ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

জনপ্রতি বরাদ্দ ৪৬ হাজার ৪৭০ টাকা

বাজেটে মাথাপিছু বরাদ্দ কমল ৪৬৬ টাকা

অনলাইন ডেস্ক
৩ জুন, ২০২৫ ১৯:৩৫
অনলাইন ডেস্ক
বাজেটে মাথাপিছু বরাদ্দ কমল ৪৬৬ টাকা

চলতি অর্থবছরের তুলনায় প্রস্তাবিত বাজেটে দেশের মানুষের মাথাপিছু বরাদ্দ কমেছে ৪৬৬ টাকা। তবে মাথাপিছু আয় বেড়েছে ১ হাজার ৩৫০ টাকা। একইভাবে মাথাপিছু ঘাটতি কমেছে ১ হাজার ৮১৭ টাকা। আর এবার প্রতিজনে বরাদ্দ ৪৬ হাজার ৪৭০ টাকা। 

তবে এবারের বাজেটেও মোট যে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, তা মোট দেশজ উত্পাদনের (জিডিপি) ১৪ শতাংশ। এবার জিডিপির আকার নির্ধারণ করা হয়েছে ৬২ লাখ ৫৫ হাজার ৫৫৮ কোটি টাকা। প্রতিযোগী দেশগুলোতে বাজেট জিডিপির ২৫ শতাংশের ওপরে। অর্থাৎ জনসংখ্যার বিবেচনায় বাজেটের আকার একেবারেই বড় নয়। তবে সরকারের পক্ষ থেকেই সংকোচনমূলক বাজেট বলা হয়েছে। 

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুসারে, দেশে জনসংখ্যা ১৭ কোটি। আর প্রস্তাবিত বাজেটে মোট বরাদ্দ ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা। এ হিসাবে মাথাপিছু বরাদ্দ ৪৬ হাজার ৪৭০ টাকা। চলতি অর্থবছরে যা ছিল ৪৬ হাজার ৯৩৭ টাকা। এ হিসাবে আলোচ্য সময়ে বরাদ্দ কমেছে ৪৬৬ টাকা। চলতি বছরে যা ২ হাজার ৭৪ টাকা বেড়েছিল। 

এছাড়া প্রস্তাবিত বাজেটে মোট আয় (অনুদানসহ) ৫ লাখ ৬৯ হাজার কোটি টাকা। এ হিসাবে মাথাপিছু আয় ৩৩ হাজার ৪৭০ টাকা। চলতি বছরে যা ছিল ৩২ হাজার ১২০ টাকা। এ হিসাবে আয় বেড়েছে ১ হাজার ৩৫০ টাকা। আগে যা ছিল ২ হাজার ৬৭৪ টাকা। 

এছাড়া ঘাটতির পরিমাণ ২ লাখ ২১ হাজার কোটি টাকা। এ হিসাবে মাথাপিছু ঘাটতি ১৩ হাজার টাকা। চলতি অর্থবছরে যা ছিল ১৪ হাজার ৮১৭ টাকা। এ হিসাবে মাথাপিছু ঘাটতি কমেছে ১ হাজার ৮১৭ টাকা। 

অন্যদিকে এবার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার ২ লাখ ৪৫ হাজার ৬০৯ কোটি টাকা। আর মাথাপিছু বরাদ্দ ১৪ হাজার ৪৪৭ টাকা। আগের বছর যা ছিল ১৫ হাজার ৪৮৮ টাকা। আলোচ্য সময়ে মাথাপিছু এডিপি কমেছে ১ হাজার ৪১ টাকা। চলতি অর্থবছরে যা বেড়েছিল ১১৮ টাকা। 

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    কুরবানির হাটে জাল টাকা চিনবেন যেভাবে

    অনলাইন ডেস্ক
    ৩ জুন, ২০২৫ ১৯:১৯
    অনলাইন ডেস্ক
    কুরবানির হাটে জাল টাকা চিনবেন যেভাবে

    আর মাত্র তিন দিন পর ঈদুল আজহা। এর ফলে কুরবানির পশু কেনার জন্য ভিড় বাড়ছে রাজধানীসহ দেশের সব এলাকার পশুর হাটগুলোতে। কুরবানির জন্য পছন্দের পশু কিনছেন সবাই সাধ্যমতো। এক্ষেত্রে প্রায় সব বছরই প্রতারণার খবর শোনা যায়। জাল টাকা। সর্বশান্ত হোন বিক্রেতা।

    বিভিন্ন উৎসবকে কেন্দ্র করে অসাধু ব্যবসায়ীরা বাজারে জাল টাকা ছাড়েন। বিভিন্ন জাল নোট ঘুরে বেড়ায় এক হাত থেকে অন্য হাতে। কুরবানির পশুর হাট টার্গেট করে জাল টাকা ছড়াতে সক্রিয় বিভিন্ন চক্র। তবে আপনি একটু সচেতন হলে এই বড় প্রতারণার হাত থেকে রক্ষা পেতে পারেন।

    সাধারণত ১০০, ৫০০ ও ১০০০ টাকা মূল্যমানের নোট বেশি জাল হয়। এক্ষেত্রে দেখতে হবে টাকায় থাকা নিরাপত্তা সুতা, রং পরিবর্তনশীল কালি, অসমতল ছাপা, জলছাপ ইত্যাদি বিষয় লক্ষ্য রাখতে হবে।

    ১। ১০০, ৫০০ ও ১০০০ টাকাসহ প্রত্যেক ধরনের নোটের সামনে ও পেছন দুদিকের ডিজাইন, মধ্যভাগের লেখা, নোটের মূল্যমান ও সাতটি সমান্তরাল সরল রেখা উঁচু নিচুভাবে মুদ্রিত থাকে। ফলে হাত দিলে একটু খসখসে মনে হয়।

    ২। নোটের ডান দিকে ১০০ টাকার ক্ষেত্রে তিনটি, ৫০০ টাকার ক্ষেত্রে চারটি ও এক হাজার টাকার নোটে পাঁচটি ছোট বৃত্তাকার ছাপ আছে যা হাতের স্পর্শে উঁচু নিচু লাগে। এ বৈশিষ্ট্য জালনোটে সংযোজন করা সম্ভব নয়।

    ৩। জাল নোটের জলছাপ অস্পষ্ট ও নিম্নমানের হয়। আসল নোটে ‘বাঘের মাথা’ ও বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘মনোগ্রাম’ এর স্পষ্ট জলছাপ আছে। যা ভালো করে খেয়াল করলে আলোর বিপরীতে দেখা যায়।

    ৪। প্রত্যেক মূল্যমানের নোটেই বাংলাদেশ ব্যাংকের লোগো সম্বলিত নিরাপত্তা সুতা থাকে। নোটের মূল্যমান ও বাংলাদেশ ব্যাংকের লোগো নিরাপত্তা সুতার চারটি স্থানে মুদ্রিত থাকে।

    এ নিরাপত্তা সুতা অনেক মজবুত যা নোটের কাগজের সঙ্গে এমনভাবে সেঁটে দেওয়া থাকে যে নখের আঁচড়ে বা মুচড়িয়ে সুতা কোনোভাবেই উঠানো সম্ভব নয়। জাল নোটে এতো নিখুঁত ভাবে সুতাটি দিতে পারে না।

    ৫। ১০০, ৫০০ ও ১০০০ টাকা মূল্যমানের প্রত্যেক প্রকার নোটের ওপরের ডানদিকে কোনায় ইংরেজি সংখ্যায় লেখা নোটের মূল্যমান রঙ পরিবর্তনশীল কালিতে মুদ্রিত থাকে।

    ফলে ১০০ ও ১০০০ টাকা মূল্যমানের নোট ধীরে ধীরে নড়াচড়া করলে মূল্যমান লেখাটি সোনালি থেকে সবুজ রং ধারণ করে। একইভাবে ৫০০ লেখা লালচে থেকে সবুজাভ হয়। অন্যদিকে জাল নোটের ব্যবহৃত রঙ চকচক করলেও তা পরিবর্তিত হয় না।

    ৬। প্রত্যেক প্রকার টাকার নোটে প্রতিকৃতি, বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম ও নোটের মূল্যমান জলছাপ হিসেবে থাকে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম ও নোটের মূল্যমান প্রতিকৃতির তুলনায় উজ্জ্বল দেখায়। জাল নোটে এসব বৈশিষ্ট্য থাকে না।

    ৭। এছাড়া স্বল্পমূল্যেও বিভিন্ন ব্রান্ডের জাল নোট শনাক্তকারী মেশিন আছে। এছাড়া ম্যাগনিফাইং গ্লাস দিয়ে জাল নোট সহজেই পরীক্ষা করা যায়। নকল নোট ম্যাগনিফাইং গ্লাস দিয়ে দেখলে শুধু একটা রেখা দেখা যাবে।

    প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    জাতীয় বাজেট ২০২৫-২০২৬

    কমতে পারে যেসব পণ্যের দাম

    অনলাইন ডেস্ক
    ২ জুন, ২০২৫ ১৯:৪৪
    অনলাইন ডেস্ক
    কমতে পারে যেসব পণ্যের দাম

    আগামী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ। সোমবার বিকাল ৩টায় বাংলাদেশ টেলিভিশনে বাজেট বক্তৃতা শুরু করেন তিনি। এবারের জাতীয় বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা। বাজেটে যেসব শুল্ক-কর প্রস্তাব করা হয়, তা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়। ফলে শুল্ককর কমলে দাম কমতে পারে। সাধারণত শুল্ক-কর বৃদ্ধির প্রভাব বাজারে দ্রুত পড়ে। কমানোর প্রভাব পড়তে দেরি হয়।

    দাম কমতে পারে যেসব পণ্যের-

    চিনি

    পরিশোধিত চিনি আমদানিতে টনপ্রতি শুল্ক ৫০০ টাকা কমিয়ে ৪ হাজার টাকা করা হয়েছে। ফলে চিনির দাম কমানোর সুযোগ তৈরি হবে।

    স্যানিটারি ন্যাপকিন

    স্যানিটারি ন্যাপকিনের স্থানীয় ব্যবসায়ী পর্যায় ভ্যাট অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

    তরল দুধ

    প্যাকেটজাত তরল দুধে স্থানীয় পর্যায়ে ভ্যাট অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

    কলম

    বলপয়েন্ট পেন বা কমলেও স্থানীয় পর্যায়ে ভ্যাট অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

    বিদেশি মাছ ও মাংস

    সম্পূরক শুল্ক কমানোর ফলে কমতে পারে বিদেশি মাছ ও মাংসের দাম। স্যামন, টুনা ইত্যাদি মাছের ওপর সম্পূরক শুল্ক কমানো হয়েছে।

    আইসক্রিম

    বিগত কয়েক বছর বাড়ানোর পর এবার আইসক্রিমের ওপর সম্পূরক শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে। এতে আইসক্রিমের দাম কমার সম্ভাবনা রয়েছে।

    কম্পিউটার মনিটর

    ২২ ইঞ্চির বদলে ৩০ ইঞ্চি পর্যন্ত কম্পিউটার মনিটরে বা পর্দায় উৎপাদন ও ব্যবসায়ী পর্যায়ে ভ্যাট অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। ইন্টারেকটিভ মনিটর এ তালিকায় ঢোকানো হয়েছে। সব মিলিয়ে একটু বড় আকারের মনিটর কিছুটা কম দামে পাওয়া যেতে পারে।

    বাটার

    বাটার আমদানিতে ৩ শতাংশ নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক প্রত্যাহার করা হয়েছে। ফলে আমদানি করা বাটারের দাম কিছুটা কমতে পারে।

    বিদেশি প্লাস্টিকের তৈজসপত্র

    বিদেশি প্লাস্টিকের তৈজসপত্র সম্পূরক শুল্ক ৫ শতাংশ কমানো হয়েছে।

    বিদেশি পোশাক

    পুরুষ, নারী ও শিশুদের বিদেশি পোশাকের ওপর সম্পূরক শুল্ক কিছুটা কমানো হয়েছে। ফলে দাম কমতে পারে।

    বিদেশি জুতা

    বিদেশি জুতা ও স্যান্ডেল আমদানিতে সম্পূরক শুল্ক কিছুটা কমানো হয়েছে। ফলে দাম কমতে পারে।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      বাজেট ২০২৫–২৬

      দাম বাড়তে পারে যেসব পণ্যের

      অনলাইন ডেস্ক
      ২ জুন, ২০২৫ ১৯:৩৩
      অনলাইন ডেস্ক
      দাম বাড়তে পারে যেসব পণ্যের

      আগামী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ। সোমবার বিকাল ৩টায় বাংলাদেশ টেলিভিশনে বাজেট বক্তৃতা শুরু করেন তিনি। এবারের জাতীয় বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বেশ কিছু পণ্যের শুল্ক-কর বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা।

      যেসব দাম বাড়তে পারে

      মোবাইল ফোন

      দেশে মোবাইল ফোন উৎপাদন ও সংযোজনে মূল্য সংযোজন কর (মূসক/ভ্যাট) অব্যাহতি সুবিধা কিছুটা কমানো হয়েছে এবং মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। ভ্যাট অব্যাহতি সুবিধা কমানোয় মোবাইল ফোনের দাম বাড়তে পারে।

      ওয়াশিং মেশিন, ব্লেন্ডার

      ওয়াশিং মেশিন, মাইক্রোওয়েভ ওভেন, ব্লেন্ডার, জুসার, আয়রন, রাইস কুকার, প্রেসার কুকার ইত্যাদি উৎপাদনে ভ্যাট অব্যাহতি সুবিধা কিছুটা কমানো হয়েছে।

      প্লাস্টিকের তৈজসপত্র

      থালাবাসনসহ প্লাস্টিকের তৈজসপত্র, গৃহস্থালি সামগ্রী ও সমজাতীয় পণ্যে ভ্যাটের হার দ্বিগুণ, অর্থাৎ ১৫ শতাংশ করা হয়েছে। পরিবেশবান্ধব তৈজসপত্রে ভ্যাট ছাড় দেওয়া হয়েছে।

      এলপিজি সিলিন্ডার

      তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সিলিন্ডারে স্থানীয় পর্যায়ে ভ্যাট অব্যাহতির সুবিধা কিছুটা কমিয়ে মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। এতে এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়তে পারে।

      বিদেশি চকলেট

      কিছু পণ্যের শুল্কায়ন মূল্য বাড়ানো হয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে বিদেশি চকলেট। ইউনিটপ্রতি ৪ ডলারের বদলে এখন ১০ ডলার ধরে শুল্কায়ন হবে। এতে আমদানিতে খরচ বাড়বে।

      লিপস্টিক

      ঠোঁট, চোখ ও মুখমণ্ডলে ব্যবহৃত প্রসাধন আমদানিতে শুল্কায়ন মূল্য অনেকটাই বাড়ানো হয়েছে। ফলে এসব পণ্য আমদানি থেকে বাড়তি কর আদায় হবে। দামও বেড়ে যেতে পারে।

      ব্লেড

      দাঁড়ি কাটার খরচ বাড়বে। কারণ দেশে ব্লেড উৎপাদন পর্যায়ে ভ্যাট আড়াই শতাংশ বাড়িয়ে সাড়ে ৭ শতাংশ করা হয়েছে।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        প্রস্তাবিত বাজেট ঘাটতি ২ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা

        অনলাইন ডেস্ক
        ২ জুন, ২০২৫ ১৯:১২
        অনলাইন ডেস্ক
        প্রস্তাবিত বাজেট ঘাটতি ২ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা

        আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে ২ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা ঘাটতির প্রাক্কলন ধরা হয়েছে। যা জিডিপির ৩.৬ শতাংশ এবং চলতি অর্থবছরের ২ লাখ ৫৬ হাজার কোটি টাকার চেয়ে কম।

        সোমবার বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারে সম্প্রচারিত বাজেট বক্তৃতায় অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ এ তথ্য জানান।

        তিনি বলেন, পূর্ববর্তী সরকারের আমলে মার্কিন ডলারের বিপরীতে টাকার ব্যাপক অবমূল্যায়নের কারণে বিদেশি ঋণের মূলধন ও সুদ পরিশোধের ব্যয় বেড়েছে। তারপরও বাজেট ঘাটতি সহনীয় পর্যায়ে থাকবে।

        ড. সালেহউদ্দিন আরও বলেন, মোট ঘাটতির মধ্যে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা এবং বিদেশি উৎস থেকে ১ লাখ ১ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের প্রস্তাব করছি। এছাড়া আগামী অর্থবছরে সুদ পরিশোধ বাবদ ১ লাখ ২২ হাজার কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। এর মধ্যে অভ্যন্তরীণ সুদ বাবদ ১ লাখ কোটি টাকা এবং বিদেশি সুদ বাবদ ২২ হাজার কোটি টাকা।

        চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রাথমিক বাজেট ঘাটতি ছিল ২ লাখ ৫৬ হাজার কোটি টাকা, যা সংশোধিত বাজেটে কমিয়ে ২ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা ধরা হয়েছে (জিডিপির ৪.১ শতাংশ)।

        সংশোধিত বাজেটে মোট ঘাটতির মধ্যে, আমি অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ১৭ হাজার কোটি টাকা এবং বিদেশি উৎস থেকে ১ লাখ ৯ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের প্রস্তাব করেন তিনি।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য
          সর্বশেষ সংবাদ
            সর্বাধিক পঠিত