ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

২৯৬ আসনে জামায়াতের প্রার্থী তালিকা প্রস্তুত

অনলাইন ডেস্ক
১৫ জুন, ২০২৫ ১১:৫৫
অনলাইন ডেস্ক
২৯৬ আসনে জামায়াতের প্রার্থী তালিকা প্রস্তুত

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রাথমিকভাবে ২৯৬টি আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকা তৈরি করেছে। ধাপে ধাপে এসব প্রার্থীর নাম অনানুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হচ্ছে। সম্ভাব্য প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় নেতারা নিজ নিজ এলাকায় গণসংযোগ, সভা-সমাবেশ এবং ভোটারদের আস্থা অর্জনের জন্য নানা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন।

সম্প্রতি জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, আসনসংখ্যা এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি। এটি প্রাথমিক ঘোষণা। নির্বাচনের জন্য আমরা সবসময় প্রস্তুত। বিভিন্ন বিষয়ে সমঝোতার কারণে এখনই বিস্তারিত বলতে চাই না। আমাদের প্রার্থীরা যে কোনো সিদ্ধান্ত মেনে নেবেন, ইনশাআল্লাহ।

দলীয় সূত্র জানায়, জামায়াত এককভাবে ৩০০ আসনেই প্রস্তুতি নিচ্ছে। প্রাথমিক তালিকায় ২৯৬ জনের নাম রয়েছে, কিছু আসনে একাধিক প্রার্থীর নামও প্রস্তাবিত।

দলের দায়িত্বশীল নেতারা জানান, প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত নয়। আগস্ট-অক্টোবরে মাঠের পরিস্থিতি ও অন্য দলের অবস্থান বিবেচনায় তালিকা চূড়ান্ত হবে। চারটি আসন—রাজশাহী-২, মানিকগঞ্জ-২, ঢাকা-৯ ও কুমিল্লা-৭—এর প্রার্থী এখনো নির্ধারণ করা হয়নি। গত এক মাসে কিছু প্রার্থীর নাম পরিবর্তন হয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও পরিবর্তন আসতে পারে।

জামায়াতের প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা (২৯৬ আসন):

