ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

ইন্টারনেটে ভাইরাল মেট্রোরেলের ‘ভাঙা পিলারের’ ছবিটি সম্পাদিত

অনলাইন ডেস্ক
৫ জুন, ২০২৫ ১৬:১৫
অনলাইন ডেস্ক
ইন্টারনেটে ভাইরাল মেট্রোরেলের ‘ভাঙা পিলারের’ ছবিটি সম্পাদিত

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মেট্রোরেলের একটি পিলারের ছবি ভাইরাল হয়েছে। যেখানে পিলারের উপরের অংশে ফাটলের পাশাপাশি বড় একটি গর্ত দেখা যাচ্ছে। ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপ ও আইডি থেকে ছবিটি প্রচার করা হচ্ছে।

সোশ্যালে ছড়িয়ে পড়া ছবিটির সঙ্গে একাধিক ক্যাপশনও পাওয়া যায়। যারমধ্যে একটিতে ঘটনাস্থল হিসেবে ‘জয় বাংলা পিলার সামলা । লোকেশন শেওড়াপাড়া’ শীর্ষক ক্যাপশনও দেখা যায়। ইন্টারনেটে ছবিটি প্রচার করে দাবি করা হচ্ছে, মেট্রোরেলের শেওড়াপাড়ার ওই পিলারটি ভেঙে গেছে।

ছবিটি নিয়ে অনুসন্ধানে রিভার্স ইমেজ সার্চ করলে দেশের কোনো গণমাধ্যম বা নির্ভরযোগ্য কোনো সূত্রে এটি যে আসল সে ব্যাপারে কোনো তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে রিভার্স সার্চ করলে ‘সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ক্লাসরুম’ নামের একটি ফেসবুক পেজে গত ৩১ মে প্রকাশিত একটি পোস্ট পাওয়া যায়।

ওই পোস্টে ইন্টারনেটে প্রচারিত ছবিটির মতো দেখতে একটি ছবি যুক্ত করে ‘এগুলো ফাটল নাকি অন্যকিছু?’ শীর্ষক ক্যাপশনে বিষয়টি নিয়ে জানতে চাওয়া হয়। তবে সেই ছবিতে ভাইরাল হওয়া ছবির মতো ভাঙা অংশ দেখা যায়নি। শুধু পিলারের গায়ে ফাটলের মতো দাগ রয়েছে।

অন্যদিকে আলোচিত ভাঙা পিলারের ছবিটি নিয়ে অনুসন্ধানে ‘বাংলাদেশ মেট্রো রেলওয়ে ইনফরমেশন’ নামের একটি ফেসবুক গ্রুপে গত ৩১ মে প্রচারিত একটি পোস্ট পাওয়া যায়। সেই পোস্টে ছবিটি যুক্ত করে ক্যাপশনে লিখা হয়েছে ‘এটা কি সত্যিই? লোকেশন শেওড়াপাড়া’। তবে সেই পোস্টের মন্তব্যের ঘরে ‘সাজ্জাদ হোসেন’ নামের একটি আইডি থেকে আলোচিত ভাঙা পিলারের ছবিটি যুক্ত করে মন্তব্য করা হয়েছে, ‘কিছুক্ষণ আগেই আমি এডিট করে মজা করে কমেন্ট করলাম, আপনি আবার পোস্ট দিয়ে দিলেন’। অর্থাৎ, এই মন্তব্য থেকে বুঝা যায় উল্লিখিত ভাঙা পিলারের ছবিটি সাজ্জাদ হোসেনের নিজের সম্পাদিত ছবি।

এছাড়া সরেজমিনেও মেট্রোরেলে আলোচিত ওই পিলারটি পর্যবেক্ষণ করে তাতে কোনো ধরনের ভাঙা অংশ পাওয়া যায়নি। সুতরাং, ইন্টারনেটে প্রচারিত মেট্রোরেলের ভাঙা পিলারের ছবিটি আসল নয়, বরং এটি ডিজিটাল প্রযুক্তির সহায়তায় সম্পাদিত।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ড. ইউনূসের যুক্তরাজ্য সফর : প্রাধান্য পাবে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনা

    অনলাইন ডেস্ক
    ৪ জুন, ২০২৫ ১৯:৩৪
    অনলাইন ডেস্ক
    ড. ইউনূসের যুক্তরাজ্য সফর : প্রাধান্য পাবে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনা

    প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের যুক্তরাজ্য সফরে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার বিষয়টিতে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেবে বাংলাদেশ। এ সফর চলমান গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে প্রত্যাশা করছে ঢাকা।

    প্রধান উপদেষ্টার যুক্তরাজ্য সফর নিয়ে বুধবার (৪ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রসচিব রুহুল আলম সিদ্দিকী।

    চার দিনের সফরে আগামী ৯ জুন লন্ডন যাচ্ছেন অধ্যাপক ইউনূস। লন্ডন সফরে তিনি যুক্তরাজ্যের রাজা তৃতীয় চার্লসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। আর প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের কথা রয়েছে।

    যুক্তরাজ্য সফরে গুরুত্বের বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রসচিব বলেন, যুক্তরাজ্যের মধ্যকার ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও গভীর করতে সহায়তা করবে। বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অবস্থান আরও শক্তিশালী করবে। দুই দেশের অর্থনীতি সচল করবে এবং নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দেবে। চলমান গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

    সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আগামী ১২ জুন বাকিংহাম প্রাসাদে রাজা তৃতীয় চার্লসের সঙ্গে দেখা করবেন ড. ইউনূস। ওইদিন বিকেলে সেন্ট জেমস প্রাসাদে রাজা তৃতীয় চার্লসের হাত থেকে কিংস চার্লস হারমনি অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করার কথা সরকারপ্রধানের। আগামী ১১ জুন ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে কিয়ার স্টারমারের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হওয়ার কথা। এ ছাড়া, তিনি যুক্তরাজ্যের নীতি গবেষণা প্রতিষ্ঠান চ্যাথাম হাউজ আয়োজিত এক সংলাপে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

    বিগত সরকারের অনেক নেতা বর্তমানে যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছেন। তাদের ফেরানোর বিষয়ে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে রুহুল আলম বলেন, আমাদের এই মুহূর্তে প্রধান বিষয়টি হচ্ছে, পাচার হয়ে যাওয়া অর্থ উদ্ধার। আমরা ব্যক্তি বিষয়ে যতটা বেশি পদক্ষেপ নিচ্ছি তার চেয়ে পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধার করাটা বেশি জরুরি বলে মনে হচ্ছে। আমরা পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে সব দেশের সঙ্গে চেষ্টা করে যাচ্ছি। তার অংশ হিসেবে অবশ্যই যুক্তরাজ্যে পাচার হয়ে যাওয়া অর্থ উদ্ধারের জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আমরা বিষয়টি উপস্থাপন করব।

    পাচার হওয়া অর্থ ফেরতের প্রক্রিয়া নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যেসব দেশে বাংলাদেশি অর্থপাচার করা হয়েছে সেসব দেশের সঙ্গে এমএলএ (মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিসট্যান্স) আওতায় আমরা কাজ করছি। এসব বিষয়ে সময়ের স্বল্পতার কারণে সর্বোচ্চ পর্যায়ের মিটিংয়ে এত বিস্তারিত আলোচনা করার সুযোগ থাকে না। সেজন্য সুর্নিদিষ্ট বিষয়গুলো আলোচনা হওয়ার সম্ভবনা কম থাকে।

    প্রধান উপদেষ্টার সফরে যুক্তরাজ্যের দিক থেকে দেশটি থেকে এয়ারবাস ক্রয়ের বিষয়ে আলোচনা হবে কি না- জানতে চাইলে ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রসচিব বলেন, এই প্রশ্নের উত্তর আমি ঠিক জানি না। এ বিষয়টি নিয়ে কোথাও আলোচনা হবে কি হবে না এটা সম্পূর্ণ নির্ভর করছে যুক্তরাজ্যের দিক থেকে কেউ আমাদের কাছে তুলে ধরবে কি না। এই মুহূর্তে এ ব্যাপারে আমাদের কোনো পলিসি বা সিদ্ধান্ত আমার জানা নেই।

    প্রধান উপদেষ্টার আসন্ন সফরে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে কোনো সমঝোতা স্মারক বা কোনো চুক্তি হচ্ছে না।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      গুম সংক্রান্ত প্রতিবেদন ওয়েবসাইট ও বই আকারে প্রকাশের ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা

      অনলাইন ডেস্ক
      ৪ জুন, ২০২৫ ১৯:৩০
      অনলাইন ডেস্ক
      গুম সংক্রান্ত প্রতিবেদন ওয়েবসাইট ও বই আকারে প্রকাশের ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা

       প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ‘গুম সংক্রান্ত প্রতিবেদন ওয়েবসাইট ও বই আকারে প্রকাশের ব্যবস্থা করতে হবে। এটি ঘিরে শুধু বাংলাদেশ নয়, বৈশ্বিকভাবেও আগ্রহ রয়েছে।’

      প্রধান উপদেষ্টার কাছে গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশন দ্বিতীয় ইন্টেরিম রিপোর্ট জমা দেয়ার পর প্রধান উপদেষ্টা এ কথা বলেন।

      তিনি বলেন, ‘কী ভয়াবহ একেকটি ঘটনা! আমাদের সমাজের ‘ভদ্রলোকেরা’, আমাদেরই আত্মীয়-পরিজনরা এই ঘটনাগুলো ঘটিয়েছে। আপনারা যা যা কিছু পেয়েছেন তার ভিত্তিতে একটি হরর মিউজিয়াম হওয়া উচিত। গা শিউরে ওঠার মতো ঘটনা। এই ধরনের বন্দিশালা কেমন হয়, তিন ফিট বাই তিন ফিট খুপড়ির মধ্যে দিনের পর দিন, মাসের পর মাস আটকে থাকার যে নির্মমতা, নিষ্ঠুরতার চিত্র মানুষের কাছে তুলে ধরা উচিত।’

      আজ বুধবার বেলা ১১টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় কমিশন প্রধান বিচারপতি মঈনুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে কমিশনের সদস্যরা প্রধান উপদেষ্টার কাছে প্রতিবেদন জমা দেন।

      সদস্যদের মধ্যে নূর খান, সাজ্জাদ হোসেন এবং নাবিলা ইদ্রিস উপস্থিত ছিলেন।

      এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান ও প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব সিরাজ উদ্দিন মিয়া।

      এ সময় তিনি কমিশন সদস্যদের কাছে প্রতিবেদনের আশু করণীয়গুলো চিহ্নিত করে কোনটি কোন মন্ত্রণালয়ের আওতায় পড়ছে তা সুনির্দিষ্ট করে দেওয়ার নির্দেশনা দেন যাতে করে সরকার স্বল্পসময়ের মধ্যে কাজগুলো শুরু করতে পারে।

      একজন কমিশন সদস্য প্রধান উপদেষ্টাকে বলেন, ‘ঘটনাগুলো এতটাই ভয়াবহ যে জড়িত অনেক কর্মকর্তা ও অন্যরাও অনুশোচনায় ভোগেন। তারা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন আত্মশুদ্ধির একটা প্রচেষ্টা হিসেবে। দুজন অফিসার লিখিতভাবে এর থেকে পরিত্রাণ চেয়ে চিঠিও লিখেছিলেন। চিঠিগুলো গণভবনে পাওয়া গেছে। তৎকালীন সেনাপ্রধান জনসম্মুখে এই চিঠির কথা স্বীকারও করেছেন।’

      কমিশন সদস্যরা জানান, কমিশনের কাছে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৮৫০টি অভিযোগ এসেছে এবং তারমধ্যে ১ হাজার ৩৫০টি অভিযোগ যাচাই বাছাই শেষ হয়েছে।

      কমিশন সদস্যরা আরো জানান, অভিযোগের সংখ্যা সাড়ে তিন হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে।

      গুমের শিকার ব্যক্তিদের মধ্যে এখনো তিনশতাধিক ব্যক্তি নিখোঁজ রয়েছেন বলেও জানান তারা।

      নিখোঁজ ব্যক্তিদের পরিবার যাতে অন্তত ব্যাংক হিসেবে লেনদেন করতে পারে সে বিষয়ে উদ্যোগ নিতে প্রধান উপদেষ্টাকে অনুরোধ জানান কমিশন প্রধান।

      তিনি বলেন, বিদ্যমান আইনে কেউ সাত বছর নিখোঁজ থাকলে তাকে মৃত বলে ধরে নেয়ার সুযোগ রয়েছে। আইন সংশোধন করে এটিকে পাঁচ বছর করার সুপারিশ করেন তিনি।

      অতিদ্রুত যাতে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়া যায়, সে বিষয়ে করণীয় জানাতে কমিশনকে পরামর্শ দেন প্রধান উপদেষ্টা।

      কমিশন সদস্যদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আপনারা ভয়-ভীতি, নানান রকম হুমকি-ধামকি উপেক্ষা করে কাজ করে যাচ্ছেন। এদেশের মানুষের জন্য আপনারা অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবেন। ভবিষ্যতে যারা মানুষের অধিকার নিয়ে কাজ করবে আপনারা তাদের অনুপ্রেরণা।’

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        এখন থেকে ভুল সংবাদ প্রকাশ করলে আইনানুগ ব্যবস্থা : উপ-প্রেস সচিব

        অনলাইন ডেস্ক
        ৪ জুন, ২০২৫ ১৮:২৬
        অনলাইন ডেস্ক
        এখন থেকে ভুল সংবাদ প্রকাশ করলে আইনানুগ ব্যবস্থা : উপ-প্রেস সচিব
        প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার/ফাইল ছবি

        এখন থেকে ভুল সংবাদ প্রকাশ করে মানুষকে বিভ্রান্ত করলে সরকার আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার।

        বুধবার (৪ জুন) দুপুরে রাজধানীর বেইলি রোডে অবস্থিত ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই কথা জানান।

        আজাদ মজুমদার বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের খেতাব সংক্রান্ত খবরটি ভুয়া, মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বানোয়াট। যারা এখন থেকে ভুল সংবাদ পরিবেশন করে মানুষকে বিভ্রান্ত করবে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে সরকার।

        ভুল খবর ছাপানোর জন্য সংবাদমাধ্যমগুলোকে পাঠকদের কাছে দুঃখ প্রকাশের আহ্বান জানা প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং।

        এ সময় গুম কমিশনের রিপোর্ট জমা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বেলন, গুমের সঙ্গে জড়িতদের বিচার নিশ্চিত করা হবে।

        আজাদ মজুমদার বলেন, ‘নিখোঁজ ৩ শতাধিক ব্যক্তিকে খুঁজে বের করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।’

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী গোয়েন লুইসের মন্তব্য

          আওয়ামী লীগ না থাকলেও ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক’ নির্বাচন হতে পারে

          অনলাইন ডেস্ক
          ৪ জুন, ২০২৫ ১৬:৫৫
          অনলাইন ডেস্ক
          আওয়ামী লীগ না থাকলেও ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক’ নির্বাচন হতে পারে

          বাংলাদেশের আগামী জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ না থাকলেও জনগণের অংশগ্রহণ সঠিকভাবে হলে নির্বাচন ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক’ হতে পারে বলে মনে করছেন জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী গোয়েন লুইস।

          বুধবার (৪ জুন) জাতীয় প্রেস ক্লাবে ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিক্যাব) আয়োজিত ‘ডিক্যাব টক’ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।  

          নির্বাচনে আওয়ামী লীগ না থাকলে সেটি অঅন্তর্ভুক্তিমূলক হবে কিনা জানতে চাইলে গোয়েন লুইস বলেন, আওয়ামী লীগ না থাকলেও জনগণের অংশগ্রহণ সঠিকভাবে হলে আগামী নির্বাচন অন্তর্ভুক্তিমূলক হতে পারে। জাতিসংঘের কাছে অন্তর্ভুক্তি মানে হচ্ছে, প্রত্যেক বাংলাদেশি যেন মতামত দেওয়ার সুযোগ পায়।

          আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি আওয়ামী লীগ বা বিএনপির রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে কোনো মন্তব্য করছি না। আমি বুঝাতে চাইছি, জাতিসংঘ রাজনীতিতে সম্পৃক্ত নয়। এই প্রশ্ন করতে হবে সরকার এবং রাজনৈতিক দলগুলোকে। 

          আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের বিষয়ে আরেক প্রশ্নে গোয়েন লুইস বলেন, সব দলের অংশগ্রহণ ও অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে মেরুকরণ এবং সম্ভাব্য সংঘাত এড়ানো যায়। তবে, আমি মনে করি, পারিপার্শ্বিক অবস্থার দিকে তাকাতে এবং দেশের প্রেক্ষাপটে সরকারের সিদ্ধান্তের দিকে তাকাতে হবে। এ বিষয়ে আমার এর বেশি কিছু বলার নেই। এটা রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত, সরকারের সিদ্ধান্ত।

          তিনি ব‌লে‌ন, আমরা অবশ‌্যই নির্বাচন ক‌মিশনকে প্রযু‌ক্তিগত সহায়তা করতে পা‌রি। নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয়ে জা‌তিসংঘ কোনো ভূ‌মিকা পালন করতে প‌ারে না। নির্বাচন অনুষ্ঠা‌নের বিষয়‌টি রাজ‌নৈ‌তিক সিদ্ধান্ত। বাংলাদেশের জনগণ এবং রাজনৈ‌তিক দলগু‌লো সিদ্ধান্ত নেবে কখন নির্বাচন হবে।

          অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ডিক্যাব সভাপতি এ কে এম মঈনুদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফুজ্জামান মামুন।

          প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য
          সর্বশেষ সংবাদ
            সর্বাধিক পঠিত