ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

ভুয়া টেন্ডার ও বিল প্রস্তুত

গাজীপুরের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে দুদকের মামলার সিদ্ধান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৯ আগস্ট, ২০২৫ ১৫:৭
নিজস্ব প্রতিবেদক
গাজীপুরের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে দুদকের মামলার সিদ্ধান্ত

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মো. জাহাঙ্গীর আলমসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মামলা দায়েরের সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছে।


আজ মঙ্গলবার দুদক সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়।


গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলম ও প্রধান হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা গোলাম কিবরিয়া পরস্পর যোগসাজশে ভুয়া টেন্ডার ও বিল প্রস্তুতপূর্বক নিজস্ব ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কাজ দিয়ে সরকারি উন্নয়ন তহবিল ও সিটি কর্পোরেশনের রাজস্ব তহবিল থেকে নানাবিধ অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে ২ কোটি ৬০ লাখ টাকা আত্মসাত ও বিদেশে পাচারের অভিযোগে জাহাঙ্গীর আলমসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে দুদক কর্তৃক মামলার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।


দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক মোঃ আশিকুর রহমান এজাহারটি দায়ের করেন।


এজহারে বলা হয়েছে , আসামি (১) মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম , সাবেক মেয়র, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন (২) মোঃমোতালিব হোসেন (৬০), ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সাবেক শাখা ব্যবস্থাপক, প্রিমিয়ার ব্যাংক লিঃ,কোনাবাড়ি শাখা, গাজীপুর; (৩) শামীম হোসাইন (৪১), পিতাঃ ইমাইতুলস্নাহ হোসেন (৪) মোঃ আশরাফুল আলম রানা ওরফে রবিন (৫) মোঃ শহিদুল ইসলাম (৬) প্লটু চাকমা (৭) মোঃ মোকলেছুর রহমান (মুকুল) (৫৩), সার্ভেয়ার (চুক্তিভিত্তিক), অঞ্চল-৬, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন, ব্যক্তিগন অসৎ উদ্দেশ্যে অন্যায়ভাবে লাভবান হওয়ার অভিপ্রায়ে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ ও অপরাধমূলক অসদাচরনের মাধ্যমে প্রতারণামূলকভাবে অভিনব উপায়ে প্রিমিয়ার ব্যাংক লিঃ, কোনাবাড়ি শাখা, গাজীপুর-এ "গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন" নামীয় ভুয়া ব্যাংক হিসাব খুলে পরস্পর যোগসাজসে একে অপরের সহায়তায় গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের মোট ২,৬০,২৪,৯৯৫.৫০ (দুই কোটি ষাট লক্ষ চব্বিশ হাজার নয়শত পঁচানব্বই টাকা পঞ্চাশ পয়সা) টাকা আত্মসাত করতঃ দন্ডবিধির ৪০৯/৪২০/১০৯ ধারা তৎসহ ১৯৪৭ সনের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন এর ৫(২) ধারায় শান্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    এক্সিম ব্যাংকের ‘৮৫৮ কোটি আত্মসাৎ’: সাবেক চেয়ারম্যান সহ ২১ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ১৮ আগস্ট, ২০২৫ ১৩:১২
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    এক্সিম ব্যাংকের ‘৮৫৮ কোটি আত্মসাৎ’: সাবেক চেয়ারম্যান সহ ২১ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

    ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে ঋণ অনুমোদন করে এক্সিম ব্যাংকের ৮৫৭ কোটি ৯৩ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদারসহ ২১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক।আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ব্যাংক খাতে আলোচনায় ছিলেন তিনি। ২০২৪ সালে ক্ষমতার পালাবদলের পর ১ অক্টোবর গুলশান থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ডিবি।

    দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১ এ সংস্থাটির সহকারী পরিচালক শাহজাহান মিরাজ এ মামলা করেন। দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন গণমাধ্যমে এ তথ্য দিয়েছেন।


    তার বিরুদ্ধে দুদকের এ মামলায় আসামি তালিকায় আরও রয়েছেন- ‘মদিনা ডেটস অ্যান্ড নাটস’ এর প্রোপ্রাইটর মোজাম্মেল হোসাইন, এক্সিম ব্যাংকের সাবেক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও শাখা ব্যবস্থাপক মো. আসাদ মালেক, সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট ও দ্বিতীয় কর্মকর্তা মোসা. জেবুন্নেসা বেগম, সিনিয়র অফিসার ও ইনভেস্টমেন্ট রিস্ক ম্যানেজমেন্ট অফিসার কাওসার আহমেদ, ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আরমান হোসেন, সাবেক এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. আনিছুল আলম, অ্যাডিশনাল ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. ইছরাইল খান ও মো. মঈদুল ইসলাম, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মাকসুদা খানম ও মো. জসিম উদ্দিন ভূইয়া।


    এ ছাড়া সাবেক অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর শাহ মো. আব্দুল বারি, সাবেক অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিএফও মো. হুমায়ুন কবীর, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফিরোজ হোসেন, সাবেক পরিচালক ও বর্তমানে চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম স্বপন, সাবেক পরিচালক মো. আব্দুল্লাহ, পরিচালক মো. নুরুল আমিন, পরিচালক অঞ্জন কুমার সাহা, সাবেক স্বতন্ত্র পরিচালক মো. নাজমুস ছালেহিন এবং সাবেক স্বতন্ত্র পরিচালক মিয়া মোহাম্মদ কাওছার আলমও রয়েছেন তালিকায়।


    এজাহারে দুদক বলেছে, ‘মদিনা ডেটস অ্যান্ড নাটস’ শাখার অসম্পূর্ণ ঋণ প্রস্তাবের বিষয়ে কোনো যাচাই, সম্ভাব্যতা যাচাই বা স্টক রিপোর্ট ছাড়াই এবং জামানতের বিষয়টি থাকলেও আসামিরা যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার, অসদাচরণ ও বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে ঋণ অনুমোদনের সুপারিশ করেন। তারা ইনভেস্টমেন্ট রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য ও সভাপতি হিসেবে ঋণ অনুমোদনের সুপারিশ, বোর্ড মেমো পাঠানো এবং বোর্ডের অনুমোদন করিয়ে বিপুল অর্থ আত্মসাৎ করেন।


    তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারা, ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ৫(২) ধারা এবং ২০১২ সালের মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।


    ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ৫ অগাস্ট সরকার পতনের পর আওয়ামী লীগ নেতাদের মত ব্যাংক খাতের উদ্যোক্তাদের কেউ কেউ আত্মগোপনে চলে যান। ক্ষমতার পালাবদলে ব্যাংক খাতে পরিবর্তনের অংশ হিসেবে গত ২৯ অগাস্ট এক্সিম ব্যাংকে তাকে বাদ দিয়ে নতুন পরিচালনা পর্ষদ গঠন করে দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। তাতে বিএবির নেতৃত্বও হারান তিনি।


    উল্লেখ্য নাসা গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার ব্যাংক মালিকদের সংগঠন বিএবিরও সাবেক চেয়ারম্যান।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে দুদকের অভিযান

      অনলাইন ডেস্ক
      ১৮ আগস্ট, ২০২৫ ১০:৩৫
      অনলাইন ডেস্ক
      ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে দুদকের অভিযান

      ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ওয়াকিটকি কেনায় অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। 


      রবিবার এই অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুদকের উপ-পরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম।


      তিনি জানান, দরপত্রের শর্ত অনুযায়ী পর্যাপ্ত অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও একটি দেশীয় কোম্পানিকে ওয়াকিটকি কেনার জন্য কাজ দেওয়া হয়েছে। যেখানে ওই কোম্পানি একটি চীনা প্রতিষ্ঠানের সনদ ব্যবহার করেছে। দুদকের এনফোর্সমেন্ট টিম এ প্রসঙ্গে প্রধান প্রকৌশলী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও নির্বাহী প্রকৌশলীর সঙ্গে কথা বলেছে এবং গুরুত্বপূর্ণ রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করে। 


      দুদকের প্রাথমিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, ডিএনসিসির কেনা ওয়াকিটকির দাম অন্যান্য সরকারি সংস্থার তুলনায় কয়েকগুণ বেশি। বিস্তারিত যাচাইয়ের উদ্দেশে প্রকিউরমেন্ট সংক্রান্ত সব রেকর্ডপত্র চাওয়া হয়েছে। রেকর্ডপত্রগুলো পর্যালোচনা শেষে কমিশন বরাবর বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করবে অভিযানিক দল।


      নানা অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগে পল্লবী সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এই অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুদকের উপ-পরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        এস আলমের চেয়ারম্যান মাসুদসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

        অনলাইন ডেস্ক
        ১৮ আগস্ট, ২০২৫ ১:২১
        অনলাইন ডেস্ক
        এস আলমের চেয়ারম্যান মাসুদসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

        অনুমোদন ছাড়াই ৮০ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাতের অভিযোগে এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম মাসুদসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। 


        রোববার (১৭ আগস্ট) দুদক প্রধান কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আফরোজা খান বাদী হয়ে মামলাটি করেন।


        মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন- আকিজ উদ্দীন, লা-অ্যারিস্টোক্রেসি রেস্টুরেন্টের মালিক নাজমে নওরোজ, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক প্রধান কার্যালয়ের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ ওয়াসেক মো. আলী, ব্যাংকের কাজীর দেউড়ি মহিলা শাখার সাবেক শাখা ব্যবস্থাপক সৈয়দা নাজমা মালেকা, একই শাখার সাবেক শাখা ব্যবস্থাপক হুমাইয়ারা সাঈদা খানম, জেড আর জে সার্ভের স্বত্বাধিকারী শফিকুল করিম, মিশকাত ট্রেড সেন্টারের স্বত্বাধিকারী মিশকাত আহমেদ, আরিফ হাসনাইন রাবার সাপ্লায়ায়ের মালিক আরিফ হাসনাইন, নুর ট্রেডার্সের মালিক জসিম উদ্দিন, মেসার্স মায়ের দোয়া এন্টারপ্রাইজের মালিক জুয়েল মিয়া, রিমঝিম শাড়ি হাউজের স্বত্বাধিকারী জুয়েল, আগমন এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী এরশাদ সিকদার, এম এইচ এন্টারপ্রাইজের মালিক মনিরুল হক, নিউ বসুন্ধরা জুয়েলার্সের স্বত্বাধিকারী যিশু বণিক, মেসার্স আল মদিনা স্টিলের মালিক মো. আলমগীর, হক মেরিন ফিশের মালিক মাহবুবুল হক, মোহাম্মদ শাহ আলম, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম ও মোহাম্মদ ইকবাল।


        মামলায় ২০১৫ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ছয় বছরে ‘মেসার্স লা-অ্যারিস্টোক্রেসি’-এর ঋণ হিসেবে বিভিন্ন সময় ৭৯ কোটি ৯৬ লাখ ৯৮৪ টাকা নেওয়ার পর তা পরিশোধ না করে পরে টাকাগুলো নগদ, পে-অর্ডার ও বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের হিসাবে স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে পাচারের অভিযোগ আনা হয়েছে।


        দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম-১ এর উপ-পরিচালক সুবেল আহমেদ বলেন, আসামিদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২), (৩) ধারা এবং মিথ্যা তথ্য দেওয়ায় দুদক আইন, ২০০৪-এর ১৯(৩) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন

          দুর্নীতি পুরোপুরি নির্মূল সম্ভব নয়: দুদক চেয়ারম্যান

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ১১ আগস্ট, ২০২৫ ১৭:৫১
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          দুর্নীতি পুরোপুরি নির্মূল সম্ভব নয়: দুদক চেয়ারম্যান

          দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন বলেছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী, সাবেক প্রধান বিচারপতি, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ও বায়তুল মোকাররমের খতিব পালিয়ে গেছেন—এর পেছনে দুর্নীতিকেই মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। আমাদের মধ্যকার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিষয়েও খোঁজ নেওয়া উচিত। এমনকি আমার সম্পর্কেও তদন্ত করা যেতে পারে।


          সোমবার (১১ আগস্ট) সকাল ১০টায় জয়পুরহাট জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে দুর্নীতি দমন কমিশনের আয়োজনে এবং জেলা প্রশাসন ও জেলা দূর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত গণশুনানিতে তিনি এসব কথা বলেন।


          দুদক চেয়ারম্যান বলেন, দুর্নীতি পুরোপুরি নির্মূল হবে না, তবে কমিয়ে আনা সম্ভব। আমরা যদি পারস্পরিক আন্তরিক হই, তবে দুর্নীতি কমে আসবে। গণশুনানিতে আসা অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে নির্দেশ দেন তিনি।


          তিনি আরও বলেন, নিজের সন্তানের কাছে দুর্নীতিবাজ প্রমানিত হওয়ার চেয়ে পরিতাপের কিছু নেই বলেও মন্তব্য করেন দুদক চেয়ারম্যান।


          সরকারি পরিষেবা প্রাপ্তি নিশ্চিতকরণ এবং সরকারি কর্মকর্তাদের মাঝে সততা, নিষ্ঠা, জবাবদিহিতা ও মূল্যবোধ বৃদ্ধি করার মাধ্যমে দেশ থেকে দুর্নীতি নির্মূল করাই এই গণশুনানির মূল উদ্দেশ্য।


          অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক (যুগ্মসচিব) আফরোজা আক্তার চৌধুরীর সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন দুর্নীতি দমন কমিশনের মহাপরিচালক আকতার হোসেন, দুদক রাজশাহী বিভাগীয় পরিচালক ফজলুল হক, পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আবদুল ওয়াহাব, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহা. সবুর আলী প্রমুখ।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত