শিরোনাম
মৌলভীবাজারে বিএনপি'র ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সোমবার (১লা সেপ্টেম্বর) মৌলভীবাজার জেলা বিএনপি'র উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
র্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সমাবেশে জেলা বিএনপি'র আহ্বায়ক ফজলু রং করিম ময়ূন, সদস্য সচিব রিপন সহ উপজেলা ও পৌর বিএনপি'র সিনিয়র নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। এছাড়াও অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করে তোলে।
বক্তারা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সংগ্রামী ভূমিকা এবং বিএনপি'র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের চলমান আন্দোলনের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তারা বলেন, বিএনপি হচ্ছে গণমানুষের দল—যে দল বারবার দেশের মানুষের ভোট ও অধিকার রক্ষার জন্য আন্দোলন করেছে।
সভায় বক্তারা ঐক্যবদ্ধভাবে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও জনগণের অধিকার আদায়ে সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান।
তিমির বনিক,মৌলভীবাজার/
লাইনে দাঁড়িয়ে টিসিবির পণ্য কিনলেন ইউনিয়ন জামায়াতের আমির
ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) ন্যায্যমূল্যের পণ্য কিনতে সাধারণ মানুষের সঙ্গে লাইনে দাঁড়ালেন দিনাজপুরের বীরগঞ্জের শতগ্রাম ইউনিয়ন জামায়াতের আমির তৈয়বুর রহমান। তার এই আচরণ সাধারণ মানুষের মাঝে প্রশংসা কুড়িয়েছে।
শুক্রবার জুমার নামাজের পর শতগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে টিসিবির ডিলার যখন পণ্য বিক্রি শুরু করেন, তখন চাল, ডালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনতে নিম্ন আয়ের মানুষ সারিবদ্ধভাবে দাঁড়ায়। এ সময় সেখানে উপস্থিত হন ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর তৈয়বুর রহমান। তাকে দেখে অনেকেই বিস্মিত হন এবং সামনে জায়গা ছেড়ে দিতে চান। কিন্তু তিনি সুবিধা না নিয়ে সবার পেছনে গিয়ে দাঁড়ান।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তৈয়বুর রহমানের এই দৃষ্টান্ত দেখে লাইনে থাকা অন্যরাও অত্যন্ত শৃঙ্খলার সঙ্গে পণ্য কেনেন। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করার পর নিজের পালা এলে তিনি পণ্য সংগ্রহ করে বাড়ি ফিরে যান। তার এই ধৈর্য এবং সাধারণ মানুষের প্রতি শ্রদ্ধার কথা দ্রুতই এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।
জয়নাল আবেদিন এবং মহসিন কবিরাজ নামের দুজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, “তৈয়বুর রহমানের মতো একজন সম্মানিত নেতা লাইনে দাঁড়িয়ে পণ্য কিনবেন, এটা আমরা সহজে বিশ্বাস করতে পারিনি। তিনি চাইলে অনেক সুবিধা নিতে পারতেন, কিন্তু তা না করে সাধারণ মানুষের কাতারে এসে যে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।”
মাজহারুল ইসলাম নামে একজন যুবক বলেন, “আমরা এমন নেতৃত্ব চাই, যারা মানুষের সঙ্গে মিশে থাকে। আজকের এই ঘটনা প্রমাণ করে, নেতৃত্ব মানে শুধু ক্ষমতা নয়, বরং দায়িত্বশীলতা।”
এ প্রসঙ্গে তৈয়বুর রহমান বলেন, “আমি চাইলে সবার আগে পণ্য নিতে পারতাম, কিন্তু আমি চাই না আমার জন্য অন্য কারও অধিকার ক্ষুণ্ন হোক। আমাদের সংগঠন শেখায়— অন্যায়ের মাধ্যমে কিছু অর্জন নয়, বরং শৃঙ্খলা ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সমাজে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে।”
নিজের জুস পান করে অজ্ঞান পার্টির সদস্যই অচেতন
খুলনা থেকে ছেড়ে আসা চিলাহাটিগামী সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনে মা-মেয়েকে জুস খাইয়ে অজ্ঞান করে গয়না লুট করেছে ‘অজ্ঞান পার্টির’ মূল হোতা ফুল মিয়া (৫৫)। তবে যাত্রীদের তৎপরতায় হাতেনাতে ধরা পড়ে যায় সে। যাচাই করতে তাকে নিজের জুস পান করানো হলে ফুল মিয়াও অজ্ঞান হয়ে পড়ে।
শনিবার ভোরে ট্রেনের ‘ঝ’ বগির ৭৭, ৭৮ ও ৭৯নম্বর সিটে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগীরা হলেন ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ মালঞ্চ গ্রামের কৌশিলা রায় (৫০) ও তার মেয়ে বীথি রানী (২৮)। আটক প্রতারক ফুল মিয়া রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার আব্দুল্লাপুর গ্রামের আব্দুস ছামাদের ছেলে।
রেলওয়ে পুলিশ জানায়, বিরামপুর স্টেশন থেকে ট্রেনে ওঠেন কৌশিলা রায় ও বীথি রানী। পাশের সিটে বসে থাকা ফুল মিয়ার সঙ্গে আলাপচারিতার একপর্যায়ে মা-মেয়েকে জুস পান করান তিনি। জুস পান করেই তারা অজ্ঞান হয়ে পড়লে ফুল মিয়া তাদের কানের দুল ও নাকের ফুল খুলে নেন।
এ সময় পাশের যাত্রী আব্দুর রহিম (অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা) বিষয়টি আঁচ করে ফুল মিয়াকে আটক করেন এবং অন্যান্য যাত্রীদের অবহিত করেন। প্রথমে প্রতারক অভিযোগ অস্বীকার করলেও যাত্রীরা তাকে নিজের জুস পান করতে বাধ্য করেন। জুস পান করেই ফুল মিয়া অজ্ঞান হয়ে পড়লে প্রতারণার বিষয়টি নিশ্চিত হয়।
সৈয়দপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ-উন নবী বলেন, মা-মেয়ে ও আটক প্রতারককে সৈয়দপুর রেলওয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ভুক্তভোগী ও আসামি—দুজনেরই জ্ঞান ফেরেনি।
কৌশিলা রায়ের ছেলে রবীন্দ্র নাথ রায় বাদী হয়ে এ ঘটনায় মামলা করেছেন। পুলিশ জানায়, ফুল মিয়ার নামে দেশের বিভিন্ন রেলওয়ে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।
কুলাউড়া-শাহবাজপুর রেলপথের রাস্তায় লেভেল ক্রসিং স্থাপনে মানববন্ধন
মৌলভীবাজারের কুলাউড়া-শাহবাজপুর রেলপথ পুন:স্থাপন প্রকল্পের নকশায় বড়লেখা পৌরশহরের জনসাধারণের চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি রাস্তায় রাখা হয়নি কোনোরকম লেভেল ক্রসিং। এতে ট্রেন চলাচল শুরু হলে জনভোগান্তির পাশাপাশি মারাত্মক দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসি। বড়লেখা রেলস্টেশনের দক্ষিণ পাশের রেললাইনের পুরাতন লেভেল ক্রসিংস্থলে চলমান নির্মাণ কাজে লেভেল ক্রসিং না রাখায় এলাকাবাসি ফেঁপে ফুঁসে উঠেছেন।
ইতিপূর্বে বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন-নিবেদন করেও কোনো প্রতিকার না পাওয়ায় শুক্রবার বিকেলের দিকে রেললাইনের পশ্চিমাঞ্চলের কয়েক হাজার বাসিন্দা ও হালকা যানবাহন চলাচলের স্বার্থে আগের পূর্ববর্তী জায়গায় লেভেল ক্রসিং পুনঃস্থাপনের দাবিতে ভুক্তভোগি এলাকাবাসি মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন। উক্ত কর্মসূচি থেকে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে এর থেকে আরোও কঠোর কর্মসূচি পালনের হুঁশিয়ারি দেন, এমন কি রেললাইনের চলমান নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেওয়ার আল্টিমেটাম দিয়েছেন ভুক্তভোগি এলাকাবাসি।
ব্যবসায়ী নিজাম উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও আব্দুস সালামের উপস্থাপনায় মানববন্ধন সমাবেশে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপি'র সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান খছরু, সাবেক পৌর কাউন্সিলর কবির আহমদ, বড়লেখা সরকারি ডিগ্রি কলেজের প্রধান হিসাবরক্ষণ রেজাউল ইসলাম মিন্টু, ব্যবসায়ী শামীম আহমদ, বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক ময়নুল ইসলাম, অধ্যক্ষ মাওলানা খলিলুর রহমান, বিএনপি নেতা বাহার উদ্দিন, বীমা কর্মকর্তা দিলিপ দে, হাফেজ তৈবুর রহমান, ডা. কবির আহমদ, শ্যামল পাল দুলু, কলেজ শিক্ষার্থী তানভির আব্বাস তামিম প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, প্রায় দীর্ঘ ২২ বছর আগে এই লাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। তখনও রেলের এই স্থানে লেভেল ক্রসিং ছিল। রেললাইনের পশ্চিম পাশেই পৌরসভার পশুর হাট এবং প্রায় সরকারের অর্থায়নে ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ওয়াটার সাপ্লাই প্লান্ট রয়েছে। এছাড়াও পৌরসভার এই রাস্তাটি রেললাইন অতিক্রম করে পৌরসভার তেলিগুল এলাকাসহ সদর ইউনিয়ন, তালিমপুর ইউনিয়ন ও হাকালুকি হাওরের রাস্তার সাথে সংযুক্ত হয়েছে। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করেন। গুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তার উপর লেভেল ক্রসিং স্থাপন না করে রেললাইন স্থাপনের কারণে কোমলমতি শিক্ষার্থীসহ হাজার হাজার মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হবেন। এছাড়া লেভেল ক্রসিং না থাকলে ট্রেন চালু হওয়ার পর প্রতিদিনই নানান দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। ভুক্তভোগিরা রেললাইনের পুনর্বাসন কাজের নকশায় লেভেল ক্রসিং না রাখায় বিস্ময় প্রকাশ করে অনতিবিলম্বে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে লেভেল ক্রসিং স্থাপনের ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানান। অন্যথায় বৃহৎ কর্মসূচিসহ রেল নির্মাণ প্রকল্পের চলমান কাজ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন।
এদিকে, গত বৃহস্পতিবার বিকেলে বড়লেখা রেলস্টেশনের উত্তর পাশের লাইনের উপর লেভেল ক্রসিং স্থাপনের দাবিতে বৃহত্তর গাজিটেকা এলাকার সাধারণ জনগণ, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবি ও রাজনীতিবিদদের উপস্থিতিতে পৃথক অন্য আরেকটি মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন।
স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মীসভা বাঁধার মুখে স্বেচ্ছাসেবক দলের অন্য পক্ষ!
মৌলভীবাজারের রাজনগরে স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মীসভা নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এসময় আয়োজিত কর্মীসভাটি বেহেস্তে! বিশৃঙ্খলা তৈরি করা কোন আওয়ামী লীগ নয় নিজ দলের অন্য আরেকটি পক্ষ। এসময় তারা আয়োজিত অনুষ্ঠানের অনুষ্ঠানস্থল এম সাইফুর রহমান অডিটরিয়ামে তালা দিয়ে এর সামনে বিভিন্ন শ্লোগান দেন। দলটির কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ডা. মো. জাহেদুল কবির জাহিদের উপস্থিতিতে সভা করার কথা থাকলেও ওই পক্ষ অডিটরিয়ামে তালা ঝুলিয়ে দেয়। এদিকে উত্তেজনার সৃষ্টি হলে এসব মোকাবেলা করতে শুক্রবার (২৯শে আগস্ট) সকাল থেকেই অডিটরিয়ামের আশেপাশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। মৌলভীবাজার সদর সার্কেলের এএসপি আবুল খায়ের ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেছেন।
জানা যায়, জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৩১ সদস্য বিশিষ্টি রাজনগর উপজেলা শাখার আহ্বায়ক কমিটি ২০২১ সালে গঠন করা হয়। এতে সুলতান আহমদ সুনু আহ্বায়ক ও সুমন দেব সদস্য সচিব ছিলেন। গত ৯ আগস্ট মৌলভীবাজার জেলা আহ্বায়ক আহমেদ আহাদ স্বাক্ষরিত এক পত্রে রাজনগর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবকে অব্যাহতি দেয়া হয়। দীর্ঘদিন যাবত দলীয় কার্যক্রমে অংশগ্রহন না করে নিষ্ক্রিয় থাকায় দল ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে-এ অভিযোগে দল থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়। এদিকে শুক্রবার সকালে জেলা আহ্বায়ক কমিটির নির্দেশে যুগ্ন আহ্বায়ক কাউসার আহমদসহ অন্যান্য সদস্যদের আহ্বানে কর্মীসভার ডাক দেয়া হয়।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ডা. মো. জাহেদুল কবির জাহিদ। কিন্তু এই কর্মীসভাস্থল বাতিলের দাবীতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন সুলতান আহমদ সুনু। কর্মীসভা শুরুর আগেই শুক্রবার সকালে অব্যাহতি পাওয়া আহ্বায়ক সুলতান আহমদের নেতৃত্বে স্বেচ্ছাসেবক দলের কিছু নেতাকর্মী অনুষ্ঠানস্থলে তালা ঝুলিয়ে দেন এবং অডিটরিয়ামের সামনে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন শ্লোগান দিতে থাকেন। এতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি মোকাবেলায় রাজনগর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে অবস্থান নেয়। দলের দুর্দিনের নেতাকর্মী ও উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ককে দাওয়াত না দেয়ায় কর্মীসভায় বাঁধার সৃষ্টি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাঁধা দেয়া নেতাকর্মীরা।
রাজনগর স্বেচ্ছাসেবক দলের অব্যাহতিপ্রাপ্ত আহ্বায়ক সুলতান আহমদ সুনু বলেন, ‘আমি কোনো অব্যাহতিপত্র পাইনি। শুনেছি ফেসবুকে মানুষ দেখেছে। সম্পূর্ণ নিয়মবহির্ভূত ভাবে এ চিঠি লেখা হয়েছে। আমরা এমপি এম নাসের রহমানের লোক একারনে আমাদের অন্যায় ভাবে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। এটা আমরা মানি না।’
স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ন আহ্বায়ক কাউসার আহমদ তালুকতার বলেন, ‘সবাইকে নিয়ে কর্মীসভা করতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আজকে যারা বাঁধা দিচ্ছেন তাদেরকে নিয়ে আলোচনা করেই আজকের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু হঠাৎ করে তারা আজকে এসে বাঁধা দিচ্ছেন। আমরা সংঘাত চাই না। আহ্বায়ককে জেলা থেকে অব্যাহতি দেয়া হলেও কর্মীসভা আয়োজনের আগে প্রস্তুতি সভায় আসতে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছে। তবে তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।’
রাজনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মোবারক হোসেন খাঁন বলেন, ‘এক পক্ষের ডাকা কর্মীসভায় অন্য পক্ষ বাঁধা দিয়েছিল। পরে উভয়পক্ষ কথা বলেছে। তারা গোবিন্দবাটিতে কর্মীসভা করবে বলে চলে গেছে। তেমন কিছু হয়নি। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত আছে। তেমন কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য