল হক ময়মনসিংহ-৯: অ্যাডভোকেট আনোয়রুল ইসলাম চাঁন ময়মনসিংহ-১০: ইসমাইল হোসেন সোহেল ময়মনসিংহ-১১: সাইফ উল্লাহ পাঠান নেত্রকোনা-১: অধ্যাপক মাওলানা আবুল হাশেম নেত্রকোনা-২: অধ্যাপক মাওলানা এনামূল হক নেত্রকোনা-৩: দেলাওয়ার হোসেন সাইফুল নেত্রকোনা-৪: অধ্যাপক আল হেলাল তালুকদার নেত্রকোনা-৫: অধ্যাপক মাসুম মোস্তফা কিশোরগঞ্জ-১: মোসাদ্দেক আলী ভূঁইয়া কিশোরগঞ্জ-২: শফিকুল ইসলাম মোড়ল কিশোরগঞ্জ-৩: কর্নেল (অব.) জিহাদ খান কিশোরগঞ্জ-৪: অ্যাডভোকেট রোকন রেজা কিশোরগঞ্জ-৫: অধ্যাপক রমজান আলী কিশোরগঞ্জ-৬: কবির হোসেন মানিকগঞ্জ-১: ডা. আবু বকর সিদ্দিক মানিকগঞ্জ-৩: অধ্যক্ষ মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন মুন্সীগঞ্জ-১: একেএম ফখরুদ্দীন রাজী মুন্সীগঞ্জ-২: অধ্যাপক এবিএম ফজলুল করিম মুন্সীগঞ্জ-৩: ডা. মুহাম্মদ সুজন শরীফ ঢাকা-১: ব্যারিস্টার নজরুল ইসলাম ঢাকা-২: ইঞ্জিনিয়ার তৌফিক হাসান ঢাকা-৩: অধ্যক্ষ শাহিনুল ইসলাম ঢাকা-৪: সৈয়দ জয়নুল আবেদীন ঢাকা-৫: মোহাম্মদ কামাল হোসেন ঢাকা-৬: ড. আব্দুল মান্নান ঢাকা-৭: হাজি হাফেজ মো. এনায়েতুল্লাহ ঢাকা-৮: ড. অ্যাডভোকেট হেলাল উদ্দিন ঢাকা-১০: অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন সরকার ঢাকা-১১: অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান ঢাকা-১২: সাইফুল আলম খান মিলন ঢাকা-১৩: ডা. মুহাম্মদ মোবারক হোসাইন ঢাকা-১৪: ব্যারিস্টার আরমান ঢাকা-১৫: ডা. শফিকুর রহমান ঢাকা-১৬: আব্দুল বাতেন ঢাকা-১৭: ডা. এসএম খালিদুজ্জামান ঢাকা-১৮: অধ্যক্ষ আশরাফুল হক ঢাকা-১৯: আফজাল হোসাইন ঢাকা-২০: মাওলানা আব্দুর রউফ গাজীপুর-১: শাহ আলম বখশী গাজীপুর-২: হোসেন আলী গাজীপুর-৩: ড. জাহাঙ্গীর আলম গাজীপুর-৪: সালাহউদ্দিন আইয়ুবী গাজীপুর-৫: খায়রুল হাসান নরসিংদী-১: ইব্রাহিম ভূঁইয়া নরসিংদী-২: আমজাদ হোসাইন নরসিংদী-৩: মোস্তাফিজুর রহমান নরসিংদী-৪: মাওলানা জাহাঙ্গীর আলম নরসিংদী-৫: মাওলানা জাহাঙ্গীর আলম নারায়ণগঞ্জ-১: আনোয়ার হোসাইন মোল্লা নারায়ণগঞ্জ-২: অধ্যাপক ইলিয়াস আলী মোল্লা নারায়ণগঞ্জ-৩: অধ্যক্ষ ইকবাল হোসাইন নারায়ণগঞ্জ-৪: মাওলানা আব্দুল জব্বার নারায়ণগঞ্জ-৫: মাওলানা মঈনুদ্দিন আহমেদ রাজবাড়ী-১: অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম রাজবাড়ী-২: হারুন অর রশীদ ফরিদপুর-১: ড. ইলিয়াছ মোল্লা ফরিদপুর-২: মাওলানা সোহরাব হোসেন ফরিদপুর-৩: অধ্যাপক আব্দুত তাওয়াব ফরিদপুর-৪: মাওলানা সরোয়ার হোসেন গোপালগঞ্জ-১: মাওলানা আব্দুল হামিদ গোপালগঞ্জ-২: অ্যাডভোকেট আজমল হোসাইন গোপালগঞ্জ-৩: অধ্যাপক রেজাউল করিম মাদারীপুর-১: মাওলানা সারোয়ার হোসেন মাদারীপুর-২: আব্দুস সোবাহান খান মাদারীপুর-৩: মো. অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম শরীয়তপুর-১: ড. মোশাররফ হোসেন মাসুদ শরীয়তপুর-২: অধ্যাপক ডা. মাহমুদ হোসেন বকাউল শরীয়তপুর-৩: মোহাম্মদ আজহারুল ইসলাম সুনামগঞ্জ-১: মাওলানা তোফায়েল আহমেদ খান সুনামগঞ্জ-২: অ্যাডভোকেট শিশির মনির সুনামগঞ্জ-৩: অ্যাডভোকেট ইয়াছিন খান সুনামগঞ্জ-৪: অ্যাডভোকেট শামসউদ্দীন সুনামগঞ্জ-৫: মাওলানা আব্দুস সালাম মাদানী সিলেট-১: মাওলানা হাবিবুর রহমান সিলেট-২: অধ্যাপক আব্দুল হান্নান সিলেট-৩: মাওলানা লোকমান আহমদ সিলেট-৪: জয়নাল আবেদীন সিলেট-৫: হাফেজ আনোয়ার হোসেন খান সিলেট-৬: মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন মৌলভীবাজার-১: মাওলানা আমিনুল ইসলাম মৌলভীবাজার-২: ইঞ্জিনিয়ার শাহেদ আলী মৌলভীবাজার-৩: আবদুল মান্নান মৌলভীবাজার-৪: অ্যাডভোকেট আবদুর রব হবিগঞ্জ-১: মো. শাহজাহান আলী হবিগঞ্জ-২: অ্যাডভোকেট জিল্লুর রহমান আজমী হবিগঞ্জ-৩: কাজী মহসিন আহমেদ হবিগঞ্জ-৪: মাওলানা মোখলেসুর রহমান ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১: অধ্যাপক মো. আমিনুল ইসলাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২: মাওলানা মুহাম্মদ মোবারক হোসাইন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩: জুনায়েদ হাসান ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪: আতাউর রহমান সরকার ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫: অ্যাডভোকেট আব্দুল বাতেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬: দেওয়ান নকিবুল হুদা কুমিল্লা-১: মনিরুজ্জামান বাহালুল কুমিল্লা-২: নাজিম উদ্দিন মোল্লা কুমিল্লা-৩: ইউসুফ হাকিম সোহেল কুমিল্লা-৪: সাইফুল ইসলাম কুমিল্লা-৫: ড. মোবারক হোসাইন কুমিল্লা-৬: কাজী দ্বীন মোহাম্মদ কুমিল্লা-৮: অধ্যক্ষ শফিকুল আলম হেলাল কুমিল্লা-৯: সৈয়দ একেএম সরওয়ার উদ্দিন সিদ্দিকী কুমিল্লা-১০: মুহাম্মদ ইয়াসিন আরাফাত কুমিল্লা-১১: ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের চাঁদপুর-১: মাওলানা আবু নসর আশরাফী চাঁদপুর-২: ডা. আবদুল মবিন চাঁদপুর-৩: অ্যাডভোকেট শাহজাহান মিয়া চাঁদপুর-৪: মাওলানা বিল্লাল হোসাইন মিয়াজি চাঁদপুর-৫: অধ্যাপক আবুল হোসাইন ফেনী-১: এসএম কামাল উদ্দিন ফেনী-২: অধ্যাপক লিয়াকত আলী ভূঁইয়া ফেনী-৩: ডা. মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন নোয়াখালী-১: মাওলানা মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ নোয়াখালী-২: মাওলানা সাইয়েদ আহমেদ নোয়াখালী-৩: বোরহান উদ্দিন নোয়াখালী-৪: ইসহাক খন্দকার নোয়াখালী-৫: বেলায়েত হোসাইন নোয়াখালী-৬: অ্যাডভোকেট শাহ মুহাম্মদ মাহফুজুল হক লক্ষ্মীপুর-১: নাজমুল ইসলাম লক্ষ্মীপুর-২: এস ইউ এম রুহুল আমিন ভূঁইয়া লক্ষ্মীপুর-৩: রেজাউল করিম লক্ষ্মীপুর-৪: আশরাফুর রহমান হাফিজউল্লা চট্টগ্রাম-১: অ্যাডভোকেট সাইফুর রহমান চট্টগ্রাম-২: অধ্যক্ষ নুরুল আমিন চট্টগ্রাম-৩: আলাউদ্দিন শিকদার চট্টগ্রাম-৪: আনোয়ার সিদ্দিকী চৌধুরী চট্টগ্রাম-৫: ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল ইসলাম চট্টগ্রাম-৬: শাহজাহান মঞ্জু চট্টগ্রাম-৭: অধ্যক্ষ আমিরুজ্জামান চট্টগ্রাম-৮: ডা. আবু নাসের চট্টগ্রাম-৯: ডা. ফজলুল হক চট্টগ্রাম-১০: অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালী চট্টগ্রাম-১১: মুহাম্মদ শফি চট্টগ্রাম-১২: ইঞ্জি. লোকমান চট্টগ্রাম-১৩: অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান চট্টগ্রাম-১৪: ডা. শাহাদাত হোসাইন চট্টগ্রাম-১৫: শাহজাহান চৌধুরী চট্টগ্রাম-১৬: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম কক্সবাজার-১: আব্দুল্লাহ আল ফারুক কক্সবাজার-২: মাওলানা এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ কক্সবাজার-৩: শহিদুল আলম বাহাদুর কক্সবাজার-৪: নুর আহম্মেদ আনোয়ারী খাগড়াছড়ি: অ্যাডভোকেট এয়াকুব আলী চৌধুরী রাঙ্গামাটি: অ্যাডভোকেট মোক্তার আহমেদ বান্দরবান: অ্যাডভোকেট আবুল কালাম।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য