ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬ ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
 
শিরোনাম

ইসরাইলি ড্রোন হামলায় ২ বাংলাদেশি নিহত

অনলাইন ডেস্ক
১২ মে, ২০২৬ ৭:১১
অনলাইন ডেস্ক
ইসরাইলি ড্রোন হামলায় ২ বাংলাদেশি নিহত

লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলীয় জিবদিন গ্রামে ইসরাইলি বাহিনীর এক ভয়াবহ ড্রোন হামলায় দুই বাংলাদেশি প্রবাসী কর্মী নিহত হয়েছেন।

সোমবারের (১১ মে) এই হামলায় তাদের সঙ্গে এক সিরীয় নাগরিকও প্রাণ হারিয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন দক্ষিণ লেবাননে অবস্থানরত সংবাদদাতারা। নিহত ব্যক্তিরা ওই এলাকায় শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, জিবদিন গ্রামের একটি বাড়ি লক্ষ্য করে ইসরাইলি ড্রোন থেকে সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। হামলার সময় ওই তিন ব্যক্তি বাড়িতে অবস্থান করছিলেন অথবা বাড়ির কাছাকাছি কাজ করছিলেন।

তাৎক্ষণিকভাবে বিস্ফোরণের ফলে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়। এই হামলার মাধ্যমে জিবদিন গ্রামে একই দিনে দ্বিতীয়বারের মতো আক্রমণ চালাল ইসরাইলি বাহিনী।

লেবানন ও ইসরাইল সীমান্তে চলমান উত্তেজনার মধ্যে এই প্রাণহানির ঘটনা প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির মধ্যে গভীর শোক ও আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। নিহত বাংলাদেশি কর্মীদের বিস্তারিত পরিচয় এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় প্রায়ই ইসরাইলি বিমান ও ড্রোন হামলা চালানো হচ্ছে, যার শিকার হচ্ছেন সাধারণ বেসামরিক নাগরিক ও সেখানে কর্মরত বিদেশি শ্রমিকরা।

সূত্র: লরিয়েন্ট টুডে।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইল ফের হামলা চালালে কঠোর জবাবের হুঁশিয়ারি ‌ইরানের

    অনলাইন ডেস্ক
    ২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১০:৩
    অনলাইন ডেস্ক
    যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইল ফের হামলা চালালে কঠোর জবাবের হুঁশিয়ারি ‌ইরানের

    শত্রুপক্ষ কোনো পদক্ষেপ নিলে রণক্ষেত্রে কঠিন জবাব পাবে বলে জানিয়েছে ইরানের সেনাবাহিনী। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ হয়ে গেছে বলে মনে করছেন না তারা।

    মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মোহাম্মদ আকরামিনিয়া এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। খবর-ফারস নিউজের।

    তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইল যদি আবারও হামলা চালায় এবং ইরানের নিরাপত্তাকে বিঘ্নিত করে, তবে তারা নিশ্চিতভাবেই আগের চেয়ে আরও কঠোর জবাবের মুখোমুখি হবে।

    তিনি আরও বলেন, আমরা যুদ্ধ শেষ হয়ে গেছে বলে মনে করি না। আমাদের বর্তমান পরিস্থিতি এখনো যুদ্ধকালীন হিসেবেই বিবেচিত। ইরানের জনগণ নিশ্চিত থাকতে পারেন যে, শত্রু যদি আবারও আগ্রাসনের পথ বেছে নেয়, তবে তারা ইরানের পক্ষ থেকে নতুন অস্ত্র এবং নতুন ধরণের জবাবের মুখোমুখি হবে।

    মোহাম্মদ আকরামিনিয়া বলেন, ‘আমরা আমাদের লক্ষ্যবস্তুর তালিকাহালনাগাদ করেছি। শত্রুপক্ষকে সতর্ক করে দিয়ে মুখপাত্র আরও বলেন, শত্রু যদি নতুন কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার দুঃসাহস দেখায়, তবে তাদের সম্পূর্ণ নতুন ধরনের সরঞ্জাম, পদ্ধতি ও রণক্ষেত্রে কঠিন জবাবের মুখোমুখি হতে হবে।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ‘অপমানিত’ হচ্ছে: জার্মানির চ্যান্সেলর

      অনলাইন ডেস্ক
      ২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ৬:৩০
      অনলাইন ডেস্ক
      ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ‘অপমানিত’ হচ্ছে: জার্মানির চ্যান্সেলর

      জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস বলেছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ‘অপমানিত’ হচ্ছে। তিনি সতর্ক করে আরও বলেন, যুদ্ধে তেহরান সুবিধাজনক অবস্থানে চলে এসেছে। এ কারণে সংঘাত থেকে বেরিয়ে আসার কোনো সুস্পষ্ট পথ ওয়াশিংটনের হাতে নেই।

      সোমবার জার্মানির মার্সবার্গ শহরে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় ফ্রিডরিখ মের্ৎস এ কথা বলেন। তাঁর মতে, বর্তমান পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্রকে একটি গভীর কৌশলগত সমস্যায় ফেলে দিয়েছে। এ সময় তিনি যুক্তরাষ্ট্রের অতীতের ব্যর্থ সামরিক অভিযানগুলোর উদাহরণ টেনে আনেন।

      জার্মানির চ্যান্সেলর বলেন, ‘এ ধরনের সংঘাতের সমস্যা হলো, এতে শুধু জড়িয়ে পড়াটাই শেষ কথা নয়, এখান থেকে আবার বেরিয়েও আসতে হয়। অত্যন্ত বেদনাদায়ক হলেও সত্য, আমরা ২০ বছর ধরে আফগানিস্তানে এমনটাই দেখেছি। ইরাকের ক্ষেত্রেও আমরা একই চিত্র দেখতে পাই।’

      দ্রুত ইরান যুদ্ধ শেষ করার আহ্বান জানিয়ে জার্মান চ্যান্সেলর বলেন, যুদ্ধের প্রভাব এরই মধ্যে জার্মানির অর্থনীতিতে আঘাত হানতে শুরু করেছে। তিনি আরও বলেন, বর্তমানে পুরো বিষয়টা বেশ জটিল আকার ধারণ করেছে। আমাদের প্রচুর অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে।

      জার্মানির চ্যান্সেলর বলেন, জার্মানি হরমুজ প্রণালিতে পণ্যবাহী জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাইন অপসারণকারী জাহাজ মোতায়েন করতে প্রস্তুত আছে। তবে তা যুদ্ধ বন্ধ হওয়ার পর।

      জ্বালানিসংকট, অর্থনৈতিক অস্থিরতাসহ এ সংঘাতের বৃহত্তর প্রভাব নিয়ে ইউরোপজুড়ে যখন উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে, ঠিক তখন জার্মানির চ্যান্সেলর এমন মন্তব্য করলেন।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        হরমুজে মার্কিন অবরোধের ঘোষণা, ফের লাফিয়ে বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম

        অনলাইন ডেস্ক
        ১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১০:৫৫
        অনলাইন ডেস্ক
        হরমুজে মার্কিন অবরোধের ঘোষণা, ফের লাফিয়ে বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম

        ইরানের বন্দরগুলো অবরোধের মার্কিন ঘোষণার পর বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে। আজ লেনদেনের শুরুতেই এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যায়।

        যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ৮ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১০৪ দশমিক ২৪ ডলারে পৌঁছেছে।

        আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের মানদণ্ড হিসেবে পরিচিত ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ৭ শতাংশ বেড়েছে। বর্তমানে প্রতি ব্যারেল তেল ১০২ দশমিক ২৯ ডলারে বিক্রি হচ্ছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান যুদ্ধ শুরুর আগে তেলের দাম ছিল ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৭০ ডলার। যুদ্ধের প্রভাবে বিভিন্ন সময়ে তা ১১৯ ডলারও ছাড়িয়ে যায়।

        এর আগে গত শুক্রবার পাকিস্তানে বৈঠকের খবরের মধ্যে জুনে সরবরাহের জন্য তেলের দাম কিছুটা কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৫ দশমিক ২০ ডলারে নেমেছিল।

        এমএসটি মার্কির জ্বালানি গবেষণা বিভাগের প্রধান সল কাভোনিক বলেন, বাজার এখন মূলত যুদ্ধবিরতির আগের অবস্থায় ফিরে গেছে। তবে এবার যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালি দিয়ে ইরান-সংশ্লিষ্ট দৈনিক প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল তেলের প্রবাহও আটকে দিতে পারে।

        এর আগে রোববার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, মার্কিন নৌবাহিনী শিগগিরই হরমুজ প্রণালি অবরোধ শুরু করবে। ইরানের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার পরও যুদ্ধ শেষ করার কোনো সমাধান না আসা এবং দুই সপ্তাহের ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়ার আশঙ্কায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

        ট্রাম্প আরও বলেন, নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন পর্যন্ত তেল ও পেট্রোলের দাম বেশি থাকতে পারে। ইরানের ওপর হামলার সিদ্ধান্তের সম্ভাব্য রাজনৈতিক প্রভাব নিয়েও তিনি ইঙ্গিত দেন।

        এদিকে, ইরান সংঘাতের কারণে জ্বালানি খাতে ক্ষতির মূল্যায়নের কয়েকদিন পর সৌদি আরব জানিয়েছে, তারা পূর্ব-পশ্চিম পাইপলাইনের মাধ্যমে দৈনিক প্রায় ৭০ লাখ ব্যারেল তেল উত্তোলনের পূর্ণ সক্ষমতা পুনরুদ্ধার করেছে।

        সূত্র: আলজাজিরা।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          যুক্তরাষ্ট্র–ইরান আলোচনায় সমঝোতা হয়নি: জেডি ভ্যান্স

          অনলাইন ডেস্ক
          ১২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:২৩
          অনলাইন ডেস্ক
          যুক্তরাষ্ট্র–ইরান আলোচনায় সমঝোতা হয়নি: জেডি ভ্যান্স

          মার্কিন ভাইস-প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের দীর্ঘ ২১ ঘণ্টার আলোচনা হলেও কোনো চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছানো যায়নি। খবর দ্য ডনের।

          ‘ইসলামাবাদ টকস’ শিরোনামে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে শনিবার বিকেল থেকে শুরু হয়ে রবিবার পর্যন্ত এ আলোচনা চলে।  আলোচনা শেষে  এক সংবাদ সম্মেলনে ভ্যান্স বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত ২১ ঘণ্টা আলোচনা করেছি এবং বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কথা হয়েছে—এটাই ভালো খবর। তবে খারাপ খবর হলো, আমরা এখনো কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারিনি।’

          তিনি আরও বলেন, ‘আমরা স্পষ্টভাবে আমাদের সীমারেখা নির্ধারণ করেছি—কোন বিষয়ে আমরা সমঝোতা করতে পারি এবং কোন বিষয়ে পারি না। কিন্তু ইরানের প্রতিনিধিদল আমাদের শর্তগুলো মেনে নেয়নি।’

          সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে জেডি ভ্যান্স পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের  প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, তারা ‘দারুণ আতিথেয়তা’ দেখিয়েছেন।

          তিনি আরও বলেন, ‘আলোচনায় কোনো ঘাটতি থাকলে তা পাকিস্তানের কারণে নয়। বরং পাকিস্তান আন্তরিকভাবে চেষ্টা করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দূরত্ব কমিয়ে একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে সহায়তা করতে।’

          ইরান ঠিক কোন প্রস্তাবগুলো প্রত্যাখ্যান করেছে—এ প্রশ্নের জবাবে ভ্যান্স বলেন, ‘সব বিস্তারিত প্রকাশ করতে চাই না, কারণ ২১ ঘণ্টা ব্যক্তিগত আলোচনার পর আমি জনসমক্ষে আলোচনা চালাতে চাই না। তবে সহজভাবে বললে, আমরা এমন একটি স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি চাই যে তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না এবং এমন কোনো সক্ষমতাও অর্জনের চেষ্টা করবে না, যা দ্রুত পারমাণবিক অস্ত্র তৈরিতে সাহায্য করবে।’

          তিনি বলেন, ‘এটিই যুক্তরাষ্ট্রের মূল লক্ষ্য এবং এই আলোচনার মাধ্যমে সেটিই অর্জনের চেষ্টা করা হয়েছে।’

          ভ্যান্স আরও জানান, ইরানের পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণ স্থাপনাগুলো ধ্বংস করা হলেও আসল প্রশ্ন হলো—ইরান দীর্ঘমেয়াদে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার বিষয়ে সত্যিকারের অঙ্গীকার দেখাবে কি না।

          তার ভাষায়, ‘আমরা এখনো সেই প্রতিশ্রুতি দেখতে পাইনি, তবে আমরা আশা করি ভবিষ্যতে তা দেখতে পাব।’

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত