শিরোনাম
৩টি অভিযোগে প্রেক্ষিতে দুদক এনফোর্সমেন্ট ইউনিটের অভিযান
দুদক এনফোর্সমেন্ট ইউনিট হতে আজ (৩১-০৮-২০২৫ খ্রি.) ৩টি অভিযোগের বিষয়ে এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়। সুস্পষ্ট অভিযোগের প্রেক্ষিতে অভিযানগুলো পরিচালিত হয়।
অভিযান ০১:
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)-তে নিবন্ধন ছাড়াই টিভ্যাস সেবার অনুমোদন, রাজস্ব ফাঁকি, বন্ধ করপোরেট সিম সচলের আশ্বাস দিয়ে ঘুস গ্রহণ, সভা আয়োজনের নামে রাষ্ট্রীয় অর্থ আত্মসাতসহ নানাবিধ দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন, প্রধান কার্যালয় হতে একটি এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালিত হয়। এনফোর্সমেন্ট টিম সরেজমিনে বিটিআরসি সদর দপ্তরে উপস্থিত হয়ে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট নথি পর্যালোচনা এবং প্রাসঙ্গিক বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে। প্রাথমিক পর্যালোচনায় কয়েকটি অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পরিলক্ষিত হয়। প্রাপ্ত রেকর্ডপত্রসমূহ পূর্ণাঙ্গরূপে বিশ্লেষণপূর্বক টিম কর্তৃক কমিশন বরাবর বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।
অভিযান ০২:
ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে বিভিন্ন প্রকল্পের বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাতসহ নানাবিধ দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয়, বরিশাল হতে অপর একটি এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে টিআর, কাবিখা, কাবিটা কর্মসূচী'র মাধ্যমে সম্পাদিত কয়েকটি প্রকল্প পরিদর্শন করা হয়। পরিদর্শনকালে দেখা যায় যে, অদ্যাবধি আংশিক কাজ করা হয়েছে এমন বেশ কয়েকটি প্রকল্পের চুড়ান্ত বিল জুন, ২০২৫ খ্রি. তারিখের মধ্যে উত্তোলন করা হয়েছে। এমনকি কোনো কোনো প্রকল্পের কাজ না করেই নানাবিধ অনিয়ম ও দুনীতির মাধ্যমে অর্থ উত্তোলনপূর্বক আত্মসাৎ করা হয়েছে এরূপ প্রাথমিক তথ্য-প্রমাণ পায় দুদক টিম। অভিযানকালে সংগৃহীত রেকর্ডপত্র পর্যালোচনাপূর্বক কমিশন বরাবর বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করবে এনফোর্সমেন্ট টিম।
অভিযান ০৩:
বগুড়া জেলার নন্দীগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাসেবা প্রদানে নানাবিধ হয়রানি ও অনিয়মের অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন, জেলা কার্যালয়, বগুড়া কর্তৃক অপর একটি এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান পরিচালনাকালে টিম স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিভিন্ন ওয়ার্ড পরিদর্শন করে এবং রোগীদের সাথে কথা বলে। এছাড়াও টিম কর্তৃক স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রক্ষিত বিভিন্ন রেজিস্টার যাচাই করা হয়। প্রাথমিক পর্যালোচনায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জনবলের সংকট রয়েছে মর্মে টিম পরিলক্ষিত করে। অভিযানকালে প্রাপ্ত তথ্য এবং সেবাগ্রহীতাদের মতামতের আলোকে স্বাস্থ্য সেবার মান উন্নীতকরণে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তাকে পরামর্শ প্রদান করে দুদক টিম। অন্যান্য অভিযোগের বিস্তারিত যাচাইয়ের জন্য টিম কর্তৃক বিভিন্ন রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করা হয়। রেকর্ডপত্রসমূহ পর্যালোচনাপূর্বক টিম কমিশন বরাবর পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিল করবে।
ইসলামী ব্যাংকের ১৬০০ কোটি টাকা গায়েব, এস আলমের বিরুদ্ধে দুদকের দুই মামলা
চট্টগ্রামে এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম মাসুদসহ ৪০ জনের বিরুদ্ধে দুটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। একটি মামলায় ৯ জনের বিরুদ্ধে ৫৪৮ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ করা হয়েছে। অন্যটিতে ৯টি নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের নামে ১ হাজার ৭৭ কোটি ১১ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।
দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মাহমুদুল হাসান ও উপপরিচালক মুনাবীল হক চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এ পৃথক মামলা দুটি করেন। দুর্নীতি দমন কমিশন চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এর উপপরিচালক সুবেল আহমেদ মামলা দুটির বিষয় নিশ্চিত করেছেন।
এক মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০১৭ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে আসামিরা এস আলম গ্রুপের মালিকানাধীন ইসলামী ব্যাংকের বিভিন্ন শাখা থেকে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ৫৪৮ কোটি টাকা মেহের স্পিনিং, টপ টেন ট্রেডিং, গোল্ড স্টার ট্রেডিং ও আলম ট্রেডিংয়ের বিভিন্ন ব্যাংকের হিসাব নম্বরে স্থানান্তর করেন।
এরপর সে টাকা নেওয়া হয় এস আলম গ্রুপের প্রতিষ্ঠান এস আলম সুপার এডিবল অয়েল, সোনালী ট্রেডার্স, এস আলম ভেজিটেবল অয়েল, এস আলম রিফাইন্ড সুগার ও এস আলম সুপার এডিবল অয়েলের নামে ইসলামী ব্যাংকের খাতুনগঞ্জ শাখায় চলতি হিসাবে। এরপর সে টাকা পাচার করা হয়েছে বলে দুদকের তদন্তে তথ্যপ্রমাণ মিলেছে।
অপর মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, সাইফুল আলম ইসলামী ব্যাংকের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও মেসার্স আদিল করপোশন নামের নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারীর সঙ্গে যোগসাজশ করে জাল-জালিয়াতির আশ্রয় নেন। তিনি ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে ঋণ প্রস্তাব অনুমোদন করান।
এ ছাড়া সিআইবি রিপোর্ট গ্রহণ, প্যানেল আইনজীবীর আইনি মতামত, প্রস্তাবিত জামানত সম্পত্তির মূল্যায়ন, গ্রাহকের সক্ষমতা ও ঋণের যোগ্যতা সঠিকভাবে যাচাই না করে ২০১৭ সালের ১০ সেপ্টেম্বর ৪০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ প্রস্তাব পাস করান। এই অনুমোদিত বিনিয়োগ বা ঋণসীমা ২০১৭ সালে ৪০০ কোটি টাকা থাকলেও বিভিন্ন সময়ে নিয়মবহির্ভূতভাবে ঋণসীমা বাড়ে। বর্তমানে এর পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২৮১ কোটি ৪৫ লাখ টাকায়।
২০২২ সালের ৮ নভেম্বর থেকে ২০২৩ সালের ২৯ আগস্ট পর্যন্ত ২৯টি ডিলের মাধ্যমে ক্রাফট বিজনেস অ্যান্ড ট্রেডিং হাউস, ইউনিক ট্রেডার্স অ্যান্ড বিজনেস হাউসসহ মোট ৯টি নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানকে ১ হাজার ৭৭ কোটি ১১ লাখ টাকা দেওয়া হয়। পরে তা এস আলমের বিভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান—এস আলম অ্যান্ড কোম্পানি, এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিল, চেমন ইস্পাত, গ্লোবাল ট্রেডিংসহ এস আলমের ভাইয়ের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে আত্মসাতের উদ্দেশ্যে স্থানান্তর করা হয়।
নির্বাচনে কালো টাকা ব্যবহারকারীদের প্রত্যাখ্যান করুন: দুদক চেয়ারম্যান
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে যারা কালো টাকা ব্যবহার করবেন, তাদেরকে প্রত্যাখ্যান করার আহ্বান জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ড. আব্দুল মোমেন।
আজ সোমবার (২৫ আগস্ট) সেগুনবাগিচায় দুদক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, "নির্বাচনে নানা কারণে টাকা খরচ বেড়ে যায়। আমাদের দেশে ভোটার কেনার প্রবণতাও আছে। টাকা-পয়সার খরচ বাড়ার দুটি দিক আছে—একটি ডিমান্ড সাইড, আরেকটি সাপ্লাই সাইড। সাপ্লাই সাইড বন্ধ করতে হবে। এক্ষেত্রে ব্যাংকের ভূমিকা আছে, আমাদেরও (দুদকের) ভূমিকা আছে। আমরা চেষ্টা করব যতটা সম্ভব নিয়ন্ত্রণে রাখতে।"
তিনি আরও বলেন, "অবৈধ টাকার প্রবাহ বেড়ে গেলে একপর্যায়ে তা মুদ্রাস্ফীতি তৈরি করতে পারে।"
নির্বাচনের সম্পদ বিবরণীতে প্রার্থীরা ভুয়া তথ্য দিলে তার বিরুদ্ধে তথ্য দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, "হলফনামা দাখিলের পর আমাদের হাতে সময় কম থাকে। এক্ষেত্রে যদি কারও তথ্য থাকে যে কোনো প্রার্থী তথ্য গোপন করেছেন, তা আমাদের সঙ্গে শেয়ার করবেন।"
এছাড়া, তিনি সবাইকে এখন থেকেই 'দুর্নীতিগ্রস্ত এমপি প্রার্থী চাই না' বলে আওয়াজ তোলার আহ্বান জানান।
সরকার একটি সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, "সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ একটি ভালো নির্বাচন দিতে। আশা করছি নির্ধারিত সময়েই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।"
ভুয়া টেন্ডার ও বিল প্রস্তুত
গাজীপুরের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে দুদকের মামলার সিদ্ধান্ত
গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মো. জাহাঙ্গীর আলমসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মামলা দায়েরের সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছে।
আজ মঙ্গলবার দুদক সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়।
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলম ও প্রধান হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা গোলাম কিবরিয়া পরস্পর যোগসাজশে ভুয়া টেন্ডার ও বিল প্রস্তুতপূর্বক নিজস্ব ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কাজ দিয়ে সরকারি উন্নয়ন তহবিল ও সিটি কর্পোরেশনের রাজস্ব তহবিল থেকে নানাবিধ অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে ২ কোটি ৬০ লাখ টাকা আত্মসাত ও বিদেশে পাচারের অভিযোগে জাহাঙ্গীর আলমসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে দুদক কর্তৃক মামলার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক মোঃ আশিকুর রহমান এজাহারটি দায়ের করেন।
এজহারে বলা হয়েছে , আসামি (১) মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম , সাবেক মেয়র, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন (২) মোঃমোতালিব হোসেন (৬০), ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সাবেক শাখা ব্যবস্থাপক, প্রিমিয়ার ব্যাংক লিঃ,কোনাবাড়ি শাখা, গাজীপুর; (৩) শামীম হোসাইন (৪১), পিতাঃ ইমাইতুলস্নাহ হোসেন (৪) মোঃ আশরাফুল আলম রানা ওরফে রবিন (৫) মোঃ শহিদুল ইসলাম (৬) প্লটু চাকমা (৭) মোঃ মোকলেছুর রহমান (মুকুল) (৫৩), সার্ভেয়ার (চুক্তিভিত্তিক), অঞ্চল-৬, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন, ব্যক্তিগন অসৎ উদ্দেশ্যে অন্যায়ভাবে লাভবান হওয়ার অভিপ্রায়ে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ ও অপরাধমূলক অসদাচরনের মাধ্যমে প্রতারণামূলকভাবে অভিনব উপায়ে প্রিমিয়ার ব্যাংক লিঃ, কোনাবাড়ি শাখা, গাজীপুর-এ "গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন" নামীয় ভুয়া ব্যাংক হিসাব খুলে পরস্পর যোগসাজসে একে অপরের সহায়তায় গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের মোট ২,৬০,২৪,৯৯৫.৫০ (দুই কোটি ষাট লক্ষ চব্বিশ হাজার নয়শত পঁচানব্বই টাকা পঞ্চাশ পয়সা) টাকা আত্মসাত করতঃ দন্ডবিধির ৪০৯/৪২০/১০৯ ধারা তৎসহ ১৯৪৭ সনের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন এর ৫(২) ধারায় শান্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।
এক্সিম ব্যাংকের ‘৮৫৮ কোটি আত্মসাৎ’: সাবেক চেয়ারম্যান সহ ২১ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা
ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে ঋণ অনুমোদন করে এক্সিম ব্যাংকের ৮৫৭ কোটি ৯৩ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদারসহ ২১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক।আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ব্যাংক খাতে আলোচনায় ছিলেন তিনি। ২০২৪ সালে ক্ষমতার পালাবদলের পর ১ অক্টোবর গুলশান থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ডিবি।
দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১ এ সংস্থাটির সহকারী পরিচালক শাহজাহান মিরাজ এ মামলা করেন। দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন গণমাধ্যমে এ তথ্য দিয়েছেন।
তার বিরুদ্ধে দুদকের এ মামলায় আসামি তালিকায় আরও রয়েছেন- ‘মদিনা ডেটস অ্যান্ড নাটস’ এর প্রোপ্রাইটর মোজাম্মেল হোসাইন, এক্সিম ব্যাংকের সাবেক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও শাখা ব্যবস্থাপক মো. আসাদ মালেক, সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট ও দ্বিতীয় কর্মকর্তা মোসা. জেবুন্নেসা বেগম, সিনিয়র অফিসার ও ইনভেস্টমেন্ট রিস্ক ম্যানেজমেন্ট অফিসার কাওসার আহমেদ, ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আরমান হোসেন, সাবেক এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. আনিছুল আলম, অ্যাডিশনাল ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. ইছরাইল খান ও মো. মঈদুল ইসলাম, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মাকসুদা খানম ও মো. জসিম উদ্দিন ভূইয়া।
এ ছাড়া সাবেক অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর শাহ মো. আব্দুল বারি, সাবেক অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিএফও মো. হুমায়ুন কবীর, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফিরোজ হোসেন, সাবেক পরিচালক ও বর্তমানে চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম স্বপন, সাবেক পরিচালক মো. আব্দুল্লাহ, পরিচালক মো. নুরুল আমিন, পরিচালক অঞ্জন কুমার সাহা, সাবেক স্বতন্ত্র পরিচালক মো. নাজমুস ছালেহিন এবং সাবেক স্বতন্ত্র পরিচালক মিয়া মোহাম্মদ কাওছার আলমও রয়েছেন তালিকায়।
এজাহারে দুদক বলেছে, ‘মদিনা ডেটস অ্যান্ড নাটস’ শাখার অসম্পূর্ণ ঋণ প্রস্তাবের বিষয়ে কোনো যাচাই, সম্ভাব্যতা যাচাই বা স্টক রিপোর্ট ছাড়াই এবং জামানতের বিষয়টি থাকলেও আসামিরা যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার, অসদাচরণ ও বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে ঋণ অনুমোদনের সুপারিশ করেন। তারা ইনভেস্টমেন্ট রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য ও সভাপতি হিসেবে ঋণ অনুমোদনের সুপারিশ, বোর্ড মেমো পাঠানো এবং বোর্ডের অনুমোদন করিয়ে বিপুল অর্থ আত্মসাৎ করেন।
তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারা, ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ৫(২) ধারা এবং ২০১২ সালের মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ৫ অগাস্ট সরকার পতনের পর আওয়ামী লীগ নেতাদের মত ব্যাংক খাতের উদ্যোক্তাদের কেউ কেউ আত্মগোপনে চলে যান। ক্ষমতার পালাবদলে ব্যাংক খাতে পরিবর্তনের অংশ হিসেবে গত ২৯ অগাস্ট এক্সিম ব্যাংকে তাকে বাদ দিয়ে নতুন পরিচালনা পর্ষদ গঠন করে দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। তাতে বিএবির নেতৃত্বও হারান তিনি।
উল্লেখ্য নাসা গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার ব্যাংক মালিকদের সংগঠন বিএবিরও সাবেক চেয়ারম্যান।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য