ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

জবি শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নিতে গড়িমসি কেন, প্রশ্ন সারজিসের

অনলাইন ডেস্ক
১৫ মে, ২০২৫ ১৭:৩৮
অনলাইন ডেস্ক
জবি শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নিতে গড়িমসি কেন, প্রশ্ন সারজিসের

তিনদফা দাবিতে আজও সড়ক অবরোধ করে আন্দোলন করছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। বুধবার প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন অভিমুখে লং মার্চ করা ও রাতভর রাস্তায় অবস্থান নেওয়ার পরও কেন তাদের যৌক্তিক দাবিগুলো মেনে নেওয়া হলো না; কেন আবারও রাস্তায় নামতে হলো শিক্ষার্থীদের? সেই প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।

বৃহস্পতিবার শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়ে ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন সারজিস। যেখানে শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো অতিদ্রুত মেনে নিয়ে বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

সারজিস তার পোস্টে লিখেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌক্তিক দাবিগুলো মেনে নিতে এত গড়িমসি কেন? তাদেরকে আবার রাস্তায় নামতে হলো কেন?’

সারজিস আরও বলেন, ‘বছরের পর বছর ধরে পুরো দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের চাষ করা হয়েছে। অথচ ঢাকার বুকে দেশের প্রথমসারির একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য কোন আবাসিক হল নেই। মেয়েদের জন্য নামমাত্র একটি আবাসিক হল আছে। একাডেমিক স্পেসও চাহিদার তুলনায় নেই বললেই চলে।’

শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকটের কথা তুলে ধরে সারজিস লিখেন, ‘যেই সদরঘাট এলাকায় এই বিশ্ববিদ্যালয়টি অবস্থিত সেটি ঢাকার বসবাসের সবচেয়ে অনুপযোগী একটি জায়গা। সেখানে হাজার হাজার শিক্ষার্থী কিভাবে থাকবে কিংবা থাকে এগুলো নিয়ে কি কারো মাথাব্যথা নাই?’

আওয়ামী লীগ পতন হওয়ার পরও কেন এখনো এই সমস্যাগুলোর সমাধান হলো না সেই প্রশ্ন তুলে সারজিস লিখেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের আশেপাশের অনেক জায়গা এবং ভবন এতদিন ধরে দখল করেছিল আওয়ামী লীগের দখলদাররা। কিন্তু এখনো কেন তারা তাদের জায়গা কিংবা ভবনগুলো ফিরে পাচ্ছে না? কেন তাদের স্থায়ী ক্যাম্পাসের কাজ সর্বোচ্চ প্রায়োরিটি দিয়ে দ্রুতগতির সঙ্গে করা হচ্ছে না? কেন একনেকে এখনো সেই বিল পাস হচ্ছে না?’

সারজিস আরও বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা তো বুকের তাজা রক্ত দিয়ে এই অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দিল। তাদের জন্য আলাদা করে কি হলো? কোন সংস্কারটা করা হলো? কোন সুযোগ সুবিধাটা বাড়ল?’

পোস্টের শেষাংশে সারজিস লিখেন, ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌক্তিক দাবি গুলো অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন করা হোক। নামকাওয়াস্তে নয় বরং বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রূপে প্রতীয়মান হোক।’

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ঢাবি শিক্ষার্থী সাম্য হত্যার পেছনে রাজনৈতিক কারণ রয়েছে: রিজভী

    অনলাইন ডেস্ক
    ১৫ মে, ২০২৫ ১৫:৪৭
    অনলাইন ডেস্ক
    ঢাবি শিক্ষার্থী সাম্য হত্যার পেছনে রাজনৈতিক কারণ রয়েছে: রিজভী

    বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল নেয়া শাহরিয়ার আলম সাম্য হত্যার পেছনে রাজনৈতিক কারণ রয়েছে। অবিলম্বে এই হত্যায় জড়িতদের গ্রেফতার করতে হবে।

    বৃহস্পতিবার (১৫ মে) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সাম্য হত্যার বিচারের দাবিতে আয়োজিত এক মানববন্ধনে এ কথা বলেন তিনি।

    রিজভী বলেন, শাহবাগে জাতীয় সংগীত বন্দের আন্দোলনের বিরুদ্ধে সাম্য একটি ফেসবুক পোস্ট দিয়েছিলো। এটাই কী তাকে হত্যার কারণ? বিগত ১৬ বছর ছাত্রলীগের নিপীড়ন-নির্যাতন দেখেছি। এখন তো তারা নেই। তাহলে এখনও কেন ক্যাম্পাসে ছাত্রদের রক্ত ঝরছে? পুলিশকে গুরুত্বের সাথে বিষয়টিকে খতিয়ে দেখতে হবে।

    এ সময় কোনও বিশেষ রাজনৈতিক দল বা আদর্শের মানুষকে বিশেষ সুবিধা দিলে তার পরিণতি ভালো হবে না বলেও অন্তর্বর্তী সরকারকে হুশিয়ারি দেন তিনি।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      “যে রাজনীতি আমার মা-নানির চোখের পানি দূর করতে পারে না, সেই রাজনীতি করে কী হবে?”

      ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
      ১৫ মে, ২০২৫ ১২:১৭
      ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
      “যে রাজনীতি আমার মা-নানির চোখের পানি দূর করতে পারে না, সেই রাজনীতি করে কী হবে?”

      সরকারি বাঙলা কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শাহাদাৎ হোসেন আনুষ্ঠানিকভাবে ছাত্রদলের সব পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন।

      ১৩ মে (মঙ্গলবার) রাতে  সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের  এক স্টাটাসে তিনি জানান, ছোটবেলা থেকেই জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী ছিলেন এবং অনার্স প্রথম বর্ষ থেকে ছাত্রদলের রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন। দীর্ঘ সময় ধরে তিনি বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের সকল কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন এবং দলের জন্য নিরলসভাবে কাজ করেছেন।

      তবে তার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা এবং পরিবারের ভোগান্তি তাকে এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে। তিনি জানান, তার একমাত্র মামা ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে গ্রেপ্তার হন এবং ৪৫ দিন গুম থাকার পর তিনটি ‘গায়েবি মামলা’ দিয়ে আদালতে হাজির করা হয়। এ ঘটনায় তাদের পরিবার এখনও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত।

      শাহাদাৎ হোসেন বলেন, “৫ আগস্টের পর অনেকেই খুশি হলেও আমাদের পরিবারের খুশি যেনো এখনো কারাগারে বন্দি। যে রাজনীতি আমার মা নানির চোখের পানি দূর করে মুখে হাঁসি ফোটাতে পারে নাই সেই রাজনীতি করে কি হবে?”

      তিনি আরও বলেন, “আমি শাহাদাৎ হোসেন, সরকারি বাঙলা কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক ও বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হিসেবে আমার সকল পদ থেকে পদত্যাগ করছি।”

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        সাম্যের হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়ে যা বললেন বড় ভাই সাগর

        অনলাইন ডেস্ক
        ১৪ মে, ২০২৫ ১৭:২৬
        অনলাইন ডেস্ক
        সাম্যের হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়ে যা বললেন বড় ভাই সাগর

        সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে নিহত ঢাবি শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল নেতা শাহরিয়ার সাম্যের হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি চাইলেন তার বড় ভাই আনোয়ারুজ্জামান সাগর।

        বুধবার (১৪ মে) বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে ছোট ভাইয়ের জানাজার আগে একথা বলেন তিনি। এ সময় তিনি কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। বললেন, আর কোনও মেধাবী সন্তান যেন এমন নৃশংসতার শিকার না হন।

        এ সময় শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সাম্যের রাজনৈতিক সহকর্মী এবং সহপাঠীরাও অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন।

        আনোয়ারুজ্জামান সাগর বলেন, সাম্য আমার চেয়ে ১৬ বছরের ছোট। সে অষ্টম শ্রেণিতে থাকতে মাকে হারিয়েছি। সেই থেকে তাকে আগলে রেখেছি। কোনও কষ্ট বুঝতে দেইনি। অনেক স্বপ্ন নিয়ে তাকে সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠে পাঠিয়েছি। কিন্ত এভাবে ভাইকে হারাতে হবে ভাবতেও পারিনি। কী কারণে তার ভাইকে প্রাণ হারাতে হলো তার সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করতে উপাচার্যকে আহ্বান জানান তিনি।

        জানাজায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান, বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব, সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছিরসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

        জানাজা শেষে সাম্যের মরদেহ গ্রামের বাড়ি সিরাজগঞ্জে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সেখানে দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে বলে জানিয়েছেন নিহতের বড় ভাই আনোয়ারুজ্জামান খান।

        প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার (১৩ মে) দিবাগত রাত পৌনে ১২টার দিকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সাম্যকে ছুরিকাঘাত করে দুর্বৃত্তরা। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

        শাহরিয়ার সাম্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং স্যার এ এফ রহমান হলের ২২২ নম্বর কক্ষে থাকতেন। তিনি হল ছাত্রদলের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          ফেসবুক-ইউটিউবসহ আ. লীগের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম বন্ধে বিটিআরসিকে চিঠি

          অনলাইন ডেস্ক
          ১৪ মে, ২০২৫ ১৪:১০
          অনলাইন ডেস্ক
          ফেসবুক-ইউটিউবসহ আ. লীগের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম বন্ধে বিটিআরসিকে চিঠি

          আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠন, সহযোগী সংগঠন ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের কার্যক্রম নিষিদ্ধে ইতোমধ্যে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এবার ফেসবুক-ইউটিউবসহ দলটির সব অনলাইন প্ল্যাটফর্ম বন্ধে কার্যক্রম শুরু করেছে সরকার।

          সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের ওয়েবসাইট, ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটক, টেলিগ্রাম এবং এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টগুলো ব্লক করতে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

          বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি-বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। 

          তিনি জানান, মঙ্গলবার জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সি বিটিআরসিকে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি পাঠিয়েছে। এরপর বিটিআরসি সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্মগুলোতে অ্যাকাউন্ট বন্ধের জন্য চিঠি পাঠাবে।

          প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, আওয়ামী লীগ এবং এর সব অঙ্গসংগঠন, সহযোগী সংগঠন ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত দলটির সকল ধরনের প্রচারণা, গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কার্যক্রম, মিছিল, সভা-সমাবেশ ও সম্মেলন আয়োজনসহ সব কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকবে। 

          মন্তব্য
          সর্বশেষ সংবাদ
            সর্বাধিক পঠিত