শিরোনাম
আজ মুক্তি পাচ্ছে সাকিবের প্রথম শর্ট ফিল্ম ‘অমলিন থাকুক প্রতিটি হাসি’
ক্রিকেট মাঠ, শো রুম উদ্বোধন, বিজ্ঞাপনের শুটিং সবকিছুই সামলাচ্ছেন এই অলরাউন্ডার। এত কিছু কিভাবে সামলাচ্ছেন জনতে চাইলে তিনি জানান, যে পারে সে সবই পারে। তার কথার প্রমাণ মিললো আরো একবার।
আজ (১৩ এপ্রিল) মুক্তি পেতে যাচ্ছে, সাকিব অভিনীত প্রথম স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘অমলিন থাকুক প্রতিটি হাসি’। অবশ্য গতকালই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই খবরটি ভক্তদের সঙ্গে ভাগাভগি করেছিলেন সাকিব। মূলত এটি একটি মোবাইল কোম্পানির জন্য তৈরীকৃত স্বল্পদৈর্ঘ চলচিত্র।
এর আগে গত মাসে আয়ারল্যান্ড সিরিজ চলাকালেই দুই ম্যাচের ফাঁকে চট্টগ্রামের সিআরবিতে এই স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটির শুটিং করেছিলেন সাকিব। সব কাজ শেষে এখন শুধু মুক্তির অপেক্ষা।
মুস্তাফিজ ইস্যুতে দিল্লির ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন ওমর সানী
বেশ তড়িঘড়ি করেই গত ১ এপ্রিল বাংলাদেশ থেকে বিশেষ চার্টার্ড বিমানে দিল্লি মুস্তাফিজকে উড়িয়ে নিয়েছিল। ভাবটা ছিল এমন- সেদিন রাতেই অনুষ্ঠিত লখনৌ সুপার জায়ান্টসের বিপক্ষে দিল্লির একাদশে থাকবেন তিনি। তবে ম্যাচ শুরু হওয়ার আগমুহূর্তে দেখা দেয় চমক। তাড়াহুড়ো করে নিয়ে যাওয়া মুস্তাফিজকে যে একাদশেই রাখা হয়নি। সেই ম্যাচে ৫০ রানে হেরে যায় ডেভিড ওয়ার্নারের নেতৃত্বাধীন দিল্লি। কেবল সেই ম্যাচই নয়, টানা তিন ম্যাচে হারের একাদশ এমনকি ইমপ্যাক্ট প্লেয়ারের তালিকাতেও ছিলেন না এই কাটার মাস্টার।
যা নিয়ে ক্ষোভ ঝরেছে ডালিউডের এক সময়কার জনপ্রিয় নায়ক ওমর সানীর কণ্ঠে। মুস্তাফিজকে দিল্লির একাদশে না রাখায় অন্য অনেক ভক্তের মতো তিনিও হতাশা চেপে রাখেননি। এ নিয়ে সোমবার (১০ এপ্রিল) বিকেলে একটি পোস্ট করেছেন সানী।
সেখানে তিনি লেখেন, ‘পৃথিবীর এক নম্বর ব্যাটার কিংবা বোলার হন কোন লাভ নেই। আইপিএলে তোমাকে বসিয়ে রাখবে ৯০ পারসেন্ট। এটা ওদের অহংকার যে বাঙালিদের আমরা বসিয়ে রেখেছি, নিজের দল হারবে তারপরও আমাদের প্লেয়ার নামাবে না।’
তিনি আরো বলেন, ‘আজকে থেকে তো আর খেলা দেখি না। সেই ইমরান খান, জাভেদ মিয়াঁদাদ, সুনীল গাভাস্কার, কপিল দেব, অ্যালান বর্ডার, মার্শাল, ব্রায়ান লারা, শচীন টেন্ডুলকারসহ আরও অনেককে খেলতে দেখেছি। এটি আমার ক্ষুদ্র অভিজ্ঞতা।’
বিভিন্ন ইস্যুতে সব সময়ই সরব থাকেন বাংলা সিনেমার এই তারকা। তার সেসব ফেসবুক পোস্ট দর্শক-শ্রোতাদের বেশ আগ্রহের সঙ্গেও নিতে দেখা যায়। তবে এবারই প্রথম ক্রিকেট নিয়ে প্রতিবাদী হতে দেখা গেল তাকে!
আমার মাথায় ৭০টি সেলাই এবং সাবেক স্ত্রী এতে খুশি : নোবেল
গোপালগঞ্জের ছেলে নোবেলের উত্থান কলকাতার জি বাংলার ‘সারেগামাপা’ শোর মাধ্যমে। গান গেয়েই তার এত পরিচিতি পরিসর। শুধু গান নয় বিভিন্ন সময় উদ্ভট মন্তব্য কিংবা ঘটনার কারণে সমালোচনায় থেকেছেন এই গায়ক। যা নিয়ে রীতিমত কটাক্ষ ও সমালোচনাও হয়।
কখনো স্ত্রীর সঙ্গে ঝামেলা, আবার কখনো বিশ্বকবী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে নিয়ে উদ্ভট মন্তব্য করেছেন তিনি। এসব ক্ষেত্রে কখনো কখনো সোশ্যাল মিডিয়ায় পাল্টা জবাবও দিয়েছেন সারেগামাপা থেকে উঠে আসা এ গায়ক।
এবার এ গায়ক জানালেন, তার জীবনের প্রতিটি ঘটনা অপ্রত্যাশিতভাবে হয়েছে। যা খুবই হৃদয়বিদারক। মঙ্গলবার (১১ এপ্রিল) সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুক ভেরিফায়েড পেজে এক স্ট্যাটাসে এসব লেখেন তিনি।
এদিন নোবেল লেখেন, ‘আমার জীবনে প্রতিটি ঘটনা অপ্রত্যাশিতভাবে ঘটেছে। যা হৃদয়বিদারক। হতে পারে তা মাদক ও অ্যালকোহল। আমার মাথায় ৭০টি সেলাই এবং আমার সাবেক স্ত্রী এতে খুশি।’
তিনি আরও লেখেন, ‘আমার ক্যারিয়ার ধ্বংস হয়ে গেছে। এখন বাকি আছে শুধু মৃত্যু। তোমাকে সুস্বাগতম প্রিয়তমা। তোমাকে আলিঙ্গন করতে প্রস্তুত আমি।’
তার এই পোস্টে নেটিজেনরা মন্তব্য করে বলেছেন, হতাশ হবেন না ভাই। আবার কেউ বলেছেন, কয়েকদিন পর আবার সব আগের মতো হয়ে যাবে নোবেলের।
শেখ মাহরা রুপালী পর্দায় নয়, বাস্তবের রানি
রুপালী পর্দায় নয়, তিনি বাস্তবের রানি। তবুও তার জনপ্রিয়তা কোনো চলচ্চিত্র তারকার থেকে কম নয়! তিনি সুন্দরী তো বটেই। রূপে যেকোনো নায়িকাকে হার মানাবে এই রাজকুমারী। সামাজিক মাধ্যমে এই রাজকুমারীকে নিয়ে কৌতূহলের অন্ত নেই।
দুবাইয়ের রাজকুমারী শেখ মাহরা বিনত মহম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুম। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ মহম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুমের মেয়ে তিনি।
সম্প্রতি বিয়ে হয়েছে রাজকুমারীর। যা এই মুহূর্তে দুবাইয়ে চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। মাহরার স্বামীর নাম শেখ মানা বিন মহম্মদ বিন মামা আল মাকতুম। তবে তাদের বিয়ের কোনো ছবি এখনো প্রকাশ্যে আসেনি।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের রিয়েল এস্টেট এবং প্রযুক্তি ক্ষেত্রে বেশ কিছু সফল উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত মাহরার স্বামী।
১৯৯৪ সালে দুবাইয়ে জন্ম মাহরার। রাজকুমারী তিনি। ফলে ছোট থেকেই রাজঘরানায় বড় হয়ে ওঠা তার।
ব্রিটেনের এক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক নিয়ে পড়াশোনা করেছেন মাহরা। এই বিষয়ে তার ডিগ্রিও রয়েছে।
রাজকুমারী বলে কথা! মাহরা যে সব সময় প্রচারের আলোয় থাকবেন, সেটাই স্বাভাবিক। এর ব্যতিক্রমও ঘটেনি। দুবাইয়ে কোথাও গয়নার বিপণীর উদ্বোধন হোক কিংবা কোনো পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান— সর্বত্রই ঝলমলে উপস্থিতি মাহরার।
রুপালী পর্দার তথাকথিত নায়িকাদের মতোই বিভিন্ন ধরনের পোশাকে প্রায়শই নিজেকে মেলে ধরেন এই রাজকুমারী।
ইনস্টাগ্রামে মাহরার নানা স্টাইলের ছবিতে মজে তার অনুরাগীরা। দেখে মনে হবে যেন, কোনো মডেল। ইনস্টাগ্রামে এক লাখেরও বেশি অনুরাগী তার।
ঘোড়ার প্রতি মাহরার প্রেমও নজর কেড়েছে সমাজমাধ্যমে। তার বাবার মতোই ঘোড়া ভালোবাসেন মাহরা। আর এর আভাস পাওয়া গিয়েছে ইনস্টাগ্রামে। ঘোড়ার সঙ্গে মাহরার বিভিন্ন ছবি দেখা গিয়েছে।
সমাজসেবাতেও যুক্ত মাহরা। দুবাইয়ে বিভিন্ন ধরনের সমাজকল্যাণমূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত তিনি। বরাবরই দুঃস্থদের পাশে থাকেন তিনি। নারীদের ক্ষমতায়ন, পরিবেশরক্ষার মতো বিষয় নিয়ে বরাবরই অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে দেখা গিয়েছে মাহরাকে।
রুচির দুর্ভিক্ষ কাটাতে বাসায় শিক্ষক রেখে পড়ছেন হিরো আলম
যে প্রেক্ষাপটেই হোক দেশের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এমনকি গণমাধ্যমে হিরো আলম বহুল চর্চিত এক নাম। বগুড়ার ছেলে হিরো আলমের ক্ষে-বিপক্ষে সুশীল সমাজ থেকে শুরু করে বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের মন্তব্য পাওয়া যায়। বরেণ্য নাট্যকার মামুনুর রশীদ সম্প্রতি কালে হিরো আলমকে নিয়ে একটি মন্তব্য করেছিলেন। যেটি দেশ জুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি করে ‘টক অব দ্য কান্ট্রিতে’ পরিণত হয়েছিল।
এই ঘটনার পরই হিরো আলম নিজেকে পরিবর্তন আনা শুরু করেন। সেই লক্ষ্যে বাসায় শিক্ষক রেখে পড়ালেখা শুরু করেছেন এ ইউটিউবার। সম্প্রতি এ বিষয় নিয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন হিরো আলমের।
হিরো আলম বলেন, সত্যি কথা বলতে— আমার বাসা উত্তরাঞ্চলের বগুড়া জেলা হওয়ায়, আমার জেলার আঞ্চলিকতা ভাষার টান থেকেই যায়। এই আঞ্চলিকতা পরিবর্তন করার জন্য আমাকে অনেকে পরামর্শ দিয়েছেন। তা ছাড়া আমার কিছু উচ্চারণে সমস্যা আছে, সবাই বলে হিরো আলম সবকিছু পরিবর্তন করতে পারে। এটিও পারবে। সে জন্য নিজেকে আমি পরিবর্তন করার চেষ্টা করছি। দেখি কতদূর পরিবর্তন হতে পারি। আমার কথা নিয়ে যেহেতু এত মানুষের প্রবলেম, সেটাই আগে ঠিক করব।
এ ইউটিউবার আরও বলেন, সবাই পরামর্শ দিয়েছেন আমি যেন একটু পড়ালেখা করি এবং সুশিক্ষায় শিক্ষিত হন। সেই পরামর্শকে গুরুত্ব দিয়ে একটু একটু করে আমার অফিসে শিক্ষক রেখে শেখার চেষ্টা করছি। অনেকে আমাকে উন্মুক্ত বিশ্ববিদালয়ে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। সেটি তো আর আমার পক্ষে সম্ভব না । কারণ আমি নানা কাজে ব্যস্ত থাকি। আমাকে পরিবার চালানোর জন্য আয় করতে হয়।
আমি বিশ্বাস করি আমার কিছু দুর্বলতা ছিল, সেগুলো পরিবর্তন করলে আর কোনো সমস্যা হবে না। আমাকে নিয়ে কেউ আর কথা বলতে পারবে না। কেউ রুচির দুর্ভিক্ষে পড়বে না। রুচির দুর্ভিক্ষ কাটাতে লেখাপড়ার দিকে মনোযোগ দিয়েছি।
হিরো আলম কার কাছে শিখছেন, পড়ছেন? শিক্ষকের পরিচয় জানতে চাইলে হিরো আলম বলেন, সে শিক্ষকের পরিচয় এখন দিতে চাই না। সময় আসলে আমি বলে দেব। এখন আপাতত বলতে চাচ্ছিনা।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য