ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

এখনই জ্বালানির দাম বৃদ্ধি নয়, আমরা যুদ্ধ পর্যবেক্ষণ করছি : অর্থ উপদেষ্টা

অনলাইন ডেস্ক
১৭ জুন, ২০২৫ ১৩:৪৮
অনলাইন ডেস্ক
এখনই জ্বালানির দাম বৃদ্ধি নয়, আমরা যুদ্ধ পর্যবেক্ষণ করছি : অর্থ উপদেষ্টা

অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধটা আমরা পর্যবেক্ষণ করছি। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর বিষয়ে আমরা আরও অপেক্ষা করব।

তিনি বলেন, আপাতত আমরা পর্যবেক্ষণ করছি যুদ্ধটা। যদি বেশি দিন চলে তখন আমাদের ওপর একটা প্রভাব বা প্রেসার পড়বে।

মঙ্গলবার (১৭ জুন) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নতুন সম্মেলন কক্ষে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি ও সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন অর্থ উপদেষ্টা।

ইরান-ইসরায়েলের চলমান সংঘাতে আমাদের দেশের জ্বালানি তেলের দামে কোনো প্রভাব পড়বে কি না– এমন প্রশ্নের জবাবে সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধটা আমরা পর্যবেক্ষণ করছি। আমরা দেখেছি ইতোমধ্যে কিছুটা বেড়েছে। তবে যেগুলোতে আমরা অর্ডার করেছি, সেগুলোতে প্রভাব ফেলেনি।

তিনি বলেন, আমরা পর্যবেক্ষণ করছি; গ্যাস, এলএনজির দাম যদি বেড়ে যায় তাহলে আমরা বিবেচনায় নেব। আজ যে এলএনজি আমদানির অনুমোদন দিয়েছি, সেটা পুরোনো দামেই কোড করেছে। আমাদের ভাগ্য ভালো যে আমরা আগের দামেই পাব।

উপদেষ্টা বলেন, আপাতত আমরা পর্যবেক্ষণ করছি যুদ্ধটা, যদি বেশি দিন চলে তখন আমাদের ওপর একটা প্রভাব বা প্রেসার পড়বে।

আপাতত আমাদের বাণিজ্য ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা কি নেই– এমন প্রশ্নের জবাবে সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, না, আপাতত বাণিজ্যে কোনো প্রভাব পড়বে না।

মন্তব্য

পাঁচ ব্যাংক মিলে হচ্ছে এক ব্যাংক, চাকরি হারাবেন না কর্মীরা

অনলাইন ডেস্ক
১৫ জুন, ২০২৫ ১৭:২৪
অনলাইন ডেস্ক
পাঁচ ব্যাংক মিলে হচ্ছে এক ব্যাংক, চাকরি হারাবেন না কর্মীরা

বেসরকারি খাতের পাঁচটি ইসলামী ব্যাংককে খুব শিগগিরই একীভূত করা হবে। একত্রিত হলেও এসব ব্যাংকের কর্মীরা চাকরি হারাবেন না বলে আশ্বস্ত করেছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর।

রোববার (১৫ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের বোর্ড রুমে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান গভর্নর।

ব্যাংকগুলোর একীভূত করার বিষয়ে গভর্নর বলেন, নির্বাচনের সঙ্গে ব্যাংক মার্জারের কোনো সম্পর্ক নেই। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। আমরা আশা করব পরবর্তী সরকার এসে এই প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। তবে নির্বাচন পর্যন্ত অপেক্ষা না করে আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই পাঁচটি ইসলামী ব্যাংক মার্জার করা হবে। এক্ষেত্রে ব্যাংক কর্মকর্তাদের দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। তবে প্রয়োজনে শাখাগুলো স্থানান্তর করা হবে। যেসব ব্যাংকের শাখা শহরে বেশি, সেসব ব্যাংককে গ্রামে পাঠানোর ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

সাংবাদিকদের অন্য এক প্রশ্নের জবাবে গভর্নর বলেন, পাচারকৃত সম্পদ উদ্ধারের প্রক্রিয়ায় ধাপে ধাপে অগ্রসর হতে হবে। আদালতের চূড়ান্ত রায় ছাড়া কোনো সম্পদ উদ্ধার সম্ভব নয়। এজন্য আগে সুনির্দিষ্ট তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে আইনি নথিপত্র তৈরি করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা চাই আদালতের মাধ্যমে যাচাই হোক—আমাদের দাবি যথাযথ কি না। আদালতের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই অর্থ উদ্ধার সম্ভব হবে।

ড. আহসান এইচ মনসুর বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির (এডিআর) প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, আদালতের বাইরে সমঝোতার মাধ্যমে অর্থ ফেরত আনার ব্যবস্থাও রয়েছে। এই পদ্ধতিতেও একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়, যেখানে উভয় পক্ষের আইনজীবীরা আলোচনা করে সমাধান খুঁজবেন।

তিনি জানান, কোন পথে এগোনো হবে, আদালত নাকি এডিআর, সেটি নির্ধারণ করবে সরকার। সরকারের নির্দেশনা পেলেই বাংলাদেশ ব্যাংক সম্পদ উদ্ধারে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করে আইনজীবী নিয়োগ করতে পারবে।

গভর্নর বলেন, দেশীয় সম্পদের জন্য দেশের আদালতে এবং বিদেশি সম্পদের জন্য সংশ্লিষ্ট দেশের আদালতে মামলা পরিচালনা করতে হবে। এই লক্ষ্যে প্রস্তুতি চলছে।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    বাজেট পাস ২২ জুন, মতামত নেওয়া হবে ১৯ জুন পর্যন্ত

    অনলাইন ডেস্ক
    ৪ জুন, ২০২৫ ১৫:২৭
    অনলাইন ডেস্ক
    বাজেট পাস ২২ জুন, মতামত নেওয়া হবে ১৯ জুন পর্যন্ত

    আগামী ২২ জুন সদ্য ঘোষিত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট পাস হবে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে। এর আগে, ১৯ জুন পর্যন্ত বাজেটের বিষয়ে মতামত গ্রহণ করবে সরকার। 

    বুধবার (৪ জুন) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

    তিনি বলেন, ঈদের পর বাজেটের ওপর কার কী মন্তব্য বা সাজেশেন থাকবে, সেটা নেবো। ১৯ জুন পর্যন্ত মতামত দিতে পারবে বাজেটের বিষয়ে। ২২ তারিখ কেবিনেট বৈঠকে বাজেট অনুমোদন হবে।

    তিন দিনে এটা করা সম্ভব হবে কি না, জানতে চাইলে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, আমরা আগে থেকেই বলেছি, মতামত প্রতিনিয়তই আসতে থাকবে। একদিনে তো আর সব মতামত আসবে না। ইতোমধ্যেই মতামত দেওয়া শুরু হয়েছে।

    এবারের বাজেটে সাধারণ মানুষের মনে স্বস্তি ফিরবে বলে মনে করেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাজেটের কোথায় কোথায় পরিবর্তন হয়েছে, সেটা একটু দেখবেন। এবারের বাজেটে স্বস্তি আছে।

    ঈদে টানা ১০ দিনের ছুটি থাকায় দেশের অর্থনীতি স্থবির হয়ে পড়ার আশঙ্কা আছে কি না, জানতে চাইলে ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, অর্থনীতি স্থবির হওয়ার কোনো সুযোগ নেই, ব্যবসায়ীরা তাদের মতো করে ব্যবসা করবেন। বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে কোন কোন দিন কোন কোন স্থানে ব্যাংক খোলা থাকবে। গরুর হাটে কীভাবে থাকবে।


    অর্থ উপদেষ্টা বলেন, এরকম হলিডে পৃথিবীর অন্যান্য দেশে আরও বেশি থাকে। বড়দিনে ২০ থেকে ২৫ দিন ছুটি থাকে। নেপালে দুর্গাপূজার সময় ৩০ দিন ছুটি থাকে। তখন কি তাদের দেশ চলে না। সুতরাং, দেশ চলবে। ইতোমধ্যে আমরা বাজেট দিয়ে দিয়েছি। বাজেটে মোটামুটি কর্মপন্থা দেওয়া আছে; সে অনুযায়ী কাজ হবে।

    মন্তব্য

    জনপ্রতি বরাদ্দ ৪৬ হাজার ৪৭০ টাকা

    বাজেটে মাথাপিছু বরাদ্দ কমল ৪৬৬ টাকা

    অনলাইন ডেস্ক
    ৩ জুন, ২০২৫ ১৯:৩৫
    অনলাইন ডেস্ক
    বাজেটে মাথাপিছু বরাদ্দ কমল ৪৬৬ টাকা

    চলতি অর্থবছরের তুলনায় প্রস্তাবিত বাজেটে দেশের মানুষের মাথাপিছু বরাদ্দ কমেছে ৪৬৬ টাকা। তবে মাথাপিছু আয় বেড়েছে ১ হাজার ৩৫০ টাকা। একইভাবে মাথাপিছু ঘাটতি কমেছে ১ হাজার ৮১৭ টাকা। আর এবার প্রতিজনে বরাদ্দ ৪৬ হাজার ৪৭০ টাকা। 

    তবে এবারের বাজেটেও মোট যে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, তা মোট দেশজ উত্পাদনের (জিডিপি) ১৪ শতাংশ। এবার জিডিপির আকার নির্ধারণ করা হয়েছে ৬২ লাখ ৫৫ হাজার ৫৫৮ কোটি টাকা। প্রতিযোগী দেশগুলোতে বাজেট জিডিপির ২৫ শতাংশের ওপরে। অর্থাৎ জনসংখ্যার বিবেচনায় বাজেটের আকার একেবারেই বড় নয়। তবে সরকারের পক্ষ থেকেই সংকোচনমূলক বাজেট বলা হয়েছে। 

    বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুসারে, দেশে জনসংখ্যা ১৭ কোটি। আর প্রস্তাবিত বাজেটে মোট বরাদ্দ ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা। এ হিসাবে মাথাপিছু বরাদ্দ ৪৬ হাজার ৪৭০ টাকা। চলতি অর্থবছরে যা ছিল ৪৬ হাজার ৯৩৭ টাকা। এ হিসাবে আলোচ্য সময়ে বরাদ্দ কমেছে ৪৬৬ টাকা। চলতি বছরে যা ২ হাজার ৭৪ টাকা বেড়েছিল। 

    এছাড়া প্রস্তাবিত বাজেটে মোট আয় (অনুদানসহ) ৫ লাখ ৬৯ হাজার কোটি টাকা। এ হিসাবে মাথাপিছু আয় ৩৩ হাজার ৪৭০ টাকা। চলতি বছরে যা ছিল ৩২ হাজার ১২০ টাকা। এ হিসাবে আয় বেড়েছে ১ হাজার ৩৫০ টাকা। আগে যা ছিল ২ হাজার ৬৭৪ টাকা। 

    এছাড়া ঘাটতির পরিমাণ ২ লাখ ২১ হাজার কোটি টাকা। এ হিসাবে মাথাপিছু ঘাটতি ১৩ হাজার টাকা। চলতি অর্থবছরে যা ছিল ১৪ হাজার ৮১৭ টাকা। এ হিসাবে মাথাপিছু ঘাটতি কমেছে ১ হাজার ৮১৭ টাকা। 

    অন্যদিকে এবার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার ২ লাখ ৪৫ হাজার ৬০৯ কোটি টাকা। আর মাথাপিছু বরাদ্দ ১৪ হাজার ৪৪৭ টাকা। আগের বছর যা ছিল ১৫ হাজার ৪৮৮ টাকা। আলোচ্য সময়ে মাথাপিছু এডিপি কমেছে ১ হাজার ৪১ টাকা। চলতি অর্থবছরে যা বেড়েছিল ১১৮ টাকা। 

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      কুরবানির হাটে জাল টাকা চিনবেন যেভাবে

      অনলাইন ডেস্ক
      ৩ জুন, ২০২৫ ১৯:১৯
      অনলাইন ডেস্ক
      কুরবানির হাটে জাল টাকা চিনবেন যেভাবে

      আর মাত্র তিন দিন পর ঈদুল আজহা। এর ফলে কুরবানির পশু কেনার জন্য ভিড় বাড়ছে রাজধানীসহ দেশের সব এলাকার পশুর হাটগুলোতে। কুরবানির জন্য পছন্দের পশু কিনছেন সবাই সাধ্যমতো। এক্ষেত্রে প্রায় সব বছরই প্রতারণার খবর শোনা যায়। জাল টাকা। সর্বশান্ত হোন বিক্রেতা।

      বিভিন্ন উৎসবকে কেন্দ্র করে অসাধু ব্যবসায়ীরা বাজারে জাল টাকা ছাড়েন। বিভিন্ন জাল নোট ঘুরে বেড়ায় এক হাত থেকে অন্য হাতে। কুরবানির পশুর হাট টার্গেট করে জাল টাকা ছড়াতে সক্রিয় বিভিন্ন চক্র। তবে আপনি একটু সচেতন হলে এই বড় প্রতারণার হাত থেকে রক্ষা পেতে পারেন।

      সাধারণত ১০০, ৫০০ ও ১০০০ টাকা মূল্যমানের নোট বেশি জাল হয়। এক্ষেত্রে দেখতে হবে টাকায় থাকা নিরাপত্তা সুতা, রং পরিবর্তনশীল কালি, অসমতল ছাপা, জলছাপ ইত্যাদি বিষয় লক্ষ্য রাখতে হবে।

      ১। ১০০, ৫০০ ও ১০০০ টাকাসহ প্রত্যেক ধরনের নোটের সামনে ও পেছন দুদিকের ডিজাইন, মধ্যভাগের লেখা, নোটের মূল্যমান ও সাতটি সমান্তরাল সরল রেখা উঁচু নিচুভাবে মুদ্রিত থাকে। ফলে হাত দিলে একটু খসখসে মনে হয়।

      ২। নোটের ডান দিকে ১০০ টাকার ক্ষেত্রে তিনটি, ৫০০ টাকার ক্ষেত্রে চারটি ও এক হাজার টাকার নোটে পাঁচটি ছোট বৃত্তাকার ছাপ আছে যা হাতের স্পর্শে উঁচু নিচু লাগে। এ বৈশিষ্ট্য জালনোটে সংযোজন করা সম্ভব নয়।

      ৩। জাল নোটের জলছাপ অস্পষ্ট ও নিম্নমানের হয়। আসল নোটে ‘বাঘের মাথা’ ও বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘মনোগ্রাম’ এর স্পষ্ট জলছাপ আছে। যা ভালো করে খেয়াল করলে আলোর বিপরীতে দেখা যায়।

      ৪। প্রত্যেক মূল্যমানের নোটেই বাংলাদেশ ব্যাংকের লোগো সম্বলিত নিরাপত্তা সুতা থাকে। নোটের মূল্যমান ও বাংলাদেশ ব্যাংকের লোগো নিরাপত্তা সুতার চারটি স্থানে মুদ্রিত থাকে।

      এ নিরাপত্তা সুতা অনেক মজবুত যা নোটের কাগজের সঙ্গে এমনভাবে সেঁটে দেওয়া থাকে যে নখের আঁচড়ে বা মুচড়িয়ে সুতা কোনোভাবেই উঠানো সম্ভব নয়। জাল নোটে এতো নিখুঁত ভাবে সুতাটি দিতে পারে না।

      ৫। ১০০, ৫০০ ও ১০০০ টাকা মূল্যমানের প্রত্যেক প্রকার নোটের ওপরের ডানদিকে কোনায় ইংরেজি সংখ্যায় লেখা নোটের মূল্যমান রঙ পরিবর্তনশীল কালিতে মুদ্রিত থাকে।

      ফলে ১০০ ও ১০০০ টাকা মূল্যমানের নোট ধীরে ধীরে নড়াচড়া করলে মূল্যমান লেখাটি সোনালি থেকে সবুজ রং ধারণ করে। একইভাবে ৫০০ লেখা লালচে থেকে সবুজাভ হয়। অন্যদিকে জাল নোটের ব্যবহৃত রঙ চকচক করলেও তা পরিবর্তিত হয় না।

      ৬। প্রত্যেক প্রকার টাকার নোটে প্রতিকৃতি, বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম ও নোটের মূল্যমান জলছাপ হিসেবে থাকে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম ও নোটের মূল্যমান প্রতিকৃতির তুলনায় উজ্জ্বল দেখায়। জাল নোটে এসব বৈশিষ্ট্য থাকে না।

      ৭। এছাড়া স্বল্পমূল্যেও বিভিন্ন ব্রান্ডের জাল নোট শনাক্তকারী মেশিন আছে। এছাড়া ম্যাগনিফাইং গ্লাস দিয়ে জাল নোট সহজেই পরীক্ষা করা যায়। নকল নোট ম্যাগনিফাইং গ্লাস দিয়ে দেখলে শুধু একটা রেখা দেখা যাবে।

      প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য
      সর্বশেষ সংবাদ
        সর্বাধিক পঠিত