শিরোনাম
কুলাউড়ায় সীমান্ত দিয়ে ভুল করে ভারতে প্রবেশকালে দু'জন আটক
আন্তর্জাতিক সীমানারেখা অতিক্রম করে ভারতে গিয়ে ছবি তোলার সময় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) হাতে আটক হয় দুই কিশোর। স্বজনদের কাছ থেকে খবর পেয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) কর্মকর্তারা বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের ফেরত দিতে বলেন। পরে তাদের মধ্যে সমঝোতার মাধ্যমে ফেরত দেওয়া হয়।
গতকাল শনিবার কুলাউড়া উপজেলার পৃথিমপাশা ইউনিয়নের আলীনগর সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সীমান্তের ওপারে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য।
ওই দুই কিশোর হলো উপজেলার কর্মধা ইউনিয়নের কালিটি চা-বাগানের শ্রমিক সঞ্জয় শীলের ছেলে সুবর্ণ শীল (১৬) ও রামানু নাইডুর ছেলে শুভ্র নাইডু (১৭)।
আলীনগর সীমান্ত বিজিবি'র ৪৬ ব্যাটালিয়নের আওতায় পড়েছে। ওই ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এ এস এম জাকারিয়া রোববার যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, গতকাল বিকেলে ওই দুই কিশোর মোটরসাইকেলে করে আলীনগর সীমান্ত এলাকায় বেড়াতে যায়। একপর্যায়ে মোটরসাইকেল রেখে তারা ১৮৪৫ নম্বর মূল সীমান্তখুঁটি অতিক্রম করে ভারতে ঢুকে পড়ে। সেখানে দু'জনে মুঠোফোনে ছবি তুলছিল। এ সময় বিএসএফের একটি টহলদলের নজরে পড়ে বিষয়টি। তারা ঐ দুই কিশোরকে আটক করে তাদের ক্যাম্পে নিয়ে যায়।
বিজিবি'র কর্মকর্তা বলেন, স্বজনেরা বিভিন্ন সূত্রে খবর পেয়ে বিষয়টি তাঁদের সংশ্লিষ্ট এলাকার ক্যাম্পের লোকজনকে জানান। এরপর সীমান্তের ওপারের বিএসএফের ১৯৯ ব্যাটালিয়নের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁরা বিষয়টি নিশ্চিত হন। বিজিবি'র পক্ষ থেকে দুই কিশোরকে ফেরত দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়। পরে রাত পৌনে ১১টার দিকে কুলাউড়ার শরীফপুর ইউনিয়নের চাতলাপুর অভিবাসন তদন্তকেন্দ্র (আইসিপি) দিয়ে বিএসএফ দুই কিশোরকে হস্তান্তর করে। এ সময় কিশোরদের স্বজনেরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
বিজিবি কর্মকর্তা এ এস এম জাকারিয়া বলেন, ‘হস্তান্তরের পর দুই কিশোর জানায়, তারা ভুলে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে ঢুকে পড়েছিল। আটকের পর বিএসএফ তাদের মারধর করেনি, কোনো নির্যাতন চালায়নি। দুই কিশোরকে কুলাউড়া থানার পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।’
কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওমর ফারুক বলেন, এ ঘটনায় ভারতে অনুপ্রবেশের অভিযোগে দুই কিশোরের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তাদের মৌলভীবাজারের আদালতে পাঠানো হবে।
মৌলভীবাজারে অবৈধবালু কারবারি ও সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ গ্রেপ্তার-৩
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশের অভিযানে অবৈধবালু কারবারের সাথে জড়িত একজনসহ ৩ আসামি গ্রেপ্তার হয়েছে।
শনিবার (২রা আগস্ট) থানার এসআই মো. সাইদুর রহমান খানসহ পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে উপজেলার সাতগাঁও ইউনিয়নের লচনা বাজার এলাকা থেকে অবৈধভাবে উত্তোলিত বালু বোঝাই একটি ট্রাক জব্দ করেন। এসময় অবৈধবালু কারবকারি চক্রের সদস্য মতিগঞ্জ পাইকপাড়া গ্রামের সুরঞ্জন সরকারের ছেলে রিংকু সরকারকে(২৫) গ্রেপ্তার করা হয়।
শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশের পৃথক এক অভিযানে পরোয়ানাভুক্ত সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামি গ্রেপ্তার হয়েছে। থানার এসআই সজীব চৌধুরী ও এএসআই মো. নাহিদুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশ অভিযান চালিয়ে সিআর ৫৮৫/২২ এর সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি কালাপুর ইউনিয়নের হাজীপুর গ্রামের রাজ্জাক মিয়ার ছেলে মো: সিরাজ মিয়া জিআর-২৫৪/২১ খ্রিঃ এর সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি উপজেলার খেজুড়ী ছড়া চা-বাগান এলাকার স্বদেশের ছেলে যতন দাসকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
শ্রীমঙ্গল থানার ওসি মো: আমিনুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের মৌলভীবাজার জেলা বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
মৌলভীবাজারে একই দিনে পৃথক স্থানে দুই জনের মৃত্যু
মৌলভীবাজারে পৃথক পৃথক দুর্ঘটনায় এক তরুণ ও এক নারীর মৃত্যু ঘটেছে।
মৌলভীবাজার-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের দুর্লভপুর এলাকায় বাস-অটোরিক্সার মুখোমুখি সংঘর্ষে আল আমিন (২৫) নামের এক তরুণের মৃত্যু হয়। শনিবার (২রা আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
এর পরপরই বিক্ষুব্ধ জনতা হবিগঞ্জ-সিলেট বাস মালিক সমিতির দুটি বাস ভাঙচুর করে সড়ক অবরোধ করে রাখে। এতে করে দেড় ঘন্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে এতে করে দেখা দেয় তীব্র যানজটের। নিহত আল-আমিন হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি এলাকার বাসিন্দা আবুল হোসেনের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা গেছে, সিলেটগামী ‘হবিগঞ্জ বিরতিহীন এক্সপ্রেস’ নামের একটি বাসের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি সিএনজি চালিত অটোরিক্সার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই অটোরিক্সার আরোহী আল-আমিন মারা যান। এ ঘটনায় আহত হন আরও ৩জন। আহত ৩জনকে তাৎক্ষণিকভাবে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
আহতদ্বয়েরা হলেন হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি এলাকার জিয়াউর রহমানের ছেলে আব্দুর রশিদ (২৮), মিন্নত আলীর ছেলে হযরত আলী (২৮) ও আব্দুস শহীদের স্ত্রী মিনা বেগম।
মৌলভীবাজার সদর ২৫০ শয্যা হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আহমেদ ফয়সাল জামান বলেন, সড়ক দূর্ঘটনায় আহতরা হাসপাতালে আসলে ১জনকে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। অন্যান্যদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে মৌলভীবাজার মডেল থানার ওসি গাজী মাহবুবুর রহমান জানান, দুর্ঘটনায় ১জন নিহত ও ৩জন আহত হয়েছেন। বাসটি আটক করা হয়েছে, তবে চালক পালিয়ে গেছে। নিহতের লাশ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
অপর দিকে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে কালনী এক্সপ্রেস ট্রেনে কাঁটা পড়ে হাওয়া বেগম (৪০) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার সকাল ৯টায় উপজেলার লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের ভেতরে এই ঘটনাটি ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের লোকজন তাকে উদ্ধার করে ১১টার দিকে শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
স্থানীয় ও রেলওয়ে পুলিশ সুত্রের বরাতে জানা যায়, হাওয়া বেগমের ডান হাত কাঁটা পড়ে গেছে। মৃত নারী ট্রেনেই ভিক্ষা করে জীবন চালাতেন। শনিবার সকালে সিলেট থেকে ছেড়ে আসা কালনী আন্তঃনগর এক্সপ্রেস ট্রেন থেকে পড়ে ট্র্রেনের চাকায় তার দুটি পা কেটে যায়। পড়ে স্থানীয়রা তাকে উদ্বার করে শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পরপর আশঙ্কাজনক অবস্থায় ছিলেন। কিছু সময় পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ও মেডিকেল অফিসার ডা. কিশোর পোদ্দার সম্রাট বলেন, সকাল ১১টার দিকে ট্রেনে কাঁটা পড়ে আহত এক নারীকে হাসপাতালে নিয়ে আসলে আমরা প্রাথমিক চিকিৎসাপত্র প্রদান করে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করি। তবে মৌলভীবাজার নেওয়ার আগেই ইসিজি করে নারীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণেই নারীর মৃত্যু হয়েছে বলে তিনি জানান।
শ্রীমঙ্গল রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খাইরুল ইসলাম তালুকদার বলেন, ট্রেনে কাঁটা পড়ে নিহত নারীর নাম হাওয়া বেগম বলে জানা গেছে। তিনি ফরিদপুরের ভাঙ্গা এলাকার বাসিন্দা। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা করে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলছে।
রামুতে অটোরিকশায় ট্রেনের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৫
কক্সবাজারের কাছের উপজেলা রামুর রশিদনগর ইউনিয়নের ধলিরছড়া রেল ক্রসিংয়ে ট্রেনের ধাক্কায় সিএনজি চালিত অটোরিকশা দুমড়ে মুচড়ে গিয়ে একই পরিবারে চারজনসহ ৫ যাত্রী নিহত হয়েছেন। কক্সবাজার থেকে ঢাকাগামী ‘কক্সবাজার এক্সপ্রেস’ ট্রেনটি রেল ক্রসিং পার হওয়ার সময় সিএনজি অটোরিকশাটি রেল বিটে উঠে গেলে মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর প্রায় এক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে নিহতদের লাশগুলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়েছিল।
শনিবার বেলা দেড়টার দিকে রশিদনগরের ধলিরছড়া এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৈয়বুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয়রা জানান, ঢাকাগামী ‘কক্সবাজার এক্সপ্রেস’ ট্রেনটি রেল ক্রসিং অতিক্রমকালে যাত্রীবাহী সিএনজিকে ধাক্কা দিয়ে টেনেহিঁচড়ে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে নিয়ে যায়। এতে সিএনজিতে থাকা যাত্রীদের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ছিন্ন বিচ্ছিন্ন হয়ে নানাপ্রান্তে ছড়িয়ে পড়ে থাকে।

দুর্ঘটনার পরপর নিহতদের পরিচয় জানা না গেলেও পরে পার্শ্ববর্তী ইউনিয়ন ভারুয়াখালীর সাবেক পাড়ার জাফর আলম সওদাগর জানান, তার দুই মেয়ে আসমাউল হোছনা ও রেনোয়ারা এবং আসমার দুই শিশু সন্তান এই দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে। অপরদিকে ঈদগাঁও মেহেরঘোনার সিএনজি চালকও নিহত হয়েছেন। তবে তার নাম নিশ্চিত করা যায়নি।
অপরদিকে ঘটনার পর ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী রেল লাইনে অবস্থান নিয়ে রেল চলাচল বন্ধ করে দিয়েছেন।
ইসলামাবাদ রেল স্টেশন মাস্টার মো. আব্দুল কাইউম জানান, ঢাকাগামী কক্সবাজার এক্সপ্রেস ৮১৩ ট্রেনটি সাড়ে বারোটার দিকে কক্সবাজার থেকে ছেড়ে আসে। তবে দুর্ঘটনায় কতজন নিহত হয়েছেন তিনি জানেন না।
এদিকে বেলা আড়াইটার দিকে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা ‘প্রবাল এক্সপ্রেস’ ট্রেন দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছালে স্থানীয় জনতা ট্রেনটি আটকে দেয়। তারা লাশ উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত ট্রেন ছেড়ে না দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
ঈদগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে।
ভারুয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য মো. ফজলুল হক ঘটনাস্থল থেকে জানান, নিহতদের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ছিন্নবিচ্ছিন্ন হওয়ায় এখনও পুরোপুরি পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ক্ষুব্ধ জনতা সড়ক অবরোধ করে ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দিয়েছেন।
স্থানীয়দের দাবি, এই লেভেল ক্রসিংয়ে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ সড়ক দিয়ে যাতায়াতকারিদের নিরাপত্তায় কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় একের পর এক দুর্ঘটনা ঘটছে।
মৎস্যজীবী দলের পরিচিতি সভায় ‘সংস্কার’ এর নামে মানুষকে আটকে রাখা-এডভোকেট ময়ুন
মৌলভীবাজার জেলা মৎস্যজীবী দলের আহবায়ক কমিটির পরিচিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার(১লা আগস্ট) বিকেলে মৌলভীবাজার পৌরসভার কনফারেন্স হলরুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা মৎস্যজীবী দলের আহ্বায়ক মো. মুসা মিয়া এবং সভা উপস্থাপনা করেন সংগঠনটির সদস্য সচিব জামাল উদ্দিন জীবন।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি'র আহ্ববায়ক ও সাবেক পৌর মেয়র মো. ফয়জুল করিম ময়ূন।
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি মো. আলী রাকিব, বড়লেখার সভাপতি আব্দুল বাছিত, কুলাউড়ার সভাপতি এমদাদ হোসেন, কমলগঞ্জের সভাপতি কাবিল হোসেন, রাজনগরের সভাপতি মো. ছালিক মিয়া, জুড়ীর সভাপতি আমির হোসেন, মৌলভীবাজার সদর উপজেলার সভাপতি ছুরুক আলী, বড়লেখা উপজেলা মৎস্যজীবী দলের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হুদা, শ্রীমঙ্গল উপজেলার সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রশীদ, শ্রীমঙ্গল পৌর মৎস্যজীবী দলের সাধারণ সম্পাদক কৃপেন্দ্র সরকার কিরণ, যুগ্ম সম্পাদক বেলাল তালুকদার এবং মৌলভীবাজার পৌর মৎস্যজীবী দলের সভাপতি আব্দুস শুকুর।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা বিএনপি'র আহ্বায়ক ও সাবেক পৌর মেয়র মো. ফয়জুল করিম ময়ূন বলেন, “মৌলভীবাজার জেলা মৎস্যজীবী দল সবচেয়ে অবহেলিত সংগঠন হলেও বিগত হাসিনা বিরোধী আন্দোলনে এই সংগঠনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। আহ্বায়ক মো. মুসা মিয়াসহ সংগঠনের অন্তত ১৫-২০ জন ত্যাগী নেতা-কর্মী মিথ্যা মামলায় দীর্ঘদিন কারাবরণ করেছেন। এমনকি জুলাই অভ্যুত্থান ও ছাত্র-জনতার চলমান আন্দোলনের সময় মৎস্যজীবী দলের একজন কর্মী গুলিবিদ্ধ হন।”
তিনি জোর দিয়ে বলেন, “ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা-কর্মীদের দিয়েই জেলা, উপজেলা ও পৌর ইউনিটের কমিটিগুলো গঠন করতে হবে। দলে কোন দালাল, ভুঁইফোড় কিংবা সুবিধাবাদী দোসরদের ঠাঁই দেওয়া যাবে না। কারণ এরা আন্দোলনের সময় গা ঢাকা দেয়, অথচ সুযোগ আসলে সময়মত সামনে আসে।”
নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন- “বর্তমান সরকার কথিত ‘সংস্কার’ নামের এক জালে জনগণকে আটকে রাখতে চাচ্ছে। তারা পরিকল্পিতভাবে নির্বাচন প্রক্রিয়াকে বিলম্বিত করছে, সময়ক্ষেপণ করে জনগণের অধিকার হরণ করা হচ্ছে। আমরা স্পষ্ট করে জানিয়ে দিতে চাই—এই ধরনের তালবাহানা আর চলবে না। অবিলম্বে সরকারের উচিত হবে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করে জনগণের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ তৈরি করে দেয়া।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য