ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

চানখারপুলে ৬ হত্যা

সাবেক ডিএমপি কমিশনারসহ ৮ আসামির বিচার শুরু

অনলাইন ডেস্ক
১৪ জুলাই, ২০২৫ ১৮:১৮
অনলাইন ডেস্ক
সাবেক ডিএমপি কমিশনারসহ ৮ আসামির বিচার শুরু

ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান চলাকালে গত বছরের ৫ আগস্ট রাজধানীর চানখারপুলে গুলি করে ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান হাবিবসহ আট আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

সোমবার (১৪ জুলাই) দুপুরে বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ আদেশ দেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন, বিচারপতি শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারপতি মহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন- চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামিম। আসামি পক্ষে ছিলেন- আইনজীবী সিফাত মাহমুদ শুভ। 

অভিযোগ গঠনকালে গ্রেপ্তার চার আসামি ইন্সপেক্টর আরশাদ, কনস্টেবল মো. সুজন, কনস্টেবল ইমাজ হোসেন ইমন ও কনস্টেবল নাসিরুল ইসলাম ট্রাইব্যুনালে হাজির ছিলেন। এই মামলায় মোট আট আসামির মধ্যে সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান হাবিবসহ চার আসামি পলাতক রয়েছেন।

এই মামলার পলাতক চার আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির হতে গত ৩ জুন পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে তারা হাজির না হওয়ায় ট্রাইব্যুনাল আজ এই আদেশ দেন। গত ৩ জুন ট্রাইব্যুনাল যাদের বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিতে নির্দেশ দেন তারা হলেন- ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, রমনা অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার শাহ্ আলম মো. আখতারুল ইসলাম, রমনা অঞ্চলের সাবেক সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ ইমরুল।

ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান চলাকালে গত ৫ আগস্ট রাজধানীর চানখারপুলে গুলি করে ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় প্রথম (ফরমাল চার্জ) আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গত ২৫ মে আমলে নেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ওইদিন আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিলের পর তা ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করে অভিযোগটি আমলে নেওয়ার আবেদন করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। এরপর ট্রাইব্যুনালের অভিযোগটি (কগনিজেন্সে নেওয়ার) আমলে নেওয়ার আদেশ দেন।

এর আগে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা চিফ প্রসিকিউটর বরাবর এই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। তদন্ত প্রতিবেদনের অভিযোগে বলা হয়, রাজধানীর চানখারপুল এলাকায় আসামি কর্তৃক নিরস্ত্র ও শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের ওপর প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করে শহীদ শাহরিয়ার খান আনাস, শেখ মাহদি হাসান জুনায়েদ, শহীদ মো ইয়াকুব, শহীদ মো. রাকিব হাওলাদার, শহীদ মো. ইসমামুল হক এবং শহীদ মানিক মিয়াকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

তদন্ত সংস্থা এই মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের পর চিফ প্রসিকিউটর সাংবাদিকদের জানান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তদন্ত সংস্থার দেওয়া এই মামলার তদন্ত প্রতিবেদনটি ৯০ পৃষ্ঠার। তদন্ত করতে তদন্ত সংস্থার সময় লেগেছে ৬ মাস ১৩ দিন। তদন্ত প্রতিবেদনে ৭৯ সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়। এছাড়া ১৯টি ভিডিও, পত্রিকার ১১টি রিপোর্ট, ২টি অডিও, বই ও রিপোর্ট ১১টি এবং ৬টি ডেথ সার্টিফিকেট সংযুক্ত করা হয়। তদন্ত প্রতিবেদনে আসামি করা হয় সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ ৮ জনকে। তাদের মধ্যে গ্রেপ্তার আছেন ইন্সপেক্টর আরশাদ, কনস্টেবল মো. সুজন, কনস্টেবল ইমাজ হোসেন ইমন ও কনস্টেবল নাসিরুল ইসলাম।

গত বছরের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলন নির্মূলে আওয়ামী লীগ সরকার, তার দলীয় ক্যাডার ও সরকারের অনুগত প্রশাসনসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি অংশ গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংগঠিত করে বলে একের পর এক অভিযোগ জমা পড়ে। এসব অপরাধের বিচার এখন অনুষ্ঠিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    আবু সাঈদ-মুগ্ধদের জাতীয় বীর ঘোষণা করতে হাইকোর্টের রুল

    অনলাইন ডেস্ক
    ১৪ জুলাই, ২০২৫ ১৭:৪৫
    অনলাইন ডেস্ক
    আবু সাঈদ-মুগ্ধদের জাতীয় বীর ঘোষণা করতে হাইকোর্টের রুল

    জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আবু সাঈদ, মীর মুগ্ধ ও ওয়াসিমসহ অন্যান্য শহীদদের কেন জাতীয় বীর ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

    সোমবার (১৪ জুলাই) বিচারপতি ফাহমিদা কাদেরের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

    আন্দোলনে শহীদদের প্রকৃত ও নির্ভরযোগ্য তালিকা করে তা গেজেট আকারে প্রকাশের কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না— রুলে তা জানতে চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসকে নতুন বাংলাদেশের জাতীয় সংস্কারক কেন ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।

    মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

    আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ইকরামুল কবির।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      মিটফোর্ডে সোহাগ হত্যাকাণ্ডে দুই আসামি ৪ দিন করে রিমান্ডে

      অনলাইন ডেস্ক
      ১৩ জুলাই, ২০২৫ ২০:১২
      অনলাইন ডেস্ক
      মিটফোর্ডে সোহাগ হত্যাকাণ্ডে দুই আসামি ৪ দিন করে রিমান্ডে

      রাজধানীর পুরান ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (মিটফোর্ড) সামনে ভাঙারি ব্যবসায়ী সোহাগকে নৃশংস হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার আলমগীর ও মনির ওরফে লম্বা মনিরের চার দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

      রোববার ঢাকার চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহের আদালত রিমান্ডের এ আদেশ দেন।

      এদিন তাদের আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কোতয়ালী থানার উপপরিদর্শক মো. মনিরুজ্জামান তাদের সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের চার দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তবে আসামিদের পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না।

      এর আগে এ মামলায় ১০ জুলাই মাহমুদুল হাসান মহিনকে পাঁচ দিনের রিমান্ড এবং ১২ জুলাই টিটন গাজীর পাঁচ দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন আদালত।

      এ ঘটনায় করা অস্ত্র আইনের মামলায় ১০ জুলাই তারেক রহমান রবিনের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। রিমান্ড শেষে ১২ জুলাই আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

      এর আগে শুক্রবার রাতে কোতোয়ালি থানার জিন্দাবাহার এলাকা থেকে মো. টিটন গাজীকে আরেক আসামিসহ গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ হত্যার মামলায় জড়িত থাকার সন্দেহে এ পর্যন্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

      মামলায় অভিযোগ, গত ৯ জুলাই স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের গেটের কাছে ভাঙারি ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগকে পিটিয়ে ও পাথর দিয়ে থেতলে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। এরপর নিথর মরদেহ টেনে সড়কের মাঝে নিয়ে আসেন হত্যাকারীরা। সেখানে মরদেহে উপর লাফিয়ে উঠে উল্লাস প্রকাশ করেন ঘাতকেরা। এ ঘটনায় তার বড় বোন বাদি হয়ে রাজধানীর কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এছাড়াও আসামিদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে পৃথক একটি মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        হত্যাচেষ্টা মামলায় জামিন পেলেন অপু বিশ্বাস

        অনলাইন ডেস্ক
        ১৩ জুলাই, ২০২৫ ১৫:৫৩
        অনলাইন ডেস্ক
        হত্যাচেষ্টা মামলায় জামিন পেলেন অপু বিশ্বাস

        বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে রাজধানীর ভাটারা থানায় এনামুল হক নামে এক ব্যক্তিকে হত্যাচেষ্টার মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। এর আগে এ মামলায় আরেক চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

        রোববার (১৩ জুলাই) দুপুরে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোস্তাফিজুর রহমানের আদালতে হাজির হন অপু বিশ্বাস। এরপর তিনি আত্মসমর্পণ করে জামিন চান। শুনানি শেষে আদালত অপু বিশ্বাসের ১০ হাজার টাকা বন্ডে পুলিশ প্রতিবেদনের আগ পর্যন্ত জামিন মঞ্জুর করেন।

        এর আগে গত বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের আদেশ মোতাবেক ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ওয়াহিদুজ্জামানের আদালতে অপু বিশ্বাস আইনজীবীর মাধ্যমে জামিননামা দাখিল করেন।

        এ ছাড়া অপু বিশ্বাসের আইনজীবী আবুল বাশার কামরুল বলেন, ভাটারা থানার একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস গত ২ জুন হাইকোর্ট থেকে ৬ সপ্তাহের আগাম জামিন পান। জামিনের মেয়াদ প্রায় শেষের দিকে। তাই উচ্চ আদালতের নির্দেশ মোতাবেক অপু বিশ্বাস সিএমএম কোর্ট সশরীরে হাজির হয়ে জামিননামা দাখিল করেছেন। খুব শিগগিরই অপু বিশ্বাস আত্মসমর্পণ করে বিচারিক আদালতে জামিন চাইবেন।

        এর আগে এ মামলায় গত ১৮ মে গ্রেপ্তার হন আরেক চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়া। গ্রেপ্তারের পর সারাদেশে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। পরে ২০ মে এ মামলায় আদালত তাকে জামিন দেন আদালত।

        এদিকে মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে এনামুল হক নামে এক ব্যক্তিকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় ভাটারা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। হত্যাচেষ্টার ওই মামলায় আসামি করা হয়—অপু বিশ্বাস, আসনা হাবিব ভাবনা, নুসরাত ফারিয়া, অভিনেতা জায়েদ খানসহ ১৭ জন তারকাকে। এ ছাড়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার সরকারের সংশ্লিষ্ট ২৮৩ জন ওই মামলার আসামি। মামলায় এসব অভিনেতা-অভিনেত্রীদের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে আওয়ামী লীগের অর্থের জোগানদাতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          ব্যবসায়ী সোহাগ হত্যা

          ভিডিওতে থাকলেও আমি মারিনি : আসামি টিটন

          অনলাইন ডেস্ক
          ১২ জুলাই, ২০২৫ ১৭:৩৩
          অনলাইন ডেস্ক
          ভিডিওতে থাকলেও আমি মারিনি : আসামি টিটন
          সোহাগ হত্যা মামলার আসামি টিটন গাজী

          রাজধানীর পুরান ঢাকায় মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে লাল চাঁদ ওরফে মো. সোহাগকে হত্যা মামলার আসামি টিটন গাজীকে ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। এ সময় তিনি আদালতকে বলেছেন, ‘ভিডিওতে আমাকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেলেও আমি কাউকে মারিনি।’

          শনিবার (১২ জুলাই) বিকেলে টিটনকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর তাকে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালি থানার ইন্সপেক্টর নাসির উদ্দিন।

          এ সময় রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) কাইয়ুম হোসেন নয়ন রিমান্ডের জোর দাবি জানান। তবে আসামিপক্ষে কোনো আইনজীবী ছিল না।

          তখন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিব উল্লাহ গিয়াস আসামির কাছে জানতে চান তার আইনজীবী আছে কি না। তখন টিটন গাজী বলেন, না কোনো আইনজীবী নেই। এরপর বিচারক আসামির কোনো বক্তব্য আছে কি না জানতে চান।

          এসময় আসামি টিটন গাজী বলেন, ‘ভিডিওতে আমাকে পেস্ট কালারের জামা পরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। কিন্তু আমি কাউকে আঘাত করি নাই। কাউকে মারিও নাই। এছাড়া আমি যে কারও হুকুম দিচ্ছি বা কিছু করছি এমনটাও পাবেন না। আমি শুধু দাঁড়ায় ছিলাম। আমি ঘটনার সাথে জড়িত না।’

          শুনানি শেষে আদালত টিটন গাজীর ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

          এর আগে গত বুধবার (৯ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টার দিকে হাসপাতালের ৩ নম্বর গেটসংলগ্ন রজনী ঘোষ লেনে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। এ হত্যার ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় দুটি মামলা হয়। একটি হত্যা মামলা, অপরটি অস্ত্র মামলা।

          এদিকে নিহত মো. সোহাগ কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পূর্ব নামাবাড়ি গ্রামের ইউসুফ আলী হাওলাদারের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মিটফোর্ড এলাকার ৪ নম্বর রজনী ঘোষ লেনে ভাঙারির ব্যবসা করতেন।

          এদিকে পাথর নিক্ষেপ করে প্রকাশ্যে সোহাগকে হত্যা করার ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক ভাইরাল হয়। ফেসবুকে অনেকেই এর নিন্দা জানান।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত