ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩
 
শিরোনাম

ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করেছে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৩ অক্টোবর, ২০২৪ ২১:৪৭
নিজস্ব প্রতিবেদক
ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করেছে সরকার

আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। প্রজ্ঞাপনে ছাত্রলীগকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

বুধবার এক প্রজ্ঞাপনে ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধের কথা জানিয়েছে সরকার।

ছাত্রলীগ নিষিদ্ধের দাবিতে ঢাবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ বৃহস্পতিবারের মধ্যে ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধের আল্টিমেটাম সংবিধান বাতিল ও রাষ্ট্রপতির অপসারণে জাতীয় ঐক্যের ডাক

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশের স্বাধীনতা-পরবর্তী বিভিন্ন সময়ে বিশেষ করে গত ১৫ বছরের স্বৈরাচারী শাসনামলে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ হত্যা, নির্যাতন, গণরুমকেন্দ্রিক নিপীড়ন, ছাত্রাবাসে সিট বাণিজ্য, টেন্ডারবাজি, ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নসহ নানা ধরনের জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল এবং এ সম্পর্কিত প্রামাণ্য তথ্য দেশের সব প্রধান গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে এবং কিছু সন্ত্রাসী ঘটনায় সংগঠনটির নেতাকর্মীদের অপরাধ আদালতেও প্রমাণিত হয়েছে। গত ১৫ জুলাই থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা আন্দোলনরত ছাত্র-ছাত্রী ও সাধারণ জনগণকে উন্মত্ত ও বেপরোয়া সশস্ত্র আক্রমণ করে শতশত নিরপরাধ শিক্ষার্থী ও ব্যক্তিকে হত্যা করেছে এবং আরও অসংখ্য মানুষের জীবন বিপন্ন করেছে।

সরকারের কাছে যথেষ্ট তথ্য-প্রমাণ রয়েছে যে, গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরও বাংলাদেশ ছাত্রলীগ রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক, ধ্বংসাত্মক ও উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড এবং বিভিন্ন সন্ত্রাসী কাজে জড়িত আছে।

এই অবস্থায় সরকার 'সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯' এর ধারা ১৮ এর উপ-ধারা (১) এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন 'বাংলাদেশ ছাত্রলীগ'কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করল এবং ওই আইনের তফসিল-২ এ 'বাংলাদেশ ছাত্রলীগ' নামীয় ছাত্র সংগঠনকে নিষিদ্ধ সত্ত্বা হিসেবে তালিকাভুক্ত করল বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে উল্লাস

আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণার পর উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা বিভিন্ন স্লোগান দেন।

এই মুহূর্তে খবর এলো, ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ হলো; মুহূর্তে খবর এলো, সন্ত্রাসী লীগ নিষিদ্ধ হলো; হৈ হৈ রৈ রৈ, সন্ত্রাস লীগ গেলি কই; এই মুহূর্তে খবর এলো, ক্যাম্পাস সন্ত্রাসমুক্ত হলো- ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা যায়।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ৭২-এর সংবিধানের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধকে আওয়ামী লীগীকরণ করা হয়েছে: হাসনাত

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ২৩ অক্টোবর, ২০২৪ ১৬:২৯
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ৭২-এর সংবিধানের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধকে আওয়ামী লীগীকরণ করা হয়েছে: হাসনাত

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, ৭২-এর মুজিববাদী সংবিধানের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধে জনগণের অংশগ্রহণকে ছোট করা হয়েছে এবং অস্বীকার করা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধকে সুনির্দিষ্ট একটি দলের হাতে তুলে দিয়ে মুক্তিযুদ্ধকে আওয়ামী লীগীকরণ করা হয়েছে।

    বুধবার (২৩ অক্টোবর) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এ কথা বলেন তিনি।

    হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, আমরা মনে করি, গণঅভ্যুত্থান কিংবা বিপ্লব কোনো সুনির্দিষ্ট দলের সম্পত্তি নয়। এটিকে জনগণের সম্পত্তিতে পরিণত করতে হলে গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাকে জনগণের সংবিধানে রূপান্তরিত করতে হবে। সেজন্য ৭২-এর একদলীয় সংবিধানকে বাতিল করে একটি জনগণপন্থী সংবিধান রচনা করতে হবে। এই প্রশ্নে আমরা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন আপোষহীন থাকব।

    তিনি বলেন, গতকালের পাঁচ দফার প্রথম দফা হলো ৭২-এর মুজিববাদী সংবিধান বাতিল করে নতুন করে জনগণপন্থী সংবিধান লিখতে হবে। এ দাবির বিপরীতে অবস্থান নিয়ে ৭২-এর সংবিধানের ধারাবাহিকতা রক্ষার বয়ান হলো গণঅভ্যুত্থান পরিপন্থী বয়ান। ২৪ পরবর্তী বাংলাদেশে গণঅভ্যুত্থান পরিপন্থী যে কোনো বয়ান আবার ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের সুযোগ করে দেবে। সুতরাং ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের স্পিরিটে বিশ্বাসী ফ্যাসিবাদবিরোধী ঐক্যবদ্ধ শক্তি ৭২-এর মুজিববাদী সংবিধানের ধারাবাহিকতা রক্ষার পক্ষে অবস্থান নিয়ে ফ্যাসিবাদকে পুনর্বাসনের সুযোগ দিতে পারে না।

    তিনি আরও বলেন, আমাদের ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানকে চূড়ান্ত বিপ্লবে পরিণত করতে হলে পাঁচ দফা বাস্তবায়নের কোনো বিকল্প নেই। এই পাঁচ দফা বাস্তবায়নে গণতন্ত্রকামী ফ্যসিবাদবিরোধী ঐক্যবদ্ধ শক্তির লড়াই অব্যাহত থাকবে।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      তারেক রহমানের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির ৪ মামলা হাইকোর্টে বাতিল

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ২৩ অক্টোবর, ২০২৪ ১৩:৮
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      তারেক রহমানের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির ৪ মামলা হাইকোর্টে বাতিল

      বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ২০০৭ সালে রাজধানীর কাফরুল থানায় কথিত চাঁদাবাজির অভিযোগে দায়ের করা চারটি মামলা বাতিল করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।

      বুধবার বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

      এ বিষয়ে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে হাইকোর্ট এ রায় দেন।

      আদালতে তারেক রহমানের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, ব্যারিস্টার সানজিদ সিদ্দিকী।

      আইনজীবীরা জানান, ২০০৭ সালে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে এসব মামলা করা হয়।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        ‘সরকারের সুতোয় টান অন্য কোথাও থেকে আসছে কিনা জনগণ জানতে চায়’

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ২২ অক্টোবর, ২০২৪ ১৬:২৯
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ‘সরকারের সুতোয় টান অন্য কোথাও থেকে আসছে কিনা জনগণ জানতে চায়’

        পুতুল নাচের ন্যায় অন্তর্বর্তী সরকারের সুতার টান অন্য কোথাও থেকে আসছে কিনা সেটা জনগণ জানতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্মমহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

        মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর পুরান ঢাকার বাহাদুর শাহ পার্কের সামনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

        অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে রিজভী বলেন, আমরা এক ধরনের ধোঁয়াশার মধ্যে আছি এবং জনগণ যেন একটা প্যারাডক্সের মধ্যে আছে। শুনলাম সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী গ্রেপ্তার হয়েছে, তার কয়েকদিন পর শুনলাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জ্যাকসন হাইটসে ঘুরাফেরা করছে। আবার শুনলাম তথ্য প্রতিমন্ত্রী আরাফাত গ্রেপ্তার হয়েছে। তার দুই-তিন দিন পরে শুনলাম তিনি গ্রেপ্তার হননি। জনগণের সঙ্গে এই প্রতারণা কীসের জন্য? জনগণের সামনে এই লুকোচুরি কীসের জন্য? এটাতো জনগণ জানতে চায়।

        তিনি বলেন, জনগণের ভোট, জনগণের ম্যান্ডেট, যারা মাইকিং করে ভোট কেন্দ্রে যেতে নিষেধ করেছে নিজেদের মত করে ভোট দেয়ার জন্য জনগণকে ভোটকেন্দ্রে যেতে দেয়নি। শেখ হাসিনার আমলে যে সব মন্ত্রীরা অপরাধ করেছে, অবিচার করেছে তাদের ধরা না ধরা, গ্রেপ্তার হওয়া না হওয়া এইটা নিয়ে এই ধরনের লুকোচুরি কেন খেলছেন? জনগণ কি প্রশ্ন করতে পারেনা? জনগণ কি জানেনা কোনো না কোনো জায়গা থেকে পুতুল খেলার নাচের মত আপনাদের সুতোর টান দিচ্ছে। সেই সুতোর টানে আপনারা নাচানাচি করছেন। এটাতো সুস্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

        অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় মইনুদ্দিন ফখরুদ্দিনও কিন্তু বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নাম জড়াতে পারেনি। এ মামলাতো ছিল শেখ হাসিনার রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক। তারপরও কেন তার বিরুদ্ধে মামলা এখনো প্রত্যাহার হচ্ছে না? এর কারণ কি দেশবাসী জানতে চায়? আপনাদের অন্তরের ভাষা আমরা ঠিক বুঝতে পারছি না। ছাত্র জনতার তুমুল আন্দোলনে শেখ হাসিনা পালিয়ে গেছেন অন্তর্বর্তী সরকারকে আমরা সবাই সমর্থন দিয়েছি। এই সমর্থনের পরেও তারা যদি আলো ছায়ার মধ্যে ধুলতে থাকে তাহলে তো সামনের দিকে একটা বিপদজনক বার্তা বয়ে নিয়ে আসবে।

        বিএনপির এ সিনিয়র নেতা বলেন, বিএনপির একজন কেন্দ্রীয় নেতা এম ইলিয়াস আলী একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ছিলেন। চৌধুরী আলম জনপ্রতিনিধি ছিলেন। সালাউদ্দিন আহমেদ স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক এমপি মন্ত্রী ছিলেন তাকেও ৬২ দিন আটকে রেখে ইন্ডিয়াতে পাচার করে দেওয়া হয়েছিল। আমরা কি আবার সেই আমলের পুনরাবৃত্তি করবো? আমরা কি সেই দুঃসহ, দুর্বিষহ পরিস্থিতি আবার আনবো? আইনের শাসনের বদলে যুবলীগের শাসন চলবে। আওয়ামী লীগের শাসন চলবে। আমাদের এত আত্মত্যাগ ১৫-১৬ বছর ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল এবং বিএনপি নেতাকর্মীরা অকাতরে জীবন দিয়েছে। তাদেরকে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে এসে তার স্ত্রীর সামনে, মায়ের সামনে, বাবার সামনে থেকে হত্যা করা হয়েছে। কারো কারো লাশ পাওয়া গেছে তিন-চারদিন পর তুরাগ নদীতে, শীতলক্ষা নদীতে। এই ছিল বিএনপির নেতাকর্মীদের ভাগ্যের লিখন। এ ঘটনাগুলো ঘটিয়েছে শেখ হাসিনার আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, পুলিশ আর র‍্যাব। সেই শাসন কি আবার ফিরে আসবে। সেই শাসন আর ফিরে আসতে পারেনা।

        এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনু, সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিন, বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন, যুবদল নেতা ওমর ফারুক কাওসার, ছাত্রদল নেতা ডা. তৌহিদ আওয়াল প্রমুখ।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          জাতিসংঘ প্রতিনিধি দলের সঙ্গে জামায়াত আমিরের সাক্ষাৎ

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ২২ অক্টোবর, ২০২৪ ১৫:৫২
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          জাতিসংঘ প্রতিনিধি দলের সঙ্গে জামায়াত আমিরের সাক্ষাৎ

          ডেস্ক রিপোর্ট: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাতিসংঘ জাতিসংঘ প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।

          মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টায় বাংলাদেশে নিযুক্ত জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক মান্যবর মিস. গোয়েন লুইস এবং জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক উপদেষ্টা মিস. হুমা খান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় অফিসে আসেন।

          সাক্ষাৎকালে তারা অত্যন্ত আন্তরিকতাপূর্ণ পরিবেশে পারস্পরিক মতবিনিময় করেন। মতবিনিময়কালে তারা বংলাদেশে বিরাজমান সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেন।

          জামায়াতে ইসলামী উপস্থাপিত সংস্কার প্রস্তাবের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে তারা জানতে চান। আমিরে জামায়াত সংস্কার প্রস্তাবের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

          এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এবং ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য, কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি জনাব মতিউর রহমান আকন্দ এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ মুহাম্মদ শাহাবুদ্দিন।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত