ঢাকা, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬ ২০ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

মৃত্যু ঝুঁকি কমাতে মরিচ খান

নিজস্ব প্রতিবেদক
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ১৯:২৯
নিজস্ব প্রতিবেদক
মৃত্যু ঝুঁকি কমাতে মরিচ খান

অনেকেই ঝাল খুব পছন্দ করেন, কেউ কেউ আবার একেবারেই ঝাল খাবার খেতে পারেন না। কিন্তু শুধু স্বাদের কথা ভাবলে হবে না, ভাবতে হবে জীবনের কথা।

মানে খাবারের সঙ্গে কাঁচা মরিচ খেতে হবে নিয়মিত। কারণ বিজ্ঞানীদের দাবি-

হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যুর ঝুঁকি ৪০শতাংশ কমিয়ে দেয় সপ্তাহে চারবার মরিচ খেলে। ইতালিয়ান অ্যাকাডেমির গবেষকরা আট বছরে প্রায় ২৩ হাজার মানুষের খাবার সম্পর্কে নিয়মিতভাবে তথ্য নিয়ে দেখেছেন, প্রতি সপ্তাহে যারা চারবার মরিচ খেয়েছিলেন তাদের অকাল মৃত্যু ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কম থাকে।

ছোট সবুজ এ কাঁচা মরিচ ভিটামিন সি’র বড় উৎস। ক্যানসার নিরাময় ও মানসিক অবসাদ কমাতেও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ মরিচের ভূমিকা রয়েছে।

এছাড়াও নানা রোগের মূলে থাকে ওবেসিটি বা অধিক ওজন। জানেন কি মরিচে চর্বির পরিমাণ থাকে শূন্য শতাংশ? জিমে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ব্যায়াম না করেও শুধুমাত্র কাঁচা মরিচ খেয়ে আমরা শরীরের অতিরিক্ত ফ্যাট কামাতে পারি। খাওয়ার সময় মরিচের ঝাল স্বাদের কারণে আমাদের প্রচুর ঘাম হয়, আর এটি আমাদের জমানো ক্যালরি পোড়াতে সাহায্য করে।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    দুই মিনিটেই দূর হবে মেদ-ভুড়ি!

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ১৯:২৫
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    দুই মিনিটেই দূর হবে মেদ-ভুড়ি!

    চীনে প্রাচীন চিকিৎসাশাস্ত্রে উল্লেখ রয়েছে মাত্র দুই মিনিট ম্যাসাজেই পেটের মেদ-ভুড়ি দূর হয়।

    জনপ্রিয় লাইফস্টাইল সাইট মেকআপ অ্যান্ড বিউটির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে বিশেষ সেই পদ্ধতির কথা।

    প্রতিদিন মাত্র দুই মিনিট পেটের ওপর ম্যাসাজ করলেই কমে যাবে পেটের চর্বি। মেদ বা চর্বি কমাতে যা করতে হবে:

    • মেঝেতে একটি মাদুর বিছিয়ে চিৎ হয়ে শুয়ে পড়ুন

    • দুটি হাতের পাতা পরস্পরের সঙ্গে ঘঁষতে থাকু‌ন যতক্ষণ না হাতের পাতা দুটি গরম হয়ে ওঠে

    • পেটের ওপর থেকে কাপড় সরিয়ে নিন

    • একটি হাতের পাতা রাখুন নাভির ওপরে। খেয়াল রাখবেন, হাতের আঙুল যেন ভাঁজ না হয়ে যায়

    • এবার অন্য হাত দিয়ে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে পেটে ম্যাসাজ করুন।

    মেদহীন আকর্ষণীয় পেট পেতে আজ থেকেই শুরু করুন, সময় তো লাগছে মাত্র তো দুই মিনিট।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      কলার সুতার মতো অংশটি খাওয়া উচিত?

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ১১:৪৭
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      কলার সুতার মতো অংশটি খাওয়া উচিত?

      কলা খেতে কে না ভালোবাসে? পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি ফল, অন্যদিকে আবার দামেও স্বস্তা। নাস্তার জন্য তাই চমৎকার একটি খাবার হিসেবে কলা সকলেরই প্রিয়।

      তবে কলা খাওয়ার সময় অনেকের কাছেই বিরক্তির একটি বিষয় হচ্ছে, কলায় লেগে থাকা সুতার মতো অংশ। অনেকেই এটিকে কলার খোসার অংশ মনে করেন। তাই কলার খোসা ছাড়ানোর পর কলায় লেগে থাকা সুতার মতো অংশগুলো ছাড়িয়ে তারপর কলা খেয়ে থাকেন।

      কলার সুতার মতো অংশটি মূলত একটি টিস্যু, যার নাম ফ্লোয়েম বান্ডেল। খোসা ছাড়ানোর পর কলায় ফ্লোয়েম বান্ডেল লেগে থাকতে দেখা যায়।

      এই ফ্লোম বান্ডেলগুলো খেতে সুস্বাদু না হলেও, খাওয়াটা আসলে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এগুলো ফেলে দিয়ে কলা খাওয়াটা আপনার উচিত হবে না- এমনটাই জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের নিউট্রিশন রিসার্চের ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. নিকোলাস ডি গিলিট।হাফিংটন পোস্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানিয়েছেন তিনি।

      ড. গিলিট বলেন, যদিও আমরা নির্দিষ্টভাবে ফ্লোয়েম বান্ডেল নিয়ে গবেষণা করিনি, তবে সম্ভবত এর পুষ্টিগুণের মধ্যে পার্থক্য থাকবে। যেহেতু এগুলো একটি নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য তৈরি। কলার তুলনায় ভিন্ন পুষ্টিগুণ এতে রয়েছে বলে আশা করা যায়।

      ফ্লোয়েম টিস্যুর কাজের দিকে তাকিয়েই এর পুষ্টিগুণ সম্পর্কে ধারণা করা যায়। ফ্লোয়েম টিস্যু উদ্ভিদের দুই ধরনের পরিবহন টিস্যুর একটি, যা সকল উদ্ভিদের মধ্যেই রয়েছে। পুষ্টি এবং অন্যান্য উপাদান পুরো উদ্ভিদে পরিবহন করে এই টিস্যু। কলার মধ্যে ফ্লোয়েম থাকার কারণ হচ্ছে, এটি পুষ্টিগুলো পুরো কলায় ছড়িয়ে দেয়, যা কলার বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে।

      ড. গিলিটের মতামত, কলার ফ্লোয়েম বান্ডেলগুলো নিশ্চিন্তে খাওয়া যেতে পারে এবং ফলের মূল অংশ হিসেবে এটিও পুষ্টিকর। এমনকি, সম্ভবত পুরো কলার তুলনায় এর ফ্লোয়েম বান্ডেলে অনেক বেশি ও বিভিন্ন ধরনের ফাইবার রয়েছে। আর যেকোনো ফাইবার মানেই স্বাস্থ্যকর।

      এই পুষ্টি বিশেষজ্ঞ আরো বলেন, ‘সাধারণত ফলের সব অংশই পুষ্টিকর। আপেল, নাশপাতি অন্যান্য ফলগুলো খোসা সহ খাওয়া হয়ে থাকে। ফ্লোয়েম বান্ডেল তো অবশ্যই, এমনকি চাইলে খোসাসহ কলা খাওয়া যেতে পারে। বেস্বাদ হলেও, এখন পর্যন্ত কোনো গবেষণায় কলার খোসা ক্ষতিকারক বলে প্রমাণিত হয়নি।’

      তবে, কলার খোসা খাওয়ার জন্য উৎসাহিত করছেন না ডা. গিলিট।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        এশিয়ার সেরা স্ট্রিট ফুডের তালিকায় বাংলাদেশের ফুচকা

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ১০:৭
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        এশিয়ার সেরা স্ট্রিট ফুডের তালিকায় বাংলাদেশের ফুচকা

        ফুচকার নাম শুনে জিভে জল আসে না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল। বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় স্ট্রিট ফুড এটি। সম্প্রতি সিএনএন ট্র্যাভেলে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এশিয়ার ৫০টি সেরা স্ট্রিট ফুডের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে বাংলাদেশের ফুচকা।

        সিএনএন ট্র্যাভেলে প্রকাশিত জনপ্রিয় কোয়েস্ট’স ওয়ার্ল্ড অব ওয়ান্ডার সিরিজে এশিয়ার ৫০টি সেরা ‘পথ খাবারের’ তালিকা তৈরি করা হয়েছে। আর সেখানেই স্থান পেয়েছে বাংলাদেশের এই জনপ্রিয় খাবারটি। খাবারটি আমাদের দেশে ‘ফুচকা’ নামে পরিচিতি পেলেও পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে এটি গোলগাপ্পা আর পানিপুরি নামে বেশ জনপ্রিয়।

        সিএনএন ট্র্যাভেলের আর্টিকেলে বলা হয়েছে, টক-ঝাল-মিষ্টি স্বাদের এই ফুচকা বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় স্ট্রিট ফুড। মচমচে ফাঁপা গোলকে ডাবলি মটর আর আলুর মিশ্রণে তৈরি পুরে আরও মেশানো থাকে পেঁয়াজ, মরিচ, শসা, আর চটপটির বিশেষ মসলা।

        তবে ফুচকার সঙ্গে দেয়া তেঁতুলের চাটনিই সবচেয়ে আলাদা। সিএনএন ট্র্যাভেলের সেরা ৫০ স্ট্রিট ফুডের তালিকায় আরও স্থান পেয়েছে ভারতের জিলাপি, বড়া পাও, পাকিস্তানের ফালুদা, নেপালের মোমোসহ এশিয়ার অন্যান্য জনপ্রিয় খাবার।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          ভয় পেলে শরীরের লোম দাঁড়ায় কেন?

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ৯:১০
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ভয় পেলে শরীরের লোম দাঁড়ায় কেন?

          ভুতের সিনেমা দেখার সময় শরীরটা কেমন শিউরে ওঠে খেয়াল করেছো? ভয় লাগলে শরীরের লোম সব খাড়া হয়ে যায়। শুধু ভয় না, স্নান করার সময়, শীত লাগলে, কান্না করলেও আমাদের শরীরের লোম খাড়া হয়ে যায়।

          মানে প্রচণ্ড আবেগের পরিস্থিতিতে লোমকূপ ফুলে উঠে এবং লোম খাড়া হয়। কিন্তু এটি কেন হয় জানো?

          ত্বকের ক্ষুদ্র মাংসপেশির সংকোচন প্রতিটি চুলকে সংযুক্ত করে। প্রতিটি সংকুচিত মাংসপেশি ত্বকের উপরিভাগে একটি অগভীর নিম্নচাপ সৃষ্টি করে; যার ফলে ওই অঞ্চল উদ্দীপ্ত হয়। মাংসপেশির এই সংকোচনের ফলেই ঠাণ্ডা লাগলে লোম খাড়া হয়ে যায়। পুরু লোমওয়ালা প্রাণীদের ক্ষেত্রে খাড়া হয়ে যাওয়া লোম বাতাস নিরোধক হিসেবে কাজ করে। খাড়া পুরু লোম তাদের শরীরের তাপমাত্রা নির্দিষ্ট পরিমাণে বজায় রাখতে সাহায্য করে। কিন্তু মানুষের ক্ষেত্রে এটি হয় না। কারণ আমাদের লোম এতোটা পুরু নয়। এবার আসল কথায় ফেরা যাক, বিভিন্ন আবেগের অবস্থার কথা বলছিলাম; বিভিন্ন আবেগ বা অভিজ্ঞতার পুনরাবৃত্তির সম্মুখীন হলে অবচেতভাবে স্ট্রেস হরিমোন নিঃসৃত হয় যার নাম বৃক্করস। এটি কেবলমাত্র ত্বকের পেশিকেই সংকুচিত করে না অন্যান্য শরীবৃত্তীয় প্রতিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে।

          ঠাণ্ডা লাগলে, ভয় পেলে বা শক্তিশালী আবেগের অবস্থার মুখোমুখি হলে বৃক্করস নিঃসৃত হয়। বৃক্করসের প্রতিক্রিয়া হচ্ছে- লোম খাড়া হয়ে যাওয়া, চোখের জল, ঘাম, উচ্চ রক্তচাপ, হৃৎপিণ্ডের গতি বেড়ে যাওয়া ইত্যাদি।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত