ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

১৪৬ কোটি টাকার কর ফাঁকির অভিযোগে কর্মকর্তা বরখাস্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২১ আগস্ট, ২০২৫ ১৭:৩৭
নিজস্ব প্রতিবেদক
১৪৬ কোটি টাকার কর ফাঁকির অভিযোগে কর্মকর্তা বরখাস্ত

নথি গায়েব করে ১৪৬ কোটি টাকার কর ফাঁকির অভিযোগে ঢাকা কর অঞ্চল-৫ এর উপ-কর কমিশনার লিংকন রায়কে সাময়িক বরখাস্ত করেছে এনবিআর।

বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) এনবিআর চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খানের সই করা প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, উৎসে কর ব্যবস্থাপনা ইউনিটে কর্মরত থাকাকালে ২০২০-২১ ও ২০২১-২২ করবর্ষের নিষ্পত্তিকৃত আয়কর মামলার নতুন আদেশপত্রে নতুন কর দাবি সৃষ্টি করে সরকারের ১৪৬ কোটি ৫৭ লাখ ৪৬ হাজার ৫৫৩ টাকা রাজস্ব ক্ষতিসাধন করায় লিংকন রায়ের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

উপ-কর কমিশনার লিংকন রায়কে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এর বিধি ১২(১) অনুযায়ী চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো।

এর আগে নথি গায়েব করে ১৪৬ কোটি টাকার কর ফাঁকির অভিযোগে লিংকন রায় ও ঢাকা কর অঞ্চল-৫ এর সাবেক কর কমিশনার আবু সাঈদ মো. মুস্তাকসহ তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা অনুমোদন করে দুদক। শিগগির দুদকের সহকারী পরিচালক মিনহাজ বিন ইসলাম মামলাটি দায়ের করবেন জানা গেছে।

অনুমোদিত মামলার আসামিরা হলেন- কর অঞ্চল-৫ এর কর কমিশনার আবু সাঈদ মো. মুস্তাক, অতিরিক্ত কর কমিশনার গোলাম কবীর এবং উপ-কর কমিশনার লিংকন রায়।

অনুসন্ধান প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, ২০২০-২১ ও ২০২১-২২ করবর্ষে ধামশুর ইকোনমিক জোন লিমিটেড প্রতিষ্ঠানটির বিপরীতে কর দাবির পরিমাণ ছিল ১৪৬ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। কিন্তু কর্মকর্তা বদলিতে নতুন কর্মকর্তা নথিতে কর নির্ধারণী আদেশ পরিবর্তন ও পরিমার্জন করে কর দাবির পরিমাণ কমিয়ে যথাক্রমে শূন্য টাকা ও এক হাজার টাকা করে রাজস্ব ফাঁকি দিতে সরাসরি সহায়তা করেন।

শুধু তা-ই নয়, মূল কর নির্ধারণী আদেশের নথিও গায়েব করে দেওয়া হয়, যা দুদকের অভিযানেও খুঁজে পাওয়া যায়নি।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    বাংলাদেশের পাটপণ্য রপ্তানিতে নতুন বিধিনিষেধ ভারতের

    অনলাইন ডেস্ক
    ১২ আগস্ট, ২০২৫ ৯:৪০
    অনলাইন ডেস্ক
    বাংলাদেশের পাটপণ্য রপ্তানিতে নতুন বিধিনিষেধ ভারতের

    বাংলাদেশের পাটপণ্য রপ্তানিতে নতুন বিধিনিষেধ দিয়েছে ভারত সরকার। এর আওতায় এখন বাংলাদেশ থেকে চার ধরনের পাটপণ্য স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি করতে পারবেন না ভারতের ব্যবসায়ীরা।


    সোমবার ভারতের বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের বৈদেশিক বাণিজ্য মহাপরিচালকের কার্যালয় (ডিজিএফটি) থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।


    প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বাংলাদেশের যে চারটি পণ্যের ওপর ভারত আমদানি বিধিনিষেধ আরোপ করেছে, সেগুলো হলো পাট ও পাটজাতীয় পণ্যের কাপড়, পাটের দড়ি বা রশি, পাটজাতীয় পণ্য দিয়ে তৈরি দড়ি বা রশি এবং পাটের বস্তা বা ব্যাগ। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এ সিদ্ধান্ত তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর করা হয়েছে।


    নতুন এ বিধিনিষেধের ফলে এসব পণ্য ভারতে রপ্তানি করতে হলে সমুদ্রপথে মুম্বাইয়ের নভসেবা বন্দর দিয়ে এসব পণ্য পাঠাতে হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ থেকে উল্লেখিত এসব পণ্য যে পরিমাণ ভারতে রপ্তানি হয়, তার ১ শতাংশের কাছাকাছি যায় সমুদ্রপথে। বাকিটা স্থলপথে রপ্তানি হয়। ফলে বিধিনিষেধের কারণে মূলত এসব পণ্য রপ্তানির সহজ পথটি বন্ধ করে দিয়েছে ভারত।


    এর আগে গত ২৭ জুন আরেক প্রজ্ঞাপনে ডিজিএফটি বাংলাদেশ থেকে স্থলবন্দর দিয়ে বেশ কয়েক ধরনের পণ্য আমদানিতে বিধিনিষেধ দিয়েছিল। স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি বিধিনিষেধ দেওয়া ওই সব পণ্যের মধ্যে ছিল—কাঁচা পাট, পাটের রোল, পাটের সুতা ও বিশেষ ধরনের কাপড়। এর সঙ্গে নতুন করে আরও চার ধরনের পণ্য যোগ হলো মঙ্গলবার থেকে।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      অন্তর্বর্তী সরকারের ১ বছরের উদ্যোগে বড় বিপর্যয় থেকে রক্ষা পেয়েছে অর্থনীতি: সিপিডি

      অনলাইন ডেস্ক
      ১০ আগস্ট, ২০২৫ ১৫:৩
      অনলাইন ডেস্ক
      অন্তর্বর্তী সরকারের ১ বছরের উদ্যোগে বড় বিপর্যয় থেকে রক্ষা পেয়েছে অর্থনীতি: সিপিডি

      গত ১ বছরে অন্তর্বর্তী সরকারের নেয়া বিভিন্ন উদ্যোগ ও সংস্কারের ফলে দেশের অর্থনীতি বড় ধরনের বিপর্যয় থেকে রক্ষা পেয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন। রোববার সকালে রাজধানীর গুলশানে একটি হোটেলে ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ৩৬৫ দিন’ শীর্ষক সিপিডি ডায়ালগে এমন মন্তব্য করেন তিনি।


      সরকারের নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, গত ১ বছরে অন্তর্বর্তী সরকার বেশ কিছু সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে। যেমন ব্যাংক খাত সংস্কার, অন্যতম উদ্যোগ। এর ফলে রেমিট্যান্স, রপ্তানি বেড়েছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ একটা ভালো অবস্থায় গেছে। একটা বড় ধরনের বিপর্যয় থেকে অর্থনীতিকে রক্ষা করা গেছে। এটা একটা অন্যতম সাফল্য। এর পাশাপাশি এটাও জানি মূল্যস্ফীতি উচ্চপর্যায়ে রয়েছে। বিনিয়োগ আসছে না, কর্মসংস্থান হচ্ছেনা। রাজস্ব আহরণ বাড়ছে না।।সুতরাং এই বিষয়গুলো আগামী ৬ মাস ও নতুন সরকারকে মাথায় রাখতে হবে।


      তিনি বলেন, উচ্চমূল্যস্ফীতি কারণে দরিদ্র মানুষদের স্বস্তি দিতে যে সমস্ত কর্মসূচি আছে তা চলমান রাখতে হবে। এখান থেকে ঘুরে দাঁড়াতেই হবে। যদিও অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নতুন করে দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগ আসবে না। কিন্তু বিনিয়োগের ক্ষেত্রগুলো প্রস্তুত করলে আগামীতে যারা সরকারে আসবে তখন বিনিয়োগকারীরা সহজেই বিনিয়োগ করতে পারে।


      ফাহমিদা খাতুন আরো বলেন, আমরা ইতোমধ্যে জেনে গেছি ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ৷ আগামী ৫-৬ মাসে নতুন করে সংস্কার কাজ কতখানি বাস্তবায়ন হবে; সংস্কারের যে সুপারিশ মালা রয়েছে তা কতখানি বাস্তবায়ন হবে তা বলা যাচ্ছেনা। সংস্কারের জন্য যে পদক্ষেপ এই পর্যন্ত সেটা কিন্তু ধীর গতিতে ছিল। আগামী ৬ মাসে নির্বাচনের সময় কতখানি হবে সেটার সম্ভাবনা কম। কিন্তু তারপরেও সুযোগ রয়েছে যদি সরকার চায়।


      ডায়ালগে আরও উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।


      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        ই-রিটার্ন দাখিলে প্রথম দিনেই রেকর্ড

        অনলাইন ডেস্ক
        ৫ আগস্ট, ২০২৫ ১৫:৩৭
        অনলাইন ডেস্ক
        ই-রিটার্ন দাখিলে প্রথম দিনেই রেকর্ড

        উদ্বোধনের দিনেই ২০২৫-২৬ করবর্ষে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল করেছেন ১০ হাজার ২০২ জন। যা গত বছরের তুলনায় প্রায় পাঁচ গুণ বেশি। মঙ্গলবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।  


        অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ সোমবার অনলাইনে ই-রিটার্ন দাখিল কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। এনবিআর জানিয়েছে, প্রথম দিনে রিটার্ন দাখিলের সংখ্যা গত বছরের তুলনায় প্রায় পাঁচ গুণ বেড়েছে। ২০২৪ সালের ৯ সেপ্টেম্বর ই-রিটার্ন কার্যক্রম শুরু হওয়ার প্রথম দিন রিটার্ন দাখিল হয়েছিল ২ হাজার ৩৪৪টি।


        গত বছরের তুলনায় এবারে ২০২৫-২৬ কর বছরের ই-রিটার্ন দাখিল শুরুর দিনে রিটার্ন দাখিলের সংখ্যা প্রায় ৫ গুণ।


        গত ৩ আগস্ট ২০২৫ তারিখে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক এক বিশেষ আদেশ জারীর মাধ্যমে ৬৫ (পঁয়ষট্টি) বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের প্রবীণ করদাতা, শারীরিকভাবে অসমর্থ বা বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন করদাতা, বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশী করদাতা অথবা মৃত করদাতার পক্ষে আইনগত প্রতিনিধি ব্যতীত সারাদেশের সকল ব্যক্তি শ্রেণীর করদাতার (Individual Taxpayers) অনলাইনে (www.etaxnbr.gov.bd) আয়কর রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।


        তবে, কোন ব্যক্তি করদাতা ই-রিটার্ন সিস্টেমে নিবন্ধন সংক্রান্ত সমস্যার কারণে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিলে সমর্থ না হলে ৩১ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখের মধ্যে সংশ্লিষ্ট উপকর কমিশনারের নিকট সুনির্দিষ্ট যৌক্তিকতাসহ আবেদন করলে সংশ্লিষ্ট অতিরিক্ত/যুগ্মকর কমিশনারের অনুমোদনক্রমে তিনি পেপার রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন।


        গতবছর সীমিত আকারে ব্যক্তি করদাতাগণের জন্য অনলাইনে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করা হলে ১৭ লাখের বেশি ব্যক্তি করদাতা অনলাইনে ই-রিটার্ন দাখিল করেন। করদাতাগণ ব্যাংক ট্রান্সফার, ডেবিটকার্ড, ক্রেডিটকার্ড, বিকাশ, রকেট, নগদ অথবা অন্য কোনো মোবাইল ফাইন্যানশিয়াল সার্ভিস অ্যাপ ব্যবহার করে ঘরে বসেই কর পরিশোধ করে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে পারেন।


        তাৎক্ষণিকভাবে নিজেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে ই-রিটার্ন দাখিলের অ্যাকনলেজমেন্ট স্লিপ (acknowledgement slip) প্রিন্ট নিতে পারেন এবং প্রয়োজনীয় তথ্য উল্লেখপূর্বক স্বয়ংক্রিয়ভাবে আয়কর সনদ প্রিন্ট করতে পারেন। অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিলে কোন সমস্যা হলে তার তাৎক্ষণিক সমাধান পেতে কল সেন্টারে যোগাযোগ করতে বলেছে এনবিআর।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          ১০ লাখ টাকার বেশি আমানত ও সঞ্চয়পত্রে রিটার্ন বাধ্যতমূলক

          অনলাইন ডেস্ক
          ৪ আগস্ট, ২০২৫ ১৩:৪৬
          অনলাইন ডেস্ক
          ১০ লাখ টাকার বেশি আমানত ও সঞ্চয়পত্রে রিটার্ন বাধ্যতমূলক

          ১০ লাখ টাকার বেশি যদি কেউ ব্যাংকে মেয়াদি আমানত ও সঞ্চয়পত্র কিনতে চায়, তাহলে তাঁকে বাধ্যতামূলক আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে হবে। পাশাপাশি ২০ লাখ টাকার বেশি ঋণ নিতে হলে আয়কর রিটার্নের কাগজপত্র ব্যাংকে জমা দিতে হবে। এ ছাড়া মোট ২৪টি ব্যাংক সেবার ক্ষেত্রে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এক সার্কুলারে এসব তথ্য জানিয়েছে।


          সম্প্রতি এ বিষয়ক একটি গেজেট প্রকাশ করেছে সরকার। গেজেটে বলা হয়েছে, কোনো কোম্পানির পরিচালক বা স্পনসর শেয়ারহোল্ডার হওয়া, আমদানি-রপ্তানি নিবন্ধন সনদ নবায়ন, ট্রেড লাইসেন্স বা পেশাজীবী লাইসেন্স নবায়ন, জমি বা ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রেশন এবং গ্যাস ও বিদ্যুৎ–সংযোগপ্রাপ্তিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এ ছাড়া ড্রাগ লাইসেন্স, পরিবেশ ছাড়পত্র, অগ্নিনির্বাপণ ছাড়পত্র, ট্রলার ও নৌযানের জরিপ সার্টিফিকেট এমনকি স্কুলে শিশুর ভর্তি কিংবা আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স গ্রহণের মতো ক্ষেত্রেও রিটার্ন দাখিলের প্রয়োজন হবে।


          এতে আরো বলা হয়েছে, দ্বৈত কর পরিহার-সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক চুক্তির আলোকে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে, যাতে দেশীয় আইন আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে।


          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত