শিরোনাম
বিটিআসির ৯০১০ কোটি টাকা লুটপাট
দুদকের সাবেক কমিশনার সহ ৬ জনের বিরুদ্ধে খোদ দুদকের মামলা
আন্তর্জাতিক ইনকামিং কলের টার্মিনেশন রেট ও রেভিনিউ শেয়ার বেআইনিভাবে কমিয়ে রাষ্ট্রের ৯ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি করার অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সাবেক কমিশনার মো. জহুরুল হক ও বিটিআরসির সাবেক চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি বোসসহ ছয় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
উল্লেখ্য মো: জহরুল হক দুর্নীতি দমন কমিশনের সাবেক কমিশনার। একজন সাবেক কমিশনারের বিরুদ্ধে দুদকের এমন পদক্ষেপকে ইতিবাচক ভাবে দেখা হচ্ছে।
বুধবার (০৩ ডিসেম্বর) দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) আকতারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দুদকের সাবেক কমিশনার মো: জহরুল হকের সাথে এই মামলায় অন্যান্য আসামিরা হলেন- বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি বোস, প্রাক্তন ভাইস চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো: আহসান হাবিব খান, সাবেক চেয়ারম্যান ড. শাহজান মাহমুদ, সাবেক কমিশনার মো: রেজাউল কাদের, সাবেক কমিশনার মো: আমিনুল হাসান।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন না করে সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে টেলিকমিউনিকেশন অথরিটি হিসেবে বেআইনি কর্মকান্ডের মাধ্যমে সরকার তথা রাষ্ট্রের ৯০১০ কোটি ৭৪ লক্ষ ৪৮ হাজার ০৫৮ টাকা ক্ষতিসাধন করেন। সাবেক এই কর্মকর্তাগণ অক্টবর ২০১৫ থেকে জানুয়ারী ২০১৮ পর্যন্ত সময়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের দায়িত্ব পালনকালে আইন মোতাবেক সরকারের অনুমোদন ব্যতীত তথা সংশ্লিষ্ট আইন, গাইডলাইন্স এবং সরকারী আদেশ-নির্দেশ লংঘণপূর্বক সরকারী স্বার্থ/রাজস্বের ক্ষতিসাধন করত: নিজেরদকে কিংবা অন্যদেরকে (IGW অপারেটর মালিকগন) আর্থিকভাবে লাভবান করার অসৎ উদ্দেম্যে অপরাধজন বিশ্বাসভঙ্গ ও তাদের স্বীয় ক্ষমতা অপব্যাহারের মাধ্যমে IGW অপারেটর কর্তৃক আন্তর্জাতিক ইনকামিং কল আনয়নের ক্ষেত্রে ১৮/০৯/২০১৪ থেকে ৩০/০৯/২০১৫ পর্যন্ত ১ বছরের জন্য অস্থায়ী এবং পরীক্ষামূলভাবে নির্ধারিত প্রতি কল মিনিট টার্মিনেশন রেট ০.০৩ মার্কিন ডলারের স্থানে ০.০১৫ মার্কিন ডলার, সরকার/ বিটিআরসি’র রেভিনিউ শেয়ারিং ৫১.৭৫% এর স্থলে ৪০% এবং IGW অপারেটর এর রেভিনিউ শেয়ারিং ১৩.২৫% এর স্থলে ২০% বর্নিত পরীক্ষামূলক ১ বছর পরবর্তী অক্টোবর ২০১৫ হতে জানুয়ারী ২০১৮ পর্যন্ত মোট ২৮ মাস বেআইনীভাবে বহাল রাখে।
ফলে (১) রেভিনিউ শেয়ারিংয়ে কম-বেশী করায় সরকারের আর্থিক ক্ষতিসাধন হয় ৩৮৩ কোটি ৭৩ লক্ষ ৮৩ হাজার ৪৩৬ টাকা, (২) কম রেটে কল আনায় সরকারের আর্থিক ক্ষতিসাধন হয় ২৯৪১ কোটি ৯৯ লক্ষ ৩৯ হাজার ৬৭৪ টাকা এবং (৩) মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন থেকে বঞ্চিত হওয়ায় কিংবা দেশে আনয়নের জন্য সরকার কর্তৃক নিয়ম মোতাবেক যে কল হার নির্ধারিত ছিল তা বিদেশ হতে দেশে আনয়ন না করায় রাষ্ট্র তথা সরকারের আর্থিক ক্ষতিসাধন হয় ৭২ কোটি ১০ লক্ষ,৯৯ হাজার, ০৬৯ মার্কিন ডলার যা বাংলাদেশী মুদ্রায় ৫৬৮৫ কোটি ১ লক্ষ, ২৪ হাাজার ৯৭৫ টাকা দাড়ায়।
এতে দেখা যায় বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) কর্তৃপক্ষের বেআইনী কর্মকান্ডের কারণে বিভিন্নভাবে রাষ্ট্র তথা সরকারের সর্বমোট ৯০১০ কোটি ৭৪ লক্ষ, ৪৮ হাজার ০৮৫ টাকা আর্থিক ক্ষতিসাধন হয়।
আর এই বিপুল পরিমান আর্থিক ক্ষতিসাধনের প্রেক্ষিতে দুদকের সাবেক কমিশনার মো: জহরুর হক সহ ৬ জনের বিরুদ্ধে দন্ডবিধি ৪০৯/৪১৮ ধারা, ১৯৪৭ এর দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা সহ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪ (২,৩) ধারায় একটি মামলা দায়ের করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
দুদকের মামলা
প্লট দুর্নীতির তিন মামলায় শেখ হাসিনার ২১ বছরের কারাদণ্ড
প্লট দুর্নীতির তিন মামলায় শেখ হাসিনার ২১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় ঢাকার বিশেষ জজ-৫ এর বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন এ রায় দেন।
এদিকে রায়কে কেন্দ্র ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যসহ বিজিবি সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।
এর আগে গত রোববার এসব মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে থাকা একমাত্র আসামি রাজউকের সাবেক সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) মোহাম্মদ খুরশীদ আলমের পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য এ দিন ধার্য করেন আদালত। অপর আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন হয়নি। তারা আত্মপক্ষ শুনানিতে নিজেদের নির্দোষ দাবি করতে পারেননি।
দুদক প্রসিকিউটর খান মো. মাইনুল হাসান (লিপন) জানান, আমরা আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রত্যাশা করেছি।
অপরদিকে আসামি খুরশীদ আলমের আইনজীবী শাহীনুর রহমান বলেন, দুদক আমার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়নি।
আদালত সূত্রে জানা যায়, প্লট বরাদ্দের দুর্নীতির অভিযোগে গত জানুয়ারিতে পৃথক ৬ মামলা করে দুদক। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ (পুতুল), বোন শেখ রেহানা, রেহানার মেয়ে ও ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক, ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ও অপর মেয়ে আজমিনা সিদ্দিকসহ আরও অনেককে আসামি করা হয়।
শেখ পরিবার ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন, জাতীয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকার, অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) কাজী ওয়াছি উদ্দিন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম সরকার, সিনিয়র সহকারী সচিব পূরবী গোলদার, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান মো. আনিছুর রহমান মিঞা, সাবেক সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, সদস্য (প্রশাসন ও অর্থ) কবির আল আসাদ, সদস্য (উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ) তন্ময় দাস, সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) মো. নুরুল ইসলাম, সাবেক সদস্য (পরিকল্পনা) মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, সাবেক সজর (ইঞ্জিনিয়ার) সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী (অব.), পরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-২) শেখ শাহিনুল ইসলাম, উপপরিচালক মো. হাফিজুর রহমান, হাবিবুর রহমান, সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ ও প্রধানমন্ত্রীর সাবেক একান্ত সচিব সালাউদ্দিন।
গত ৩১ জুলাই ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন তিন মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। অপরদিকে বাকি ৩ মামলায় ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪-এর বিচারক মো. রবিউল আলম আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।
মামলাগুলোর সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ জানুয়ারি শেখ হাসিনাসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন দুদকের উপ পরিচালক সালাহউদ্দিন। তদন্ত শেষে ১০ মার্চ তদন্তে পাওয়া আরো চারজনসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া।
মামলার অপর আসামিরা হলেন- সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ, জাতীয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাবেক সিনিয়র সহকারী সচিব পূরবী গোলদার, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান মো. আনিছুর রহমান মিঞা, সাবেক সদস্য (উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ) শফি উল হক, সাবেক সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, সাবেক সদস্য (পরিকল্পনা) মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, সাবেক মেজর সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী, নায়েব আলী শরীফ, সাইফুল ইসলাম সরকার, কাজী ওয়াছি উদ্দিন ও শহীদ উল্লা খন্দকার।
এদিকে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল ও শেখ হাসিনাসহ ১৬ জনকে আসামি করে গত ১২ জানুয়ারি মামলা করেন দুদকের সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া। তদন্তে পাওয়া আরো দুই আসামিসহ মোট ১৮ জনের বিরুদ্ধে ১০ মার্চ অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা আফনান জান্নাত কেয়া।
শেখ হাসিনা ও পুতুল ছাড়া অভিযুক্ত অন্যরা হলেন- জাতীয় গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম সরকার, জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব পুরবী গোলদার, অতিরিক্ত সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন, সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকার, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যানের পিএ মো. আনিছুর রহমান মিঞা, রাজউকের সাবেক সদস্য মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, কবির আল আসাদ, তন্ময় দাস, মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, অবসরপ্রাপ্ত মেজর (ইঞ্জিনিয়ার) সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী, মো. নুরুল ইসলাম, পরিচালক শেখ শাহিনুল ইসলাম, উপপরিচালক মো. হাফিজুর রহমান, হাবিবুর রহমান, মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন ও শরীফ আহমেদ। শেষের দুজন তদন্তে আসা আসামি।
এছাড়া সজিব ওয়াজেদ জয়ের প্লট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগে তিনি এবং তার মা শেখ হাসিনাসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে ১৪ জানুয়ারি মামলা করেন দুদকের সহকারী পরিচালক এস এম রাশেদুল হাসান। তদন্তে নাম আসা আরো দুজনসহ মোট ১৭ জনের বিরুদ্ধে ২৪ মার্চ অভিযোগপত্র দাখিল করেন রাশেদুল হাসান।
অন্য আসামিরা হলেন-গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম সরকার, সিনিয়র সহকারী সচিব পূরবী গোলদার, অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) কাজী ওয়াছি উদ্দিন ও সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকার, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যানের পিএএ মো. আনিছুর রহমান মিঞা, সাবেক সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, সদস্য তন্ময় দাস, (উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ), সাবেক সদস্য মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, সদস্য (উন্নয়ন) অবসরপ্রাপ্ত মেজর সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী, সহকারী পরিচালক মাজহারুল ইসলাম, উপ-পরিচালক নায়েব আলী শরীফ, পরিচালক মো. কামরুল ইসলাম, পরিচালক মো. নুরুল ইসলাম ও মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, সরকারের সর্বোচ্চ পদে থাকাকালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবার ক্ষমতার অপব্যবহার করেন। অযোগ্য হলেও তারা পূর্বাচল আবাসন প্রকল্পের ২৭ নম্বর সেক্টরে ১০ কাঠা করে প্লট বরাদ্দ নেন।
সিলেটে দুদকের ১৯১তম গণশুনানি অনুষ্ঠিত
জনসচেতনতা বৃদ্ধি, সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত দপ্তর-সংস্থাসমূহে সেবার মান বৃদ্ধি, সেবাগ্রহিতাদের হয়রানী রোধ এবং দুর্নীতি প্রতিরোধের লক্ষ্যে কবি নজরুল অডিটোরিয়াম, রিকাবিবাজার, সিলেটে সমন্বিত জেলা কার্যালয় সিলেট আয়োজিত দুদকের ১৯১তম গণশুনানি শুরু হয়েছে।
গণশুনানিতে প্রধান অতিথি হিসেবে দুর্নীতি দমন কমিশনের মাননীয় চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন উউপস্থিত আছেন। এছাড়া দুর্নীতি দমন কমিশনের মাননীয় কমিশনার (তদন্ত) মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী এবং দুদক সচিব মোহাম্মদ খালেদ রহীম বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত আছেন।
মেহেরপুর সদর উপজেলা কৃষি অফিসে দুদকের এনফোর্সমেন্ট অভিযান
মেহেরপুর সদর উপজেলা কৃষি অফিসে কৃষকদের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাতসহ নানাবিধ অনিয়মের অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয়, কুষ্টিয়া হতে অপর একটি এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানকালে দেখা যায় যে, গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ ফসলের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে উৎসাহিত করার জন্য মেহেরপুর সদরে ৪০০০ কৃষকের মধ্যে বিঘা প্রতি ১ কেজি পেয়াজের বীজ মূল্য ২২০০ টাকা, ডিএপি সার ২০ কেজি মূল্য ৩৮০ টাকা, এম ও পি সার মূল্য ৩৬০ টাকা, বালাইনা ১ কেজি ৩৫৫ টাকা, পরিবহন ব্যয় ৬৩ টাকা অন্যান্য খরচ ৪২ টাকা মোট ৩৪০০ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এ সংক্রান্ত আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ যাচাইয়ের নিমিত্ত সকল বরাদ্দের কপি, বিতরণের কপি ও অন্যান্য বিল ভাউচারের কপি সংগ্রহ করা হয়েছে।
রেকর্ডপত্রসমূহ পর্যালোচনাপূর্বক টিম কর্তৃক কমিশন বরাবর বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।
ঢাকার গণপূর্ত ই-এম বিভাগে দুদকের এনফোর্সমেন্ট অভিযান
গণপূর্ত অধিদপ্তরের আওতাধীন গণপূর্ত ই-এম বিভাগ-৩ এর অসাধু কর্মকর্তা ও ঠিকাদার কর্তৃক পারস্পরিক যোগযাজশে কাজ না করেই বিল উত্তোলনপূর্বক রাষ্ট্রীয় সম্পদ আত্মসাতের অভিযোগের প্রেক্ষিতে আজ দুর্নীতি দমন, প্রধান কার্যালয়, ঢাকা হতে একটি এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়।
আজ (১০ নভেম্বর, ২০২৫)এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানকালে উক্ত দপ্তরের অসাধু কর্মকর্তা কর্তৃক ঠিকাদারের নিকট দশ লাখ টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কর্তৃপক্ষের বক্তব্য গ্রহণ করা হয়। অতঃপর গণপূর্ত ই-এম বিভাগ-৩ ও অভ্যন্তরীন তদন্ত টিমের নিকট হতে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে।
সংগৃহীত রেকর্ডপত্র পর্যালোচনাপূর্বক এনফোর্সমেন্ট টিম কমিশন বরাবর বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করবে বলে জানা যায়
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য