ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

হত্যাচেষ্টা মামলায় জামিন পেলেন অপু বিশ্বাস

অনলাইন ডেস্ক
১৩ জুলাই, ২০২৫ ১৫:৫৩
অনলাইন ডেস্ক
হত্যাচেষ্টা মামলায় জামিন পেলেন অপু বিশ্বাস

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে রাজধানীর ভাটারা থানায় এনামুল হক নামে এক ব্যক্তিকে হত্যাচেষ্টার মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। এর আগে এ মামলায় আরেক চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

রোববার (১৩ জুলাই) দুপুরে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোস্তাফিজুর রহমানের আদালতে হাজির হন অপু বিশ্বাস। এরপর তিনি আত্মসমর্পণ করে জামিন চান। শুনানি শেষে আদালত অপু বিশ্বাসের ১০ হাজার টাকা বন্ডে পুলিশ প্রতিবেদনের আগ পর্যন্ত জামিন মঞ্জুর করেন।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের আদেশ মোতাবেক ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ওয়াহিদুজ্জামানের আদালতে অপু বিশ্বাস আইনজীবীর মাধ্যমে জামিননামা দাখিল করেন।

এ ছাড়া অপু বিশ্বাসের আইনজীবী আবুল বাশার কামরুল বলেন, ভাটারা থানার একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস গত ২ জুন হাইকোর্ট থেকে ৬ সপ্তাহের আগাম জামিন পান। জামিনের মেয়াদ প্রায় শেষের দিকে। তাই উচ্চ আদালতের নির্দেশ মোতাবেক অপু বিশ্বাস সিএমএম কোর্ট সশরীরে হাজির হয়ে জামিননামা দাখিল করেছেন। খুব শিগগিরই অপু বিশ্বাস আত্মসমর্পণ করে বিচারিক আদালতে জামিন চাইবেন।

এর আগে এ মামলায় গত ১৮ মে গ্রেপ্তার হন আরেক চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়া। গ্রেপ্তারের পর সারাদেশে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। পরে ২০ মে এ মামলায় আদালত তাকে জামিন দেন আদালত।

এদিকে মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে এনামুল হক নামে এক ব্যক্তিকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় ভাটারা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। হত্যাচেষ্টার ওই মামলায় আসামি করা হয়—অপু বিশ্বাস, আসনা হাবিব ভাবনা, নুসরাত ফারিয়া, অভিনেতা জায়েদ খানসহ ১৭ জন তারকাকে। এ ছাড়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার সরকারের সংশ্লিষ্ট ২৮৩ জন ওই মামলার আসামি। মামলায় এসব অভিনেতা-অভিনেত্রীদের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে আওয়ামী লীগের অর্থের জোগানদাতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ব্যবসায়ী সোহাগ হত্যা

    ভিডিওতে থাকলেও আমি মারিনি : আসামি টিটন

    অনলাইন ডেস্ক
    ১২ জুলাই, ২০২৫ ১৭:৩৩
    অনলাইন ডেস্ক
    ভিডিওতে থাকলেও আমি মারিনি : আসামি টিটন
    সোহাগ হত্যা মামলার আসামি টিটন গাজী

    রাজধানীর পুরান ঢাকায় মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে লাল চাঁদ ওরফে মো. সোহাগকে হত্যা মামলার আসামি টিটন গাজীকে ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। এ সময় তিনি আদালতকে বলেছেন, ‘ভিডিওতে আমাকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেলেও আমি কাউকে মারিনি।’

    শনিবার (১২ জুলাই) বিকেলে টিটনকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর তাকে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালি থানার ইন্সপেক্টর নাসির উদ্দিন।

    এ সময় রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) কাইয়ুম হোসেন নয়ন রিমান্ডের জোর দাবি জানান। তবে আসামিপক্ষে কোনো আইনজীবী ছিল না।

    তখন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিব উল্লাহ গিয়াস আসামির কাছে জানতে চান তার আইনজীবী আছে কি না। তখন টিটন গাজী বলেন, না কোনো আইনজীবী নেই। এরপর বিচারক আসামির কোনো বক্তব্য আছে কি না জানতে চান।

    এসময় আসামি টিটন গাজী বলেন, ‘ভিডিওতে আমাকে পেস্ট কালারের জামা পরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। কিন্তু আমি কাউকে আঘাত করি নাই। কাউকে মারিও নাই। এছাড়া আমি যে কারও হুকুম দিচ্ছি বা কিছু করছি এমনটাও পাবেন না। আমি শুধু দাঁড়ায় ছিলাম। আমি ঘটনার সাথে জড়িত না।’

    শুনানি শেষে আদালত টিটন গাজীর ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

    এর আগে গত বুধবার (৯ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টার দিকে হাসপাতালের ৩ নম্বর গেটসংলগ্ন রজনী ঘোষ লেনে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। এ হত্যার ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় দুটি মামলা হয়। একটি হত্যা মামলা, অপরটি অস্ত্র মামলা।

    এদিকে নিহত মো. সোহাগ কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পূর্ব নামাবাড়ি গ্রামের ইউসুফ আলী হাওলাদারের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মিটফোর্ড এলাকার ৪ নম্বর রজনী ঘোষ লেনে ভাঙারির ব্যবসা করতেন।

    এদিকে পাথর নিক্ষেপ করে প্রকাশ্যে সোহাগকে হত্যা করার ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক ভাইরাল হয়। ফেসবুকে অনেকেই এর নিন্দা জানান।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      রাজসাক্ষী হিসেবে সহায়তার শর্তে চৌধুরী মামুনকে ক্ষমা : ট্রাইব্যুনাল

      অনলাইন ডেস্ক
      ১২ জুলাই, ২০২৫ ১৬:৪৫
      অনলাইন ডেস্ক
      রাজসাক্ষী হিসেবে সহায়তার শর্তে চৌধুরী মামুনকে ক্ষমা : ট্রাইব্যুনাল
      সাবেক পুলিশ প্রধান চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন

      নিজেকে দোষী স্বীকার করে রাজসাক্ষী হিসেবে জুলাই গণহত্যার সঙ্গে সম্পৃক্ত বিস্তারিত বিষয় তুলে ধরা ও ট্রাইব্যুনালকে সার্বিক সহায়তা করার শর্তে সাবেক পুলিশ প্রধান চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনকে ক্ষমা করে দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে রাজসাক্ষী হওয়ায় তাকে কারাগারে অন্য বন্দীদের থেকে আলাদা জায়গায় রাখতে বলা হয়েছে।

      শনিবার (১২ জুলাই) বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারে নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ বিষয়ে লিখিত আদেশ প্রকাশ করেছেন।

      চৌধুরী মামুনের আইনজীবী জায়েদ বিন আমজাদ বলেন, রাজসাক্ষী হিসেবে জুলাই গণহত্যার সব বিষয় ট্রাইব্যুনালে তুলে ধরে বিচার প্রক্রিয়াকে সহায়তা করলে ক্ষমার আদেশ বাস্তবায়ন হবে। 

      এর আগে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায় স্বীকার করেছেন সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন।

      তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বলেছেন, ‘জুলাই-আগস্টে আন্দোলন চলাকালে আমাদের বিরুদ্ধে হত্যা-গণহত্যা সংঘটনের যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সত্য। এ ঘটনায় আমি নিজেকে দোষী সাব্যস্ত করছি। আমি রাজসাক্ষী হয়ে জুলাই-আগস্ট আন্দোলন চলাকালে যে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, তার বিস্তারিত আদালতে তুলে ধরতে চাই। রহস্য উন্মোচনে আদালতকে সহায়তা করতে চাই।’

      বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) দুপুরে বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ দায় স্বীকার করে এমন বক্তব্য দেন তিনি।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        জুলাই গণহত্যার দায় স্বীকার, রাজসাক্ষী হলেন সাবেক আইজিপি মামুন

        অনলাইন ডেস্ক
        ১০ জুলাই, ২০২৫ ১৩:৫
        অনলাইন ডেস্ক
        জুলাই গণহত্যার দায় স্বীকার, রাজসাক্ষী হলেন সাবেক আইজিপি মামুন
        সাবেক আইজিপি মামুন

        জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায় স্বীকার করেছেন সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন। ট্রাইব্যুনালে তিনি বলেছেন, আমি জুলাই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত।

        জুলাই গণহত্যা চলাকালীন পুলিশ প্রধানের দায়িত্ব পালন করা চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, এই মামলায় আমি স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে রাজসাক্ষী হতে চাই।

        বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এ বক্তব্য দেন তিনি।

        এর আগে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (চার্জ) গঠন করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল। বিচারপতি মো গোলাম মোর্তোজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইবুনাল আজ এ অভিযোগ গঠন করেন। 

        অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হাসিনার বিরুদ্ধে প্রথম কোনো মামলার বিচার শুরু হল। পাশাপাশি এ মামলার সব সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ৩ আগস্ট দিন ধার্য করেন ট্রাইবুনাল। 

        মামলার অপর দুই আসামি হলেন- সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও কারাগারে থাকা সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন। অভিযোগ গঠনের সময় মামুন ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন। 

        ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন- বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী। 

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          চাকরি ফিরে পেয়ে ৩ বার ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বললেন আলোচিত দুদক কর্মকর্তা শরীফ

          অনলাইন ডেস্ক
          ৯ জুলাই, ২০২৫ ১৫:৫০
          অনলাইন ডেস্ক
          চাকরি ফিরে পেয়ে ৩ বার ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বললেন আলোচিত দুদক কর্মকর্তা শরীফ

          দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) থেকে বরখাস্ত হওয়া মো. শরীফ উদ্দিনকে পুনরায় চাকরিতে বহাল করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি, তার সব বকেয়া বেতন ও প্রাপ্য সুবিধাও পরিশোধ করতে বলা হয়েছে।

          বুধবার (০৯ জুলাই) বিচারপতি রেজাউল হাসান ও বিচারপতি বিশ্বজিৎ দেবনাথের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন।

          আদালতের রায়ের পর শরীফ উদ্দিন তিনবার আলহামদুলিল্লাহ শব্দ উচ্চারণ করে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করেন। এ সময় শরীফ বলেন, তিন বছরের আইনি লড়াই শেষে হাইকোর্ট থেকে ন্যায় বিচার পেয়েছি। ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থান না হলে হয়তো এই ন্যায়বিচার পেতাম না। চাকরি হারানোর পর অনেক কষ্টে জীবন যাপন করেছি। আজ থেকে সব দুঃখ কষ্ট মুছে গেল। আর কোনো দুঃখ নেই।

          হাইকোর্টের রায় পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে সব সুযোগ সুবিধা দিয়ে তাকে চাকরিতে পুনর্বহাল করতে বলা হয়েছে। আদালতে শরীফের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার সালাউদ্দিন দোলন।

          আদালতের রায়ের পর এক প্রতিক্রিয়া বরখাস্ত হওয়া দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপসহকারী পরিচালক মো. শরীফ উদ্দিন বলেন, আমি ন্যায় বিচার পেয়েছি। ৫ আগস্টের অভ্যুত্থানের পর আজকের যে প্রেক্ষাপট। এই প্রেক্ষাপট আমাকে ন্যায় বিচার পেতে সহায়তা করেছে। আমি সবার প্রতি কৃতজ্ঞ।

          এর আগে ২০২২ সালের ১৩ মার্চ চাকরি ফেরত চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন দুদকের সাবেক উপসহকারী পরিচালক মো. শরীফ উদ্দিন। শরীফের পক্ষে ব্যারিস্টার মিয়া মোহাম্মদ ইশতিয়াক রিটটি দায়ের করেন।

          প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপসহকারী পরিচালক মো. শরীফ উদ্দিনকে দুদক চেয়ারম্যান মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ সই করা এক প্রজ্ঞাপনে অপসারণ করা হয়।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত