শিরোনাম
নতুন চাকরিতে যোগ দিলেন সদ্য সাবেক প্রেস সচিব
সদ্য সাবেক হওয়া প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম নতুন চাকরিতে যোগদান করেছেন।
আজ বুধবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকের এক পোস্টে এ তথ্য জানান তিনি।
ফেসবুক পোস্টে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব বলেন, ‘আমি দ্য ডেইলি ওয়াদা নামের একটি পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে যোগদান করেছি। আপনাদের দোয়া ও আশীর্বাদ কামনা করি।’
প্রসঙ্গত, গতকাল মঙ্গলবার শপথ গ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন তারেক রহমান। দেশে নতুন সরকার গঠনের সঙ্গে সঙ্গে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ ভেঙে দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ কথা জানানো হয়।
এদিকে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজও। এমন সময়ে নতুন চাকরির ঘোষণা দিয়েছেন তার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
উল্লেখ্য, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত হয় শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার। পরে ৮ আগস্ট ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে গঠন করা হয় অন্তর্বর্তী সরকার। সেই সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন শফিকুল।
সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ বুধবার সন্ধ্যা ৭টায় তিনি এই ভাষণ দেবেন।
বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ও বাংলাদেশ বেতার একযোগে প্রধানমন্ত্রীর এ ভাষণ সম্প্রচার করবে। এর পাশাপাশি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলগুলোও এ ভাষণ সম্প্রচার করবে।
এর আগে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, বুধবার দুপুর থেকে সচিবালয়ে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করেছেন প্রধানমন্ত্রী। দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে সচিবালয়ের ১ নম্বর ভবনে (মন্ত্রিপরিষদ ভবন) প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত দপ্তরে তিনি তার প্রথম কর্মদিবস শুরু করেন।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণের পর আজ সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে একাত্তরের মহান শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন তারেক রহমান। বেলা ১১টার দিকে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি সেখানে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন। এরপর মন্ত্রিপরিষদের নতুন সদস্যদের নিয়ে আবারও স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন তিনি।
সাভার থেকে ফিরে দুপুর সোয়া ১২টায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে আসেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তিনি মন্ত্রিপরিষদ সদস্যসহ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এসময় দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, দাপ্তরিক কার্যক্রমের শুরুতেই দুপুর সাড়ে ১২টায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিতি ও সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভায় অংশ নেন তিনি। বিকেল ৩টায় নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়ে বিশেষ বৈঠকে বসবেন তারেক রহমান। এটিই হবে নতুন সরকারের প্রথম নীতিনির্ধারণী বৈঠক। এরপর বিকেল ৪টায় সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করার কথা রয়েছে তার।
উল্লেখ্য, এর আগে মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। একই আয়োজনে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৪৯ জন শপথ গ্রহণ করেন। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সবাইকে শপথবাক্য পাঠ করান।
দেশে পৌঁছেছে ১ লাখ ৩৯ হাজারের বেশি পোস্টাল ব্যালট
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোট দিতে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনকারী প্রবাসীরা দেশে ব্যালট পাঠানো শুরু করেছে। এখন পর্যন্ত ১ লাখ ৩৯ হাজার ৭৬৩ জন প্রবাসীর ব্যালট বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে।
গতকাল শুক্রবার রাতে প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন বিষয়ক ‘ওসিভি-এসডিআই’ প্রকল্পের টিম লিডার সালীম আহমাদ খান এ তথ্য জানান।
তিনি জানান, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত প্রবাসীদের ঠিকানায় মোট ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২টি ব্যালট পেপার পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ৫ লাখ ১৬ হাজার ৭ জন প্রবাসী ভোটার তাদের ব্যালট গ্রহণ করেছেন এবং ৪ লাখ ৫৪ হাজার ৫৮৭ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। ভোট দেওয়ার পর ৪ লাখ ৬ হাজার ৫৬৪ জন প্রবাসী ভোটার সংশ্লিষ্ট দেশের পোস্ট অফিস বা ডাক বাক্সে তাদের ব্যালট জমা দিয়েছেন।
প্রবাসীদের পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরে অবস্থানরত ভোটারদের মধ্যেও পোস্টাল ব্যালট বিতরণ করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানায়, ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে দেশের অভ্যন্তরে (আইসিপিভি) নিবন্ধনকারী ২ লাখ ৬৯ হাজার ভোটারের কাছে পোস্টাল ব্যালট পাঠানো হয়েছে।
ইসির তথ্যমতে, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত দেশের ভেতর ৩ হাজার ৭৪৮ জন ভোটার ব্যালট পেপার গ্রহণ করেছেন। এর মধ্যে ২ হাজার ৪২২ জন ভোটার ভোটদান সম্পন্ন করেছেন এবং ১ হাজার ১৪৯ জন ভোটার তাদের ব্যালট পোস্ট অফিস বা ডাক বাক্সে জমা দিয়েছেন।
সালীম আহমাদ খান আরও জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোট দেওয়ার জন্য দেশে ও বিদেশে মিলিয়ে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে মোট ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৬৮৪ জন ভোটার নিবন্ধন করেছেন।
সৌদি প্রবাসীদের জন্য বিশেষ উদ্যোগ, ২০ হাজার টাকায় পাবেন বিমান টিকিট
সৌদি আরব প্রবাসীদের যাতায়াত সাশ্রয়ী করতে বিশেষ একটি উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। এক্ষেত্রে প্রবাসীরা দেশে ফেরতে বিমান টিকিট পাবেন মাত্র ২০ হাজার ৫০০ টাকায়।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সকালে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বার্তায় এসব তথ্য জানানো হয়।
বার্তায় আরও জানানো হয়, সৌদি প্রবাসীদের জন্য বিশেষ এই উদ্যোগে মোট ৮০ হাজার টিকিট বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে প্রবাসী কর্মীদের পাশাপাশি লাভবান হবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। যারফলে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাটি ‘বড় ধরনের’ লাভের মুখ দেখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, ‘হজ ফ্লাইট পরিচালনার ক্ষেত্রে আগে একমুখী ফাঁকা ফ্লাইট পরিচালনার যে চর্চা ছিল, এই উদ্যোগের মাধ্যমে সেটিকে কার্যকরভাবে কাজে লাগানো সম্ভব হবে।’
এর ফলে বিমানের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো অতিরিক্ত ১০০ কোটি টাকারও বেশি আয় করার বাস্তব সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন এই উপদেষ্টা।
মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বিশেষ ব্যবস্থায় মদিনা-ঢাকা ও জেদ্দা-ঢাকা রুটে একমুখী সর্বনিম্ন ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ হাজার ৫০০ টাকা। তবে মদিনা-ঢাকা-মদিনা এবং জেদ্দা-ঢাকা-জেদ্দা রুটে রিটার্ন টিকিটের সর্বনিম্ন ভাড়া ৪২ হাজার টাকা।
মন্ত্রণালয় আরও জানায়, বাংলাদেশে আসার ক্ষেত্রে এই বিশেষ ভাড়া কার্যকর থাকবে আগামী ১৮ এপ্রিল থেকে ২৫ মে পর্যন্ত। আর বাংলাদেশ থেকে ফেরার ক্ষেত্রে এই সুবিধা পাওয়া যাবে ৩০ মে থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত।
এই উদ্যোগকে প্রবাসীবান্ধব নীতি বাস্তবায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। এজন্য বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘ভবিষ্যতে এ ধরনের বাস্তবমুখী সিদ্ধান্ত প্রবাসী বাংলাদেশিদের জীবনযাত্রা আরও সহজ করবে এবং জাতীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক অবদান রাখবে।’
তবে অতীতের অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে সতর্কবার্তা করেন তিনি।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘অতীতে দেখা গেছে প্রবাসীদের সুবিধায় অনেক ইতিবাচক উদ্যোগ নেওয়া হলেও সঠিক তদারকির অভাবে তা মুখ থুবড়ে পড়েছে।
‘তাই খেয়াল রাখতে হবে, এই উদ্যোগটি যেন শতভাগ কার্যকর থাকে,’ যোগ করেন তিনি।
জুলাইযোদ্ধাদের দায়মুক্তি ও আইনি সুরক্ষা দিয়ে অধ্যাদেশ জারি
‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারি করেছেন রাষ্ট্রপতি। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণের কারণে গণঅভ্যুত্থানকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সব দেওয়ানি বা ফৌজদারি মামলা, অভিযোগ বা কার্যধারা বিধান অনুযায়ী প্রত্যাহার করা হবে। এ বিষয়ে নতুন কোনো দেওয়ানি বা ফৌজদারি মামলা, অভিযোগ বা কার্যধারা গণঅভ্যুত্থানকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের আইনত করা যাবে না বলেও অধ্যাদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।
রোববার রাতে আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগ থেকে আধ্যাদেশের গেজেট জারি করা হয়েছে।
এর আগে গত ১৫ জানুয়ারি উপদেষ্টা পরিষদ বৈঠকে অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।
অধ্যাদেশে বলা হয়, ছাত্র-জনতা ২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্ট মাসে ফ্যাসিস্ট শাসকের পতন ঘটানোর মাধ্যমে গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি সর্বাত্মক গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণ করে, যা পরবর্তীকালে জুলাই গণঅভ্যুত্থান হিসেবে স্বীকৃতি পায়। জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালীন ফ্যাসিবাদী সরকারের নির্দেশে পরিচালিত নির্বিচার হত্যাকাণ্ড ও সশস্ত্র আক্রমণ প্রতিরোধ এবং জনশৃঙ্খলা পুনর্বহাল ও নিশ্চিত করতে আত্মরক্ষাসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ অনিবার্য হয়ে ওঠে।
এতে আরও বলা হয়, এ প্রতিরোধ কর্মে এবং জনশৃঙ্খলা পুনর্বহাল ও নিশ্চিত করার প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণকারী গণঅভ্যুত্থানকারীদের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৬ অনুযায়ী সুরক্ষা দেওয়া প্রয়োজন। তাই এ প্রেক্ষাপটে অধ্যাদেশটি করা হয়েছে।
অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, কোনো গণঅভ্যুত্থানকারীর বিরুদ্ধে কোনো মামলা, অভিযোগ বা কার্যধারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণ করার কারণে দায়ের করা হলে পাবলিক প্রসিকিউটর বা সরকারনিযুক্ত কোনো আইনজীবীর প্রত্যয়নের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট আদালতে আবেদন দাখিল করা হবে। আবেদন দাখিলের পর আদালত এ মামলা বা কার্যধারা সম্পর্কে আর কোনো কার্যক্রম গ্রহণ করবেন না। এ মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে গণ্য হবে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তি অবিলম্বে অব্যাহতি বা খালাস পাবে।
অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, কোনো গণঅভ্যুত্থানকারীর বিরুদ্ধে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকালে হত্যাকাণ্ড সংঘটনের অভিযোগ থাকলে তা মানবাধিকার কমিশনে দাখিল করা যাবে এবং কমিশন অভিযোগ তদন্তের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। তবে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ, ২০২৫’ এ যা কিছু থাকুক না কেন, যেক্ষেত্রে হত্যাকাণ্ডের শিকার ব্যক্তি কোনো প্রতিষ্ঠান বা বাহিনীতে (পুলিশ বা অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী) কর্মরত ছিলেন, সেক্ষেত্রে কমিশন ওই প্রতিষ্ঠান বা বাহিনীতে বর্তমানে বা আগে কর্মরত কোনো কর্মকর্তাকে তদন্তের দায়িত্ব দিতে পারবে না।
তদন্ত চলাকালে আসামিকে গ্রেপ্তার বা হেফাজতে নেওয়ার প্রয়োজন হলে তদন্তকারী কর্মকর্তা যুক্তিসংগত কারণ উল্লেখ করে কমিশনের অনুমোদন গ্রহণ করবেন বলে অধ্যাদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।
কমিশনের তদন্তে যদি দেখা যায়, অভিযোগটি বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অপরাধমূলক অপব্যবহার ছিল, তাহলে কমিশন সংশ্লিষ্ট আদালতে প্রতিবেদন দেবে। আদালত সেটিকে পুলিশ প্রতিবেদন হিসেবে গণ্য করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেবে বলে অধ্যাদেশে জানানো হয়েছে।
কমিশনের তদন্তে যদি দেখা যায়- অভিযোগে উল্লিখিত কাজ রাজনৈতিক প্রতিরোধের অংশ ছিল, সেক্ষেত্রে কমিশন উপযুক্ত মনে করলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সরকারকে আদেশ দিতে পারবে।
এক্ষেত্রে আদালতে কোনো মামলা করা যাবে না কিংবা অন্য কোনো আইনগত কার্যধারা গ্রহণ করা যাবে না বলেও অধ্যাদেশে জানানো হয়।
অধ্যাদেশের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে সরকার প্রয়োজনে বিধি প্রণয়ন করতে পারবে।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য