শিরোনাম
বছরের প্রথম প্রান্তিকে বৈশ্বিক স্মার্টফোন রপ্তানিতে আবারও শীর্ষে স্যামসাং
২০২৩ সালের প্রথম প্রান্তিকে বৈশ্বিক স্মার্টফোন রপ্তানিতে ২২ শতাংশ হিস্যা নিয়ে আবারও শীর্ষস্থান অর্জন করেছে স্যামসাং। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটি উল্লেখিত সময়ে ৬.০৬০ কোটি ইউনিট স্মার্টফোন বিক্রি করেছে। স্যামসাংয়ের ফ্ল্যাগশিপ এস সিরিজ ও ‘অসাম’ এ সিরিজসহ প্রতিষ্ঠানটির শক্তিশালী ও উদ্ভাবনী ডিভাইসই বৈশ্বিক স্মার্টফোন রপ্তানিতে এর শীর্ষস্থান পুনরুদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
প্রতিষ্ঠানটির এ সফলতার পেছনে বেশ কয়েকটি বিষয় ভূমিকা পালন করেছে, যার মধ্যে রয়েছে: শক্তিশালী সাপ্লাই চেইন ব্যবস্থাপনা এবং সাপ্লাই ও বাজার চাহিদার ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থা। এছাড়াও, কিছু দেশে গ্যালাক্সি এস২৩ এর বিক্রি উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বিক্রি বৃদ্ধি পেয়েছে, যা স্যামসাংয়ের সাম্প্রতিক এ সফলতা অর্জনে ভূমিকা রেখেছে।
পাশাপাশি, নিজেদের অসাম গ্যালাক্সি এ সিরিজের মাধ্যমে মিড-রেঞ্জ সেগমেন্টে নিজেদের নেতৃস্থানীয় ভূমিকা ধরে রেখেছে স্যামসাং। অসাম গ্যালাক্সি এ সিরিজ স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের সাশ্রয়ী মূল্যে ফ্ল্যাগশিপ ডিভাইসের পারফরমেন্স দিয়েছে।
কোভিড-১৯ এর বৈশ্বিক মহামারির শুরুতে পণ্যের ক্রমবর্ধ্মান মূল্য বৃদ্ধি ও চাহিদার পড়তির কারণে বৈশ্বিকভাবে স্মার্টফোন ব্র্যান্ডগুলোর রপ্তানিতে মন্দা দেখা দেয়। বিগত পাঁচ বছর ধরে বৈশ্বিক স্মার্টফোন বাজার ক্রমান্বয়ে হ্রাস পাচ্ছে। এক্ষেত্রে, স্যামসাং এর অবস্থান বিপরীত। বৈশ্বিক বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ক্যানালিসের তথ্য অনুযায়ী, শীর্ষস্থানীয় একমাত্র স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্যামসাং প্রান্তিক প্রতি নিজেদের অবস্থার উন্নতি নিশ্চিত করেছে এবং বৈশ্বিকভাবে স্মার্টফোন রপ্তানিতে শীর্ষ অবস্থানে ফিরে এসেছে; যা ক্রেতাদের কাছে প্রাসঙ্গিক থাকতে উদ্ভাবন ও অনন্যতা নিশ্চিতে স্যামসাংয়ের দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রতিফলন।
সবুজে ঘেরা শ্রীমঙ্গলের করলা গ্ৰাম, স্বাবলম্বী চাষীরা
তিমির বনিক, মৌলভীবাজারঃ মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের কৃষকরা করলার ব্যাপক ফলন পেয়েছেন। শ্রীমঙ্গল উপজেলার আশিদ্রোন ইউনিয়নের পাড়ের টং গ্রামের করলার ফলনে খুশি। করলা চাষের জন্য জনপ্রিয়তা পাওয়ায় স্থানীয় পর্যায়ে এটি করলার গ্রাম নামে বেশ পরিচিতি লাভ করেছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পাইকাররা করলার গ্রাম নামেই চিনে থাকেন। স্থানীয় কৃষকরা করলার চাষ করেই স্বাবলম্বী হয়েছেন।
সরেজমিনে পাড়ের টং গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, সমগ্র গ্রাম জুড়ে সবুজ পাতায় ঘেরা করলার মাচা। পাড়ের টং গ্রামের প্রায় দেড়শত একর জুড়ে করলা চাষ হয়। স্থানীয় কৃষকরা করলা চাষে স্বাবলম্বী হয়েছেন। এছাড়াও এখানকার অনেক মানুষ করলার জমিতে কাজ করে আর্থিকভাবে স্বচ্ছল হয়েছেন। এখানকার পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও কাজ করে উপার্জন করে থাকেন। বিভিন্ন জেলা উপজেলার পাইকাররা এই গ্রাম থেকে প্রতিদিন প্রায় ১০ হাজার কেজি করলা কিনে নিয়ে সারাদেশে সরবরাহ করছেন।
কৃষক নসু মিয়া বলেন, আমি এই গ্রামে প্রথম করলার চাষ শুরু করি। অন্যান্য ফসলের তুলনায় এর চাষে খরচ কম হয় ও লাভ বেশি করা যায়। তাই আমার দেখাদেখি একজন দুইজন করে এখন পুরো গ্রামের চাষিরাই এর চাষ করছেন। এখানকার করলার সারাদেশে সুনাম রয়েছে। পাইকাররা প্রতিদিন এসে করলা সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সরবরাহ করছেন। আমরাও বিক্রি করে লাভবান হতে পারছি। সংসারে কোন অভাব অনটন নেই। আমরাও এখন ভালো ভাবে চলতে পারছি।
একই গ্রামের আমেনা বেগম বলেন, আমার নিজের জমি না থাকায় অন্যের জমিতে কাজ করি। দিনপ্রতি মজুরী ২০০-৩০০ টাকা পাই। কৃষকরা করলা চাষ করায় আমরা কাজ করে আয় করতে পারছি। তাই আমাদের গ্রামে বেকারত্বের হার অনেকটাই কমে গেছে।
হবিগঞ্জের মিরপুর থেকে আসা পাইকার আরজু মিয়া বলেন, এখানকার করলার বেশ সুনাম রয়েছে। আমি প্রতিদিনই এখান থেকে প্রায় ২-৩ মেট্রিক টন করলা কিনে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা উপজেলায় সরবরাহ করি। আমার মতো আরো অনেক পাইকাররা এখন থেকে করলা কিনে নিয়ে যান।
পাড়ের টং কালেকশন পয়েন্ট বাজারের সাধারণ সম্পাদক মো. হামদুল হক বলেন, আমিও একজন কৃষক। আমাদের এখান থেকে পাইকাররা করলা কিনে নিয়ে যান। আমরা একটা দাম নির্ধারণ করে করলা বিক্রি করে থাকি। এতে আমিসহ বাকি কৃষকদেরও লোকসানের ভয় থাকে না।
শ্রীমঙ্গল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মহিউদ্দিন বলেন, আগে অল্প পরিসরে হলেও বর্তমানে এই গ্রামের পুরোটা জুড়েই করলার চাষ হচ্ছে। চাষ বৃদ্ধির পাশাপাশি দিন দিন উৎপাদনও বৃদ্ধি পাচ্ছে। চলতি বছর শ্রীমঙ্গল উপজেলায় প্রায় ২০ হেক্টর জমিতে করলার চাষ হয়েছে। আমাদের কর্মকর্তারা নিয়মিত কৃষকদের পরামর্শ ও সহযোগিতা করে আসছেন। বিভিন্ন ভাবে সরকারী নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছি।
নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে মধ্যরাতে, কাল থেকে ইলিশ ধরা শুরু
টিআরসি রিপোর্টঃ ইলিশ ধরার নিষেধাজ্ঞা উঠে যাচ্ছে রোববার (৩০ এপ্রিল) মধ্যরাতে। দীর্ঘ দুই মাস পর আবারও জেলেরা ইলিশ ধরার সুযোগ পাচ্ছেন। দেশের ইলিশ সম্পদ উন্নয়নে জাটকা সংরক্ষণের জন্য ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত দুই মাস চাঁদপুরসহ ৬ জেলার ৫টি অভয়াশ্রমে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ ছিল।
চাঁদপুর জেলা মৎস্য অফিস বলছে, এবারের অভিযান প্রায় শতভাগ সফল হয়েছে। গত বছরের তুলনায় এ বছর জেলায় ৪০ হাজার মেট্রিক টন ইলিশ উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।
চাঁদপুরের জেলে পাড়াগুলোতে ইতোমধ্যে ইলিশ ধরার জাল সেলাই করা থেকে শুরু করে নৌকার ভাঙা অংশ মেরামত ও ইঞ্জিনসহ সবকিছু ঠিক করে নিয়েছেন জেলেরা। তারা বলছেন, নিষেধাজ্ঞার সময় তারা ধারদেনা করে সংসার চালিয়েছেন। এখন মাছ পেলে সংসারের খরচ জোগাতে পারবে, নয়তো দুর্ভোগের শেষ থাকবে না।
নৌপুলিশ চাঁদপুর অঞ্চলের সুপার মোহাম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, জাটকা রক্ষার অভিযানের শুরু থেকে নৌপুলিশ দিন-রাত দায়িত্বরত ছিল। আমরা সব সময় চেষ্টা করেছি জাটকা রক্ষা করার জন্য। মা ইলিশ রক্ষার অভিযান সফল হওয়ায় অন্য বছরগুলোর তুলনায় এ বছর নদীতে জাটকা মাছ অনেক বেশি ছিল।
তিনি আরও বলেন, অন্য বছরের তুলনায় এবারের অভিযান সফল হয়েছে। ৩০ এপ্রিলের পরেও আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। নদীতে কারেন্ট জাল ফেলা ও জাটকা ধরা সব সময় নিষিদ্ধ। তাই আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মৌসুমের প্রথম চা নিলাম শুরু শ্রীমঙ্গলে
তিমির বনিক, মৌলভীবাজারঃ দেশের দ্বিতীয় চা নিলাম কেন্দ্র চায়ের রাজধানী মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে মৌসুমের প্রথম নিলাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ নিলাম কেন্দ্রে এবার চা মৌসুমে মোট ২৩টি নিলাম অনুষ্ঠিত হবে।
২০১৭ সালের ৮ ডিসেম্বর সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে চা’র দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক নিলাম কেন্দ্র উদ্বোধনের পর ২০১৮ সালের ১৪ মে এ নিলাম কেন্দ্রে প্রথম চা নিলাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। এরপর এখানে নিয়মিত চায়ের নিলাম হয়ে আসছে। বুধবার চা মৌসুমের প্রথম নিলাম শ্রীমঙ্গল চা নিলাম কেন্দ্রের অস্থায়ী কার্যালয় জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে সম্পন্ন হয়।
মৌসুমের প্রথম চা নিলামে প্রতি কেজি গড়ে ২৫০ টাকা দরে প্রায় ৩০ হাজার কেজি চা বিক্রি হয়েছে বলে জানা গেছে।
এবারের নিলামে শ্রীমঙ্গলের ৫টি ব্রোকার্স হাউসের মাধ্যমে চা বিক্রি হয়। মোট ৩৮ জন বায়ার চা নিলামে অংশ নেন। নতুন চা মৌসুমের প্রথম নিলামে সর্বোচ্চ দরে বিক্রি হয় সাবেরী টি এস্টেটের গ্রীণ টি। যার নিলাম দর ছিল প্রতি কেজি ১ হাজার ৯৫০ টাকা।
শ্রীমঙ্গল চা ব্যবসায়ী সমিতির সাবেক সভাপতি মো. চেরাগ আলী বলেন, ‘দেশের দ্বিতীয় চা নিলাম কেন্দ্র শ্রীমঙ্গলে এবারের চা মৌসুমের প্রথম নিলাম প্রায় ৩০ হাজার কেজি চা বিক্রি হয়েছে। এ নিলামে কিছু চা অবিক্রিত ও রয়ে গেছে। আগামী নিলামগুলোতে আরো বেশি চা বিক্রির প্রত্যাশা করছি।’
সোনার বাংলা ব্রোকার্স লিমিটেড এর চেয়ারম্যান শহীদ আহমদ বলেন, চলতি বছরের প্রথম চা নিলামে সর্বমোট মোট ৫৬ হাজার কেজি চা উত্তোলন করা হয়েছিল। এর মধ্যে প্রায় ৫০ শতাংশ চা বিক্রি হয়েছে। যে ৫৬ হাজার কেজি চা নিলামে উত্তোলন করা হয় তার মধ্যে শ্রীমঙ্গল ব্রোকার্স লিমিটেডের মাধ্যমে নিলামে উত্তোলন হয় ৩৮ হাজার ৩৫৬ কেজি। বাকি সাড়ে ১৭ হাজার কেজি চা উত্তোলন করেন সোনার বাংলা ব্রোকার্স লিমিটেড, জালালাবাদ টি ব্রোকার্স লিমিটেড, রূপসী বাংলা টি ব্রোকার্স লিমিটেড ও জি.এস ব্রোকার্স লিমিটেড এ চারটি প্রতিষ্ঠান।’
শ্রীমঙ্গলস্থ চা নিলাম কেন্দ্রের সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, ‘২০২২ সালে শ্রীমঙ্গলস্থ দেশের দ্বিতীয় চা নিলাম কেন্দ্রে মোট ১৭টি চা নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। চলতি বছর অর্থাৎ ২০২৩ সালের চা মৌসুমে চট্টগ্রামে প্রথম নিলাম সম্পন্ন হয় ১৭ এপ্রিল। এ নিলাম কেন্দ্রে এবার চা মৌসুমে মোট ২৩টি নিলাম অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ।
চলতি মৌসুমে দেশে সর্বোচ্চ লবণ উৎপাদনের রেকর্ড
চলতি মৌসুমে দেশে গত ৬২ বছরের মধ্যে লবণ উৎপাদনে রেকর্ড হয়েছে। যা দেশের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ।
বুধবার (২৬ এপ্রিল) সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) ১০ হাজার ৯৩০ মে. টন লবণ উৎপাদনের মাধ্যমে চলতি মৌসুমে মোট লবণ উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়ায় ১৮ লাখ ৩৯ হাজার মেট্রিক টন। যা বিগত ৬২ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। ওই বছরে লবণ উৎপাদনের সর্বোচ্চ রেকর্ড ছিল ১৮ লাখ ৩২ হাজার মেট্রিক টন। চলতি লবণ মৌসুমে মোট লবণ চাষকৃত জমির পরিমাণ ৬৬ হাজার ৪২৪ একর, গত বছর ছিল ৬৩ হাজার ২৯১ একর। গত বছরের তুলনায় এ বছর লবণ চাষের জমি বৃদ্ধি পেয়েছে ৩ হাজার ১৩৩ একর। চলতি লবণ মৌসুমে লবণ চাষির সংখ্যা ৩৯ হাজার ৪৬৭ জন, যা গত বছর ছিল ৩৭ হাজার ২৩১ জন। গত বছরের তুলনায় এ বছর লবণ চাষির সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে ২ হাজার ২৩৬ জনে।
এতে আরও বলা হয়, লবণ আমদানি না করে দেশে লবণ উৎপাদনের মাধ্যমে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষ্যে চলতি লবণ মৌসুমে ১ মাস আগেই লবণ চাষিদের মাঠে নামানো হয়। গত লবণ মৌসুমে প্রথম লবণ উৎপাদন শুরু হয় ২০২১ সালের ৩০ নভেম্বরে। চলতি লবণ মৌসুমে লবণ উৎপাদন শুরু হয় ২০২২ সালের ২৪ অক্টোবরে। লবণ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষ্যে স্বল্পমেয়াদী (১ বছর), মধ্যমেয়াদী (১-৫ বছর) এবং দীর্ঘমেয়াদী (৫ বছরের ঊর্ধ্বে) কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী আধুনিক পদ্ধতিতে লবণ চাষিদের অগ্রিম লবণ চাষে উদ্বুদ্ধকরণ ও প্রশিক্ষণ, লবণ চাষের নতুন এলাকা চিহ্নিতকরণ এবং সম্প্রসারণ, সহজ শর্তে লবণ চাষিদের ঋণ প্রদান, একরপ্রতি লবণ উৎপাদন বৃদ্ধিকরণ, প্রকৃত লবণ চাষিদের নিকট বরাদ্দকরণ, লবণ চাষের জমির লীজ মূল্য নির্ধারণ, লবণ চাষের জমি সংরক্ষণ, আধুনিক পদ্ধতিতে লবণ উৎপাদনে প্রদর্শনী ও উৎপাদিত লবণের মান নিয়ন্ত্রণে কারিগরি সহায়তা প্রদান, জরিপ পরিচালনা, লবণ চাষ এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ এবং লবণ উৎপাদন, মজুদ ও মূল্য নিয়ন্ত্রণে নিয়মিতভাবে মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
চলতি লবণ মৌসুমে লবণ উৎপাদন চলমান রয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ২০ লাখ মেট্রিক টনের অধিক লবণ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।
জাতীয় লবণনীতি, ২০২২ অনুযায়ী শিল্প মন্ত্রণালয়ের দিকনির্দেশনায় বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক) লবণ শিল্পের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে থাকে।
১৯৬১ সাল থেকে বিসিকের মাধ্যমেই দেশে পরিকল্পিতভাবে লবণ উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হয়। বর্তমানে কক্সবাজারে অবস্থিত বিসিকের লবণ শিল্পের উন্নয়ন কর্মসূচি কার্যালয়ের আওতাধীন ১২টি লবণ কেন্দ্রের মাধ্যমে কক্সবাজার জেলার সব উপজেলায় এবং চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে লবণ চাষের জন্য লবণ চাষিদের প্রশিক্ষণ, ঋণ প্রদান এবং প্রযুক্তি সম্প্রসারণসহ সার্বিক সহায়তা দেওয়া হয়।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য