পঞ্চগড়-১: অধ্যাপক ইকবাল হোসেন পঞ্চগড়-২: মুহাম্মদ সফিউল্লাহ সুফি ঠাকুরগাঁও-১: দেলাওয়ার হোসেন ঠাকুরগাঁও-২: মাওলানা আব্দুল হাকিম ঠাকুরগাঁও-৩: মিজানুর রহমান দিনাজপুর-১: মো. মতিউর রহমান দিনাজপুর-২: অধ্যক্ষ মাওলানা একেএম আফজালুল আনাম দিনাজপুর-৩: অ্যাডভোকেট ময়নুল আলম দিনাজপুর-৪: মো. আফতাব উদ্দীন মোল্লা দিনাজপুর-৫: মাওলানা আনোয়ার হোসেন দিনাজপুর-৬: মো. আনোয়ারুল ইসলাম নীলফামারী-১: মাওলানা আব্দুস সাত্তার নীলফামারী-২: ড. খায়রুল আনাম নীলফামারী-৩: ওবায়দুল্লাহ খান সালাফী নীলফামারী-৪: হাফেজ আবদুল মোন্তাকিম লালমনিরহাট-১: আনোয়ারুল ইসলাম রাজু লালমনিরহাট-২: অ্যাডভোকেট ফিরোজ হায়দার লাভলু লালমনিরহাট-৩: প্রভাষক হারুন অর রশিদ রংপুর-১: অধ্যাপক রায়হান সিরাজী রংপুর-২: এটিএম আজহারুল ইসলাম রংপুর-৩: অধ্যাপক মাহবুবার রহমান বেলাল রংপুর-৪: এটিএম আজম খান রংপুর-৫: মো. গোলাম রব্বানী রংপুর-৬: অধ্যাপক মাওলানা মো. নুরুল আমিন কুড়িগ্রাম-১: অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম কুড়িগ্রাম-২: অ্যাডভোকেট ইয়াসিন আলী সরকার কুড়িগ্রাম-৩: ব্যারিস্টার মাহবুব আলম সালেহী কুড়িগ্রাম-৪: মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক গাইবান্ধা-১: মো. মাজেদুর রহমান গাইবান্ধা-২: মো. আব্দুল করিম সরকার গাইবান্ধা-৩: মাওলানা নজরুল ইসলাম গাইবান্ধা-৪: ডা. আব্দুর রহিম সরকার গাইবান্ধা-৫: আব্দুল ওয়ারেছ জয়পুরহাট-১: ডা. ফজলুর রহমান সাঈদ জয়পুরহাট-২: এসএম রাশেদুল আলম সবুজ বগুড়া-১: অধ্যক্ষ সাহাবুদ্দিন বগুড়া-২: মো. শাহাদাতুজ্জামান বগুড়া-৩: নূর মোহাম্মদ আবু তাহের বগুড়া-৪: অধ্যক্ষ মাওলানা তায়েব আলী বগুড়া-৫: মো. দবিবুর রহমান বগুড়া-৬: আবিদুর রহমান সোহেল বগুড়া-৭: গোলাম রব্বানী চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১: ড. মো. কেরামত আলী চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২: ড. মিজানুর রহমান চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩: নুরুল ইসলাম বুলবুল নওগাঁ-১: অধ্যক্ষ মাহবুবুল হক নওগাঁ-২: এনামুল হক নওগাঁ-৩: মুহাম্মদ মাহফুজুর রহমান নওগাঁ-৪: খন্দকার মুহাম্মদ আব্দুর রাকিব নওগাঁ-৫: আ স ম সায়েম নওগাঁ-৬: মোহাম্মদ খবিরুল ইসলাম রাজশাহী-১: অধ্যাপক মুজিবুর রহমান রাজশাহী-৩: অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ রাজশাহী-৪: ডা. আবদুল বারী সরদার রাজশাহী-৫: নুরুজ্জামান লিটন রাজশাহী-৬: অধ্যাপক মুহাম্মদ নাজমুল হক নাটোর-১: মাওলানা আবুল কালাম আজাদ নাটোর-২: অধ্যাপক মো. ইউনুস আলী নাটোর-৩: প্রফেসর সাইদুর রহমান নাটোর-৪: মাওলানা আব্দুল হাকিম সিরাজগঞ্জ-১: মাওলানা শাহীনুর আলম সিরাজগঞ্জ-২: অধ্যাপক জাহিদুল ইসলাম সিরাজগঞ্জ-৩: প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আব্দুস সামাদ সিরাজগঞ্জ-৪: মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান সিরাজগঞ্জ-৫: অধ্যক্ষ আলী আলম সিরাজগঞ্জ-৬: অধ্যাপক মিজানুর রহমান পাবনা-১: ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমিন পাবনা-২: অধ্যাপক কেএম হেসাব উদ্দিন পাবনা-৩: মাওলানা আলী আজগর পাবনা-৪: অধ্যাপক আবু তালেব মণ্ডল পাবনা-৫: অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইকবাল হোসেন মেহেরপুর-১: মাওলানা তাজউদ্দিন খান মেহেরপুর-২: মো. নাজমুল হুদা কুষ্টিয়া-১: উপাধ্যক্ষ মাওলানা বেলাল