শিরোনাম
রামুতে অটোরিকশায় ট্রেনের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৫
কক্সবাজারের কাছের উপজেলা রামুর রশিদনগর ইউনিয়নের ধলিরছড়া রেল ক্রসিংয়ে ট্রেনের ধাক্কায় সিএনজি চালিত অটোরিকশা দুমড়ে মুচড়ে গিয়ে একই পরিবারে চারজনসহ ৫ যাত্রী নিহত হয়েছেন। কক্সবাজার থেকে ঢাকাগামী ‘কক্সবাজার এক্সপ্রেস’ ট্রেনটি রেল ক্রসিং পার হওয়ার সময় সিএনজি অটোরিকশাটি রেল বিটে উঠে গেলে মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর প্রায় এক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে নিহতদের লাশগুলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়েছিল।
শনিবার বেলা দেড়টার দিকে রশিদনগরের ধলিরছড়া এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৈয়বুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয়রা জানান, ঢাকাগামী ‘কক্সবাজার এক্সপ্রেস’ ট্রেনটি রেল ক্রসিং অতিক্রমকালে যাত্রীবাহী সিএনজিকে ধাক্কা দিয়ে টেনেহিঁচড়ে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে নিয়ে যায়। এতে সিএনজিতে থাকা যাত্রীদের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ছিন্ন বিচ্ছিন্ন হয়ে নানাপ্রান্তে ছড়িয়ে পড়ে থাকে।

দুর্ঘটনার পরপর নিহতদের পরিচয় জানা না গেলেও পরে পার্শ্ববর্তী ইউনিয়ন ভারুয়াখালীর সাবেক পাড়ার জাফর আলম সওদাগর জানান, তার দুই মেয়ে আসমাউল হোছনা ও রেনোয়ারা এবং আসমার দুই শিশু সন্তান এই দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে। অপরদিকে ঈদগাঁও মেহেরঘোনার সিএনজি চালকও নিহত হয়েছেন। তবে তার নাম নিশ্চিত করা যায়নি।
অপরদিকে ঘটনার পর ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী রেল লাইনে অবস্থান নিয়ে রেল চলাচল বন্ধ করে দিয়েছেন।
ইসলামাবাদ রেল স্টেশন মাস্টার মো. আব্দুল কাইউম জানান, ঢাকাগামী কক্সবাজার এক্সপ্রেস ৮১৩ ট্রেনটি সাড়ে বারোটার দিকে কক্সবাজার থেকে ছেড়ে আসে। তবে দুর্ঘটনায় কতজন নিহত হয়েছেন তিনি জানেন না।
এদিকে বেলা আড়াইটার দিকে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা ‘প্রবাল এক্সপ্রেস’ ট্রেন দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছালে স্থানীয় জনতা ট্রেনটি আটকে দেয়। তারা লাশ উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত ট্রেন ছেড়ে না দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
ঈদগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে।
ভারুয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য মো. ফজলুল হক ঘটনাস্থল থেকে জানান, নিহতদের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ছিন্নবিচ্ছিন্ন হওয়ায় এখনও পুরোপুরি পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ক্ষুব্ধ জনতা সড়ক অবরোধ করে ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দিয়েছেন।
স্থানীয়দের দাবি, এই লেভেল ক্রসিংয়ে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ সড়ক দিয়ে যাতায়াতকারিদের নিরাপত্তায় কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় একের পর এক দুর্ঘটনা ঘটছে।
মৎস্যজীবী দলের পরিচিতি সভায় ‘সংস্কার’ এর নামে মানুষকে আটকে রাখা-এডভোকেট ময়ুন
মৌলভীবাজার জেলা মৎস্যজীবী দলের আহবায়ক কমিটির পরিচিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার(১লা আগস্ট) বিকেলে মৌলভীবাজার পৌরসভার কনফারেন্স হলরুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা মৎস্যজীবী দলের আহ্বায়ক মো. মুসা মিয়া এবং সভা উপস্থাপনা করেন সংগঠনটির সদস্য সচিব জামাল উদ্দিন জীবন।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি'র আহ্ববায়ক ও সাবেক পৌর মেয়র মো. ফয়জুল করিম ময়ূন।
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি মো. আলী রাকিব, বড়লেখার সভাপতি আব্দুল বাছিত, কুলাউড়ার সভাপতি এমদাদ হোসেন, কমলগঞ্জের সভাপতি কাবিল হোসেন, রাজনগরের সভাপতি মো. ছালিক মিয়া, জুড়ীর সভাপতি আমির হোসেন, মৌলভীবাজার সদর উপজেলার সভাপতি ছুরুক আলী, বড়লেখা উপজেলা মৎস্যজীবী দলের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হুদা, শ্রীমঙ্গল উপজেলার সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রশীদ, শ্রীমঙ্গল পৌর মৎস্যজীবী দলের সাধারণ সম্পাদক কৃপেন্দ্র সরকার কিরণ, যুগ্ম সম্পাদক বেলাল তালুকদার এবং মৌলভীবাজার পৌর মৎস্যজীবী দলের সভাপতি আব্দুস শুকুর।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা বিএনপি'র আহ্বায়ক ও সাবেক পৌর মেয়র মো. ফয়জুল করিম ময়ূন বলেন, “মৌলভীবাজার জেলা মৎস্যজীবী দল সবচেয়ে অবহেলিত সংগঠন হলেও বিগত হাসিনা বিরোধী আন্দোলনে এই সংগঠনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। আহ্বায়ক মো. মুসা মিয়াসহ সংগঠনের অন্তত ১৫-২০ জন ত্যাগী নেতা-কর্মী মিথ্যা মামলায় দীর্ঘদিন কারাবরণ করেছেন। এমনকি জুলাই অভ্যুত্থান ও ছাত্র-জনতার চলমান আন্দোলনের সময় মৎস্যজীবী দলের একজন কর্মী গুলিবিদ্ধ হন।”
তিনি জোর দিয়ে বলেন, “ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা-কর্মীদের দিয়েই জেলা, উপজেলা ও পৌর ইউনিটের কমিটিগুলো গঠন করতে হবে। দলে কোন দালাল, ভুঁইফোড় কিংবা সুবিধাবাদী দোসরদের ঠাঁই দেওয়া যাবে না। কারণ এরা আন্দোলনের সময় গা ঢাকা দেয়, অথচ সুযোগ আসলে সময়মত সামনে আসে।”
নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন- “বর্তমান সরকার কথিত ‘সংস্কার’ নামের এক জালে জনগণকে আটকে রাখতে চাচ্ছে। তারা পরিকল্পিতভাবে নির্বাচন প্রক্রিয়াকে বিলম্বিত করছে, সময়ক্ষেপণ করে জনগণের অধিকার হরণ করা হচ্ছে। আমরা স্পষ্ট করে জানিয়ে দিতে চাই—এই ধরনের তালবাহানা আর চলবে না। অবিলম্বে সরকারের উচিত হবে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করে জনগণের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ তৈরি করে দেয়া।
শ্রীমঙ্গলে বিএনপি'র আহত কর্মীকে হাজি মুজিবের অর্থ সহায়তা
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার ৬ নং আশিদ্রোন ইউনিয়নের মুসলিমবাগের বিএনপি'র কর্মী মোঃ সুমন মিয়া সড়ক দুর্ঘটনায় একটি পা ভেঙ্গে যায়। তার আর্থিক অবস্থা অসচ্ছল থাকায় চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করা সম্ভব হচ্ছে না। এরই দুঃখে ব্যথিত হয়ে মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) সংসদীয় আসনের বিএনপি'র দলীয় সম্ভাব্য প্রার্থী আলহাজ্ব মুজিবুর রহমান চৌধুরী হাজি মুজিবের নির্দেশে দলীয় একটি টিম সুমনের বাসায় গিয়ে চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।
শুক্রবার(০১লা জুলাই) বিকেলে হাজী মুজিবের পক্ষ থেকে উপজেলা বিএনপি'র একটি প্রতিনিধি দল সুমনের মুসলিমবাগের বাড়িতে গিয়ে চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। আর্থিক অনুদান প্রধানে আলহাজ্ব মুজিবুর রহমান চৌধুরী হাজি মুজিবের পক্ষে প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা বিএনপি'র সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাব উদ্দিন, উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আজির উদ্দিন,উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক রুবেল আহমেদ,যুবদলনেতা, এম এ রহিম, সাবেক যুবদলনেতা দক্ষিণা বিশ্বাস, পৌর যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল কাদির, যুবদলনেতা সোহেল আহমেদ, রাজিব ও সাবেক ওয়ার্ড বিএনপি'র সভাপতি কবির আহমেদ প্রমুখ।
হাজি মুজিবের পক্ষে যাওয়া টিমের বরাতে জানান, দলীয় কোন কর্মী অসচ্ছল থাকলে আমার দায়িত্ব ও কর্তব্যের মধ্যে পড়ে সেই কর্মীকে আমাদের সহযোগিতা করা এভাবেই একে অপরের পাশে থেকে দলের স্বার্থে সহযোগিতা হাত বাড়িয়ে দেওয়া এটাই হবে সঠিক কর্মী বান্ধব নেতার পরিচয় ফুটে উটবে।
মানিব্যাগ তুলতে গিয়ে সেফটি ট্যাংকে এক যুবকের মৃত্যু
মৌলভীবাজারের জুড়ীতে সেফটিক ট্যাংক থেকে মানি ব্যাগ তুলতে গিয়ে সুহেল আহমদ (২৮) নামে এক যুবক নিহত হয়েছে।
এ ঘটনায় নিহত সোহেলের ছোট ভাই ইমন উদ্দিন গুরুতর আহত হয়েছেন। ঘটনাটি বুধবার (৩০শে জুলাই) রাত ৯ টায় উপজেলার গোয়ালবাড়ী ইউনিয়নের ডোমাবাড়ী গ্রামে ঘটেছে।
নিহত সুহেল আহমদ ডোমাবাড়ী গ্রামের মজমিল আলীর বড় ছেলে। সেফটি ট্যাংকে পড়ে যাওয়া মানিব্যাগ তুলতে গিয়ে বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে সোহেল অচেতন হয়ে পড়লে তাকে উদ্ধারের জন্য ছোট ভাই ইমন ট্যাংকে নামলে তিনিও গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে অচেতন হন।
পরে ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় এলাকাবাসী তাদেরকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সোহেল আহমদ'কে মৃত ঘোষণা করেন এবং গুরুতর আহত ইমন উদ্দিন'কে উন্নত চিকিৎসার জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সমরজিৎ সিংহ।
ঘটনাস্থলে স্থানীয় প্রশাসন ও জুড়ী থানা পুলিশ রাত ১২টার দিকে উপস্থিত হয়ে পরিদর্শন করেন।
এবার ভারতের ৬ কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র
ভারতের ৬ কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরান থেকে পেট্রোলিয়াম কেনাবেচায় জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ নিয়েছে দেশটি।
এই নিষেধাজ্ঞার ফলে যুক্তরাষ্ট্রে বা মার্কিন নাগরিকদের নিয়ন্ত্রণাধীন যেকোনো স্থানে এসব কোম্পানির সম্পদ ও স্বার্থ ‘ব্লক’ বা জব্দ থাকবে। বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
সংবাদমাধ্যমটি বলছে, ইরানের পেট্রোলিয়াম ও পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য কেনাবেচায় জড়িত থাকার অভিযোগে ছয়টি ভারতীয় কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের দাবি, এসব লেনদেন মার্কিন নির্বাহী আদেশ ১৩৮৪৬ অনুযায়ী নিষিদ্ধ। কারণ ইরান সরকার এই আয়ের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত উসকে দিচ্ছে, সন্ত্রাসবাদে অর্থ জোগাচ্ছে এবং নিজ দেশের জনগণকে দমন করছে।
স্থানীয় সময় বুধবার এক বিবৃতিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র বলেন, “ইরানি শাসকগোষ্ঠী মধ্যপ্রাচ্যে সহিংসতা উসকে দিতে তাদের তেল বিক্রি থেকে উপার্জিত রাজস্ব ব্যবহার করছে। আজকের এই পদক্ষেপের মাধ্যমে আমরা সেই অর্থপ্রবাহ বন্ধের চেষ্টা করছি, যা তারা বিদেশে সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন এবং দেশের জনগণের ওপর দমন-পীড়নে ব্যবহার করে।”
এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় বিশ্বের আরও ২০টি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি ভারতের ছয়টি কোম্পানির নাম এসেছে। নিষেধাজ্ঞায় থাকা ছয় ভারতীয় কোম্পানি হচ্ছে— অ্যালকেমিক্যাল সলিউশনস প্রাইভেট লিমিটেড, গ্লোবাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল কেমিক্যালস লিমিটেড, জুপিটার ডাই কেম প্রাইভেট লিমিটেড, রমনিকলাল এস গোসালিয়া অ্যান্ড কোম্পানি, পারসিস্টেন্ট পেট্রোকেম প্রাইভেট লিমিটেড এবং কাঞ্চন পলিমার।
সবগুলো প্রতিষ্ঠানই নির্বাহী আদেশ ১৩৮৪৬-এর ধারা ৩(এ)(৩)-এর অধীনে “ইরানি পেট্রোকেমিক্যাল পণ্যের উল্লেখযোগ্য লেনদেনে সচেতনভাবে জড়িত থাকার” কারণে নিষেধাজ্ঞার আওতায় এসেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার পরিণতি কী?
এই নিষেধাজ্ঞার ফলে যুক্তরাষ্ট্রে বা মার্কিন নাগরিকদের নিয়ন্ত্রণাধীন যেকোনো স্থানে এসব কোম্পানির সম্পদ ও স্বার্থ ‘ব্লক’ বা জব্দ থাকবে। এছাড়া যেসব প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানি ৫০ শতাংশ বা তার বেশি শেয়ারে এসব নিষিদ্ধ কোম্পানির মালিকানায় রয়েছে, তারাও নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়বে।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আরও জানিয়েছে, “যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ব্যক্তি বা দেশের ভেতর দিয়ে (বা হয়ে) এসব নিষিদ্ধ কোম্পানির সম্পদ বা স্বার্থসম্পন্ন যেকোনো লেনদেন নিষিদ্ধ। এছাড়া এদেরকে অর্থ, পণ্য বা সেবা দেওয়াও নিষিদ্ধ, আবার এসব কোম্পানির পক্ষ থেকে সেসব গ্রহণ করাও নিষিদ্ধ।”
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য