ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

নিজেই নিজের বেতন বাড়ালেন চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৫ জুন, ২০২৩ ১১:৪৮
নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজেই নিজের বেতন বাড়ালেন চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য

চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. ইসমাইল খানের বিরুদ্ধে নিজেই নিজের বেতন বৃদ্ধির অভিযোগ উঠেছে। উপাচার্য ডা. মো. ইসমাইল খানের নিয়োগ অনুযায়ী বেতন স্কেল তৃতীয় গ্রেডে হওয়ার কথা থাকলেও তিনি নিয়ম না মেনে প্রথম গ্রেডে বেতন নিচ্ছেন বলে জানা গেছে। এমনকি তার নিজের বেতন বৃদ্ধির বিষয়টি সিন্ডিকেটে পাসও করিয়ে নিয়েছেন। যা সঠিক হয়নি বলে মত দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।

এছাড়া তিনি নিজের ব্যক্তিগত চিকিৎসার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজস্ব তহবিল থেকে ৩ লাখ টাকা নিয়েছেন বলে জানা গেছে। উপাচার্যের বেতন বৃদ্ধিসহ এ রকম সাত খাতে প্রতিষ্ঠানটিতে আর্থিক অনিয়ম পেয়েছে ইউজিসির পর্যবেক্ষক দল। ইউজিসিকে এসব অনিয়মের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে বলেছে দলটি। ইউজিসির বাজেট পর্যালোচনা দল চমেবির আটটি খাতে পর্যবেক্ষণ দিয়েছে। এর মধ্যে সাতটি খাতে আর্থিক অনিয়ম পাওয়ার কথা জানায় দলটি। গত মাসের ২৩ তারিখে এসব বিষয় উল্লেখ করে একটি পরিপত্র প্রকাশ করে ইউজিসি।

ইউজিসির অর্থ ও হিসাব বিভাগের উপপরিচালক (বাজেট) মো. হাফিজুর রহমানের সই করা ওই পর্যবেক্ষণে বলা হয়, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী উপাচার্য সর্বশেষ প্রতিষ্ঠান থেকে আহরিত বেতন-ভাতাদির সমপরিমাণ অর্থ মাসিক বেতন হিসেবে প্রাপ্য হবেন। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট নিয়ম পরিবর্তন করে তাঁর বেতন প্রথম গ্রেডে উন্নীত করে। এই এখতিয়ার সিন্ডিকেটের নেই।

উল্লেখ্য, সরকারের সর্বশেষ পে-স্কেল অনুযায়ী প্রথম গ্রেডে সরকারি কর্মকর্তাদের সর্বোচ্চ মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা। এর সঙ্গে বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ও অন্যান্য ভাতা মিলিয়ে মোট বেতন-ভাতা দাঁড়ায় ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা।

কিন্তু চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে ইসমাইল খান প্রথম গ্রেডে মূল বেতন পান ৮৩ হাজার টাকা। আর ভাতাসহ তিনি পান মোট প্রায় ১ লাখ ৪২ হাজার টাকা। অথচ তাঁর তৃতীয় স্কেলে মূল বেতন ছিল ৭৪ হাজার টাকা। এ অবস্থায় এলপিসি অনুযায়ী তাঁর বেতন নেওয়ার ব্যবস্থা করার জন্য সুপারিশ করেছে ইউজিসির পর্যবেক্ষণ দল।

এ ছাড়া উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) প্রণয়ন ও ডিপিপিসংক্রান্ত সমন্বয় সভার ব্যয় বাবদ রাজস্ব খাত থেকে ১ লাখ ৫৪ হাজার টাকা পরিশোধ করে বিশ্ববিদ্যালয়। এতেও নিয়মের ব্যত্যয় এবং আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে পর্যবেক্ষণ দিয়েছে ইউজিসির পর্যবেক্ষণ দল। তারা মতামত দেয়, উন্নয়ন প্রকল্পে কোনো প্রকার অর্থ রাজস্ব তহবিল থেকে প্রদান করা যাবে না। এরপরও রাজস্ব তহবিল থেকে ব্যয় করায় আর্থিক অনিয়ম হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে উপাচার্য ইসমাইল খান বলেন, ‘২০১২ সালে চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সুপিরিয়র সিলেকশন বোর্ডের সুপারিশের ভিত্তিতে বেতন স্কেল গ্রেড-৩-তে ফার্মাকোলজি বিভাগে অধ্যাপক পদে কর্মরত ছিলাম। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজে অধ্যক্ষ ও ডিন হিসেবে যোগদান করি। সব মিলিয়ে আমার প্রফেশনালিজম অনেক বছরের, সে জন্য প্রথম গ্রেডে বেতন নেওয়ার যোগ্যতা রাখি।’

এছাড়া , ‘ইউজিসি ২০২১-২২ অর্থবছরে সংশোধিত বাজেটে চিকিৎসা বাবদ ৩ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়। সেটি আমি খরচ করি। এই সব বিষয়ে ইউজিসিকে লিখিত আকারে জানিয়েছি।’

তবে ইউজিসি কতৃপক্ষ বলছে , তৃতীয় গ্রেডে নিয়োগ হয়েও প্রথম গ্রেডে বেতন নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। সিন্ডিকেটে পাস করলেও পারা যায় না। এলপিসি অনুযায়ী বেতন নিতে হবে। এই নিয়ম না মানলে অবশ্যই অনিয়ম হয়েছে।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    এফসিপিএস সাব-স্পেশালিটিতে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ৩ এপ্রিল, ২০২৩ ১৩:২
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    এফসিপিএস সাব-স্পেশালিটিতে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) জুলাই-২০২৩ সেশনের প্রার্থীগণের নিকট থেকে এফসিপিএস-সাব স্পেশালিটিতে ভর্তির জন্য নির্ধারিত ফরমে আবেদন আহ্বান করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

    রোববার (২ এপ্রিল) বিএসএমএমইউর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত উপ-রেজিস্ট্রার (শিক্ষা) ডা. জি এম সাদিক হাসান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘বিএসএমএমইউর রিপ্রোডাকটিভ এন্ডোক্রাইনোলজি এন্ড ইনফার্টিলিটি, ফিটো ম্যাটারন্যাল মেডিসিন, গাইনোকোলজিক্যাল অনকোলজি, সার্জিক্যাল অনকোলজি, কলোরেক্ট্রাল সার্জারি ও হেপাটোবিলিয়ারি সার্জারি সাব-স্পেশালিটিতে প্রশিক্ষণ গ্রহণে ইচ্ছুক এমএস/এফসিপিএস (অব্স্ এন্ড গাইনি/জেনারেল সার্জারি) ডিগ্রিপ্রাপ্ত সরকারি, বেসরকারি এবং বিএসএমএমইউ প্রার্থীগণের নিকট থেকে জুলাই-২০২৩ ইং সেশনের জন্য নির্ধারিত ফরমে আবেদন আহ্বান করা যাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েব সাইট www.bsmmu.edu.bd থেকে আবেদনপত্র ডাউনলোড করা যাবে।’

    এতে বলা হয়েছে, ‘পূরণকৃত আবেদনপত্র আগামী ৩০ এপ্রিল বেলা ২.৩০টার মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং পূবালি ব্যাংক লিমিটেড , শাহবাগ এভিনিউ শাখায় ‘বিএসএমএমইউ এ্যাডমিশন ফান্ড হিসাব নম্বর-০৯৪৭১০২০০১৭৩১’ এ তিন হাজার টাকা জমাদানের রশিদসহ রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে দাখিল করার জন্য অনুরোধ করা হলো।’

    বিজ্ঞপ্তি দেখতে ক্লিক করুন।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      মেডিকেলে ‘সিজিপিএ’ বাতিল করে ‘ক্যারি অন’ পদ্ধতি বহাল

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ১০ জানুয়ারি, ২০২৩ ১৬:৫৭
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      মেডিকেলে ‘সিজিপিএ’ বাতিল করে ‘ক্যারি অন’ পদ্ধতি বহাল

      মেডিকেল শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে পরীক্ষা ব্যবস্থায় নতুন করে প্রণীত ‘সিজিপিএ’ পদ্ধতি বাতিল করে পুরনো ‘ক্যারি অন’ পদ্ধতি বহালের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি)।

      মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) বিকেলে বিএমডিসির ডেপুটি রেজিস্ট্রার ডা. লিয়াকত হোসেন ঢাকা পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

      তিনি জানান, মেডিকেল শিক্ষার্থীরা ‘ক্যারি অন’ পদ্ধতি বহালের দাবিতে আন্দোলন করে আসছিল। বিএমডিসির সভায় সর্ব সম্মতিক্রমে এটি বহালের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ বিষয়ে শিগগিরই বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে।

      আরও পড়ুন : সিজিপিএ পদ্ধতি বাতিলের দাবিতে মেডিকেল শিক্ষার্থীদের আন্দোলন

      লিয়াকত হোসেন বলেন, দুই একদিনের মধ্যে আমরা সকল মেডিকেল কলেজগুলোতে লিখিত নির্দেশনা পাঠাব। নির্দেশনা পাওয়া মাত্রই এটি কার্যকর শুরু হবে।

      উল্লেখ্য, দেশের সব মেডিকেল কলেজে সিজিপিএ পদ্ধতি বাতিল এবং ক্যারি অন পদ্ধতি বহাল রাখার দাবিতে গত রোববার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বিক্ষোভ করেন মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা। ওই দিন একই দাবিতে বিএমডিসির ডেপুটি রেজিস্ট্রার ডা. লিয়াকত হোসেনের কাছে স্মারকলিপি জমা দেন তারা। পরে তিনি আলোচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আশ্বাস দিলে আন্দোলন স্থগিত করেন শিক্ষার্থীরা।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        ঢাবির তৃতীয় প্রফের ফল প্রকাশ, পাসের হার ৭৯.৭০ শতাংশ

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ১৮:৯
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ঢাবির তৃতীয় প্রফের ফল প্রকাশ, পাসের হার ৭৯.৭০ শতাংশ

        ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত মেডিকেল কলেজগুলোর এমবিবিএস তৃতীয় প্রফেশনাল পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এ পরীক্ষায় পাসের হার ৭৯ দশমিক ৭০ শতাংশ।

        আজ বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

        এতে বলা হয়, ভাইস চ্যান্সেলরের ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ তারিখের আদেশক্রমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় পেশাগত এমবিবিএস মে-২০২২ সালের পরীক্ষার ফলাফল সিন্ডিকেটের অনুমোদন সাপেক্ষে সাময়িকভাবে প্রকাশিত হইল।

        এবার এমবিবিএস তৃতীয় প্রফেশনাল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন পাঁচ হাজার ১৩৪ জন মেডিকেল শিক্ষার্থী। পাস করেছেন চার হাজার ৮৩ জন শিক্ষার্থী। পরীক্ষায় অনুপস্থিত ছিলেন ১১ জন শিক্ষার্থী। তৃতীয় প্রফেশনাল পরীক্ষায় পাসের হার ৭৯ দশমিক ৭০ শতাংশ।

        বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রকাশিত ফলাফলে কোনো প্রকার অসঙ্গতি বা ভুল-ক্রটি পরিলক্ষিত হলে তা সংশোধন বা সম্পূর্ণ বাতি করার ক্ষমতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে। প্রকাশিত ফলাফল সম্পর্কে পরীক্ষার্থী বা সংশ্লিষ্ট কলেজ কর্তৃপক্ষের কোনো আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে বা ফলাফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করতে ইচ্ছুক হলে ১৬ অক্টোবর ২২ তারিখের মধ্যে প্রয়োজনীয় তথ্যপ্রমাণাদিসহ যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। উল্লিখিত তারিখের পর কোনো অভিযোগ করা করা হবে না।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          মেডিকেলে জিপিএ পদ্ধতিতে কি কি সুবিধা পাওয়া যাবে?

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ৮:৪১
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          মেডিকেলে জিপিএ পদ্ধতিতে কি কি সুবিধা পাওয়া যাবে?

          আমাদের দেশে জিপিএ পদ্ধতি দিয়ে আলাদা কোন সুবিধা হবে না। বরং নানা রকম বিভাজন তৈরি হবে। এমনিতেই পাস আর ফেলের হার নিয়ে বিতর্ক আছে, এখন জিপিএ পদ্ধতি নিয়েও শুরু হবে। বাইরের দেশে আমাদের গ্রাজুয়েটরা গেলে লাইসেন্সিং পাস করতে হয়। সেটা এখানের সিস্টেমেও আছে, জিপিএ পদ্ধতিতে করলে এখানে কি বাড়তি সুবিধা পাওয়া যাবে?

          আমাদের দেশে জিপিএ পদ্ধতি দিয়ে আলাদা কোন সুবিধা হবে না। বরং নানা রকম বিভাজন তৈরি হবে। এমনিতেই পাস আর ফেলের হার নিয়ে বিতর্ক আছে, এখন জিপিএ পদ্ধতি নিয়েও শুরু হবে। মেডিকেলে পাস করাটাই যথেষ্ট শ্রম সাধ্য ব্যাপার। সেখানে কম জিপিএ পেলে এমবিবিএস ডিগ্রিটাই অবমূল্যায়ন হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়।

          আমাদের দেশে এমবিবিএস চিকিৎসকরা নানা প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হয়, বিএমডিসি এখনও এমবিবিএস ছাড়া চিকিৎসা দেওয়ার প্রতারণা বন্ধ করতে পারেনি। সেখানে এমবিবিএস ডিগ্রিকে জিপিএ দিয়ে আরও শৃঙ্খলিত করে দেয়া হবে।

          মেডিকেল কারিকুলাম নিয়ে যারা কাজ করেন, তারা অবশ্যই অনেক বিজ্ঞ, শ্রদ্ধেয়। আর জিপিএ আনার পিছনে এই কারিকুলামকে আরও উন্নত করার মহৎ উদ্দেশ্য কাজ করছে সন্দেহ নেই। তারপরেও সম্মান রেখে বলতে চাই, আমাদের দেশের এমবিবিএস জিপিএ সিস্টেমের জন্য এখনি প্রস্তুত না।

          যখন কোয়াক প্র‍্যাক্টিস পুরাপুরি বন্ধ করা সম্ভব হবে। সরকারী উদ্যোগে বিশাল সংখ্যক চিকিৎসক বাইরে পাঠানো শুরু হবে। এমবিবিএস চিকিৎসকদের উপযুক্ত বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন করা যাবে। তারপরেই এই জিপিএ সংস্কার নিয়ে কাজ করা যায়। তার আগে এটা শুধুই বিশৃঙ্খলা, বিতর্ক আর হতাশার কারণ হয়ে যাবে। আমার ক্ষুদ্র অভিজ্ঞতায় এটাই আশঙ্কা হয়। আশা করি, বিজ্ঞ শিক্ষকরা আবার বিবেচনা করবেন।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত