ঢাকা, শনিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৫ ২১ অগ্রহায়ণ ১৪৩২
 
শিরোনাম

আজকের দিনটি শুধুই ব্যাচেলরদের

নিজস্ব প্রতিবেদক
১১ নভেম্বর, ২০২৪ ১৩:১৪
নিজস্ব প্রতিবেদক
আজকের দিনটি শুধুই ব্যাচেলরদের

ডেস্ক রিপোর্ট: আজ ১১ নভেম্বর, ‘ব্যাচেলর দিবস’। দিনটি ‘সিঙ্গেল দিবস’ হিসেবে অধিক পরিচিতি পেলেও আদতে এটি ‘ব্যাচেলর দিবস’ নামেই শুরু হয়েছিল। একাদের জন্য আজকের দিনটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। কারণ যারা এখনও ভালোবাসার কোনো সম্পর্কে জড়াতে পারেননি, তাদের উদ্দেশেই আজ সারা বিশ্বে পালন করা হচ্ছে বিশ্ব ব্যাচেলর দিবস।

ভ্যালেন্টাইন ডে-তে যারা মন খারাপ করেন, তারা আজ দিনটি অনেক ভালো করে উদ্‌যাপন করুন। একাকিত্বের দুঃখ ভুলে আজ থেকে নিজেকে নতুন করে খুঁজুন। নিজেকে ভালোবাসতে শিখুন।

প্রেমিকযুগলদের জন্য ভালোবাসা দিবসসহ নানা দিবস রয়েছে। যারা এখনো সিঙ্গেল তারা ভালোবাসা দিবস পালন করেন মন খারাপের দিন হিসেবেই। তাদের জন্যই আজকের এই দিনটি বিশেষ একটি দিন। কারণ আজ বিশ্ব সিঙ্গেল ডে। প্রতিবছর ১১ নভেম্বর তারিখটি শুধুই সিঙ্গেলদের জন্য।

সিঙ্গেল ডে' কীভাবে এলো? এখন নিশ্চয়ই এমন প্রশ্ন আপনার মনে ঘুরছে। 'ডেজ অব দ্য ইয়ার'র তথ্য অনুসারে, এটি চীনা ছুটির দিন ও নানজিং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উদ্ভূত। ধারণা করা হয়, ১৯৯৩-এর দশকে একা থাকা মানুষদের জন্য প্রথম 'সিঙ্গেল ডে' উদযাপন করা হয়। ১১ নভেম্বর এমন তারিখ যেখানে ৪টি 'এক' আছে। তাই মনে করা হয় তারিখটি ৪টি একক ব্যক্তির প্রতিনিধিত্ব করে। এজন্যই দিনটিকে 'সিঙ্গেল ডে' হিসেবে প্রচলন করেন নানজিং বিশ্ববিদ্যালয় ৪ শিক্ষার্থী।

ধারণাটি পরবর্তীতে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ছড়িয়ে পড়ে। শেষ পর্যন্ত চীনের মূলধারার সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িয়ে যায়। এই ছুটির দিনে চীনের অনেক মানুষ আত্মীয়ের সঙ্গে দেখা করেন, শপিং করেন, ঘুরে বেড়ান। শুধু কী তাই, চীনের সবচেয়ে জনপ্রিয় কেনাকাটার দিনগুলোর একটি হয়ে উঠেছে 'সিঙ্গেল ডে'।

অনেকে তো প্রায়ই বলেন, অন্য কাউকে ভালোবাসতে হলে আগে নিজেকে ভালোবাসতে হবে। একা থাকলেই তো নিজেকে বেশি ভালোবাসা যায়। নিজের প্রতি অনেক যত্নশীল হওয়া যায়। একা বা সিঙ্গেল থেকে মন খারাপ না করে বরং এটি উদযাপন করা যেতে পারে। চীনের মানুষ তা ঠিকই করছেন। এই দিবসটি করাই হয়েছে যেন, মানুষ একা থাকার জন্য গর্ব করতে পারেন, একা থাকাকে উদযাপন করতে পারেন।

এখন বিশ্বের অনেক জায়গায় 'সিঙ্গেল ডে' উদযাপিত হয়। যাইহোক, ২০০৯ সালে, আলিবাবার সিইও ড্যানিয়েল ঝাং দিনটিকে ২৪ ঘণ্টা কেনাকাটার উত্সব হিসাবে ব্যবহার করা শুরু করেছিলেন। এখন, দিনটি সবচেয়ে বড় খুচরা ও অনলাইন শপিং দিবস হিসেবে পালিত হয়।

দিনটির তাৎপর্য হলো আনন্দের ধারণা ছড়িয়ে দেওয়া। আপনি যে সম্পর্কেই থাকুন না কেন, নিজেকে ভালোবাসা এবং আপনার বন্ধুত্বের মূল্য দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। এই দিনে লোকেরা বিলাসবহুল অবকাশ, উপহার এবং পরিষেবার সঙ্গে নিজেদের আচরণ করে এবং নিজেদের সঙ্গে থাকার আনন্দ উদযাপন করে।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর পরিচয়

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ১০ নভেম্বর, ২০২৪ ১৮:২৪
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর পরিচয়

    ডেস্ক রিপোর্ট: অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হতে যাচ্ছেন চলচ্চিত্র নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। নতুন করে যারা উপদেষ্টা পরিষদে যুক্ত হচ্ছেন, তাদের মধ্যে মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর নাম রয়েছে বলে জানা গেছে।

    রোববার (১০ নভেম্বর) সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে নতুন উপদেষ্টাদের শপথ হওয়ার কথা রয়েছে। এই চারজনের নতুন উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নিতে আমন্ত্রণ পাওয়ার বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

    ফারুকী ছাড়া অন্য তিনজনের মধ্যে রয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মাহফুজ আলম, আকিজ-বশির গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ বশির উদ্দিন ও ড. সাইদুর রহমান।

    এখন প্রশ্ন হলো কে এই ফারুকী-

    বাংলাদেশি সিনেজগতে ফারুকী যেন নতুন এক ফিলোসফার। একাধারে চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক, চিত্রনাট্যকার ও নাট্যনির্মাতা তিনি। নিজস্ব ঢঙে নাটক, চলচ্চিত্র নির্মাণের তাগিদে তৈরি করেছেন ‘ছবিয়াল’ নামে একটি সংগঠন। ভিন্ন ধারার সিনেমার সঙ্গে দেশের মানুষকে অভ্যস্ত করে তুলেছেন। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে নিজের চিহ্ন রেখেছেন আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও।

    ১৯৭৩ সালের ২ মে ঢাকার নাখালপাড়ায় জন্ম মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর। তার বাবার নাম আবদুর রব, মা কুলসুম বেগম। ২০১০ সালে বিয়ে করেন দীর্ঘদিনের সহকর্মী ও জনপ্রিয় টিভি অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশাকে। ইলহাম নুসরাত ফারুকী নামে একটি কন্যাসন্তান রয়েছে তাদের।

    ১৯৯৯ সালে মিডিয়ায় পথচলা শুরু করেন ফারুকী। ছোট পর্দায় অসাধারণ কিছু টেলিফিল্ম ও সিরিয়াল নির্মাণ করেছেন তিনি। ‘স্পার্টাকাস ৭১’, ‘চড়ুইভাতি’, ‘কানামাছি’ ও ‘এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি’র মতো নন্দিত টেলিফিল্ম তৈরি করেছেন ফারুকী। পাশাপাশি ‘একান্নবর্তী’, ‘সিক্সটিনাইন’ ও ‘৪২০’ তার নির্মিত জনপ্রিয় কিছু সিরিয়াল। আনিসুল হকের ‘আয়েশামঙ্গল’ অবলম্বনে ফারুকী নির্মিত ‘আয়েশা’ নাটকটিও পেয়েছে দর্শকপ্রিয়তা।

    সিনেমায় ফারুকীর সূচনা ‘ব্যাচেলর’ চলচ্চিত্রের মধ্য দিয়ে। গল্পের গাঁথুনি, নিজের প্রজ্ঞা ও মুনশিয়ানার মিশেলে সামাজিক সম্পর্কগুলোর অসংগতি নিপুণভাবে সেলুলয়েডের ফিতায় ফুটিয়ে তোলেন এই নির্মাতা। তার তৈরি সিনেমার সংলাপ থেকে শুরু করে গান—সবই হয়ে ওঠে তরুণদের ক্রেজ।

    ব্যাপক সাড়া জাগায় তার নির্মিত ‘থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার’ সিনেমাটিও। ২০০৯ সালে মুক্তি পাওয়া তার এই ছবি ‘পুসান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব’, ‘রোটেরডেম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব’, ‘ফ্রাইবুর্গ আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব’ ও ‘আবুধাবি চলচ্চিত্র উৎসব’-এ অফিসিয়াল সিলেকশনে ছিল।

    এ ছাড়া ২০১০ সালে ‘টিবুরন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব’, ‘জোগজা-নেপটেক এশিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল’-এ গোল্ডেন হ্যানোমেন অ্যাওয়ার্ডের জন্য নির্বাচিত হয় সিনেমাটি। ২০১৪ সালে ‘কেস উইক চলচ্চিত্র উৎসবে’ প্রদর্শনীর পাশাপাশি ৮৩তম অস্কারে বিদেশি ভাষার চলচ্চিত্র বিভাগে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে ফারুকী নির্মিত এই সিনেমা। ২০১২ সালে ‘টেলিভিশন’, ২০১৩ সালে ‘পিঁপড়াবিদ্যা‘ এবং ২০১৭ সালে ‘ডুব’ সিনেমা নির্মাণ করে নিজের জাত চেনান ফারুকী। ২০১৪ সালে ‘বুসান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে’ সমাপনী ছবি হিসেবে ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার হয় ‘টেলিভিশন‘ সিনেমার।

    বুসানে ‘এশিয়ান সিনেমা ফান্ড ফর স্ক্রিপ্ট ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড পোস্ট-প্রোডাকশন’-এর পুরস্কার জিতে নেয় তার নির্মিত সিনেমা টেলিভিশন। এমনকি ৮৬তম অস্কারেও বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে। ‘মেড ইন বাংলাদেশ‘ ছবিতে ফারুকী দেখিয়েছেন দুর্দান্ত পলিটিক্যাল স্যাটায়ার। ২০০৮ সালে ‘ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে‘ সেরা চলচ্চিত্রের পুরস্কার পায় এই সিনেমা।

    নাটক-সিনেমার পাশাপাশি লেখালেখিও করেন ফারুকী। ‘রাফকাট’ নামে একটি বই রয়েছে তার। মাঝেমধ্যে লেখেন কবিতাও।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      জীবনে কোনো কিছুই লুকাইনি, মা হলে সবাই জানতে পারবেন: মিম

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ১০ নভেম্বর, ২০২৪ ১৫:৫৯
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      জীবনে কোনো কিছুই লুকাইনি, মা হলে সবাই জানতে পারবেন: মিম

      ডেস্ক রিপোর্ট: আজ ঢাকাই সিনেমার লাস্যময়ী নায়িকা বিদ্যা সিনহা মিমের জন্মদিন । ১৯৯২ সালের ১০ নভেম্বর রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি। রোববার (১০ নভেম্বর) জীবনের ৩১টি বসন্ত পেরিয়ে ৩২ বছরে পা রাখলেন এই নায়িকা।

      এবারের জন্মদিন পরিবারের সদস্য ও কাছের বন্ধুদের নিয়ে ঘরোয়া আয়োজনেই উদযাপন করবেন মিম। বড় কোনো পরিকল্পনা সাজিয়ে রাখেননি তিনি।

      ছোট বেলায় জমকালোভাবে জন্মদিন পালন করলেও, এখন আর তেমন আয়োজন করা হয় না মিমের। এ প্রসঙ্গে অভিনেত্রী বলেন, জন্মদিনটা আসলে খুব ঘটা করে পালন করা হয় না। বরাবরের মতোই মা, হাজবেন্ড, পরিবারের সদস্য ও কাছের বন্ধুদের সঙ্গে ঘরোয়া আয়োজনেই উদযাপন করবো।

      দীর্ঘদিন ধরেই সিনেমার ব্যস্ততা নেই মিমের। যে কারণে অভিনেত্রীকে ঘিরে গুঞ্জন, খুব শিগগিরই সন্তানের মা হতে চলেছেন তিনি। আসলেই কি তাই?

      মিম বললেন, ‘এমন কিছু ঘটলে আমি কেন লুকাবো? আমার জীবনের কোনো কিছুই তো লুকাইনি। যা করেছি, সবকিছুই জানিয়েই করেছি। তবে শিগগিরই সন্তান নেওয়ার সম্ভাবনা নেই। তেমনটা হলে অবশ্যই সবাই জানতে পারবেন। এখন কাজ নিয়েই ভাবছি, কাজ নিয়েই থাকতে চাই।’

      ‘লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার ২০০৭’ প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করে শোবিজ দুনিয়ায় পা রাখেন মিম। একই বছর হুমায়ুন আহমেদ পরিচালিত ‘আমার আছে জল’ সিনেমার মাধ্যমে রুপালি পর্দায় অভিষেক হয় তার। ‘জোনাকির আলো’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য ৩৯তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে মৌসুমীর সঙ্গে যৌথভাবে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার পান তিনি।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        অভিনেত্রী আফরোজা হোসেন আর নেই

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ১০ নভেম্বর, ২০২৪ ১২:১৩
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        অভিনেত্রী আফরোজা হোসেন আর নেই

        বিনোদন ডেস্ক: ছোট পর্দার পরিচিত মুখ অভিনেত্রী আফরোজা হোসেন মারা গেছেন। রোববার (১০ নভেম্বর) ভোর ৬ টায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আরেক অভিনেত্রী মনিরা আক্তার মিঠু।

        সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আফরোজা হোসেনের সঙ্গে তোলা ‍কিছু ছবি শেয়ার করে লিখেছেন, ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। অভিনেত্রী আফরোজা হোসেন আর নেই। আজ ভোর ৬ টায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছেন। আপা আমি এখন তিনবেলা ফোনে কার সাথে কথা বলবো? আমাকে কে সাহস দিবে গো?তোমার সন্তান নাঈম কে আমি কি বলে সান্ত্বনা দিব গো।’

        পোস্টের শেষে লিখেছেন, ‘আমি টাঙ্গাইলে এমন হতভাগী আমি তোমাকে শেষ বিদায় জানাতে পারলাম না। তুমি যাও, আমি আসছি গো আপা।’

        জানা যায়, ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে অনেক দিন থেকে অসুস্থ ছিলেন আফরোজা হোসেন। জরায়ুমুখ ক্যানসার ধীরে ধীরে তা মেরুদণ্ড থেকে হাড়ে ছড়িয়ে পড়ে।

        তিনি ১৯৮০ এবং ১৯৯০ এর দশকে বাংলাদেশের শোবিজ ইন্ডাস্ট্রিতে বেশ পরিচিত মুখ ছিলেন। আফরোজা হোসেন তার ক্যারিয়ারের শুরুতে টেলিভিশন নাটক দিয়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন এবং পরে চলচ্চিত্রে কাজ শুরু করেন।তার অভিনয় দক্ষতা এবং চরিত্রে নিপুণতা তাকে জনপ্রিয়তা এনে দেয়। বিশেষ করে ১৯৯০-এর দশকে তার অভিনীত সিনেমাগুলি দর্শক মহলে বেশ প্রশংসিত হয়েছিল।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          শাহরুখ খানের হুমকিদাতাকে খুঁজে পেল পুলিশ

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ৯ নভেম্বর, ২০২৪ ১৮:৩৭
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          শাহরুখ খানের হুমকিদাতাকে খুঁজে পেল পুলিশ

          বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খানকে আবার হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। গত ৫ নভেম্বর মুম্বাইয়ের বান্দ্রা থানার ল্যান্ডলাইনে ফোন করে প্রাণনাশের এ হুমকি দেওয়া হয় অভিনেতাকে।

          এ বিষয়ে শাহরুখ খান কোনো বক্তব্য না দিলেও হুমকিদাতাকে শনাক্ত করেছে পুলিশ। কিন্তু অভিনেতার হুমকিদাতাকে খুঁজতে গিয়ে বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য।

          গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, শাহরুখকে হুমকি দিতে যে ফোনটি ব্যবহৃত হয়েছে, সেই ফোনটি একজন আইনজীবীর। তার নাম ফাইজান খান। রায়পুরের বাসিন্দা তিনি। তথ্যটি প্রকাশ্যে আসতেই সৃষ্টি হয়েছে চাঞ্চল্য। যদিও ওই ব্যক্তিকে পুলিশ জেরা করলে এ ঘটনার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা নাকচ করে দিয়েছেন তিনি।

          আইনজীবী ফাইজান বলেন, এ ঘটনার বেশ কিছু দিন আগেই তার ফোনটি চুরি হয়ে গেছে। ফলে তার ফোন ব্যবহার করে কে কী ঘটনা ঘটিয়েছে, সে বিষয়ে অবগত নন তিনি।

          আইনজীবী আরও বলেন, শাহরুখের ‘আঞ্জাম’ সিনেমায় হরিণ শিকার নিয়ে একটি আপত্তিকর সংলাপ ছিল। সেই সংলাপেরও প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন তিনি।

          এদিকে পিটিআই সূত্র অনুযায়ী, ছত্তিশগড় থেকে ওই আইনজীবীকে ডেকে পাঠানো হয়েছে তার চুরি যাওয়া ফোনের বিষয়ে যাবতীয় তথ্য জানতে।

          খুনের হুমকির পাশাপাশি কয়েক কোটি টাকার বিনিময়ে নিস্তার পাবেন শাহরুখ, এমনটিও বলা হয়েছিল ওই হুমকিতে। ঠিক কী কারণে শাহরুখকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে, সে প্রসঙ্গে এখনো সঠিকভাবে কিছু জানা যায়নি। অভিনেতাকে হত্যার হুমকির অভিযোগে মামলা হয়েছে মুম্বাইয়ের বান্দ্রা থানায়। ইন্ডিয়ান পেনাল কোড ৩০৮(৪), ৩৫১(৩) ধারায় মামলাটি রেজিস্ট্রি হয়।

          এ ঘটনায় আপাতত শাহরুখের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। অভিনেতাকে ‘ওয়াই প্লাস’ ক্যাটাগরির নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে। এতদিন সশস্ত্র দুই নিরাপত্তারক্ষী শাহরুখের সঙ্গে থাকতেন। এখন থেকে ছয়জন সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষী ২৪ ঘণ্টা মোতায়েন থাকবেন।

          এর আগে ২০২৩ সালে ‘পাঠান’ ও ‘জওয়ান’ সিনেমার সফলতার পর প্রাণনাশের হুমকি পেয়েছিলেন শাহরুখ। সেই সময়ও অভিনেতাকে একই ক্যাটাগরির নিরাপত্তা দিয়েছিল ভারত সরকার।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত