শিরোনাম
বড়াইগ্রামে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও দশ দলীয় জোটের গণমিছিল ও পথসভা
নাটোরের বড়াইগ্রামে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও দশ দলীয় জোটের বিশাল গণমিছিল ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার বনপাড়া বাজারে বিশাল গণমিছিলের নেতৃত্ব দেন নাটোর-৪ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ১০ দলীয় জোটের মনোনীত এমপি প্রার্থী মাওলানা আব্দুল হাকিম। এতে প্রায় ছয় সহস্রাধিক নেতাকর্মী অংশ গ্রহণ করেন।
গণমিছিল শেষে মাওলানা আব্দুল হাকিম তার বক্তব্যে বলেন, আমার রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে চাঁদাবাজি জুলুম নির্যাতনের কোন রেকর্ড নেই, তিনি প্রশাসনিক ও উন্নয়নমূলক সুবিধার জন্য বড়াইগ্রাম ও বনপাড়া কে পৃথক দুটি উপজেলা বাস্তবায়নের ভূমিকা রাখবেন অঙ্গীকার করে দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট প্রার্থনা করেন।
এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, নাটোর জেলা হেফাজতে ইসলামের সাংগঠনিক সম্পাদক মোজ্জাজ নাঈম, নাটোর জেলা এনসিপি'র সাংগঠনিক সম্পাদক ও বড়াইগ্রাম উপজেলা প্রধান সমন্বয়ক জিএম আক্কাস আলী (তাহাস), উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা মোঃ হাবিবুর রহমান, সেক্রেটারি আবু বকর সিদ্দিক, নায়েবে আমীর সিরাজুল ইসলাম কোরবান, উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উপজেলা সভাপতি বাবর আলী, বনপাড়া পৌর জামায়াতের আমীর মীর মোঃ মহীউদ্দীন, জামায়াত নেতা আব্দুল হান্নান বাদশা ও আইয়ুব আলী, সাবেক শিবির নেতা হুমায়ুন কবীর ও ডা. রাশেদুল ইসলাম সহ অত্র উপজেলার ১০ দলীয় জোটের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।
বানারীপাড়ায় সেনাবাহিনীর হাতে আটক ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি
বরিশালের বানারীপাড়ায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি মোঃ নাসির উদ্দিন(৫২) কে গ্রেপ্তার করেছে সেনাবাহিনী। ২৫ ডিসেম্বর (বুধবার) সন্ধ্যা ৭ : ৩০ মিনিটের সময় বানারীপাড়ার ইলুহার ইউনিয়নের জনতা বাজার থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
৭ পদাতিক ডিভিশনের ৬ পদাতিক ব্রিগেডের অর্ন্তগত ৬২ ইস্ট বেঙ্গল এর দায়িত্বপূর্ন এলাকা বানারীপাড়া আর্মি ক্যাম্পের আওতাধীন লেফটেন্যান্ট মোঃ মাহফুজুর রহমান ও সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মোঃ করিমুলের নেতৃত্বে সেনাবাহিনীর একটি টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে পশ্চিম ইলুহার গ্রামের মৃত মোঃ আকবর আলীর ছেলে মোঃ নাসির উদ্দীনকে আটক করে।
প্রসঙ্গত নাসির উদ্দিনকে বরিশাল এর বিজ্ঞ সিজিএম কোর্ট ঢাকা আদালতের জিআর ১১৭৬/১২ (যাত্রাবাড়ি) মামলায় ৫ বছরের ও ১০০০০ টাকা অর্থ দন্ডে দন্ডিত আসামি ছিলো।গ্রেফতারের পর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে বানারীপাড়া থানা পুলিশের হাতে হস্তান্তর করা হয়।
কেশবপুরে হাতপাখার প্রার্থী গাজী সহিদুল ইসলামের নির্বাচনী অফিস উদ্বোধন
যশোর-৬ কেশবপুর আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী হাতপাখা প্রতীকের গাজী সহিদুল ইসলামের নির্বাচনী কার্যক্রম জোরদার করতে কেশবপুর উপজেলার ৭ নম্বর পাজিয়া ইউনিয়নে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী অফিস উদ্বোধন করা হয়েছে।
গতকাল বিকেলে পাজিয়া ইউনিয়নে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যশোর-৬ কেশবপুর আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী গাজী সহিদুল ইসলাম। এ সময় তিনি বলেন, “ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ক্ষমতার রাজনীতির জন্য নয়, ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য নির্বাচন করছে। দুর্নীতি ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে জনগণকে সঙ্গে নিয়েই আমরা এগিয়ে যাব।”
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কেশবপুর থানা শাখার সভাপতি মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, মোঃ মুরাদ খান, আয়ুব মিয়া, শামীম, মোঃ আব্দুল হামিদসহ স্থানীয় ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা বলেন, কেশবপুরে হাতপাখা প্রতীকের প্রতি সাধারণ মানুষের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। জনগণের নৈতিক ও ইসলামী মূল্যবোধ রক্ষায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশই একমাত্র বিকল্প শক্তি।
উদ্বোধন শেষে নেতাকর্মীরা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করেন এবং হাতপাখা প্রতীকের পক্ষে ভোট চেয়ে প্রচারণা চালান। নেতারা আশা প্রকাশ করেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কেশবপুরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঐতিহাসিক ফলাফল অর্জন করবে।
বাগুড়ী বেলতলা আম বাজারে কুলের পাইকারি বাজারে বেড়েছে কেনাবেচা
যশোরের শার্শা উপজেলার বেলতলা বাজারে বাণিজ্যিকভাবে জমে উঠেছে মৌসুমী ফল কুল (বরুই) এর বাজার। কুল ও আম মৌসুমে মুখরিত হয়ে ওঠে এখানকার সব আড়তগুলো। প্রতিদিন এখান থেকে ছোট বড় প্রায় ২০ থেকে ২৫ ট্রাক কুল রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন বিভাগীয় শহরে রপ্তানি হচ্ছে।
যশোর- সাতক্ষীরা দু'জেলার সীমান্তবর্তী উপজেলা শার্শা ও কলারোয়া জিরো পয়েন্ট বেলতলা নামক স্থানে এ বাজারটি অবস্থিত। এবছর বাজারে থাইআপেল কুল ১১০/১২০ টাকা, বলসুন্দরী কুল ৯০/১১০ টাকা, নারকেল কুল ৮০/৯০ টাকা, চায়না কুল ৯০ এবং টককুল ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
স্থানীয় কুলচাষি আমির হোসেন জানান, তিনি গত ১০ বছর ধরে কুলচাষ করছেন। এবছরও তিনি ৪ বিঘা জমিতে কুল চাষ করেন। গত বছরও তিনি ৪ বিঘা জমিতে কুল চাষ করেছিলেন। গত বছরের থেকে এ বছর তার অনেক বেশি কুল হয়েছে এবং দামও ভলো পাচ্ছেন। তিনি আরও জানান, যদি এভাবে শেষ পর্যন্ত কুল বিক্রি করতে পারেন তাহলে অনেক লাভবান হবেন।
ঢাকা থেকে কুল কিনতে আসা বেপারী মিজান, দেলোয়ার ও বশির জানান, হাসিবুল, মদন, রায়হান, তারা দীর্ঘদিন কুল, আম, পিঁয়ারা তরমুজসহ সিজেনারি বিভিন্ন ফলের ব্যবসা করেন। যে কারণে শীত মৌসুমে বেলতলা ফল মুকামে আসেন। এবছর কুলের দাম অনেক বেশি, যার কারণে লাভের পরিমাণ কম, তারপরও আমরা যেমন বেশি দামে কুল কিনছি, ঠিক তেমনই বেশি দামে বিক্রি করছি। এবছর বাজারে চাহিদা বেশি থাকায় কুল কিনে ভালো দামে বিক্রি করতে পারছেন বলে তারা জানান। রাজশাহী থেকে আসা বেপারী রায়হান জানান, এই অঞ্চলের ফলের স্বাদ ভালো, ক্রেতারাও বেশিবেশি খায়। যে কারণে প্রতিবছর এই মুকাম থেকে কুলসহ বিভিন্ন ফল কিনতে আসি, ব্যবসায় লাভ-লস দুটোই হয়।
বেলতলা বাজারের স্থানীয় আড়তদার কামাল মাস্টার , জাহাঙ্গীর,হৃদয়, হাসান জানান, গত বছরের তুলনায় এবছর কুলের ফলন অনেক বেশি। সেই সঙ্গে কুলের চাহিদা ও দাম বেশি থাকায় ব্যবসা ভালো এবং চাষিরাও খুশি। বেলতলা বাজারে চাষিরা সঠিক ওজন এবং সঠিক মূল্যে কুল বিক্রি করতে পারেন। তাই তারা নিঃসন্দেহে এ বাজারে ফুল বিক্রি করতে আসেন। এ বাজারে প্রতিদিন সকাল ১১ টা থেকে সন্ধ্যা ৫ টা পর্যন্ত কুল বেচাকেনা চলে জানান আড়তদাররা।
বেলতলা বাজার কমিটির সভাপতি মাহমুদ সরদার,ও সেক্রেটারি কামরুজ্জামান মুন্না জানান, চাষি ও ব্যবসায়ীরা যাতে নির্বিঘ্নে ব্যবসা করতে পারে সেজন্য বাজারে সব ধরনের ব্যবস্থা আছে। গত বছরের তুলনায় এ বছর বাজারে অনেক কুল আমদানি হচ্ছে, বেপারীও বেশি এসেছে। এভাবে যদি আরও ২/৩ বছর যায় তিনি আশাবাদী বেলতলা ফলের মুকাম দেশের দক্ষিণবঙ্গের মধ্যে বিখ্যাত ফল বাজার হিসেবে পরিচিতি অর্জন করবে।
এবিষয়ে শার্শা উপজেলা কৃষি (কর্মকর্তা) দীপক কুমার সাহা জানান, চলতি মৌসুমে ১৪৮ হেক্টর জমিতে ৫১০ জনের মত চাষি ফুল চাষ করেছেন। এবছর থাইআপেল, বলসুন্দরী, চায়না, টকমিষ্টি কুলগুলোই চাষিরা বেশি চাষ করেছেন এবং লাভবানও হয়েছেন। কম খরচে অধিক লাভ হওয়াতে দিনে দিনে অন্য কৃষকরা কুল চাষে আগ্রহী হচ্ছেন। আগামী বছরও এই লাভজনক ফল কুল বেশিবেশি চাষ করবেন বলে তিনি আশাবাদী।
শাকসু নির্বাচন স্থগিতের প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় শিবিরের বিক্ষোভ
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (শাকসু) নির্বাচন স্থগিতের প্রতিবাদ এবং অনতিবিলম্বে বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ করেছে ইসলামী ছাত্রশিবির সাতক্ষীরা শহর শাখা।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিকাল সাড়ে ৪টায় শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক থেকে মিছিলটি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে আসিফ চত্ত্বর যেয়ে শেষ হয়। পরে এক প্রতিবাদ সভা শহর শিবিরের সভাপতি আল মামুন,সেক্রেটারী মেহেদী হোসেনসহ অনেকে বক্তব্য রাখেন।
এ সময় ইসলামী ছাত্রশিবির সাতক্ষীরা শহর শাখার সভাপতি আল মামুন বলেন, শাকসু নির্বাচন কয়েক দফা পেছালেও ২১ জানুয়ারী একটি সুন্দর নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। আমরা ভেবেছিলাম তারা অপরাজনীতির পথে যাবে না, অথচ সুযোগ পেলেই চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও হামলায় জড়াচ্ছে। তিনি আরও বলেন, তাদের অন্তর্কোন্দলে দুই শতাধিক ঘটনা ঘটেছে। তিনি বলেন, ডাকসুতে পরাজয়ের পর লজ্জা থাকলে তাদের ক্যাম্পাস ছেড়ে দেওয়া উচিত ছিল, কিন্তু তারা অপরাজনীতিই চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি অবিলম্বে শাকসু নির্বাচনের দাবী জানান।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য