ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

দেশ গঠনে নেতৃত্ব দিতে চাইলে আমাদের কথা শুনতে হবে: তারেককে ফরহাদ মজহার

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ১৬:৮
নিজস্ব প্রতিবেদক
দেশ গঠনে নেতৃত্ব দিতে চাইলে আমাদের কথা শুনতে হবে: তারেককে ফরহাদ মজহার

বিশিষ্ট লেখক, দার্শনিক, গবেষক ও বুদ্ধিজীবী ফরহাদ মজহার আশা প্রকাশ করেছেন দেশকে নতুন করে গঠনে তারেক রহমান নেতৃত্ব দেবেন বলে । সেই সঙ্গে নেতৃত্ব নিতে চাইলে সবার কথা শুনতে হবে এবং সমালোচনা করতে দিতে হবে বলেও মনে করেন তিনি।

শুক্রবার (২৭ সেপ্টেম্বর) একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কথা জানিয়েছেন তিনি।

ফরহাদ মজহার বলেন, বাংলাদেশকে নতুন করে গঠন করতে হবে। এটা আসবেই। আপনি এটা ঠেকাতে পারবেন না। সেক্ষেত্রে আমাদের খুব আশা, তারেক এ নেতৃত্ব নেবেন। যদি তিনি সেই নেতৃত্ব নিতে চান, তাহলে আমাদের কথা শুনতে হবে। সমালোচনা করতে দিতে হবে। তারেক রহমান একটি রাজনৈতিক দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আছেন, সেই সঙ্গে প্রতিহিংসার রাজনীতি করবেন না বলে জানান দিচ্ছেন। এটাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উল্লেখ করে ফরহাদ মজহার বলেন, এটা নানাভাবে তরুণদের আকর্ষণ করছে। তারেক রহমানকে আপনি পছন্দ করেন আর না করেন, তরুণদের মাঝে তার একটা গ্রহণযোগ্যতা আছে।

এই বুদ্ধিজীবী আরও বলেন, তরুণদের আমি বলব আপনারা ইচ্ছা করলে তারেকের বিরুদ্ধে ক্যাম্পেইন করে তারেককে মুছে ফেলতে পারবেন না। এটা হবে না। এ কথা বলাও আইনগত ভুল। তারা যদি বলে থাকে এটা ভুল করে বলতে পারে, ‘আমরা এক ফ্যাসিস্ট গেছে, আরেক ফ্যাসিস্ট আনতে চাই না।’ এটা বিএনপিকে ইঙ্গিত করে বলা হয়েছে। এটা বলার দরকার নেই আমাদের। আমাদের বলা উচিত, এটা আমাদের দেশ এবং বিএনপির কাছে দাবি করে বলা উচিত, এই দেশ গড়বার ক্ষেত্রে আপনাদেরও দায় আছে।

 

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    বাংলাদেশকে কারো অঙ্গরাজ্য বানাতে দেওয়া হবে না: মামুনুল হক

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ১৫:৩২
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    বাংলাদেশকে কারো অঙ্গরাজ্য বানাতে দেওয়া হবে না: মামুনুল হক

    বাংলাদেশকে একটি ভিন্ন দেশের অঙ্গরাজ্য বানাতে দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের মহাসচিব ও হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব আল্লামা মুহাম্মদ মামুনুল হক। শনিবার বিকালে ঈশ্বরগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠে তিনি এ মন্তব্য বলেন।

    বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস উপজেলা শাখা আয়োজিত ছাত্র-জনতার বিপ্লবে সংঘটিত গণহত্যার বিচার ও নৈরাজ্যবাদের বিরুদ্ধে গণজাগরণ সৃষ্টির লক্ষে গণসমাবেশে প্রধান অতিথি আল্লামা মামুনুল হক বলেন, স্বৈরাচার হাসিনা সরকার এদেশে আলেম-ওলামাদের ওপর চরম নির্যাতন করেছে। তিনি বিগত সরকারের আমলে শাপলা চত্বরে আলেম-ওলামাদের সমাবেশ করতে দেয়নি। অথচ ওই সরকারের মদদপৃষ্ঠ শাহবাগী নাস্তিকদের দিনরাত সমাবেশ করতে পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন।

    তিনি শাপলা চত্বরে আলেম-ওলামাদের সমাবেশে নির্যাতনের কথা উল্লেখ করে বলেন, একটি রাত পর্যন্ত শাপলা চত্বরে তাদের থাকতে দেয়নি। শেখ হাসিনা তার দলবল নিয়ে প্রতিহিংসার রাজনীতি করেছে। দেশের অর্থ লোটপাট, গণমানুষের অধিকার হরণ ও বাকশক্তি রুদ্ধ করে দিয়ে ১৮ কোটি মানুষের উন্নয়নের নামে লোটপাট করে বিদেশে অর্থ পাচার করে দেশের অর্থনীতিকে পঙ্গু করেছে।

    তিনি আরও বলেন, বিগত সরকারের আমলে স্কুল-কলেজগুলোতে কি পড়াশোনা হয়েছে- যা ছিল হিন্দুত্ববাদ কায়েম করা। এদেশে অবশ্যই সম্প্রীতি বজায় থাকবে তবে কোনো গোষ্ঠীর স্বার্থ সিদ্ধির জন্য নয়। বাংলাদেশকে একটি ভিন্ন দেশের অঙ্গরাজ্য বানাতে দেওয়া হবে না।

    তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে উদ্দেশ্য করে বলেন, নগ্নতা, সমকামিতা, নাস্তিকতা, পশ্চিমা দেশের সংস্কৃতি এ দেশে কায়েম করতে দেওয়া হবে না।

    ৯০ ভাগ মুসলমানের এদেশে তিনি নতুন করে ইসলামি শিক্ষা কার্যক্রম গঠনের দাবি জানান। গত ৫ আগস্ট শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে স্বৈরচার পতনের নতুন স্বাধীনতার অর্জনকে ধরে রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বৈষম্যহীন ও ইসলামী সমাজব্যবস্থা গঠনে আলেম-ওলামাদের নিয়ে গঠিত বাংলাদেশ খেলাফত মসলিসের পাশে ঐক্যবদ্ধভাবে সকলকে কাজ করার আহ্বান জানান।

    গণসমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি ইসলামপুর গাফুরিয়া সুন্নাহ মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা মাহমুদুল আজিজী গণসমাবেশে সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব আতাউল্লাহ আমিনসহ স্থানীয় উপজেলা ও জেলা কমিটির নেতারা।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করলে ফলাফল ভালো হবে না: রিজভী

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ১৫:২৩
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করলে ফলাফল ভালো হবে না: রিজভী

      বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, অন্য কোনো দেশ থেকে প্রেসক্রিপশন দেওয়া যাবে না। শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দিয়েছেন ভালো কথা, তবে আশ্রয় দিয়ে তার কথামতো বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অস্থিতিশীল কিছু করতে চাইলে আখেরে ফলাফল ভালো হবে না। বাংলাদেশ সিকিম বা ভুটান নয়। পার্শ্ববর্তী দেশের পলিসি মেকার, নীতিনির্ধারক যারা তাদেরকে বলে রাখতে চাই- বাংলাদেশ ১৮ কোটি মানুষের দেশ।

      রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আওয়ামী সন্ত্রাসীদের গুলিতে রাজশাহী মহানগর ও জেলায় শহীদ পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন।

      রুহুল কবির রিজভী বলেন, ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন ভারতকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশ স্থিতিশীল হবে না। আপনারা কীসের আলামত দিচ্ছেন এগুলো? বাংলাদেশিরা সাহসী ও বীরের জাতি। কীভাবে দেশ পরিচালিত হবে, কাকে নির্বাচিত করতে হবে জনগণ সেটা জানে। অন্য কোনো দেশ থেকে প্রেসক্রিপশন দেওয়া যাবে না।

      তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সব রাজনৈতিক দল সমর্থন দিয়েছে। সবাই সহযোগিতা করতে চায়। কিন্তু প্রশাসনের মধ্যে যদি এমন লোক থাকে যারা শেখ হাসিনার ১৫-১৬ বছর ক্ষমতা থাকাকালীন ফ্যাসিবাদ লুণ্ঠনে সহায়তা করেছে, তারা একটি বিপ্লবের সরকারকে কখনোই সমর্থন দিতে পারে না। তারা যদি ক্যাবিনেট সেক্রেটারি হয়, সচিব হয়, গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে বসে তাহলে নির্বাচন কমিশন, বিচার বিভাগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যে সংস্কারের কথা বলা হচ্ছে এই সংস্কার বাস্তবায়ন হবে না। এরা সংস্কার ব্যর্থ করে দেবে।

      রাজশাহী নিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, ভয়ংকর দোজখ থেকে পরিত্রাণ পেয়েছি। আগে রাজশাহীতে এসে প্রাণ নিয়ে ফিরে যেতে পারব কি না, তা নিয়ে সংশয় থাকত। বিএনপির সাংগঠনিক সংগঠনের বাইরে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ একটি অরাজনৈতিক সংগঠন। এই সংগঠনের মাধ্যমে বিএনপির নির্যাতিত, নিহত পরিবারকে তারেক রহমান ১৫ বছর ধরে দেখে আসছেন।

      প্রশাসনকে উদ্দেশ্য করে রুহুল কবির রিজভী বলেন, অস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল করলেও তা উদ্ধার করতে পারেনি প্রশাসন, কেন উদ্ধার হবে না সেটি জানতে চাই। অস্ত্র উদ্ধার না হলে দেশ অস্থিতিশীল ও সংঘাতময় হবে। শেখ হাসিনা কি ভারতে থেকে উপলব্ধি করছেন জুলুম করে, নির্যাতন করে, জনগণের ওপর দমনপীড়ন চালিয়ে ক্ষমতায় টিকে থাকা যায় না?

      সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপির কোষাধ্যক্ষ এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, ‘আমরা বিএনপি পরিবার’র আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমন। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নজরুল হুদা, সদস্যসচিব মামুনুর রশীদ মামুনসহ কেন্দ্রীয় ও রাজশাহী মহানগর বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

      সভা শেষে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে রাজশাহীর নিহত তিন পরিবারকে আর্থিক সহযোগিতা করেন রুহুল কবির রিজভী।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        শেখ হাসিনা একটা অত্যাচারী দানবে পরিণত হয়েছিলেন : আসিফ নজরুল

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ১৫:৯
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        শেখ হাসিনা একটা অত্যাচারী দানবে পরিণত হয়েছিলেন : আসিফ নজরুল

        আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, আমরা একটা সময় প্রধানমন্ত্রীর নাম উল্লেখ করতে পারতাম না। নাম উচ্চারণ করা যাবে না, এভাবে উল্লেখ করতে হতো। উনি (শেখ হাসিনা) একটা অত্যাচারী দানবে পরিণত হয়েছিলেন।

        রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) এনজিওবিষয়ক ব্যুরো কার্যালয়ে তথ্য অধিকার ফোরাম ও মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়োজিত স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিমূলক সুশাসন প্রতিষ্ঠায় তথ্য অধিকার-এনজিওদের সহায়ক ভূমিকা শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন উপদেষ্টা।

        আসিফ নজরুল বলেন, তথ্য অধিকার নিয়ে আমাদের সচেতনতার অভাব রয়েছে। কারণ এ অধিকারটা অন্যান্য অধিকারের মতো নয়। তথ্য অধিকার ছাড়া কিন্তু সব অধিকার মূল্যহীন। প্রত্যেকটা অধিকারের সঙ্গেই এই অধিকারটা সংযুক্ত।

        তিনি বলেন, দেশের আইন, বিচার ও শাসন বিভাগ যদি ঠিক না থাকে তাহলে তথ্য কমিশন বা মানবাধিকার কমিশনের কিন্তু কোনো কার্যক্ষমতা থাকবে না। যারা তথ্য অধিকারের কথা বলেন তাদের সুষ্ঠু নির্বাচনের কথাও বলতে হবে, গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যার বিরুদ্ধেও কথা বলতে হবে। বিগত সরকার বিচারবিভাগকে নির্যাতনের হাতিয়ার হিসেবে তৈরি করে ফেলেছিল, সংসদকে লুটপাটের ফোরাম হিসেবে তৈরি করেছিল। আমাদের উচিত এসব বিষয়ে সোচ্চার হওয়া।

        আসিফ নজরুল আরও বলেন, আমরা একটা সময় প্রধানমন্ত্রীর নাম উল্লেখ করতে পারতাম না। নাম উচ্চারণ করা যাবে না, এভাবে উল্লেখ করতে হতো। উনি (শেখ হাসিনা) একটা অত্যাচারী দানবে পরিণত হয়েছিলেন। কিন্তু আমরা কি তার প্রতিবাদ করেছিলাম? করিনি। আমরা যখন প্রতিবাদ করেছিলাম তখন ১০ জনের বেশি লোক পেতাম না। সুতরাং এ বিষয়গুলো ভুলে গেলে চলবে না। দুঃশাসনের সময়ে প্রতিবাদ করাটাই সবচেয়ে বড় ব্যাপার। প্রতিবাদটা সবসময়ই বজায় রাখতে হবে। এমনকি আমাদেরও যদি কোনো ভুল হয় তারও প্রতিবাদ জানাতে হবে।

        সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন— এনজিওবিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক সাইদুর রহমান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী, প্রধান উপদেষ্টা কার্যালয়ের মহাপরিচালক-১ মো. আবু সাইদ, টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান প্রমুখ।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          আপনারা ঝগড়া করবেন আর ফ্যাসিস্ট গিটার বাজাবে: ফারুকী

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ১২:৩৭
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          আপনারা ঝগড়া করবেন আর ফ্যাসিস্ট গিটার বাজাবে: ফারুকী

          বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে শুরু থেকেই সমর্থন দিয়ে এসেছেন নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। আর এই আন্দোলনে সব সময় শিক্ষার্থীদের পাশে থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট দিয়েছেন এই নির্মাতা। অবশেষে শিক্ষার্থীদের এক দফা দাবি ও অসহযোগ আন্দোলনের তোপের মুখে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আর এরই মধ্যে দিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। এরপর গঠিত হয় অন্তবর্তীকালীন সরকার।

          আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরেও তিনি চুপ নেই। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দেশ সংস্কারের কথা বলছেন। চলমান নানা ইস্যু নিয়ে নিয়মিত নিজের মতামত ও পরামর্শ দিচ্ছেন।

          এবার তার মন্তব্যে ওঠে এলো, যে ঐক্যের জোড়ে দেশকে ফ্যাসিস্টদের কবল থেকে বাঁচানো সম্ভব হয়েছিল আজ সেই ঐক্যের অভাবই ফ্যাসিস্টদের আনন্দের খোরাক জোগাবে।

          শনিবার মধ্যরাতে ফেসবুকে একটি গিটারের কথা শিরোনামে এক পোস্ট দিয়েছেন মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। তিনি এসময় লেখেন, ‘ফ্যাসিস্ট জানে আপনাদের ঐক্যই তাদের দেশছাড়া করেছে। এখন আপনাদের অনৈক্য তাদের ফেরার রাস্তা যদিওবা নাও করে, অ্যাট লিস্ট আপনাদের ঝগড়াঝাটি তাদের শান্তি দিবে। আপনারা ঝগড়া করবেন আর তারা গিটার বাজাবে। আপনারা যতো বিরোধে জড়াবেন তারা ততো আনন্দে গিটার বাজাবে। এখন সিদ্ধান্ত আপনাদের আপনারা পরস্পর বিরোধী মত নিয়েও শ্রদ্ধার সঙ্গে সহাবস্থান করবেন নাকি উনাকে গিটার বাজাতে দেবেন।’

           

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত