ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

ফ্যাসিস্টরা বিদায় নিলেও ফ্যাসিজম রয়ে গেছে: জামায়াত আমির

অনলাইন ডেস্ক
৩ জুন, ২০২৫ ১৪:৫১
অনলাইন ডেস্ক
ফ্যাসিস্টরা বিদায় নিলেও ফ্যাসিজম রয়ে গেছে: জামায়াত আমির

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জীবন বাজি রেখে যারা পরিবর্তনের জন্য লড়াই করেছিলেন। তাদের লক্ষ্য ছিল ফ্যাসিজমকে বিদায় করা। দুঃখজনক হলেও সত্য যে, ফ্যাসিস্টরা বিদায় নিয়েছে, কিন্তু ফ্যাসিজম রয়ে গেছে। এর কালো ছায়া এখনো জাতির ঘাড়ে রয়ে গেছে।

মঙ্গলবার (৩ জুন) দুপুরে রাজধানী ঢাকার বনানীতে হোটেল শেরাটনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন তিনি।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ফ্যাসিজমকে পুরোপুরি বিদায়ের লক্ষ্যে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দরকার। যার মধ্য দিয়ে একটা ন্যায্য সরকার গঠিত হবে। যারা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে। কিন্তু নির্বাচনটা কীভাবে হবে? এই নির্বাচন অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে জামায়াতে ইসলামীর রয়েছে ঐতিহাসিক অবদান।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দল হিসেবে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের এক সর্বসম্মত রায়ের মাধ্যমে নিবন্ধন ফিরে পাওয়া উপলক্ষে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

বিস্তারিত আসছে.....

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    জুলাই সনদ করব, এটাই আমাদের লক্ষ্য : প্রধান উপদেষ্টা

    অনলাইন ডেস্ক
    ৩ জুন, ২০২৫ ১১:২৫
    অনলাইন ডেস্ক
    জুলাই সনদ করব, এটাই আমাদের লক্ষ্য : প্রধান উপদেষ্টা

    প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ‌জুলাই সনদ করব এটাই আমাদের লক্ষ্য। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আলোচনার আজকে প্রথম পর্ব শেষ হলো, দ্বিতীয় পর্ব শুরু হলো।

    সোমবার (২ জুন) বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে অংশ নিতে বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে যান বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা। বিকেল সাড়ে ৪টার পর থেকে এ বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রধান উপদেষ্টা।  

    ড. ইউনূস বলেন, আমি সারা দিনে যত মিটিং করি, যত মিটিং করে এসেছি, সবচাইতে আনন্দ পাই যখন এরকম বসার সুযোগ পাই। এখানে সবাই মিলে বাংলাদেশের প্রকৃত ভবিষ্যৎ রচনা করা হচ্ছে। এটা আমাকে শিহরণ জাগায় যে, এরকম কাজে আমি যুক্ত হতে পেরেছি।

    তিনি বলেন, সংস্কার করার জন্য আমার ওপর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। আমরা বুঝতে পারছিলাম না কোথা থেকে শুরু করব। প্রথমে নানা আলাপের মাধ্যমে ঠিক হলো যে, আমরা কয়েকটি কমিশন করে দেব। তারা ভেতরে গিয়ে প্রকৃত জিনিসটা তৈরি করবে। আমরা কমিশন গঠন করলাম। দ্রুত গতিতে কাজ করার জন্য তাদেরকে ৯০ দিন আমরা সময় বেঁধে দিয়েছিলাম। আমরা খুব আনন্দিত তারা করতে পেরেছে। কয়েকটা কমিশন বেশি সময় নিয়েছে, তাতে কোনো অসুবিধা নেই।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      বাজেটে আ. লীগ সরকারের ধারাবাহিকতা রয়ে গেছে : খসরু

      অনলাইন ডেস্ক
      ২ জুন, ২০২৫ ১৭:৫৮
      অনলাইন ডেস্ক
      বাজেটে আ. লীগ সরকারের ধারাবাহিকতা রয়ে গেছে : খসরু

      প্রস্তাবিত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট আকারে কিছুটা ছোট হলেও, গুণগত দিক থেকে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের ধারাবাহিকতা রয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি জানান, আগামী ৪ জুন সকাল ১১টায় বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাজেট প্রতিক্রিয়া জানানো হবে। আজকের মন্তব্য তার ব্যক্তিগত প্রতিক্রিয়া।

      সোমবার (২ জুন) বনানীর একটি হোটেলে বাজেট প্রসঙ্গে তিনি এসব কথা বলেন।

      তিনি বলেন, এটা যেহেতু অন্তর্বর্তী সরকারের বাজেট, তাই আমার প্রত্যাশা খুব সীমিত। কারণ অন্তর্বর্তী সরকারের একটা সীমাবদ্ধতা আছে, সময়ের ব্যাপার।

      সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, প্রথমত বাজেটের আকার, যেটা বিগত সরকার বাড়াতে বাড়াতে যে জায়গায় নিয়ে গেছে, সেটার সঙ্গে বাংলাদেশের রাজস্ব আয়ের কোনো সম্পর্ক নেই। দ্বিতীয়ত, আপনি যখন রাজস্ব আয়ের পুরোটা পরিচালন ব্যয়ের মধ্যে ব্যয় করে ফেলবেন, তখন তার অর্থ দাঁড়ায় উন্নয়ন বাজেটের পুরোটা দেশের বাইরে থেকে ধার করে চালাচ্ছেন। সরকার যখন দেশের বাইরে থেকে ঋণ নেয়, তখন দেশের ওপর ঋণের বোঝা বাড়তে থাকে, মানুষকে সেটা দিতে হয়। এটার সুদ বেড়ে যাওয়ার কারণে উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয়। আর দেশের ব্যাংক থেকে সরকার ঋণ নিলে বিনিয়োগ কমে যায়। তখন কর্মসংস্থান কমে যায়।

      রাজস্ব আয়ের সঙ্গে বাজেটের আকারের একটা সম্পৃক্ততা থাকা উচিত ছিল উল্লেখ করে আমির খসরু বলেন, আমি মনে করি সেটা হয়নি। রাজস্ব আয় যেটা হবে তা পুরোটা পরিচালন ব্যয়ের মধ্যে চলে যাবে। ফলে, উন্নয়ন বাজেট বাস্তবায়নের জন্য পুরোটা দেশ এবং দেশের বাইরে থেকে ঋণ নিতে হবে। এতে দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

      তিনি আরও বলেন, আগে যে বাজেট হয়েছে, সেখান থেকে এবার টাকার অঙ্কটা ছোট হয়েছে। কিন্তু মৌলিক পরিবর্তন আগের জায়গায় রয়ে গেছে। অনেকটা আগের সরকারের ধারাবাহিকতা থেকে বের হতে পারেনি। আসলে রাজস্ব আয়কে ভিত্তি করে বাজেট করা উচিত। তাহলে প্রাইভেট সেক্টরে টাকার সরবরাহ থাকত। বিনিয়োগ থাকত। সুদের হার কমে আসত। বিদেশি ঋণ কমে আসত। কিন্তু সেই জায়গা থেকে আমরা সরে আসতে পারিনি। সুতরাং আমি মনে করি মৌলিক জায়গার ভুলটা রয়ে গেছে।

      সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, এখন আমাদের বিদেশি ঋণ ৩.৮ বিলিয়নের মতো। সেটাকে এবং রাজস্ব আয়কে মাথায় রাখতে হবে। বাজেটের আকার আরও ছোট হওয়া উচিত ছিল। গুণগত দিক থেকে এই বাজেটে তেমন পরিবর্তন হয়নি। শুধুমাত্র সংখ্যা সামান্য ছোট হয়েছে। মৌলিক কাঠামো আগের সরকারের মতো রয়ে গেছে। এটা আগামী দিনের সরকারের জন্য সহজ কিছু হবে না।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        ঐকমত্য কমিশনের দ্বিতীয় দফা বৈঠকে

        যমুনায় বিএনপি-জামায়াত-এনসিপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা

        অনলাইন ডেস্ক
        ২ জুন, ২০২৫ ১৭:৪৮
        অনলাইন ডেস্ক
        যমুনায় বিএনপি-জামায়াত-এনসিপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা

        জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে অংশ নিতে প্রধান উপদেষ্টার আমন্ত্রণে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে প্রবেশ করেছেন।

        সোমবার (২ জুন) বিকেল সাড়ে তিনটা থেকে রাজনৈতিক দলের নেতারা বৈঠকে যোগ দিতে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আসতে শুরু করেন। পরে পৌনে ৪টার দিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে দলটির তিন সদস্যের প্রতিনিধিদল ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে প্রবেশ করে।

        এছাড়াও, জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আজাদ, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকিকেও বৈঠকে যোগ দিতে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে প্রবেশ করতে দেখা যায়।

        গণঅধিকার পরিষদ, এবি পার্টি, এলডিপি, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, ভাসানী অনুসারী পরিষদ, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের নেতারাও এই বৈঠকে যোগ দিয়েছেন।

        আজকের বৈঠকে মোট ২৮টি রাজনৈতিক দল অংশ নিচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর দ্বিতীয় ধাপের সংলাপ শুরু হচ্ছে। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এই সংলাপের উদ্বোধন করছেন। আজ তিনি দলগুলোর উদ্দেশে বক্তব্য দেবেন। আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা শুরু করবে ঐকমত্য কমিশন।

        কমিশনের পক্ষ থেকে এর আগে জানানো হয়েছিল যে, গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রশ্নে এখনও ঐকমত্যে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। তবে বেশ কিছু বিষয়ে ঐকমত্য ও আংশিক ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে তারা দাবি করেছে।

        জানা গেছে, দ্বিতীয় ধাপের সংলাপ হবে বিষয়ভিত্তিক। যেসব মৌলিক বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ঐকমত্য হয়নি, সেসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হবে।

        এর আগে, ২০ মার্চ থেকে ১৯ মে পর্যন্ত ৩৩টি রাজনৈতিক দল ও জোটের সঙ্গে ৪৫টি অধিবেশনে সংলাপ করে ঐকমত্য কমিশন।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          ‘এনসিপি গঠনের মাস্টারমাইন্ড তিনজন’, নামসহ যা জানালেন রাশেদ

          অনলাইন ডেস্ক
          ২ জুন, ২০২৫ ১৩:২৯
          অনলাইন ডেস্ক
          ‘এনসিপি গঠনের মাস্টারমাইন্ড তিনজন’, নামসহ যা জানালেন রাশেদ
          ছবি : সংগৃহীত

          গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন জানিয়েছেন, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) গঠনের মাস্টারমাইন্ড তিনজন। তারা হচ্ছেন- নাহিদ ইসলাম, মাহফুজ আলম এবং আসিফ মাহমুদ। সম্প্রতি দেশের একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ বিষয়টি জানান তিনি।

          মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন বলেন, ‘নাহিদ ইসলাম, মাহফুজ আলম ও আসিফ মাহমুদ এনসিপি মাস্টারমাইন্ড।

          এটি কোনো স্বাভাবিক দল নয়। এই দল সরকারের আশীর্বাদপুষ্ট দল। নাহিদ অন্তর্বর্তী সরকারে থাকাবস্থায় এনসিপি গঠনের কার্যক্রম শুরু হয়। যখন তিনি উপদেষ্টা ছিলেন, আসিফ-মাহফুজ তো এখনো আছেন—তাদের তিনজনের মাধ্যমে এ দল গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়।

          বাকিরাও সম্পৃক্ত ছিলেন—কিন্তু এই তিনজন হলেন মূল মাস্টারমাইন্ড।’

          নাহিদ ইসলামের মন্ত্রীপাড়ার বাসায় এই দল গঠনের সমস্ত প্রক্রিয়া আলোচনা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, ‘বিভিন্ন পক্ষকে সেই দলে যুক্ত হওয়ার জন্য ডাকা হয়েছে। আমরা এই বিষয়গুলো কীভাবে জানলাম? আমাদের কতিপয় নেতাদের তারা প্রলোভন দেখিয়েছেন এবং দলের সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করেছেন। নাহিদ একটা মিথ্যা কথা বলেছেন।

          বিষয়টি আমার খুব খারাপ লেগেছে। তিনি গণঅভ্যুত্থানের নায়ক। আমরা তাকে শ্রদ্ধা করি, ভালোবাসি। ছেলেটা অনেক সংগ্রাম করেছে। তিনি প্রেস ব্রিফিং করা অবস্থায় কীভাবে মিথ্যা বললেন! তিনি বলেছেন যে, মাহফুজ-আসিফ এই দুই উপদেষ্টা এনসিপির সঙ্গে সম্পৃক্ত না—এই কথাটা মিথ্যা।

          গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আসিফ মাহমুদ, মাহফুজ আলম এখনো দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং তারা সরকারে রয়েছেন এনসিপির প্রতিনিধি। যতক্ষণ না পর্যন্ত তারা দল গঠন করেছে তার আগ পর্যন্ত তারা গণঅভ্যুত্থানের ছাত্র-জনতার প্রতিনিধি ছিলেন।’

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত