ঢাকা, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬ ১৯ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

পদত্যাগের পর আসিফ ও মাহফুজকে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টা

অনলাইন ডেস্ক
১০ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২৩:২৭
অনলাইন ডেস্ক
পদত্যাগের পর আসিফ ও মাহফুজকে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টা

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন যুব ও ক্রীড়া, সমবায়, স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। এ সময় তাদেরকেপ্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকার সবসময় তোমাদের অবদান স্মরণ করবে। তোমাদের সুন্দর ও শুভ ভবিষ্যৎ কামনা করি। এত অল্প সময়ে তোমরা জাতিকে যা দিয়েছ তা জাতি কখনো ভুলবে না। এটি একটি রূপান্তর মাত্র। আগামীতে বৃহত্তর পরিমণ্ডলে তোমরা আরও বড় অবদান রাখবে। 

বুধবার (১০ ডিসেম্বর) প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনায় দুই ছাত্র উপদেষ্টার পদত্যাগপত্র গ্রহণের সময় এ কথা বলেন তিনি। এক বিজ্ঞপ্তিতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এই তথ্য জানায়।

প্রধান উপদেষ্টা তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দিয়ে তোমরা যেভাবে জাতিকে ফ্যাসিবাদী শাসন থেকে মুক্তির পথে অবদান রেখেছ তা জাতি মনে রাখবে। আমি বিশ্বাস করি ভবিষ্যতেও গণতান্ত্রিক উত্তরণ ও বিকাশে তোমরা একইভাবে সক্রিয় ভূমিকা রাখবে। সরকারে থেকে যে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছ, তা ভবিষ্যৎ জীবনে অবশ্যই কাজে লাগাতে হবে।

প্রসঙ্গত, বুধবার বিকেল ৫টার দিকে প্রধান উপদেষ্টার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন আসিফ মাহমুদ ও মাহফুজ আলম। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে এই পদত্যাগপত্র কার্যকর হবে বলে জানায় প্রেস উইং।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    চিকিৎসা নিতে পারছেন খালেদা জিয়া, গুজব না ছড়ানোর আহ্বান

    অনলাইন ডেস্ক
    ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২২:১
    অনলাইন ডেস্ক
    চিকিৎসা নিতে পারছেন খালেদা জিয়া, গুজব না ছড়ানোর আহ্বান

    রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এখনও চিকিৎসা নিতে পারছেন। তাই অতি আবেগের বশবর্তী হয়ে গুজব না ছড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন বেগম খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

    বুধবার (১০ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে এভারকেয়ার হাসপাতালে সামনে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ আহ্বান জানান তিনি।

    ডা. এ ডেজ এম জাহিদ হোসেন বলেন, ‘আউসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বেগম জিয়া। সংকটাপন্ন মানুষের যে চিকিৎসা প্রয়োজন তার মধ্যেই রয়েছেন তিনি। দেশেই বেগম খালেদা চিকিৎসায় সর্বোত্তম সেবা নিশ্চিতে কাজ করছে মেডিকেল বোর্ড। এখনই তাকে বিদেশে নেওয়া হচ্ছে না, কিন্তু যেকোনো প্রয়োজনে দেশের বাইরে নেয়া হতে পারে।’

    খালেদা জিয়া চিকিৎসা গ্রহণ করতে পারছেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ ম্যাডাম (বেগম জিয়া) একজন রোগী, তার সম্পর্কে সব কিছু প্রকাশ্যে বলা পারমিট করে না। যে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে, সেটাতে তিনি সাড়া দিচ্ছেন।’

    ডা. জাহিদ বলেন, ‘চিকিৎসকরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। মেডিকেল বোর্ডে বিভিন্ন দেশের চিকিৎসক থাকায় বোর্ডের সভা রাতে করতে হয়। চিকিৎসকরা নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন। ডা. জুবাইদা রহমানও যুক্ত রয়েছেন।’

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব না ছড়ানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সামাজিক যোগযোগমাধ্যমে অনেক কথা বলা হচ্ছে। স্বাস্থ্য সম্পর্কে জানার আগ্রহ স্বাভাবিক, তবে অতি আবেগের বশবর্তী হয়ে কেউ গুজব ছড়াবেন না।’

    সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, ফুসফুস, চোখের সমস্যাসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন। গত বছরের ৫ আগস্টে গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর খালেদা জিয়া মুক্তি পান। এরপর চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যান খালেদা জিয়া। চিকিৎসার জন্য ১১৭ দিন লন্ডনে অবস্থান শেষে গত ৬ মে দেশে ফেরেন তিনি।

    এরপর নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয় বিএনপি চেয়ারপারসনকে। সবশেষ গত ২৩ নভেম্বর সন্ধ্যায় এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় খালেদা জিয়াকে। এরপর থেকে তিনি হাসপাতালটিতে চিকিৎসাধীন আছেন। মাঝে তাকে লন্ডনে নিতেও চেয়েছিল তার পরিবার।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      উপদেষ্টা পদ থেকে পদত্যাগের বিষয়ে যা বললেন আসিফ মাহমুদ

      অনলাইন ডেস্ক
      ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৬:৩৯
      অনলাইন ডেস্ক
      উপদেষ্টা পদ থেকে পদত্যাগের বিষয়ে যা বললেন আসিফ মাহমুদ

      আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিলেও তফসিল ঘোষণার আগে পদত্যাগ করবেন কি না, তা জানাননি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তার পদত্যাগের বিষয়টি প্রধান উপদেষ্টার দপ্ত থেকে জানানো হবে জানিয়েছেন তিনি।

      বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে নিজের অধীনস্থ দুটি মন্ত্রণালয় থেকে গৃহীত বিভিন্ন কর্মাণ্ডের চিত্র তুলে ধরেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

      তিনি বলেন, ‘আমি নির্বাচন করব, এটি স্পষ্ট। তবে কোত্থেকে করব, কোন দল থেকে করব; সেটি পরবর্তী সময়ে জানানো হবে।’

      তফসিল ঘোষণার আগে পদত্যাগ করবেন কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, ‘আমার পদত্যাগের বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে জানানো হবে। আমাকে ওপরের নির্দেশনা মেনে চলতে হয়। এ জন্য এ ব্যাপারে আর বিস্তারিত বলা সম্ভব নয়।’

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        বছরে সাশ্রয় হবে ৪২০ কোটি টাকা

        অনলাইন ডেস্ক
        ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০:১০
        অনলাইন ডেস্ক
        বছরে সাশ্রয় হবে ৪২০ কোটি টাকা

        বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেছেন, সম্পূর্ণ উন্মুক্ত ও প্রতিযোগিতামূলক দরপত্রের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ কম শুল্কে বেশ কয়েকটি সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্পের শুল্ক প্রস্তাব অনুমোদন করার পর বছরে প্রায় ৪২০ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে বলে আশা করছে সরকার।

        মঙ্গলবার (০৯ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকের পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ সভায় সভাপতিত্ব করেন।

        উপদেষ্টা বলেন, ‘পূর্বের চুক্তিগুলো বাতিল করা হয়েছিল কারণ মূল্য অতিরিক্ত ধরা হয়েছিল। যেকারনে সরকার একটি স্বচ্ছ পদ্ধতিতে সেগুলোর পুনঃদরপত্রের আহ্বান করেছে।’

        বিদ্যুৎ উপদেষ্টা বলেন, ‘১২টি প্রকল্পের প্রতিটিতেই আমরা আগের তুলনায় প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম দুই থেকে তিন সেন্ট কম দরে পেয়েছি। শুধু এই কারণেই বছরে ৪২০ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে।’

        তিনি বলেন, আমদানি করা এলএনজির ওপর নির্ভরতা আর্থিকভাবে বোঝা হয়ে দাঁড়াচ্ছে, তাই বাংলাদেশকে অবশ্যই ধীরে ধীরে নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে যেতে হবে।

        তিনি অভিযোগ করেন, সৌর খাতে পূর্বের অনিয়মের সাথে জড়িত সুবিধাভোগী মহল এই পরিবর্তনে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছে।

        সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় সৌর প্রকল্পের অতীতের দুর্নীতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, পূর্বে সরবরাহ করা সৌর প্যানেলগুলো প্রায়শই মাঠ পর্যায়ে খুঁজে পাওয়া যেত না।

        উপদেষ্টা বলেন, ‘যারা আগে দুর্নীতির মাধ্যমে লাভবান হয়েছিল, তারা এখন উন্মুক্ত দরপত্রে অংশগ্রহণ থেকে দরদাতাদের নিরুৎসাহিত করছে। এ কারনে কিছু ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত দরপত্র পাওয়া যায়নি।’

        সরকারের রুফটপ সোলার প্রকল্পের উদাহরণ দিয়ে ফাওজুল কবির খান বলেন, ‘বিদ্যুৎ খাতের সবাই সহযোগিতা করছে না।’

        তিনি বলেন, বেশিরভাগ সংস্থায় দরপত্র জমা পড়লেও পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডে (আরইবি) কোনো দরপত্র জমা পড়েনি বলে জানা গেছে। অভিযোগ উঠেছে, মাঠ পর্যায়ে অংশগ্রহণকে নিরুৎসাহিত করার জন্য অতিরিক্ত শর্ত আরোপ করা হয়েছে-যেমন বাধ্যতামূলক ট্রান্সফরমার স্থাপন।

        তিনি সম্প্রতি বরিশাল সফরের সময় দেখেছেন যে ওয়েস্টার্ন জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি তার প্রকল্পের জন্য দরপত্র পেয়েছে, কিন্তু স্থানীয় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিগুলো পায়নি।

        তিনি বলেন, নবায়নযোগ্য উদ্যোগে বাধা সৃষ্টিকারী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আরইবি চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

        তিনি বলেন, ‘আমরা একটি দুর্নীতিগ্রস্ত প্রক্রিয়া থেকে দুর্নীতিমুক্ত প্রক্রিয়ার দিকে যাচ্ছি। এই পরিবর্তনে যেকোনো বাধা অবশ্যই মোকাবেলা করতে হবে।’

        ফাওজুল কবির খান জোর দিয়ে বলেন, বাংলাদেশের জ্বালানির ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে নবায়নযোগ্য জ্বালানি দ্রুত সম্প্রসারণের ওপর। কারণ দেশে বৃহৎ আকারের এলএনজি আমদানি চালিয়ে যাওয়ার মতো আর্থিক সক্ষমতা নেই।

        অনুমোদিত প্রস্তাবগুলোর মধ্যে ১০ মেগাওয়াট থেকে ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার এক ডজনেরও বেশি গ্রিড-সংযুক্ত সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্রের শুল্ক প্রস্তাব এবং একটি ২১০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড-সাইকেল প্ল্যান্টের সংশোধিত শুল্ক অন্তর্ভুক্ত ছিল।

        সরকারি নথি অনুযায়ী সরকারের নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্প্রসারণ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বিপিডিবি কর্তৃক দাখিল করা ফটিকছড়ি, পাবনা, নোয়াখালী, হাটাজারী, মৌলভীবাজার, চকরিয়া, নীলফামারী, রামু, বিবিয়ানা, মংলা এবং হেমায়েতপুরের সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রস্তাবগুলো কমিটি বিবেচনা করেছে।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশ

          অনলাইন ডেস্ক
          ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২০:২৯
          অনলাইন ডেস্ক
          জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশ

          জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন সকলের অবগতির জন্য প্রকাশ করা হয়েছে।

          মঙ্গলবার (০৯ ডিসেম্বর) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

          ৮ খণ্ডের এই প্রতিবেদনে কমিশনের সুপারিশ, জুলাই জাতীয় সনদ ছাড়াও ঐকমত্য গঠন প্রক্রিয়ার সময় রাজনৈতিক দল ও জোটসমূহের দেওয়া মতামত, দল ও জোটসমূহের সাথে আলোচনার সারসংক্ষেপ, কমিশনের অন্যান্য নথিপত্র এবং কমিশনের করা জনমত জরিপের ফলাফল রয়েছে। প্রতিবেদনের সবগুলো খণ্ড ওয়েব পেইজে দেয়া হয়েছে।

          জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ছাড়াও এর আগে ও পরে গঠিত মোট ১১টি সংস্কার কমিশনের সকল প্রতিবেদনও এই ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

          প্রসঙ্গত, প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর গত বছরের অক্টোবর মাসে এবং পরবর্তী বিভিন্ন সময়ে সর্বমোট ১১টি সংস্কার কমিশন গঠন করে। এর মধ্যে প্রথম ধাপে গঠিত ৬টি সংস্কার কমিশনের কার্যক্রমের সমাপ্তিলগ্নে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে সভাপতি এবং সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান প্রফেসর আলী রীয়াজকে সহ-সভাপতি করে গঠন করা হয় জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। অপর ৫টি কমিশনের প্রধানদেরকে এই কমিশনের সদস্য হিসেবে রাখা হয়। যদিও পরবর্তী সময়ে বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন ও জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রধানগণের অপারগতার কারণে দুই কমিশনের দুজন জ্যেষ্ঠ সদস্যকে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

          বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চলতি বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরুর পর রাজনৈতিক দলসমূহ ও নাগরিক সমাজের সঙ্গে বিভিন্ন ধাপের ধারাবাহিক আলাপ-আলোচনার মধ্য দিয়ে গত ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে চূড়ান্ত করা হয় জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫। এরপর গত ১৭ অক্টোবর রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণে আনুষ্ঠানিকভাবে জুলাই সনদ স্বাক্ষরিত হয়। ইতোমধ্যেই জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সুপারিশের আলোকে সরকার জুলাই ‘জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন (সংবিধান) আদেশ’ জারি করেছে।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত