ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

‘প্রয়োজন না থাকলেও চুমু খেতে হত, ছোট পোশাক পরতে বাধ্য করত’

বিনোদন ডেস্ক
১৮ জুলাই, ২০২৫ ১২:২১
বিনোদন ডেস্ক
‘প্রয়োজন না থাকলেও চুমু খেতে হত, ছোট পোশাক পরতে বাধ্য করত’

বলিউডে কাজ করতে গিয়ে তিক্ত অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন অভিনেত্রী জেরিন খান। ‘আকসার ২’ সিনেমার শুটিংয়ের সময় অপ্রয়োজনীয় চুমুর দৃশ্য করতে এবং খোলামেলা পোশাক পরতে বাধ্য করা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

সম্প্রতি হিন্দি রাশকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ বিষয়ে মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী।

জেরিন খান বলেন, “যখন ‘আকসার ২’ সিনেমার গল্প প্রথম শুনেছিলাম, তখন ভেবেছিলাম এটি হিট সিনেমার সিক্যুয়েল। পরিচালক অনন্ত মহাদেবনকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, কোনও ঘনিষ্ঠ দৃশ্য আছে কি না। তখন তিনি বলেছিলেন, না, এমন কিছু থাকবে না। কিন্তু শুটিং শুরু হলে প্রতিদিনই নতুন করে কোনও না কোনও ঘনিষ্ঠ দৃশ্য ঢোকানো হতো। কোথাও কিছু একটা হচ্ছে বলে মনে হচ্ছিল।”

অভিনেত্রী আরও বলেন, প্রজেক্ট শুরুর আগে আমাকে এসব কিছু জানানো হয়নি। প্রতিদিন শুটিং ফ্লোরে গিয়ে নতুন নতুন চমক পেতাম। যেখানে প্রয়োজন ছিল না, সেখানেও চুমুর দৃশ্য রাখতে বলা হতো। খোলামেলা পোশাক পরতে বাধ্য করা হতো। হঠাৎ করেই তারা অদ্ভুত আচরণ শুরু করেছিল আমার সঙ্গে।”

পরিচালক অনন্ত মহাদেবন সম্পর্কে জেরিন বলেন, “তিনি প্রযোজকদের কিছু বলতে পারতেন না। উল্টো প্রযোজকদের কাছে গিয়ে আমার বিরুদ্ধে কথা বলতেন। আবার আমার কাছে এসে বলতেন, প্রযোজকরা চাপ দিচ্ছে। শেষ পর্যন্ত সব দোষ আমার ওপরই পড়ল।”

‘বীর’, ‘হেট স্টোরি ৩’, ‘আকসার ২’-এর মতো সিনেমায় অভিনয় করে বলিউডে নিজের জায়গা করে নিলেও কাজের আড়ালে অভিনেত্রীকে এমন বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছে, যা নিয়ে অনেক বছর পর হলেও মুখ খুললেন জেরিন খান।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ‘আল্লাহর গজব পড়ুক তাদের ওপর’

    বিনোদন ডেস্ক
    ১২ জুলাই, ২০২৫ ১৪:৪৫
    বিনোদন ডেস্ক
    ‘আল্লাহর গজব পড়ুক তাদের ওপর’

    রাজধানীর পুরান ঢাকায় মো. সোহাগ নামের এক ভাঙারি ব্যবসায়ীকে পাথর দিয়ে পিটিয়ে হত্যার ঘটনার তোলপাড় সারা দেশ। দিবালোকে, জনসমক্ষে এমন নির্মম ঘটনা স্তম্ভিত করেছে সকলকে। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে সেই দৃশ্য; উঠেছে ক্ষোভ আর প্রতিবাদের ঝড়। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে শিল্পী-সংস্কৃতির মানুষরাও নিন্দা জানাচ্ছেন।

    এমন আবহে ক্ষোভ প্রকাশ করে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন অভিনেতা খায়রুল বাসার। যদিও তিনি কোথাও সোহাগ হত্যার কথা সরাসরি লেখেননি, তবে তার পোস্টের ভাষা এবং সময়কাল দেখে নেটিজেনরা ধরে নিয়েছেন, এই ঘটনার প্রতিক্রিয়াতেই এমন মন্তব্য করেছেন তিনি।

    সেই পোস্টে খায়রুল বাসার লেখেন, ‘আল্লাহর গজব পড়ুক তাদের ওপর, যারা মানুষ হতে পারল না। যারা জীবজন্তুর বৈশিষ্ট্যকেও হার মানিয়েছে। আল্লাহ এ দেশকে হেফাজত করুন কিছু ভালো মানুষের ওছিলায়। এ দেশের মানুষ যেন অন্যের ও নিজের শান্তি নিয়ে ঘুমাতে পারে।’

    পোস্টের শেষাংশে সবাইকে প্রতিবাদী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি লেখেন, ‘যেখানেই অন্যায়, প্লিজ! আপনারা কথা বলুন, প্লিজ! মানুষ হিসেবে মানুষের পাশে থাকুন, সাহসী হোন, সাহস দেখান, মানবতা দেখান, আইনের দ্বারস্থ হোন। বারবার ব্যর্থ হলেও আইনের ওপর ভরসা রাখুন। পরিবর্তন আসবেই।’

    খায়রুল বাসারের এই পোস্টে ইতোমধ্যেই অনেকেই মন্তব্য করছেন এবং একাত্মতা প্রকাশ করছেন। তবে খায়রুল ছাড়াও এ ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন নির্মাতা আশফাক নিপুণ ও অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’-এর নির্মাতা ও অভিনেতাসহ ৬ জনকে লিগ্যাল নোটিশ

      বিনোদন ডেস্ক
      ৮ জুলাই, ২০২৫ ১৬:৪৬
      বিনোদন ডেস্ক
      ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’-এর নির্মাতা ও অভিনেতাসহ ৬ জনকে লিগ্যাল নোটিশ

      জনপ্রিয় ধারাবাহিক নাটক ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’-এর সিজন-৫ এর বিভিন্ন পর্বে অশ্লীলতা, সামাজিক অবক্ষয় ও নৈতিক বিচ্যুতির অভিযোগ তুলে নাটকের নির্মাতাসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। লিগ্যাল নোটিশে কাজল আরেফিন অমি, অভিনেতা মারজুক রাসেল, জিয়াউল হক পলাশ, সাইদুর রহমান পাভেল, শিমুল শর্মা ও বুম ফিল্মস প্রোডাকশন হাউজকে বিবাদী করা হয়েছে।

      মঙ্গলবার (৮ জুলাই) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মহি উদ্দিন (মহি শামীম) এই লিগ্যাল নোটিশ পাঠান।

      সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মহি উদ্দিনের পাঠানো লিগ্যাল নোটিশে বলা হয়েছে, ব্যাচেলর পয়েন্ট’ নাটকের ৫ম সিজনের ১-৮ পর্বে এমন বহু সংলাপ রয়েছে যা অশ্লীল, ডাবল মিনিং এবং সমাজে বিশেষ করে কিশোর-তরুণদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। নাটকের সংলাপে ‘ডেট’, ‘উনিশ/বিশ’, ‘টাকা হলে শিশা খেতে পারতাম’, ‘বাঙালি পোশাক লুঙ্গি’ ইত্যাদি নিয়ে এমনভাবে কথা বলা হয়েছে যা নীতিনৈতিকতা পরিপন্থি।

      পাশাপাশি ‘ফিমেল’, ‘কিডনি’, ‘দই’ ইত্যাদি ডায়ালগগুলো তরুণদের মুখে মুখে ঘুরছে যা সামাজিক শালীনতা ও পারিবারিক রুচির পরিপন্থি। এমন সংলাপ নারীদের অবমাননা করে বলেও দাবি করেছেন তিনি।

      নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়, নির্মাতা কাজল আরেফিন অমি নিজেই এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, নাটকটি এখন সব বয়সী মানুষের জন্য তৈরি করা হচ্ছে। অথচ নাটকের ভাষা, ভাব ও উপস্থাপন একদমই পরিবারবান্ধব নয়। বরং এতে সামাজিক মূল্যবোধ, ধর্মীয় অনুশাসন এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

      আইনজীবী মহি উদ্দিন বলেন, জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা ২০১৪ এবং জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা ২০১৭ অনুযায়ী শিশু ও কিশোরদের মানসিক গঠনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে এমন কনটেন্ট প্রচার করা অপরাধ। অথচ এই নাটকে একের পর এক অশ্লীল ও আপত্তিকর সংলাপ সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হচ্ছে এবং সেগুলো কিশোরদের আচরণ ও ভাষায় স্থায়ী প্রভাব ফেলছে।

      নোটিশে ৭ কার্যদিবসের মধ্যে নাটকের বিতর্কিত সংলাপ ও ভিডিওগুলো অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে সরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। অন্যথায় আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দেন নোটিশদাতা।

      মন্তব্য

      জালিয়াতির অভিযোগ, মহেশ বাবুকে আইনি নোটিশ

      বিনোদন ডেস্ক
      ৭ জুলাই, ২০২৫ ১৬:১৬
      বিনোদন ডেস্ক
      জালিয়াতির অভিযোগ, মহেশ বাবুকে আইনি নোটিশ

      ৩৪ লাখ ৮০ হাজার রুপির রিয়েল এস্টেট জালিয়াতির অভিযোগে তেলেগু সুপারস্টার মহেশ বাবুর বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছে তেলেঙ্গানার রাঙ্গা রেড্ডি জেলা ভোক্তা কমিশন। ‘সাই সূর্য ডেভেলপাস’’ নামে একটি রিয়েল এস্টেট কোম্পানির পক্ষে প্রচারণা চালানোর অভিযোগে তাকে তৃতীয় বিবাদী করা হয়েছে।

      এপ্রিলে কনস্ট্রাকশন ফার্ম ‘সাই সূর্য ডেভেলর্পাস’ গ্রুপ মানি লন্ডারিং মামলায় জড়িয়ে পড়ে। সেই সময় এর সঙ্গে নাম জড়িয়েছিল মহেশ বাবুর। দুই মাস পর আইনি জটিলতায় পড়লেন তিনি।

      ‘ডেকান ক্রনিকল’-এর রিপোর্ট বলছে, ওই সংস্থার বিরুদ্ধে হায়দরাবাদের এক চিকিৎসক অভিযোগ করেছেন। ৩৪ লাখ ৮০ হাজার রুপির বিনিময়ে ওই গ্রুপ তার কাছে যে জমি বিক্রি করেছে বাস্তবে সেই জমির অস্তিত্বই নেই।

      চিকিৎসকের অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, তিনি যে প্লটগুলো কিনেছিলেন, বাস্তবে সেগুলোর অস্তিত্বই নেই। আর অভিনেতা মহেশ বাবুর জনসমক্ষে কোম্পানির পক্ষে প্রচার চালানো অনেক ক্রেতাকে প্রভাবিত করেছে। ফলে তার মত অনেকেই ক্ষতির মধ্যে পড়েছে।

      সংবাদসংস্থা পিটিআই বলছে, ‘সাই সূর্য ডেভেলপারস’-এর মালিক কঞ্চরলা সতীশ চন্দ্র গুপ্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ‘গ্রিন মিডোজ’ নামের এক প্রজেক্ট বানাবেন বলে মার্কেট থেকে টাকা তুলেছিলেন। কিন্তু প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়নি।

      প্রসঙ্গত, মহেশ বাবুকে বড় পর্দায় শেষ দেখা যায় ২০২৩ সালের সুপারহিট ‘গুন্টুর কারম’ ছবিতে। এসএস রাজামৌলির পরবর্তী ছবিতে মহেশের বিপরীতে দেখা যাবে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া এবং মালয়ালাম অভিনেতা-পরিচালক পৃথ্বীরাজ সুকুমারানকে। নাম ঠিক না হওয়া সিনেমাটির গল্প লিখেছেন রাজামৌলির বাবা বিজয়েন্দ্র প্রসাদ, যিনি ‘বাহুবলী’, ‘আরআরআর’সহ বহু হিট ছবির চিত্রনাট্যকার।

      সূত্র: এনটিটিভি ও হিন্দুস্থান টাইমস।

      মন্তব্য

      ‘কৃষ ফোরে’ ট্রিপল রোলে দেখা যাবে হৃতিককে!

      অনলাইন ডেস্ক
      ৬ জুলাই, ২০২৫ ১৫:৫৫
      অনলাইন ডেস্ক
      ‘কৃষ ফোরে’ ট্রিপল রোলে দেখা যাবে হৃতিককে!

      বলিউড অভিনেতা হৃতিক রোশান বর্তমানে তার আসন্ন ছবি ‘ওয়ার টু’ নিয়ে শিরোনামে রয়েছেন। এটি হতে চলেছে ওয়াইআরএফ স্পাই ইউনিভার্সের পরবর্তী ছবি। এই ছবিটি পুরোটাই অ্যাকশনে ভরপুর। এদিকে ভক্তরা এবার হৃতিকের‘কৃষ ফোর’রে জন্যও অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। 

      ভারতীয় গণমাধ্যমে বলা হয়, সিনেমার অন্যতম সুপারহিট সুপারহিরো ফ্র্যাঞ্চাইজির পরবর্তী অংশে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া প্রত্যাবর্তন করতে পারেন। প্রিয়াঙ্কা ছাড়াও প্রীতি জিনতা এবং প্রবীণ অভিনেত্রী রেখাকেও ‘কৃষ ফোরে’ দেখা যেতে পারে।

      প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, হৃতিক এই ছবিতে ট্রিপল রোল করতে চলেছেন। ইন্সট্যান্ট বলিউডের প্রতিবেদন অনুসারে, এই ছবিতে কৃষকে বিভিন্ন টাইমলাইনে দেখানো হবে।

      ছবিটিকে অতীত এবং ভবিষ্যতের মধ্যে দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। তবে ছবিটিকে পারিবারিক আবেগ এবং সম্পর্কের উপর ভিত্তি করেই তৈরি করা হবে।

      যদিও চিত্রনাট্য বা গল্পের বিষয়ে কোনও বড় আপডেট আসেনি, তবে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, হৃতিক রোশন নিজেই প্রথম বারের মতো পরবর্তী অংশটি পরিচালনা করতে চলেছেন। ছবিতে টাইম ট্রাভেলের মতো বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

      চিত্রনাট্য যাতে উন্নত মানের হয়, তার জন্য হৃতিক লেখক এবং আদিত্য চোপড়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ ভাবে কাজ করছেন। ২০২৬ সালের প্রথম দিকে ছবিটির শুটিং শুরু হতে পারে বলে খবর। ‘কোই মিল গয়া’ মুক্তির ২৩ বছর পর ‘কৃষ ফোরে’-এ ‘জাদু’রও প্রত্যাবর্তন ঘটতে পারে। 

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য
        সর্বশেষ সংবাদ
          সর্বাধিক পঠিত