উদ্দিন কুষ্টিয়া-২: মো. আব্দুল গফুর কুষ্টিয়া-৩: মুফতি আমির হামযা কুষ্টিয়া-৪: আফজাল হোসাইন চুয়াডাঙ্গা-১: মাসুদ পারভেজ রাসেল চুয়াডাঙ্গা-২: অ্যাডভোকেট মো. রুহুল আমিন ঝিনাইদহ-১: এএসএম মতিয়ার রহমান ঝিনাইদহ-২: অধ্যাপক আলী আজম মো. আবু বকর ঝিনাইদহ-৩: অধ্যাপক মতিউর রহমান ঝিনাইদহ-৪: মাওলানা আবু তালেব যশোর-১: মাওলানা আজিজুর রহমান যশোর-২: ডা. মুসলেহ উদ্দিন ফরিদ যশোর-৩: আব্দুল কাদের যশোর-৪: অধ্যাপক গোলাম রসুল যশোর-৫: গাজী এনামুল হক যশোর-৬: অধ্যাপক মোক্তার আলী মাগুরা-১: আব্দুল মতিন মাগুরা-২: এএমবি বাকের নড়াইল-১: মাওলানা ওবায়দুল্লাহ কায়সার নড়াইল-২: আতাউর রহমান বাচ্চু বাগেরহাট-১: অধ্যক্ষ মাওলানা মশিউর রহমান খান বাগেরহাট-২: শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ বাগেরহাট-৩: মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ সেখ বাগেরহাট-৪: অধ্যক্ষ আব্দুল আলিম খুলনা-১: মাওলানা শেখ আবু ইউসুফ খুলনা-২: অ্যাডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল খুলনা-৩: অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান খুলনা-৪: অধ্যক্ষ মাওলানা কবিরুল ইসলাম খুলনা-৫: অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার খুলনা-৬: মো. আবুল কালাম আজাদ সাতক্ষীরা-১: অধ্যক্ষ মো. ইজ্জত উল্লাহ সাতক্ষীরা-২: মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক সাতক্ষীরা-৩: মুহাদ্দিস রবিউল বাশার সাতক্ষীরা-৪: গাজী নজরুল ইসলাম বরগুনা-১: মাওলানা মহিবুল্লাহ হারুন বরগুনা-২: ডা. সুলতান আহম্মেদ পটুয়াখালী-১: অ্যাডভোকেট নাজমুল আহসান পটুয়াখালী-২: ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ পটুয়াখালী-৩: অধ্যাপক শাহ আলম পটুয়াখালী-৪: মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম ভোলা-১: অধ্যক্ষ মাওলানা মো. নজরুল ইসলাম ভোলা-২: মাওলানা ফজলুল করিম ভোলা-৩: নিজামুল হক নাইম ভোলা-৪: মাওলানা মোস্তফা কামাল বরিশাল-১: মাওলানা কামরুল ইসলাম বরিশাল-২: মাস্টার আব্দুল মান্নান বরিশাল-৩: জহিরউদ্দিন মুহাম্মাদ বাবর বরিশাল-৪: মাওলানা আবদুল জব্বার বরিশাল-৫: অ্যাডভোকেট মোয়াযযম হোসাইন হেলাল বরিশাল-৬: মাওলানা মাহমুদুন্নবী ঝালকাঠি-১: অধ্যাপক ডা. মাও. হেমায়েত উদ্দিন ঝালকাঠি-২: শেখ নেয়ামুল করিম পিরোজপুর-১: মাসুদ সাঈদী পিরোজপুর-২: শামীম সাঈদী পিরোজপুর-৩: শরীফ আব্দুল জলিল টাঙ্গাইল-১: মোন্তাজ আলী টাঙ্গাইল-২: হুমায়ূন কবীর টাঙ্গাইল-৩: হুসনে মোবারক বাবুল টাঙ্গাইল-৪: প্রফেসর খন্দকার আব্দুর রাজ্জাক টাঙ্গাইল-৫: আহসান হাবীব মাসুদ টাঙ্গাইল-৬: ডা. আব্দুল হামিদ টাঙ্গাইল-৭: অধ্যক্ষ আব্দুল্লাহ তালুকদার টাঙ্গাইল-৮: অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম খান জামালপুর-১: নাজমুল হক সাঈদী জামালপুর-২: ড. ছামিউল হক ফারুকী জামালপুর-৩: মাওলানা মজিবুর রহমান আজাদী জামালপুর-৪: অ্যাডভোকেট আব্দুল আউয়াল জামালপুর-৫: মুহাম্মদ আব্দুস সাত্তার শেরপুর-১: হাফেজ রাশেদুল ইসলাম শেরপুর-২: মুহাম্মদ গোলাম কিবরিয় শেরপুর-৩: নুরুজ্জামান বাদল ময়মনসিংহ-১: মাহফুজুর রহমান মুক্তা ময়মনসিংহ-২: মাহবুব মণ্ডল ময়মনসিংহ-৩: মাওলানা বদরুজ্জামান ময়মনসিংহ-৪: কামরুল আহসান ময়মনসিংহ-৫: মতিউর রহমান আকন্দ ময়মনসিংহ-৬: কামরুল হাসান মিলন ময়মনসিংহ-৭: আসাদুজ্জামান সোহেল ময়মনসিংহ-৮: অধ্যক্ষ মঞ্জুরুল হক ময়মনসিংহ-৯: অ্যাডভোকেট আনোয়রুল ইসলাম চাঁন ময়মনসিংহ-১০: ইসমাইল হোসেন সোহেল ময়মনসিংহ-১১: সাইফ উল্লাহ পাঠান নেত্রকোনা-১: অধ্যাপক মাওলানা আবুল হাশেম নেত্রকোনা-২: অধ্যাপক মাওলানা এনামূল হক নেত্রকোনা-৩: দেলাওয়ার হোসেন সাইফুল নেত্রকোনা-৪: অধ্যাপক আল হেলাল তালুকদার নেত্রকোনা-৫: অধ্যাপক মাসুম মোস্তফা কিশোরগঞ্জ-১: মোসাদ্দেক আলী ভূঁইয়া কিশোরগঞ্জ-২: শফিকুল ইসলাম মোড়ল কিশোরগঞ্জ-৩: কর্নেল (অব.) জিহাদ খান কিশোরগঞ্জ-৪: অ্যাডভোকেট রোকন রেজা কিশোরগঞ্জ-৫: অধ্যাপক রমজান আলী কিশোরগঞ্জ-৬: কবির হোসেন মানিকগঞ্জ-১: ডা. আবু বকর সিদ্দিক মানিকগঞ্জ-৩: অধ্যক্ষ মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন মুন্সীগঞ্জ-১: একেএম ফখরুদ্দীন রাজী মুন্সীগঞ্জ-২: অধ্যাপক এবিএম ফজলুল করিম মুন্সীগঞ্জ-৩: ডা. মুহাম্মদ সুজন শরীফ ঢাকা-১: ব্যারিস্টার নজরুল ইসলাম ঢাকা-২: ইঞ্জিনিয়ার তৌফিক হাসান ঢাকা-৩: অধ্যক্ষ শাহিনুল ইসলাম ঢাকা-৪: সৈয়দ জয়নুল আবেদীন ঢাকা-৫: মোহাম্মদ কামাল হোসেন ঢাকা-৬: ড. আব্দুল মান্নান ঢাকা-৭: হাজি হাফেজ মো. এনায়েতুল্লাহ ঢাকা-৮: ড. অ্যাডভোকেট হেলাল উদ্দিন ঢাকা-১০: অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন সরকার ঢাকা-১১: অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান ঢাকা-১২: সাইফুল আলম খান মিলন ঢাকা-১৩: ডা. মুহাম্মদ মোবারক হোসাইন ঢাকা-১৪: ব্যারিস্টার আরমান ঢাকা-১৫: ডা. শফিকুর রহমান ঢাকা-১৬: আব্দুল বাতেন ঢাকা-১৭: ডা. এসএম খালিদুজ্জামান ঢাকা-১৮: অধ্যক্ষ আশরাফুল হক ঢাকা-১৯: আফজাল হোসাইন ঢাকা-২০: মাওলানা আব্দুর রউফ গাজীপুর-১: শাহ আলম বখশী গাজীপুর-২: হোসেন আলী গাজীপুর-৩: ড. জাহাঙ্গীর আলম গাজীপুর-৪: সালাহউদ্দিন আইয়ুবী গাজীপুর-৫: খায়রুল হাসান নরসিংদী-১: ইব্রাহিম ভূঁইয়া নরসিংদী-২: আমজাদ হোসাইন নরসিংদী-৩: মোস্তাফিজুর রহমান নরসিংদী-৪: মাওলানা জাহাঙ্গীর আলম নরসিংদী-৫: মাওলানা জাহাঙ্গীর আলম নারায়ণগঞ্জ-১: আনোয়ার হোসাইন মোল্লা নারায়ণগঞ্জ-২: অধ্যাপক ইলিয়াস আলী মোল্লা নারায়ণগঞ্জ-৩: অধ্যক্ষ ইকবাল হোসাইন নারায়ণগঞ্জ-৪: মাওলানা আব্দুল জব্বার নারায়ণগঞ্জ-৫: মাওলানা মঈনুদ্দিন আহমেদ রাজবাড়ী-১: অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম রাজবাড়ী-২: হারুন অর রশীদ ফরিদপুর-১: ড. ইলিয়াছ মোল্লা ফরিদপুর-২: মাওলানা সোহরাব হোসেন ফরিদপুর-৩: অধ্যাপক আব্দুত তাওয়াব ফরিদপুর-৪: মাওলানা সরোয়ার হোসেন গোপালগঞ্জ-১: মাওলানা আব্দুল হামিদ গোপালগঞ্জ-২: অ্যাডভোকেট আজমল হোসাইন গোপালগঞ্জ-৩: অধ্যাপক রেজাউল করিম মাদারীপুর-১: মাওলানা সারোয়ার হোসেন মাদারীপুর-২: আব্দুস সোবাহান খান মাদারীপুর-৩: মো. অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম শরীয়তপুর-১: ড. মোশাররফ হোসেন মাসুদ শরীয়তপুর-২: অধ্যাপক ডা. মাহমুদ হোসেন বকাউল শরীয়তপুর-৩: মোহাম্মদ আজহারুল ইসলাম সুনামগঞ্জ-১: মাওলানা তোফায়েল আহমেদ খান সুনামগঞ্জ-২: অ্যাডভোকেট শিশির মনির সুনামগঞ্জ-৩: অ্যাডভোকেট ইয়াছিন খান সুনামগঞ্জ-৪: অ্যাডভোকেট শামসউদ্দীন সুনামগঞ্জ-৫: মাওলানা আব্দুস সালাম মাদানী সিলেট-১: মাওলানা হাবিবুর রহমান সিলেট-২: অধ্যাপক আব্দুল হান্নান সিলেট-৩: মাওলানা লোকমান আহমদ সিলেট-৪: জয়নাল আবেদীন সিলেট-৫: হাফেজ আনোয়ার হোসেন খান সিলেট-৬: মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন মৌলভীবাজার-১: মাওলানা আমিনুল ইসলাম মৌলভীবাজার-২: ইঞ্জিনিয়ার শাহেদ আলী মৌলভীবাজার-৩: আবদুল মান্নান মৌলভীবাজার-৪: অ্যাডভোকেট আবদুর রব হবিগঞ্জ-১: মো. শাহজাহান আলী হবিগঞ্জ-২: অ্যাডভোকেট জিল্লুর রহমান আজমী হবিগঞ্জ-৩: কাজী মহসিন আহমেদ হবিগঞ্জ-৪: মাওলানা মোখলেসুর রহমান ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১: অধ্যাপক মো. আমিনুল ইসলাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২: মাওলানা মুহাম্মদ মোবারক হোসাইন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩: জুনায়েদ হাসান ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪: আতাউর রহমান সরকার ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫: অ্যাডভোকেট আব্দুল বাতেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬: দেওয়ান নকিবুল হুদা কুমিল্লা-১: মনিরুজ্জামান বাহালুল কুমিল্লা-২: নাজিম উদ্দিন মোল্লা কুমিল্লা-৩: ইউসুফ হাকিম সোহেল কুমিল্লা-৪: সাইফুল ইসলাম কুমিল্লা-৫: ড. মোবারক হোসাইন কুমিল্লা-৬: কাজী দ্বীন মোহাম্মদ কুমিল্লা-৮: অধ্যক্ষ শফিকুল আলম হেলাল কুমিল্লা-৯: সৈয়দ একেএম সরওয়ার উদ্দিন সিদ্দিকী কুমিল্লা-১০: মুহাম্মদ ইয়াসিন আরাফাত কুমিল্লা-১১: ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের চাঁদপুর-১: মাওলানা আবু নসর আশরাফী চাঁদপুর-২: ডা. আবদুল মবিন চাঁদপুর-৩: অ্যাডভোকেট শাহজাহান মিয়া চাঁদপুর-৪: মাওলানা বিল্লাল হোসাইন মিয়াজি চাঁদপুর-৫: অধ্যাপক আবুল হোসাইন ফেনী-১: এসএম কামাল উদ্দিন ফেনী-২: অধ্যাপক লিয়াকত আলী ভূঁইয়া ফেনী-৩: ডা. মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন নোয়াখালী-১: মাওলানা মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ নোয়াখালী-২: মাওলানা সাইয়েদ আহমেদ নোয়াখালী-৩: বোরহান উদ্দিন নোয়াখালী-৪: ইসহাক খন্দকার নোয়াখালী-৫: বেলায়েত হোসাইন নোয়াখালী-৬: অ্যাডভোকেট শাহ মুহাম্মদ মাহফুজুল হক লক্ষ্মীপুর-১: নাজমুল ইসলাম লক্ষ্মীপুর-২: এস ইউ এম রুহুল আমিন ভূঁইয়া লক্ষ্মীপুর-৩: রেজাউল করিম লক্ষ্মীপুর-৪: আশরাফুর রহমান হাফিজউল্লা চট্টগ্রাম-১: অ্যাডভোকেট সাইফুর রহমান চট্টগ্রাম-২: অধ্যক্ষ নুরুল আমিন চট্টগ্রাম-৩: আলাউদ্দিন শিকদার চট্টগ্রাম-৪: আনোয়ার সিদ্দিকী চৌধুরী চট্টগ্রাম-৫: ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল ইসলাম চট্টগ্রাম-৬: শাহজাহান মঞ্জু চট্টগ্রাম-৭: অধ্যক্ষ আমিরুজ্জামান চট্টগ্রাম-৮: ডা. আবু নাসের চট্টগ্রাম-৯: ডা. ফজলুল হক চট্টগ্রাম-১০: অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালী চট্টগ্রাম-১১: মুহাম্মদ শফি চট্টগ্রাম-১২: ইঞ্জি. লোকমান চট্টগ্রাম-১৩: অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান চট্টগ্রাম-১৪: ডা. শাহাদাত হোসাইন চট্টগ্রাম-১৫: শাহজাহান চৌধুরী চট্টগ্রাম-১৬: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম কক্সবাজার-১: আব্দুল্লাহ আল ফারুক কক্সবাজার-২: মাওলানা এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ কক্সবাজার-৩: শহিদুল আলম বাহাদুর কক্সবাজার-৪: নুর আহম্মেদ আনোয়ারী খাগড়াছড়ি: অ্যাডভোকেট এয়াকুব আলী চৌধুরী রাঙ্গামাটি: অ্যাডভোকেট মোক্তার আহমেদ বান্দরবান: অ্যাডভোকেট আবুল কালাম।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    যৌথ বিবৃতি প্রধান উপদেষ্টার নিরপেক্ষতাকে ক্ষুণ্ণ করেছে: জামায়াত

    অনলাইন ডেস্ক
    ১৪ জুন, ২০২৫ ১৭:৪
    অনলাইন ডেস্ক
    যৌথ বিবৃতি প্রধান উপদেষ্টার নিরপেক্ষতাকে ক্ষুণ্ণ করেছে: জামায়াত

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সঙ্গে বৈঠকের পর যৌথ বিবৃতি দেয়া বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির ব্যত্যয়। এর ফলে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নিরপেক্ষতা ক্ষুণ্ণ হয়েছে বলে মনে করে জামায়াতে ইসলামী।

    শনিবার (১৪ জুন) দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের বৈঠক শেষে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিবৃতিতে বলা হয়, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সাথে তারেক রহমানের বৈঠক খুবই স্বাভাবিক। ইতোমধ্যে প্রধান উপদেষ্টা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সাথে আলাদা ও যৌথভাবে বৈঠক করেছেন। গত ৬ জুন জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে ২০২৬ সালের এপ্রিলের প্রথমার্ধে জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করেন প্রধান উপদেষ্টা। তার এই ঘোষণার পর লন্ডনে একটি রাজনৈতিক দলের সাথে বৈঠক শেষে যৌথ প্রেস ব্রিফিং ও বিবৃতি দেয়া বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির ব্যত্যয়। এর মাধ্যমে তিনি একটি দলের প্রতি বিশেষ অনুরাগ প্রকাশ করেছেন। যা তার নিরপেক্ষতাকে ক্ষুণ্ণ করেছে।

    এতে আরও বলা হয়, সরকারপ্রধান হিসেবে কোনও একটি দলের সাথে যৌথ প্রেস ব্রিফিং নৈতিকভাবে কিছুতেই যথার্থ নয়। এতে আগামী নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হওয়ার বিষয়ে জনগণের মধ্যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। যেখানে দেশে অনেকগুলো রাজনৈতিক দল রয়েছে, সেখানে শুধু কোনও একটি দলের সাথে আলাপ করে দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা সঠিক নয়। দেশে ফিরে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সাথে আলোচনা করে এ ব্যাপারে অভিমত প্রকাশ করাই সমীচীন ছিল বলে জামায়াত মনে করে।

    বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য অন্তর্বর্তী সরকার নিরপেক্ষ থেকে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করবে বলে জামায়াত আশা করে। পাশাপাশি বিচার ও সংস্কারের ব্যাপারে যথাযথ পদক্ষেপ নিশ্চিত করবে। সরকারের নিরপেক্ষতা এবং নির্বাচন নিয়ে যে সংশয় দেখা দিয়েছে তা নিরসনে প্রধান উপদেষ্টার ভূমিকা জাতির সামনে স্পষ্ট করার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      বাংলাদেশ ২.০ এখনো সম্ভব: তাসনিম জারা

      অনলাইন ডেস্ক
      ১৪ জুন, ২০২৫ ১৩:৫৭
      অনলাইন ডেস্ক
      বাংলাদেশ ২.০ এখনো সম্ভব: তাসনিম জারা
      ছবি: জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. তাসনিম জারা

      গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতনের পর নতুন বাংলাদেশ ২.০-র স্বপ্ন দেখেছিল দেশের কোটি মানুষ। নতুন করে দেশটাকে গড়তে দেয়ালে দেয়ালে রং তুলির আঁচরে লিখে দিয়েছিল নিজেদের স্বপ্নের কথা। সেই সব দেয়াল লিখন এখনো রয়ে গেছে দেশের নানা প্রান্তে। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও সেই কাঙ্ক্ষিত সংস্কারের সুফল মেলেনি। যা নিয়েই এবার ফেসবুক পোস্টে হতাশা এবং একই সঙ্গে আশার কথা শোনালেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. তাসনিম জারা।

      শনিবার সকালে চট্টগ্রামের পাহাড়তলী এলাকার একটি দেয়াল লিখনের ছবি নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেছেন তাসনিম জারা। আর সেই ছবির ক্যাপশনেই নতুন বাংলাদেশের স্বপ্নের কথা শুনিয়েছেন তিনি।

      তাসনিম জারা লিখেছেন, গত কয়েক সপ্তাহে নানা সময়ে মনে হয়েছে, সংস্কার কার্যক্রম যেন থমকে যাচ্ছে। ৫ আগস্টের পর যে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন জেগেছিল; তা আদৌ বাস্তব হবে কি না, এই প্রশ্নটা অনেকের মনে ঘুরপাক খাচ্ছে।’

      তিনি আরও লিখেছেন, ‘এই অনিশ্চয়তার ভেতরেও আজ সকাল ছয়টায় চট্টগ্রামের পাহাড়তলী এলাকায় একটি দেয়ালে চোখ আটকে গেল। দেয়ালে লেখা ছিল: ‘‘স্বাধীনতা এনেছি, সংস্কারও আনবো’’।’

      তিনি আরও লেখেন, ‘জুলাইয়ের আন্দোলনের সময় ছড়িয়ে পড়া এমন দেয়াললিখন ছিল সাহস আর সম্ভাবনার প্রতীক। সেই কথাগুলো আজ আবার মনে পড়লো। আশা অপেক্ষার বিষয় নয়, এটি টিকে থাকে মানুষের স্মৃতিতে, রাস্তায়, সংগ্রামে।’

      পোস্টের শেষাংশে আশার কথা শোনান তাসনিম জারা। বলেন, ‘বাংলাদেশ ২.০ এখনো সম্ভব, যদি আমরা জুলাই-এর সেই সময়কে ভুলে না যাই।’

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝিতে আগামী নির্বাচনের সময়সীমা নির্ধারণ হয়েছে: মির্জা ফখরুল

        অনলাইন ডেস্ক
        ১৩ জুন, ২০২৫ ১৯:৩৪
        অনলাইন ডেস্ক
        ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝিতে আগামী নির্বাচনের সময়সীমা নির্ধারণ হয়েছে: মির্জা ফখরুল

        লন্ডনে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বৈঠকটি সত্যিকার অর্থে একটি টার্নিং পয়েন্টে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

        তিনি বলেন, এই বৈঠকে পর একটি যৌথ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। সেখানে পরিষ্কার করে বলা হয়েছে—দুই নেতার বৈঠকটি অত্যন্ত সৌহার্দপূর্ণ হয়েছে।

        শুক্রবার (১৩ জুন) গুলশানে বিএনপি চেয়ারপার্সনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে উপস্থিতি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন বিএনপি মহাসচিব। 

        মির্জা ফখরুল বলেন, বৈঠকের আলোচনার বিষয়গুলোর মধ্যে প্রধান ছিল আগামী নির্বাচনের ইস্যু। সেখানে তারেক রহমানের প্রস্তাব ছিল, আগামী এপ্রিলে নির্বাচনের যে তারিখ ঘোষণা করা হয়েছিল, সেটা উপযুক্ত সময় নয় বিধায় এগিয়ে নিয়ে আসা। সেখানে জাতি অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে লক্ষ্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা সম্মত হয়েছেন, তারা ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে আগামী নির্বাচনের সময়সীমা নির্ধারণ করেছেন।

        লন্ডন বৈঠক প্রসঙ্গে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বৈঠক প্রমাণ করেছে যে, বাংলাদেশের মানুষ প্রয়োজনের সময় ঐক্যবদ্ধ হতে পারে। নেতারা নেতৃত্ব দিতে পারেন।

        মির্জা ফখরুল বলেন, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। অত্যন্ত বিচক্ষণতার সঙ্গে তারেক রহমানকে বৈঠকের আহ্বান তিনি জানিয়ে সবকিছু যে একটা অনিশ্চয়তার মধ্যে চলে গিয়েছিল, সেই অবস্থা কাটিয়ে জাতিকে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখিয়েছেন দুই নেতা।

        তিনি বলেন, আবারও তারেক রহমান প্রমাণ করলেন, তার মধ্যে রাষ্ট্রনায়কের গুণ রয়েছে। এটা এমন একটি বৈঠক ছিল, যার জন্য উদ্বিগ্ন ছিল গোটা জাতি। সেই বৈঠকে সফল হয়েছেন তিনি। আমি আমার পক্ষ থেকে, দলের নেতাকর্মীর পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানাই তারেক রহমানকে।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          লন্ডন বৈঠকে উভয়পক্ষ ‘সন্তুষ্ট’

          অনলাইন ডেস্ক
          ১৩ জুন, ২০২৫ ১৯:৩১
          অনলাইন ডেস্ক
          লন্ডন বৈঠকে উভয়পক্ষ ‘সন্তুষ্ট’

          অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মধ্যে বৈঠক হয়েছে। দেড় ঘণ্টার বৈঠক শেষে দুই পক্ষের প্রতিনিধিরা তাদের সন্তুষ্টির কথা জানিয়েছেন।

          শুক্রবার লন্ডনে বৈঠক-পরবর্তী যৌথ সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বৈঠকের আলোচনায় তারা সন্তুষ্ট হয়েছেন।

          লন্ডনের ডরচেস্টার হোটেলে বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টায় ড. ইউনূস ও তারেক রহমানের বৈঠক শুরু হয়। বাংলাদেশ সময় বিকাল সাড়ে ৩টায় বৈঠকটি শেষ হয়। পরে ওই হোটেলেই যৌথ সংবাদ সম্মেলন হয়। সেখানে কথা বলেন খলিলুর রহমান ও আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

          সংবাদ সম্মেলনের শুরুতেই একটি যৌথ বিবৃতি পড়ে শোনান নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান। বিবৃতিতে বলা হয়, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান লন্ডনে সফররত প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। অত্যন্ত সৌহার্দমূলক পরিবেশে তাদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

          বিবৃতিতে বলা হয়, তারেক রহমান প্রধান উপদেষ্টার কাছে আগামী বছরের রমজানের আগে নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রস্তাব করেন। ‌দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াও মনে করেন ওই সময় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে ভালো হয়। জবাবে প্রধান উপদেষ্টা বলেন যে, তিনি আগামী বছরের এপ্রিলের প্রথমার্ধের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের ঘোষণা দিয়েছেন। সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা গেলে ২০২৬ সালের রমজান শুরু হওয়ার আগের সপ্তাহেও নির্বাচন আয়োজন করা যেতে পারে।  সেক্ষেত্রে সেই সময়ের মধ্যে সংস্কার ও বিচারের বিষয়ে পর্যাপ্ত অগ্রগতি‌ অর্জন করা প্রয়োজন হবে। 

          বিবৃতিতে আরও বলা হয়, তারেক রহমান প্রধান উপদেষ্টার এই অবস্থানকে স্বাগত জানান এবং দলের পক্ষ থেকে তাকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। প্রধান উপদেষ্টাও তারেক রহমানকে ফলপ্রসূ আলোচনার জন্য ধন্যবাদ জানান।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত