ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

অত্যাবশ্যকীয় ২৯৫ ওষুধের দাম নির্ধারণ করবে সরকার, দ্রুত বাস্তবায়ন

অনলাইন ডেস্ক
৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ২১:১২
অনলাইন ডেস্ক
অত্যাবশ্যকীয় ২৯৫ ওষুধের দাম নির্ধারণ করবে সরকার, দ্রুত বাস্তবায়ন

অত্যাবশ্যকীয় ২৯৫টি ওষুধের দাম সরকার নির্ধারণ করবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. সায়েদুর রহমান। তিনি বলেন, এই সিদ্ধান্ত দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে এবং সরকার নির্ধারিত দামে এসব ওষুধ বিক্রি করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

সায়েদুর রহমান বলেন, অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের মূল্য সরকার নির্ধারণ করলে সাধারণ মানুষের ওষুধ প্রাপ্তিতে বড় ধরনের ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। এতে ওষুধের দাম নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং ভোক্তারা উপকৃত হবেন।

তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে পিপিপি বিবেচনায় রেখে ওষুধ কোম্পানিগুলোর প্রস্তাব যাচাই করে দাম নির্ধারণ করা হবে। আন্ডার পেটেন্ট ও আউট অব পেটেন্ট ওষুধের জন্য আলাদা আলাদা ক্যাটাগরি নির্ধারণ করা হবে।

সায়েদুর রহমান জানান, এ লক্ষ্যে একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছিল। টাস্কফোর্সটি ওষুধ উৎপাদন ও বিপণনের সঙ্গে যুক্ত সব অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করেছে। এই কাঠামোই ভবিষ্যতে ড্রাগ প্রাইস অথরিটি হিসেবে কাজ করবে এবং পর্যায়ক্রমে একটি পূর্ণাঙ্গ কর্তৃপক্ষে রূপ নেবে। এর ফলে ওষুধ প্রাপ্তির পথে বিদ্যমান বাধাগুলো দূর হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    এলপিজি আমদানি ও দেশীয় উৎপাদনে ভ্যাট কমাল সরকার

    অনলাইন ডেস্ক
    ৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৩৩
    অনলাইন ডেস্ক
    এলপিজি আমদানি ও দেশীয় উৎপাদনে ভ্যাট কমাল সরকার

    সারাদেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) বিক্রি বন্ধ রেখেছে ব্যবসায়ীরা। এরইমধ্যে সরকার জানিয়েছে, এলপি গ্যাস আমদানি ও দেশীয় উৎপাদনে ভ‍্যাট কমানো হয়েছে। 

    বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) দুপুরে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়।

    বলা হয়, আমদানিকৃত এলপিজির ওপর ভ্যাট ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করার এবং স্থানীয় পর্যায়ে তা ৭.৫ শতাংশে নামিয়ে আনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

    এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (LOAB) এর সাথে আলোচনার ভিত্তিতে সরকারের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো ভোক্তা পর্যায়ে গ্যাসের দাম কমানো এবং বাজারে জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল রাখা।

    প্রস্তাবিত শুল্ক পুনর্বিন্যাস দেশের সাধারণ ভোক্তাদের জীবনযাত্রার ব্যয়ে সরাসরি ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে উৎসগুলোতে উল্লেখ করা হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধির মধ্যেই এবার এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ ও বিক্রি বন্ধে রেখেছে ব্যবসায়ীরা। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সকাল থেকে সারাদেশে বন্ধ রয়েছে সিলিন্ডার বিক্রি ও সরবরাহ। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন ভোক্তারা।

    এদিকে, খুচরা পর্যায়ে কোনো দোকানেই মিলছে না সিলিন্ডার। হোটেলগুলোয় বিকল্প উপায়ে রান্নার কাজ চালু রাখলেও, অনেক বাসাবাড়িতে জ্বলছে না চুলা। একপ্রকার জিম্মি হয়ে পড়েছেন ভোক্তারা।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      চলতি মাসে এল ২৩৫ কোটি ডলার রেমিট্যান্স

      অনলাইন ডেস্ক
      ২৫ নভেম্বর, ২০২৫ ২০:৫৮
      অনলাইন ডেস্ক
      চলতি মাসে এল ২৩৫ কোটি ডলার রেমিট্যান্স

      চলতি মাসের প্রথম ২৪ দিনে ২৩৪ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। এই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ৯ কোটি ৭৮ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

      মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র শাহরিয়ার সিদ্দিকী বলেন, নভেম্বরের প্রথম ২৪ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৩৪ কোটি ৯০ লাখ ডলার। আর গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ১৮৩ কোটি ৭০ লাখ ডলার। অর্থাৎ গত বছরের একই সময়ের চেয়ে এ বছরের রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে।

      তিনি বলেন, সোমবার (২৪ নভেম্বর) ৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন জানিয়ে চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত দেশে এসেছে ১ হাজার ২৪৯ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। বছর ব্যবধানে যা বেড়েছে ১৬ দশমিক ১০ শতাংশ।

      এর আগে গত অক্টোবর ও সেপ্টেম্বরে দেশে এসেছে যথাক্রমে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজার ও ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। আর গত আগস্ট ও জুলাইয়ে যথাক্রমে দেশে এসেছিল ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার ও ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

      এদিকে, গত ২০২৪-২৫ অর্থবছর জুড়ে দেশে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা দেশের ইতিহাসে কোনো নির্দিষ্ট অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        সবজির বাজারে স্বস্তি ফিরলেও বেড়েছে পেঁয়াজের ঝাঁজ

        অনলাইন ডেস্ক
        ৮ নভেম্বর, ২০২৫ ১৭:৪৫
        অনলাইন ডেস্ক
        সবজির বাজারে স্বস্তি ফিরলেও বেড়েছে পেঁয়াজের ঝাঁজ

        দীর্ঘ চার মাসের টানা মূল্যবৃদ্ধির পর রাজধানীর সবজির বাজারে অবশেষে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। সাম্প্রতিক বৃষ্টি ও সরবরাহ ঘাটতির প্রভাব ধীরে ধীরে কেটে যাওয়ায় গত দুই সপ্তাহ ধরে সবজির দামে কিছুটা স্থিতিশীলতা দেখা যাচ্ছে।প্রতি কেজি পেঁয়াজ এখন ১১০ থেকে ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

        শীতের আগমনী হাওয়া লাগতেই বাজারে মৌসুমি নতুন সবজির সরবরাহ বাড়ছে, যার প্রভাব পড়েছে দামে।

        শুক্রবার (৭ নভেম্বর) রাজধানীর মগবাজার, মালিবাগ ও খিলগাঁওসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে,
        সবচেয়ে কম দামে বিক্রি হচ্ছে পেঁপে, প্রতি কেজি ৩০ টাকা।
        এছাড়া আলু ৩০ টাকা, পটল ও ঝিঙ্গা ৬০ টাকা, মুলা ৫০ টাকা, ধন্দুল ও চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, বেগুন, ঢেঁড়স, করলা ও বরবটি ৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।  বাজারে নতুন উঠেছে শালগম, বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ১০০ টাকায়। ফুলকপি ও বাঁধাকপি প্রতি পিস ৫০ টাকা, মিষ্টিকুমড়া ৬০ টাকা,
        শসা ৮০ টাকা, কাঁচামরিচ ১৬০ টাকা, টমেটো ১২০ টাকা, কচু ৬০ টাকা এবং শিম ৮০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।

        বেসরকারি চাকরিজীবী সাজ্জাদ হোসেন তোহা, যিনি মগবাজারে সবজি কিনতে এসেছিলেন, বলেন, “গত কয়েক মাস ধরে সবজির দাম খুবই বেশি ছিল। গত সপ্তাহে কিছুটা কমলেও আজ আবার কিছুটা বেড়েছে। তবে আগের তুলনায় বাজার এখন অনেকটা স্বস্তিদায়ক।”

        মালিবাগ বাজারের সবজি বিক্রেতা সোহেল হোসেন জানান, “বৃষ্টির কারণে কিছু সবজি নষ্ট হয়েছে, তাই দাম সামান্য বেড়েছে। তবে শীতের শুরুতে নতুন সবজি উঠতে থাকায় দাম দ্রুত কমবে। পুরো শীতজুড়ে সরবরাহ বাড়বে, তখন বাজার আরও স্থিতিশীল হবে।”

        বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, নভেম্বরের শেষ দিক থেকেই বড় পরিসরে শীতকালীন সবজি আসবে বাজারে। ফলে দাম আরও ২০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমার সম্ভাবনা রয়েছে।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়া বিএনপির লক্ষ্য

          অনলাইন ডেস্ক
          ৩০ অক্টোবর, ২০২৫ ১৪:১
          অনলাইন ডেস্ক
          ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়া বিএনপির লক্ষ্য

          বিএনপির লক্ষ্য হবে ২০৩৪ সালের মধ্যে একটি ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি’ গড়ে তোলা, যা লাখ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে বলে জানিয়েছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

          বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা জানান। 

          এতে তারেক রহমান বলেন, ‘এমন একটি আধুনিক ও গণমুখী বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য বিএনপির, যেখানে প্রতিটি নাগরিক, বিশেষ করে নারীরা, গর্বের সঙ্গে দেশের প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখবে এবং কোনো নারীকে তার পরিবার ও ভবিষ্যতের মধ্যে একটিকে বেছে নিতে হবে না।’

          বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ২০২৪ সালের শ্রমশক্তি জরিপ তুলে ধরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান লিখেছেন, ‘পুরুষদের তুলনায় নারীদের শ্রমবাজারে অংশগ্রহণের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কম। মোট পুরুষদের ৮০ শতাংশের বিপরীতে মোট নারীদের মাত্র ৪৩ শতাংশ কর্মজীবী। এই ব্যবধান আমাদের সতর্ক করছে যে, আমরা আমাদের জাতির অর্ধেকেরও বেশি মেধা ও দক্ষতাকে পেছনে ফেলে যাচ্ছি। এ কারণেই বিএনপি সারাদেশে এমন একটি উদ্যোগ গ্রহণের কথা বিবেচনা করছে, যাতে শিশু পরিচর্যা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কৌশলের অংশ হয়।’

          নিজের পরিকল্পনা জানিয়ে তিনি লিখেছেন, ‘আমাদের সব সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপন, সরকারি অফিসগুলোতে ধাপে ধাপে ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপনের জাতীয় পরিকল্পনা গ্রহণ, বড় বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও কারখানায় বাধ্যতামূলক ডে-কেয়ার ব্যবস্থা, যেসব নিয়োগকর্তা শিশু পরিচর্যার ব্যবস্থা রাখবে তাদের জন্য কর সুবিধা ও সিএসআর ক্রেডিট প্রদান এবং নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মান অনুযায়ী কেয়ারগিভারদের প্রশিক্ষণ ও সার্টিফিকেট প্রদান।’

          তারেক রহমান লিখেছেন, ‘এই একটি সংস্কার নারীদের কর্মসংস্থান বাড়াতে পারে, পারিবারিক আয় বৃদ্ধি করতে পারে, ক্রমবর্ধমান মধ্যবিত্ত শ্রেণিকে আর্থিক স্থিতিশীলতা দিতে পারে এবং আমাদের জিডিপিতে ১ শতাংশ পর্যন্ত যোগ করতে পারে। যেহেতু তৈরি পোশাক শিল্পে কর্মরত শ্রমিকদের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ নারী, তাই কর্মজীবী মায়েদের অবদানকে অবমূল্যায়ন করা উচিত নয়।’ 

          ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স করপোরেশন (আইএফসি) ও আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) গবেষণার তথ্য উল্লেখ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান লিখেছেন, ‘যেসব কারখানায় শিশু পরিচর্যার সুবিধা রয়েছে, সেখানে কর্মী ধরে রাখার হার বেশি, অনুপস্থিতি কম এবং প্রতিষ্ঠানগুলো এক বছরের মধ্যেই খরচ তুলে আনতে পারে।’

          শিশু পরিচর্যা কোনো দয়া-দাক্ষিণ্য নয় জানিয়ে তিনি লিখেছেন, ‘এটি সামাজিক-অর্থনৈতিক অবকাঠামোর একটি অপরিহার্য অংশ। সড়ক যেমন বাজারকে সংযুক্ত করে, তেমনি ডে-কেয়ার সেন্টার নারীদের কর্মজীবনে সাফল্যের সঙ্গে সংযুক্ত করে।’ 

          তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা এমন যে কোনো পশ্চাৎমুখী ধারণা প্রত্যাখ্যান করি, যা নারীর সম্ভাবনাকে সীমাবদ্ধ করে। শিশু পরিচর্যা, সমান মজুরি ও কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তার মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়ন শুধু ন্যায়সংগত নয়; এটিই বুদ্ধিবৃত্তিক অর্থনীতি।’

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত