শিরোনাম
ঈদের দিন বৃষ্টি নিয়ে আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তা
গত কয়েক দিন সারা দেশে থেমে থেমে ঝড়-বৃষ্টি হচ্ছে। আগামী ৭ জুন (জিলহজ মাসের ১০ তারিখ) পবিত্র ঈদুল আজহা পালিত হবে। ফলে বৈরী আবহাওয়া দুশ্চিন্তায় ফেলেছে মানুষকে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর কম সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে দুর্বল থেকে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে। ঈদের দিন তিন বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং পাঁচ বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
শুক্রবার (৬ জুন) সকাল ০৯ টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আবহাওয়াবিদ একেএম নাজমুল হকের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রথম দিন শুক্রবার বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং ঢাকা, খুলনা, রংপুর, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বিদ্যুৎ চমকানো অথবা হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এদিন সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
দ্বিতীয় দিন ৭ জুন ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দুএক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বিদ্যুৎ চমকানো/হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এদিন সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।
তৃতীয় দিন ৮ জুন চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দুএক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বিদ্যুৎ চমকানো অথবা হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এদিন সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।
চতুর্থ দিন ৯ জুন চট্টগ্রাম বিভাগের দুএক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বিদ্যুৎ চমকানো/হালকা থেকে মাঝারী ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এদিন সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।
পঞ্চম দিন ১০ জুন চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দুএক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বিদ্যুৎ চমকানো/হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এদিন সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
এ ছাড়া বর্ধিত ৫ (পাঁচ) দিনে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বৃদ্ধি পেতে পারে এবং তাপমাত্রা হ্রাস পেতে পারে বলে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে।
ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সচেষ্ট রয়েছে সরকার : উপদেষ্টা আসিফ
আসন্ন কোরবানি ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সরকার সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
শুক্রবার (০৬ জুন) সকালে রাজধানীর মহাখালী বাস টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে এ কথা বলেন তিনি।
পরিদর্শনকালে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ। পরিদর্শন শেষে এজাজ জানান, ঈদযাত্রায় যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে ভোর থেকেই মহাখালী বাস টার্মিনালে ডিএনসিসির ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করছে।
এ সময় এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. শহীদুল ইসলামের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগে কয়েকটি বাস কাউন্টারে অভিযান চালায়। অভিযানের সময় লাবিবা ক্লাসিক লিমিটেড পরিবহন কাউন্টারে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের প্রমাণ পাওয়ায় সড়ক পরিবহন আইনের ৮০ ধারা অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটিকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
পরিদর্শনকালে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. রেজাউল মাকছুদ জাহেদী এবং ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে সড়ক দুর্ঘটনা, গাড়ি বিকল ও অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে উত্তরের পথে ৩০ কিলোমিটার এলাকায় থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ঘরমুখো যাত্রী ও চালকরা।
অন্যদিকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে খোলা ট্রাক ও বাসের ছাদে করে গন্তব্যে যাচ্ছেন যাত্রীরা। এ ছাড়াও স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে কয়েকগুণ বাড়তি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে পরিবহন সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে। পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বাড়তি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ স্বীকার করে বলেন, ফেরার সময় খালি আসতে হয় আমাদের।
অন্যদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড পরিমাণ প্রায় ৬৪ হাজার যানবাহন সেতু পারাপার হয়েছে, যা থেকে টোল আদায় হয়েছে প্রায় ৪ কোটি ১৯ লাখ টাকা।
চালক ও যাত্রীরা জানান, বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে যমুনা সেতুর পূর্ব প্রান্ত থেকে আশেকপুর বাইপাস পর্যন্ত এ যানজটের সৃষ্টি হয়। ২ ঘণ্টার রাস্তা পার হতে সময় লাগছে ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা। মহাসড়কে ফিটনেসবিহীন যানবাহন বিকল ও দুর্ঘটনার ফলে এ ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে।
অন্যদিকে যমুনা সেতুর ধারণক্ষমতা কম থাকায় স্বাভাবিকভাবে গাড়ি পারাপার করতে পারছে না। ফলে উত্তরবঙ্গ থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী গাড়িগুলো ভূঞাপুর দিয়ে ঘুরিয়ে ঢাকায় পাঠানো হচ্ছে।
পদ্মা সেতুতে সর্বোচ্চ টোল আদায়ের রেকর্ড
পদ্মা সেতু দিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫২ হাজার ৪৮৭টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ৫ কোটি ৪৩ লাখ ২৮ হাজার টাকা, যা এ যাবত কালের মধ্যে সর্বোচ্চ।
শুক্রবার (৬ জুন) পদ্মা সেতু কর্তৃপক্ষ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
পদ্মা সেতুর দায়িত্বে থাকা যুগ্ম সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের পরিচালক (প্রশাসন) আলতাফ হোসেন সেখ বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় মাওয়া প্রান্ত দিয়ে প্রবেশ করেছে ৩৫ হাজার ৯৮৫ যানবাহন।
এতে মাওয়ায় টোল প্লাজায় টোল আদায় হয়েছে ৩ কোটি ১৬ লাখ ৪৩ হাজার ৮০০ টাকা। ঈদে ঘরমুখো মানুষ নির্বিঘ্নভাবে বাড়ি ফেরার ক্ষেত্রে পদ্মা সেতু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
আগামী ২৫ জুন পদ্মা সেতু চালুর তিন বছর পূর্তি। সেতু চালুর পর এ পর্যন্ত টোল আদায় হয়েছে ২ হাজার ৪৫২ কোটি ৮২ লাখ টাকার বেশি।
এ সময়ে ১ কোটি ৮৯ লাখ ৬৪ হাজার ২১৮ যানবাহন পারাপার হয়েছে।
পদ্মা সেতুতে সর্বোচ্চ টোল আদায়ের রেকর্ড
পদ্মা সেতু দিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫২ হাজার ৪৮৭টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ৫ কোটি ৪৩ লাখ ২৮ হাজার টাকা, যা এ যাবত কালের মধ্যে সর্বোচ্চ।
শুক্রবার (৬ জুন) পদ্মা সেতু কর্তৃপক্ষ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
পদ্মা সেতুর দায়িত্বে থাকা যুগ্ম সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের পরিচালক (প্রশাসন) আলতাফ হোসেন সেখ বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় মাওয়া প্রান্ত দিয়ে প্রবেশ করেছে ৩৫ হাজার ৯৮৫ যানবাহন।
এতে মাওয়ায় টোল প্লাজায় টোল আদায় হয়েছে ৩ কোটি ১৬ লাখ ৪৩ হাজার ৮০০ টাকা। ঈদে ঘরমুখো মানুষ নির্বিঘ্নভাবে বাড়ি ফেরার ক্ষেত্রে পদ্মা সেতু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
আগামী ২৫ জুন পদ্মা সেতু চালুর তিন বছর পূর্তি। সেতু চালুর পর এ পর্যন্ত টোল আদায় হয়েছে ২ হাজার ৪৫২ কোটি ৮২ লাখ টাকার বেশি।
এ সময়ে ১ কোটি ৮৯ লাখ ৬৪ হাজার ২১৮ যানবাহন পারাপার হয়েছে।
ইন্টারনেটে ভাইরাল মেট্রোরেলের ‘ভাঙা পিলারের’ ছবিটি সম্পাদিত
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মেট্রোরেলের একটি পিলারের ছবি ভাইরাল হয়েছে। যেখানে পিলারের উপরের অংশে ফাটলের পাশাপাশি বড় একটি গর্ত দেখা যাচ্ছে। ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপ ও আইডি থেকে ছবিটি প্রচার করা হচ্ছে।
সোশ্যালে ছড়িয়ে পড়া ছবিটির সঙ্গে একাধিক ক্যাপশনও পাওয়া যায়। যারমধ্যে একটিতে ঘটনাস্থল হিসেবে ‘জয় বাংলা পিলার সামলা । লোকেশন শেওড়াপাড়া’ শীর্ষক ক্যাপশনও দেখা যায়। ইন্টারনেটে ছবিটি প্রচার করে দাবি করা হচ্ছে, মেট্রোরেলের শেওড়াপাড়ার ওই পিলারটি ভেঙে গেছে।
ছবিটি নিয়ে অনুসন্ধানে রিভার্স ইমেজ সার্চ করলে দেশের কোনো গণমাধ্যম বা নির্ভরযোগ্য কোনো সূত্রে এটি যে আসল সে ব্যাপারে কোনো তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে রিভার্স সার্চ করলে ‘সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ক্লাসরুম’ নামের একটি ফেসবুক পেজে গত ৩১ মে প্রকাশিত একটি পোস্ট পাওয়া যায়।
ওই পোস্টে ইন্টারনেটে প্রচারিত ছবিটির মতো দেখতে একটি ছবি যুক্ত করে ‘এগুলো ফাটল নাকি অন্যকিছু?’ শীর্ষক ক্যাপশনে বিষয়টি নিয়ে জানতে চাওয়া হয়। তবে সেই ছবিতে ভাইরাল হওয়া ছবির মতো ভাঙা অংশ দেখা যায়নি। শুধু পিলারের গায়ে ফাটলের মতো দাগ রয়েছে।
অন্যদিকে আলোচিত ভাঙা পিলারের ছবিটি নিয়ে অনুসন্ধানে ‘বাংলাদেশ মেট্রো রেলওয়ে ইনফরমেশন’ নামের একটি ফেসবুক গ্রুপে গত ৩১ মে প্রচারিত একটি পোস্ট পাওয়া যায়। সেই পোস্টে ছবিটি যুক্ত করে ক্যাপশনে লিখা হয়েছে ‘এটা কি সত্যিই? লোকেশন শেওড়াপাড়া’। তবে সেই পোস্টের মন্তব্যের ঘরে ‘সাজ্জাদ হোসেন’ নামের একটি আইডি থেকে আলোচিত ভাঙা পিলারের ছবিটি যুক্ত করে মন্তব্য করা হয়েছে, ‘কিছুক্ষণ আগেই আমি এডিট করে মজা করে কমেন্ট করলাম, আপনি আবার পোস্ট দিয়ে দিলেন’। অর্থাৎ, এই মন্তব্য থেকে বুঝা যায় উল্লিখিত ভাঙা পিলারের ছবিটি সাজ্জাদ হোসেনের নিজের সম্পাদিত ছবি।
এছাড়া সরেজমিনেও মেট্রোরেলে আলোচিত ওই পিলারটি পর্যবেক্ষণ করে তাতে কোনো ধরনের ভাঙা অংশ পাওয়া যায়নি। সুতরাং, ইন্টারনেটে প্রচারিত মেট্রোরেলের ভাঙা পিলারের ছবিটি আসল নয়, বরং এটি ডিজিটাল প্রযুক্তির সহায়তায় সম্পাদিত।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য