ঢাকা, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬ ২০ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

শীতে খাবার দীর্ঘক্ষণ গরম রাখার সহজ সমাধান

অনলাইন ডেস্ক
৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২০:৩৭
অনলাইন ডেস্ক
শীতে খাবার দীর্ঘক্ষণ গরম রাখার সহজ সমাধান

শীতকালে ঠাণ্ডা খাবার খেতে কারোই ভালো লাগে না। কিন্তু অফিস বা স্কুলে গরম খাবার নিলেই তা তাড়াতাড়ি ঠান্ডা হয়ে যায়। যদি মাইক্রোওভেনের সুবিধা থাকে, তবে খাওয়ার সময় খাবার গরম করা সম্ভব। তবে সবসময় এই সুবিধা অনেক জায়গায়ই থাকে না। এছাড়া শীতে খাবার খুব দ্রুত ঠাণ্ডা হয়ে যায়। কিন্তু হতাশ হওয়ার কিছু নেই। খাবার দীর্ঘক্ষণ গরম রাখার উপায় আছে।

আসুন জেনে নেওয়া যাক শীতে দীর্ঘ সময় খাবার গরম রাখবেন যেভাব-

১. সঠিক টিফিন বাক্স বেছে নিন

শীতকালে খাবার দীর্ঘসময় গরম রাখার জন্য বাজারে পাওয়া যায় অনেক ধরনের পাত্র। স্টিলের মোটা দেয়ালের, দ্বিস্তরীয় বা ইনসুলেটেড টিফিন বাক্স খাবারের উষ্ণতা দীর্ঘক্ষণ ধরে রাখতে পারে। এমন টিফিন বাক্সে ৪-৬ ঘণ্টা পর্যন্ত খাবার গরম থাকে।

প্লাস্টিক বা কাচের পাত্রে খাবার দ্রুত ঠাণ্ডা হয়ে যায়, তাই এগুলো এড়িয়ে চলাই ভালো। স্টেনলেস স্টিলেও খাবার অনেকক্ষণ গরম থাকে। রুটি, পরোটার মতো শুকনো খাবার স্টেনলেস স্টিলে প্যাক করলে সবচেয়ে ভালো থাকে। ভাত, তরকারি, ঝোল ইত্যাদি ইনসুলেটেড স্টিলে রাখলে দীর্ঘক্ষণ গরম থাকে। বিশেষ থার্মাল টিফিন বাক্সে খাবার রাখলে তা প্রায় ১০-১২ ঘণ্টা গরম থাকতে পারে।

২. অ্যালুমিনিয়াল ফয়েল ও থার্মাল ব্যাগ হ্যাক

রুটি, পরোটা কিংবা স্যান্ডউইচ দীর্ঘক্ষণ গরম রাখতে চাইলে অ্যালুমিনিয়াল ফয়েল ব্যবহার করুন। খাবারটি ফয়েলে মুড়ে নিলে তা অনেক সময় গরম থাকে।

আরও ভালোভাবে গরম রাখতে, ফয়েলে মুড়ে নেওয়ার পর সেই খাবারটি এয়ার টাইট কৌটো বা মোটা কাপড়ের ব্যাগে রাখুন। এতে খাবারের উষ্ণতা অনেকক্ষণ ধরে থাকে।

তরকারি বা ঝোলের মতো খাবারও অ্যালুমিনিয়াল ফয়েলে মুড়ে রাখতে পারেন। আরও দীর্ঘক্ষণ গরম রাখতে চাইলে থার্মাল টিফিন ব্যাগ ব্যবহার করুন। এই ব্যাগ খাবারের তাপ ধরে রাখে এবং শীতের সময়ও খাবারকে গরম রাখে।

৩. গরম জায়গায় রাখুন

শীতে রান্না করা খাবার দ্রুত ঠাণ্ডা হয়ে যায়। খাওয়ার আগে প্রতিবার খাবার গরম করাও সম্ভব নয়। তাই গরম খাবার রাখুন এমন জায়গায় যেখানে তাপমাত্রা বেশি।

রান্না করা খাবার চুলার পাশেই রাখতে পারেন। এছাড়া সব খাবার এক জায়গায় রেখে এক বড় পাত্রে গরম পানি নিন। তার মধ্যে খাবারগুলো চাপা দিয়ে রাখলে, খাবারের তাপ অনেকক্ষণ ধরে থাকে। এভাবে আপনার রান্না করা খাবারও দীর্ঘসময় গরম থাকবে।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সুযোগ না পাওয়াই টার্নিং পয়েন্ট, এখন পড়ছেন অক্সফোর্ডে

    অনলাইন ডেস্ক
    ২ নভেম্বর, ২০২৫ ৯:৩৬
    অনলাইন ডেস্ক
    পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সুযোগ না পাওয়াই টার্নিং পয়েন্ট, এখন পড়ছেন অক্সফোর্ডে
    ছবি: সংগৃহীত

    রাকিবুল ভূঁইয়ার অক্সফোর্ডে পড়ার স্বপ্নের শুরুটা হয়েছিল একরকম হতাশা থেকেই। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স না পাওয়াটাই যেন তাঁর জীবনের টার্নিং পয়েন্ট। স্মৃতিচারণা করে বলছিলেন, ‘এইচএসসি পরীক্ষার পর যখন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে চান্স পেলাম না, আইন বিষয়ে ভর্তি হলাম ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে। তখন থেকেই ভেতরে–ভেতরে একটা দৃঢ় সংকল্প করেছিলাম, মাস্টার্সের জন্য বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ১০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করব। প্রয়োজনে আবেদন করে রিজেক্টেড হব, কিন্তু চেষ্টা না করার আফসোস নিয়ে আমি থাকতে চাইনি।’

    আইন পড়ার পথে রাকিবুলের অনুপ্রেরণা বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সভাপতি ও অক্সফোর্ড থেকে ব্যাচেলর অব সিভিল ল ডিগ্রি অর্জন করা ড. কামাল হোসেন। আরও একটি নাম তাঁকে অনুপ্রাণিত করেছে—উপমহাদেশের বরেণ্য রাজনৈতিক নেতা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী। তাঁদের পদচিহ্ন অনুসরণ করাটা একসময় কেবলই স্বপ্নের মতো ছিল রাকিবুলের কাছে। সেই স্বপ্নকে তাড়া করার সাহস তিনি পান ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সর্বোচ্চ সিজিপিএ ও স্বর্ণপদক পাওয়ার পর।

    অক্সফোর্ডে যাওয়ার পথে ছিল অসংখ্য ধাপ। আইইএলটিএস, রেফারেন্স লেটার, এসওপি (স্টেটমেন্ট অব পারপাস), ইন্টারভিউ, আরও কত কী! কিন্তু সবচেয়ে কঠিন ছিল এসওপি লেখা। রাকিবুলের মতে, ‘অক্সফোর্ডে যে প্রোগ্রামে আমি ভর্তি হয়েছি, সেটির জন্য যেই এসওপি লিখতে হয়, তার সর্বোচ্চ শব্দসংখ্যা ৩০০। এই ৩০০ শব্দের ভেতর আপনার অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ—সব গুছিয়ে লিখতে হবে। মাত্র ৩০০ শব্দে সাত বছরের অভিজ্ঞতা কনভিন্সিং গল্প হিসেবে দাঁড় করানোটা প্রচণ্ড কঠিন একটা কাজ।’

    রাত জেগে অনেকগুলো খসড়া লিখতে হয়েছে। বারবার শিক্ষকদের দেখিয়েছেন, পরামর্শ নিয়েছেন, সংশোধন করেছেন। অবশেষে অক্সফোর্ড থেকে সুযোগ পেয়েছেন মর্যাদাপূর্ণ উইডেনফেল্ড-হফম্যান স্কলারশিপ অ্যান্ড লিডারশিপ (ডব্লিউএইচডি স্কলারশিপ) প্রোগ্রামে। এই বৃত্তি শুধু যে পড়ালেখার খরচ বহন করে তা নয়; বরং নেতৃত্বগুণ শেখায়, নৈতিক দর্শন গড়ে তুলতে সাহায্য করে, দেয় উদ্যোক্তা হওয়ার প্রশিক্ষণ।

    রাকিবুল বলেন, ‘এই স্কলারশিপ মূলত “ভবিষ্যতের নেতৃত্ব” গড়ে তোলার লক্ষ্যে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের প্রায় এক বছর মেয়াদি কঠোর একটি প্রশিক্ষণ দেয়। স্কলারশিপ কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে যে বাংলাদেশ থেকে আমিই প্রথম অক্সফোর্ডের বিসিএল প্রোগ্রামে এই বৃত্তি পেয়েছি।’

    রাকিবুলের মতে, বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য সবচেয়ে বড় বাধা হলো আত্মবিশ্বাসের অভাব ও সঠিক মেন্টরশিপ না থাকা। ‘আমরা অনেক সময় ভয় পাই, চান্স পাব না বা স্কলারশিপ পাব না। এই ভয়ই আমাদের আবেদন করা থেকে বিরত রাখে,’ বলেন রাকিবুল। এ ভয় জয় করতে তিনি নির্ভর করেছিলেন অনলাইন রিসোর্স ও নেটওয়ার্কিংয়ের ওপর। ইউটিউব, লিংকড-ইন আর বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে তিনি তথ্য নিয়েছেন।

    অক্সফোর্ডে পৌঁছানোর পর রাকিবুলের অভিজ্ঞতা বেশ অন্য রকম। ‘এখানে ক্লাস হয় সেমিনার স্টাইলে। শিক্ষক-শিক্ষার্থী একসঙ্গে বিশ্লেষণধর্মী আলোচনা করেন। শিক্ষকেরা প্রত্যেকের মতামতকে গুরুত্ব দেন। সহপাঠীরা আসেন বিশ্বের নানা দেশ থেকে। তাঁদের ভাবনা, অভিজ্ঞতা ও সংস্কৃতির সঙ্গে প্রতিদিনের মেলামেশা আমার শেখার পরিধিকে আরও বিস্তৃত করছে।’

    রাকিবুল চান, তাঁর এ শিক্ষা যেন দেশের কাজে লাগে। বলছিলেন, ‘আমি এমন এক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করতে চাই, যেখানে মানুষ দ্রুত ন্যায়বিচার পাবে, বছরের পর বছর অপেক্ষার দিন শেষ হবে।’

     

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      নতুন দামে স্বর্ণ বিক্রি, আজ থেকে কার্যকর

      অনলাইন ডেস্ক
      ৩০ অক্টোবর, ২০২৫ ১১:৮
      অনলাইন ডেস্ক
      নতুন দামে স্বর্ণ বিক্রি, আজ থেকে কার্যকর

      দেশের বাজারে আজ বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) স্বর্ণ ভরিতে ২ লাখ ২ হাজার ৭০৯ টাকায় বিক্রি হবে। বুধবার (২৯ অক্টোবর) স্বর্ণ ভরিতে ৮ হাজার ৯০০ টাকা বাড়িয়ে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

      বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

      নতুন দর অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ২ হাজার ৭০৯ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৩ হাজার ৫০৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৬৫ হাজার ৮৬২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৩৭ হাজার ৮৪৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

      বাজুস আরও জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।

      এ নিয়ে চলতি বছর মোট ৭১ বার দেশের বাজারে সমন্বয় করা হলো স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম বাড়ানো হয়েছে ৪৯ বার, আর কমেছে মাত্র ২২ বার। আর ২০২৪ সালে দেশের বাজারে মোট ৬২ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৩৫ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৭ বার।

      স্বর্ণের দাম বাড়ানো হলেও দেশের বাজারে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। দেশে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ২৪৬ টাকায়। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৬০১ টাকায়।

      চলতি বছর এখন পর্যন্ত ৯ বার সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম। এর মধ্যে বেড়েছে ৬ বার, আর কমেছে মাত্র ৩ বার। আর গত বছর সমন্বয় করা হয়েছিল ৩ বার।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        প্রতিদিন সকালে খেজুর খেলে মিলবে যেসব উপকার

        অনলাইন ডেস্ক
        ৩০ অক্টোবর, ২০২৫ ১০:৫০
        অনলাইন ডেস্ক
        প্রতিদিন সকালে খেজুর খেলে মিলবে যেসব উপকার

        খেজুর শুধু রমজান মাসে ইফতারের জন্য নয়, প্রতিদিন সকালের নাশতায়ও হতে পারে স্বাস্থ্যকর একটি উপাদান। প্রাকৃতিক মিষ্টি এই ফলটিতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ফাইবার। প্রতিদিন সকালে খেজুর খেলে শরীর পায় শক্তি, হজম হয় ভালো এবং নানা রোগের ঝুঁকি কমে যায়।

        চলুন জেনে নেওয়া যাক প্রতিদিন সকালে খেজুর খাওয়ার উপকারিতা—

        ১. শক্তির যোগান দেয়

        খেজুরে রয়েছে প্রাকৃতিক গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজ, যা শরীরে দ্রুত এনার্জি যোগায়। সকালে খেলে সারাদিন সক্রিয় থাকতে সাহায্য করে।

        ২. হজম শক্তি বাড়ায়

        খেজুরে থাকা ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে এবং হজম প্রক্রিয়া সহজ করে।

        ৩. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

        ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ হওয়ায় খেজুর শরীরকে সংক্রমণ ও নানা রোগ থেকে সুরক্ষা দেয়।

        ৪. হৃদ্যন্ত্রের জন্য ভালো

        খেজুরে থাকা পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং হার্টকে সুস্থ রাখে।

        ৫. হাড় ও দাঁতের শক্তি বাড়ায়

        ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও আয়রন খনিজ থাকার কারণে এটি হাড়ক্ষয় প্রতিরোধে সহায়ক।

        ৬. মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে

        গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত খেজুর খাওয়া স্মৃতিশক্তি ও মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

        ৭. শরীর থেকে টক্সিন বের করে দেয়

        অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের ক্ষতিকর টক্সিন দূর করে ত্বক ও শরীরকে রাখে সতেজ।

        বিশেষ পরামর্শ: প্রতিদিন ৩-৪টি খেজুর সকালে খাওয়া সবচেয়ে ভালো। তবে ডায়াবেটিস রোগীদের চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খাওয়া উচিত।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          অফিসে ফিট থাকুন কিছু সহজ অভ্যাসে

          অনলাইন ডেস্ক
          ২৫ অক্টোবর, ২০২৫ ১৩:৩৮
          অনলাইন ডেস্ক
          অফিসে ফিট থাকুন কিছু সহজ অভ্যাসে

          ব্যস্ত জীবনধারায় দিনে ১০-১২ ঘণ্টা অফিসে বসেই কাটে। যারা জিমে যাওয়ার সময় পান না, তাদের জন্য সুখবর দুটি বা তিন মিনিটের ব্যায়ামেই অফিসে বসেই ফিট থাকা সম্ভব।

          দৈনন্দিন জীবনের ব্যস্ততার মধ্যে শুধু স্বাস্থ্য ঠিক রাখা নয়, বরং দেহের ভারসাম্য ও ভঙ্গি ঠিক রাখাও জরুরি। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, দিনে মাত্র ৩ মিনিট সময় বের করে ৭টি সহজ ব্যায়াম করলে দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং ফিটনেসও বাড়ে।

          গোড়ালি উঁচু করা

           

          যেকোনো দেয়ালের সঙ্গে হাত ঠেস দিয়ে দাঁড়ান। পায়ের পাতা মাটিতে রেখে গোড়ালি উপরের দিকে তুলুন। এতে হাঁটুর নীচের অংশের পেশি শক্তিশালী হয়।

          ওয়াল সিট

          দেওয়ালের সঙ্গে পিঠ ঠেস দিয়ে কোমর পর্যন্ত বসার চেষ্টা করুন। চেয়ারে বসার ভঙ্গির মতো এই ব্যায়াম পেশি টোন ওকোমর শক্ত রাখে।

          এক পায়ে দাঁড়ানো

          এক পায়ে ভর দিয়ে দাঁড়ালে দেহের ভারসাম্য বাড়ে এবং ফিটনেস উন্নত হয়।

          স্টেপ আপ

          অফিসের সিঁড়িতে কয়েক ধাপ চড়া ও নামা ‘স্টেপ আপ’ ব্যায়ামের মাধ্যমে পায়ের শক্তি বৃদ্ধি করা সম্ভব।

          স্কোয়াট

          কাজের ফাঁকে কয়েক সেট স্কোয়াট করুন। ওঠা-বসা করে করা এই ব্যায়াম নিচের দেহকে আরও সুঠাম করে।

          হাই প্রেস

          টেবিল চেয়ারে বসেই ভারী বই বা ব্যাগ মাথার উপরে তুলুন। এতে হাতের পেশি শক্তিশালী হয়।

          হাঁটাচলা

          সারা সময় চেয়ারে বসে না থেকে অফিসে হেঁটে হেঁটে কাজ করুন। কাগজপত্র দেখা বা ফোনে কথা বলার সময় হালকা হাঁটা ক্যালোরি ঝরাতে সাহায্য করে।

          বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এই ব্যায়ামগুলো নিয়মিত করলে শরীর ফিট থাকে, দেহের শক্তি ও ভারসাম্য ঠিক থাকে এবং মানসিক চাপও কমে। অফিসের ছোট সময়গুলোকে কাজে লাগিয়ে ফিট থাকা সম্ভব।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত