ঢাকা, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬ ২১ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

প্রতিদিন সকালে খেজুর খেলে মিলবে যেসব উপকার

অনলাইন ডেস্ক
৩০ অক্টোবর, ২০২৫ ১০:৫০
অনলাইন ডেস্ক
প্রতিদিন সকালে খেজুর খেলে মিলবে যেসব উপকার

খেজুর শুধু রমজান মাসে ইফতারের জন্য নয়, প্রতিদিন সকালের নাশতায়ও হতে পারে স্বাস্থ্যকর একটি উপাদান। প্রাকৃতিক মিষ্টি এই ফলটিতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ফাইবার। প্রতিদিন সকালে খেজুর খেলে শরীর পায় শক্তি, হজম হয় ভালো এবং নানা রোগের ঝুঁকি কমে যায়।

চলুন জেনে নেওয়া যাক প্রতিদিন সকালে খেজুর খাওয়ার উপকারিতা—

১. শক্তির যোগান দেয়

খেজুরে রয়েছে প্রাকৃতিক গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজ, যা শরীরে দ্রুত এনার্জি যোগায়। সকালে খেলে সারাদিন সক্রিয় থাকতে সাহায্য করে।

২. হজম শক্তি বাড়ায়

খেজুরে থাকা ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে এবং হজম প্রক্রিয়া সহজ করে।

৩. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ হওয়ায় খেজুর শরীরকে সংক্রমণ ও নানা রোগ থেকে সুরক্ষা দেয়।

৪. হৃদ্যন্ত্রের জন্য ভালো

খেজুরে থাকা পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং হার্টকে সুস্থ রাখে।

৫. হাড় ও দাঁতের শক্তি বাড়ায়

ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও আয়রন খনিজ থাকার কারণে এটি হাড়ক্ষয় প্রতিরোধে সহায়ক।

৬. মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে

গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত খেজুর খাওয়া স্মৃতিশক্তি ও মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

৭. শরীর থেকে টক্সিন বের করে দেয়

অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের ক্ষতিকর টক্সিন দূর করে ত্বক ও শরীরকে রাখে সতেজ।

বিশেষ পরামর্শ: প্রতিদিন ৩-৪টি খেজুর সকালে খাওয়া সবচেয়ে ভালো। তবে ডায়াবেটিস রোগীদের চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খাওয়া উচিত।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    অফিসে ফিট থাকুন কিছু সহজ অভ্যাসে

    অনলাইন ডেস্ক
    ২৫ অক্টোবর, ২০২৫ ১৩:৩৮
    অনলাইন ডেস্ক
    অফিসে ফিট থাকুন কিছু সহজ অভ্যাসে

    ব্যস্ত জীবনধারায় দিনে ১০-১২ ঘণ্টা অফিসে বসেই কাটে। যারা জিমে যাওয়ার সময় পান না, তাদের জন্য সুখবর দুটি বা তিন মিনিটের ব্যায়ামেই অফিসে বসেই ফিট থাকা সম্ভব।

    দৈনন্দিন জীবনের ব্যস্ততার মধ্যে শুধু স্বাস্থ্য ঠিক রাখা নয়, বরং দেহের ভারসাম্য ও ভঙ্গি ঠিক রাখাও জরুরি। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, দিনে মাত্র ৩ মিনিট সময় বের করে ৭টি সহজ ব্যায়াম করলে দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং ফিটনেসও বাড়ে।

    গোড়ালি উঁচু করা

     

    যেকোনো দেয়ালের সঙ্গে হাত ঠেস দিয়ে দাঁড়ান। পায়ের পাতা মাটিতে রেখে গোড়ালি উপরের দিকে তুলুন। এতে হাঁটুর নীচের অংশের পেশি শক্তিশালী হয়।

    ওয়াল সিট

    দেওয়ালের সঙ্গে পিঠ ঠেস দিয়ে কোমর পর্যন্ত বসার চেষ্টা করুন। চেয়ারে বসার ভঙ্গির মতো এই ব্যায়াম পেশি টোন ওকোমর শক্ত রাখে।

    এক পায়ে দাঁড়ানো

    এক পায়ে ভর দিয়ে দাঁড়ালে দেহের ভারসাম্য বাড়ে এবং ফিটনেস উন্নত হয়।

    স্টেপ আপ

    অফিসের সিঁড়িতে কয়েক ধাপ চড়া ও নামা ‘স্টেপ আপ’ ব্যায়ামের মাধ্যমে পায়ের শক্তি বৃদ্ধি করা সম্ভব।

    স্কোয়াট

    কাজের ফাঁকে কয়েক সেট স্কোয়াট করুন। ওঠা-বসা করে করা এই ব্যায়াম নিচের দেহকে আরও সুঠাম করে।

    হাই প্রেস

    টেবিল চেয়ারে বসেই ভারী বই বা ব্যাগ মাথার উপরে তুলুন। এতে হাতের পেশি শক্তিশালী হয়।

    হাঁটাচলা

    সারা সময় চেয়ারে বসে না থেকে অফিসে হেঁটে হেঁটে কাজ করুন। কাগজপত্র দেখা বা ফোনে কথা বলার সময় হালকা হাঁটা ক্যালোরি ঝরাতে সাহায্য করে।

    বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এই ব্যায়ামগুলো নিয়মিত করলে শরীর ফিট থাকে, দেহের শক্তি ও ভারসাম্য ঠিক থাকে এবং মানসিক চাপও কমে। অফিসের ছোট সময়গুলোকে কাজে লাগিয়ে ফিট থাকা সম্ভব।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      ব্রকলি খাওয়ার উপকারিতা

      অনলাইন ডেস্ক
      ২৪ অক্টোবর, ২০২৫ ১২:১৫
      অনলাইন ডেস্ক
      ব্রকলি খাওয়ার উপকারিতা

      সালাদে ও রান্নায় এখন অনেকেই ব্রোকলি খান। এখন বাজারে প্রচুর ব্রোকলি পাওয়া যাচ্ছে। পুষ্টিবিদেরা ব্রোকলিকে দারুণ পুষ্টিকর সবজি বলেন। এতে দুর্দান্ত কিছু উপকারী উপাদান আছে, যা দ্রুত বুড়িয়ে যাওয়া ঠেকাতে পারে।

      এতে প্রচুর ভিটামিন সি আছে। আমেরিকান ক্যানসার রিসার্চ ইনস্টিটিউটের তালিকায় ক্যানসার প্রতিরোধী দশম খাবার হিসেবে স্থান করে নিয়েছে ব্রোকলি।

      পুষ্টিবিদদের তথ্য অনুযায়ী, ব্রোকলিতে আয়রনের পরিমাণ অনেক থাকে। ভিটামিন এ-এর একটি ভালো উৎস। এ ছাড়া এটি ত্বকের জন্য ভালো। কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে এতে। এতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম রয়েছে। শরীর থেকে বর্জ্য পদার্থ দূর করতে সাহায্য করে।

      ব্রোকলির সাত উপকার সম্পর্কে জেনে নিন:

      ১. ভিটামিন সি: লেবুর দ্বিগুণ ও আলুর সাত গুণ ভিটামিন সি ব্রোকলিতে। বলা হয়, যাঁদের ভিটামিন সি দরকার, তাঁরা অল্প করে হলেও ব্রোকলি প্রতিদিন খেতে পারেন।

      ২. ক্যানসার প্রতিরোধ: ব্রোকলির বিটা ক্যারোটিন ও সেলিনিয়াম যৌথ ও ভিটামিন সি প্রোস্টেট, কোলন, ফুসফুস, যকৃত, স্তন ও প্যানক্রিয়াটিক ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করে।

      ৩. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: সেলিনিয়াম দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এতে প্রচুর ভিটামিন এ থাকায় ত্বকে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ হতে বাধা দেয়। সর্দি-কাশিও ঠেকাতে পারে ব্রোকলি।

      ৪. গ্যাসট্রাইটিস প্রতিরোধ: গ্যাসট্রিক আলসার ও গ্যাসট্রাইটিস প্রতিরোধে দারুণ কার্যকর ব্রোকলি। বাঁধাকপির চেয়ে এতে অনেক বেশি ভিটামিন ইউ (মেথিওনাইনের উপজাত) থাকে। এতে সালফরাফেন নামের উপাদান থাকে যা গ্যাসট্রিক অ্যালসার ও ক্যানসার প্রতিরোধ করে।

      ৫. বয়স ঠেকাতে: শরীরে সক্রিয় অক্সিজেন প্রতিরোধ করে ও বিষমুক্ত করে দ্রুত বুড়িয়ে যাওয়া ঠেকাতে সাহায্য করে ব্রোকলি।

      ৬. ত্বক সুন্দর করে: ব্রোকলিতে থাকা ভিটামিন সি ত্বক সুন্দর করে। এ ছাড়া এতে ডায়াটারি আঁশ থাকায় কোষ্ঠকাঠিণ্য প্রতিরোধ করে।

      ৭. ওজন নিয়ন্ত্রণে: ব্রোকলিতে চর্বি ও ক্যালরি কম কিন্তু আঁশ বেশি। তাই বেশি করে ব্রোকলি খেলে ক্ষতি নেই। বেশি লৌহ থাকায় ডায়েটের সময় ব্রোকলি থেকে ঝিম ধরা ভাব দূর হয়।

      যেভাবে খাবেন: ব্রোকলি কেনার সময় সতেজ, শক্ত কুঁড়ি ও গাঢ সবুজ দেখে কিনতে হবে। ব্রোকলির শুধু কুঁড়ি অংশটি খেতে পারেন। আবার চাইলে নরম ডাঁটা অংশটুকু রাখতে পারেন। ডাঁটাতেও পুষ্টি আছে। ব্রোকলি রান্নার পাশাপাশি সালাদ ও মাংসের সঙ্গে রোস্ট করে খাওয়া যায়।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        শীতের কাপড়ের গন্ধ দূর করবেন যেভাবে

        অনলাইন ডেস্ক
        ২০ অক্টোবর, ২০২৫ ১২:৫৭
        অনলাইন ডেস্ক
        শীতের কাপড়ের গন্ধ দূর করবেন যেভাবে

        গুটি গুটি পায়ে শীত আসতে শুরু করেছে। এখন দিনক্ষণ দেখে লেপ-কম্বল, সোয়েটার-জ্যাকেট-মাফলার আলমারি বা ওয়ারড্রব থেকে বের করার প্রস্তুতি নিতে পারেন। আলমারি বা ওয়ারড্রবে তুলে রাখা শীতের পোশাক আগে ড্রাই ক্লিনিংয়ে পাঠাতে হবে, নয়তো রোদে দিয়ে গন্ধ দূর করা হতো। যাদের সময় নেই, তারা ঘরোয়া কিছু উপায়ে এসব গন্ধ দূর করতে পারেন।

        বেকিং সোডা : ছোট একটি পাত্রে বেশ খানিকটা বেকিং সোডা নিয়ে আলমারির এক কোণে রেখে দিতে পারেন। কিংবা আলমারি থেকে বার করার পর শীতপোশাকের ভাঁজে ভাঁজেও ছড়িয়ে রাখতে পারেন সোডা। একটা রাত ওই ভাবে রেখে দিন। তার পর ব্রাশ দিয়ে ঝেড়ে নিলেই দুর্গন্ধ দূর হয়ে যাবে।

        ভিনিগার : সাদা ভিনিগার এবং পানি, সমপরিমাণে মিশিয়ে একটি স্প্রে বোতলে ভরে ফেলুন। জ্যাকেট, সোয়েটার কিংবা কার্ডিগানে স্প্রে করে নিন। তারপর রোদে বা হাওয়ায় শুকাতে দিন। ব্যাস, লন্ড্রি খরচ অনেকটা বেঁচে যাবে।

        এসেনশিয়াল অয়েল : শীতের পোশাক থেকে দুর্গন্ধ দূর করতে এসেনশিয়াল অয়েল কিন্তু বেশ কাজের। ল্যাভেন্ডার, টি ট্রি, ইউক্যালিপ্টাস, টি ট্রি, সিট্রানিলার মতো অয়েল বেছে নিতে পারেন। এক কাপ পানিতে কয়েক ফোঁটা এসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে স্প্রে করে নিন গরম পোশাকে। তারপর কয়েক ঘণ্টা খোলা হাওয়ায় ওই ভাবে রেখে দিন। শুকিয়ে গেলেই কাজ শেষ।

        অ্যাক্টিভেটেড চারকোল : আলমারির এক কোণে, একটি পাত্রে অ্যাক্টিভেটেড চারকোল রেখে দিতে পারেন। জামাকাপড়ের স্যাঁতসেঁতে গন্ধ দূর করতে এটিও দারুণ একটি টোটকা। ন্যাপথলিনের বদলেও অ্যাক্টিভেটেড চারকোল কিন্তু ব্যবহার করাই যায়।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          শসার সঙ্গে কী খেলে বাড়বে পুষ্টির মাত্রা

          অনলাইন ডেস্ক
          ১৫ অক্টোবর, ২০২৫ ১৩:৫৪
          অনলাইন ডেস্ক
          শসার সঙ্গে কী খেলে বাড়বে পুষ্টির মাত্রা

          শসা হলো কম ক্যালোরি সমৃদ্ধ সবজি। এই সবজির প্রায় পুরোটাই পানি। সকালের নাস্তা থেকে রাতের খাবার পর্যন্ত, বিভিন্ন উপায়ে স্বাস্থ্যকর এবং হাইড্রেটিং খাবার তৈরি করতে শসা ব্যবহার করা যেতে পারে। এটি ভিটামিন কে, ভিটামিন সি, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং ফাইবারের মতো প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করে, যা হাইড্রেশন ও সুস্থতায় সাহায্য করে। এর উচ্চ ফাইবার এবং জলীয় উপাদান হজমশক্তি উন্নত করে এবং পেট ফাঁপা রোধ করতে সাহায্য করে।

          শসায় উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, বিশেষ করে কিউকারবিটাসিন এবং ফ্ল্যাভোনয়েড, প্রদাহের বিরুদ্ধে লড়াই করতে এবং কোষকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। শসা ভিটামিন কে সরবরাহ করে হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখে, যা ক্যালসিয়াম শোষণ এবং হাড় মেরামতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কিছু খাবার রয়েছে যেগুলো শসার সঙ্গে খেলে শসার পুষ্টিগুণ আরও বেড়ে যায়। চলুন জেনে নেওয়া যাক-

          টমেটো

          গবেষণা অনুসারে, টমেটো লাইকোপিন এবং ভিটামিন সি সমৃদ্ধ, যা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের পরিমাণ বাড়াতে সাহায্য করে এবং সামগ্রিক ত্বকের স্বাস্থ্য উন্নত করে বলে জানা গেছে। শসা এবং টমেটো অলিভ অয়েল এবং বিভিন্ন ভেষজের সঙ্গে মিশিয়ে স্বাস্থ্যকর সালাদ তৈরি করে খেতে পারেন। যা ডিটক্সিফিকেশন এবং হাইড্রেশনের জন্য উপযুক্ত। চাইলে এই সংমিশ্রণ স্যান্ডউইচ স্টাফিং হিসাবেও ব্যবহার করতে পারেন।

          দই

          দই প্রচুর প্রোটিন, ক্যালসিয়াম এবং প্রোবায়োটিক যোগ করে এবং শসা থেকে প্রাপ্ত পানির সঙ্গে মিশে এটি অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য সহায়তা করে। শসার রায়তা বা স্মুদি তৈরি করতে পারেন। যা শীতল, ক্রিমি এবং হজম-বান্ধবও।

          ছোলা

          ছোলা উদ্ভিজ্জ প্রোটিন, আয়রন এবং ফাইবার সরবরাহ করে বলে জানা গেছে, যা শসার সঙ্গে মিলে আরও বেশি পুষ্টিকর হয়ে ওঠে। এই দুই খাবার একসঙ্গে খেলে তা দীর্ঘ সময় পেট ভরিয়ে রাখে এবং সুষম খাবারের বিকল্প হতে পারে। সেদ্ধ ছোলা, শসা, অলিভ অয়েল, কাঁচা মরিচ এবং পুদিনা পাতা একসঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন।

          পুদিনা বা তুলসী

          এই ভেষজগুলো অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ এবং হজমে সহায়তা করে। সেইসঙ্গে এগুলো শসার শীতল প্রকৃতির পরিপূরক। সবচেয়ে জনপ্রিয় পদ্ধতি হলো শসা-পুদিনা মিশ্রিত পানি বা তুলসী-শসার সালাদ যা ওজন কমাতে সাহায্য করে এবং আপনাকে সতেজ বোধ করায়।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত