ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

নোয়াখালীতে যৌতুকের জন্য গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ, জড়িতদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ

জেলা প্রতিনিধি
৩০ জুলাই, ২০২৫ ১৪:৩০
জেলা প্রতিনিধি
নোয়াখালীতে যৌতুকের জন্য গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ, জড়িতদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে যৌতুকের জন্য গৃহবধূ সাঈদা আক্তার পপি (২৫) হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন এলাকার বাসিন্দারা।


বুধবার (৩০ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার বসুরহাট জিরো পয়েন্টে আয়োজিত কর্মসূচি থেকে হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান নিহত গৃহবধূর স্বজন ও প্রতিবেশীরা।


নিহত পপি উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মক্কা নগরের শফি উল্যাহ শিপনের স্ত্রী এবং একই গ্রামের ইলিয়াস চুকানি বাড়ির শামসুদ্দিন কাজলের মেয়ে। এর আগে, গত বুধবার ২৩ জুলাই দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পাঞ্জাবি আলাদের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।  


মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, নিহতের মা খাইরুন নাহার, চাচা আব্দুল কাইয়ুব, মেয়ের খালাতো বোন আমেনা বিনতে রহিম অথৈই, চাচাতো বোন উপর্ণা, খালু আব্দুর রহীম মাসুদ, শাহজাহান খোনার, মামা মো.কামাল উদ্দিন, ও প্রতিবেশী চাঁন মিয়া প্রমূখ।  


মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, ৭ বছর আগে শিপনের সঙ্গে পপির পারিবারিক ভাবে বিয়ে হয়। তাদের ঘরে দুটি ছেলে সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকে ভিকটিমকে যৌতুকের জন্য চাপ সৃষ্টি করে খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে নানান নির্যাতন করত শিপন ও তার পরিবার। এ নিয়ে কয়েক দফা দেন দরবারও হয়েছে। গত বুধবার রাতভর নির্যাতন চালিয়ে তারা তাকে শ্বাসরোধ করে পিটিয়ে হত্যা করে। পরের দিন সকাল ১০টার দিকে হাসপাতালে নেওয়ার অভিনয় করে বাড়িতে মরদেহ রেখে সবাইকে ফাঁস নিয়েছে বলে জানান। পরে পুরো পরিবার মরদেহ রেখে পালিয়ে যায়। বর্তমানে অভিযুক্ত পরিবারের সদস্যরা পলাতক রয়েছেন।  


নিহতের মা খাইরুন নাহার বলেন, এ ঘটনায় থানায় পুলিশ মামলা না নিলে আমরা আদালতে মামলা দায়ের করি। আমি আমার মেয়ে হত্যার বিচার চাই।  


অভিযোগের বিষয়ে জানতে একাধিকবার নিহতের স্বামী শফি উল্যাহ শিপনের মুঠোফোনে কল করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।  


কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মুহাম্মদ ফৌজুল আজিম বলেন, মরদেহ সন্দেহজনক অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। গলায় আঘাতের চিহৃ রয়েছে। এ ঘটনায় তাৎক্ষণিক শ্বশুরকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে বিচারিক আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ফেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।  


প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

স্কুলছাত্র সুমেল হত্যায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড, ১৫ জনের যাবজ্জীবন

অনলাইন ডেস্ক
৩০ জুলাই, ২০২৫ ১৪:১১
অনলাইন ডেস্ক
স্কুলছাত্র সুমেল হত্যায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড, ১৫ জনের যাবজ্জীবন

সিলেটের বিশ্বনাথে চাঞ্চল্যকর স্কুলছাত্র সুমেল হত্যা মামলায় ৮ জনের মৃত্যুদণ্ড ও ৭ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।


বুধবার (৩০ জুলাই) দুপুরে সিলেটের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তৃতীয় আদালত এই রায় ঘোষণা করেন।


সিলেট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের এপিপি অ্যাডভোকেট কামাল হোসেন বিষয়টি কালবেলাকে নিশ্চিত করেছেন।


তিনি বলেন, মামলায় ৩৪ জন আসামির মধ্যে আদালত ৮ জনের মৃত্যুদণ্ড ও ৭ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। বাকি ১৭ জনের দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।


মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—সাইফুল আলম, নজরুল আলম, সদরুল আলম, সিরাজ উদ্দিন, জামাল মিয়া, আব্দুল জলিল, আনোয়ার হোসেন ও মামুনুর রশীদ। এর মধ্যে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মামুনুর রশীদ পলাতক। প্রধান আসামি যুক্তরাজ্য প্রবাসী সাইফুল আটকের পর থেকে প্রায় পৌনে ৪ বছর ধরে জেলহাজতে রয়েছে। গত ১৩ জুলাই মামলাটির যুক্তিতর্ক শেষ হয়।


যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—ইলিয়াস হোসেন, আব্দুন নুর, জয়নাল হোসেন, আশিক হোসেন, আছকির আলী, আকবর হোসেন ও ফরিদ আহমদ।


মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালের ১লা মে সাইফুল ও তার বাহিনী চাউলধনী হাওরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে চৈতনগর গ্রামের ইব্রাহিম আলী সিজিল গংদের নিজস্ব রেকর্ডীয় ভূমিতে জোরপূর্বক এক্সক্যাভেটর মেশিন দিয়ে মাটি কাটা শুরু করে। এতে জমির মালিক পক্ষ বাধা দিতে চাইলে সশস্ত্র আসামিরা বন্দুক, পাইপগান ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে থানা পুলিশ ও গ্রামে একাধিক বৈঠক করে তাদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় বন্দুকের গুলিতে শাহজালাল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র সুমেল আহমদ শুকুর গুলির আঘাতে তার শরীর ঝাঁজরা হয়ে যায় এবং হাসপাতালে নেওয়ার পর তার মৃত্যু হয়। সুমেলের বাবা-চাচাসহ ৩ গুলিবিদ্ধ হন।


ঘটনার পর সুমেলের চাচা ইব্রাহিম আলী সিজিল বিশ্বনাথ থানায় বাদী হয়ে ২৭ জনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এদিকে মামলার রায়ের পর বাদী সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।


হত্যাকাণ্ডের পর সিলেটের উপমহাপুলিশ পরিদর্শক (ডিআইজি) মফিজ উদ্দিন ও সিলেটের পুলিশ সুপার ফরিদ উদ্দিন এই চাঞ্চল্যকর হত্যার মামলার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। হত্যাকাণ্ডে সহযোগিতা ও আলামত নষ্ট করার দায়ে ওসি শামিম মুসা, এসআই নুর ও ফজলুল হককে ক্লোজ করা হয়।


এরপর তৎকালীন বিশ্বনাথ থানার ওসি তদন্ত রমাপ্রসাদ চক্রবর্তী দীর্ঘ তদন্ত শেষে ৩২ জনের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর এই মামলার চার্জশিট আদালতে দাখিল করেন। মামলায় মোট ২৩ জন সাক্ষ্য প্রদান করেন।



প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ভুয়া র‍্যাবকে তাড়া আসল র‍্যাবের, আটক করে দুই পক্ষকে পেটাল জনতা

    অনলাইন ডেস্ক
    ২৯ জুলাই, ২০২৫ ২১:১০
    অনলাইন ডেস্ক
    ভুয়া র‍্যাবকে তাড়া আসল র‍্যাবের, আটক করে দুই পক্ষকে পেটাল জনতা

    ফরিদপুরের নগরকান্দায় র‍্যাব ও ভুয়া র‍্যাব পরিচয়দানকারীদের মহাসড়ক ঘেরাও করে দুটি মাইক্রোবাস আটকে মারধর করেছে জনতা। এ সময় ভুয়া র‍্যাব সদস্যের বহনকারী মাইক্রোবাসটি ভাঙচুর করা হয়েছে। 


    সোমবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার চর যশোরদী ইউনিয়নের জয় বাংলার মোড় এলাকায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে।

    পরে নগরকান্দা পুলিশ ও র‍্যাব সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে এবং আহত র‍্যাব ও ভুয়া র‍্যাবের সদস্যদের নগরকান্দা থানায় নিয়ে যান। 


    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দুটি মাইক্রোবাস দ্রুত গতিতে আসছিল এবং একটি গাড়ি থেকে বাঁশি বাজানো হচ্ছিল ফলে এলাকাবাসীর সন্দেহ হয়। পরে এলাকাবাসী মহাসড়কে ব্যরিকেড দিয়ে প্রথম মাইক্রোবাসটি থামায়। মাইক্রোবাসের অবস্থানকারী ব্যক্তিরা নিজেদের র‍্যাব বলে পরিচয় দেয়। তবে তাদের কারও শরীরে পোশাক না থাকায় এলাকাবাসীর সন্দেহ হয়। এ সময় ভুয়া র‍্যাব সদস্যরা মাইক্রোবাস থেকে নেমে পালাতে চেষ্টা করলে জনতা তাদের ঘেরাও করে মারধর করে।


    কিছুক্ষণ পর ধাওয়া করে আসা র‍্যাবের গাড়িটি ওই এলাকায় হাজির হয়। এ র‍্যাব দলেরও সকল সদস্য পোশাক পরিহিত ছিল না। আসল র‍্যাব সদস্যরাও দ্রুত নেমে জনতার হাতে মারধরের শিকার ভুয়া র‍্যাব সদস্যদের বাঁচানোর চেষ্টা করলে জনতার মারধেরের শিকার হন।


    জনতার হাতে আটক হয়ে মারধরের শিকার ভুয়া র‍্যাব সদস্যরা হলেন, শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার ছাব্বিশ পাড়া গ্রামের মোহাম্মদ সুমন (৪৯), চাঁদপুর সদরের মদনা গ্রামের মোহাম্মদ মিন্টু (৪৫), গাইবান্ধা সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কুনসিবাড়ি গ্রামের সাইফুল শেষ (৩৪), মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার আন্ডারচর এলাকার মোহাম্মদ জামিল (৩২) এবং ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার হিদাডাঙ্গা গ্রামের মোহাম্মদ দিদার (৩৬)।


    নগরকান্দা থানার ওসি (দায়িত্বপ্রাপ্ত) উপ-পরিদর্শক (এসআই) আমীরুল ইসলাম বলেন, জনতার হাত থেকে র‍্যাব ও ভুয়া র‍্যাব সদস্যদের উদ্ধার করে নগরকান্দা থানায় নিয়ে আসা হয়।


    আমীরুল ইসলাম আরও বলেন, রাত সাড়ে ৮টার দিকে র‍্যাব ক্যাম্পের সদস্যরা ভুয়া র‍্যাব ও আহত সকল র‍্যাব সদস্যদের নিয়ে মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর থানার উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে গেছেন।


    র‍্যাব-১০ ফরিদপুর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার তারিকুল ইসলাম জানান, র‍্যাব-১০ এর হেড কোয়ার্টার থেকে একটি টিম ডাকাতদলকে ধাওয়া করে আসছিল। স্থানীয় লোকজন ভুল বুঝে উভয়ের ওপর চড়াও হয়। কিছু র‍্যাব  সদস্যরা সাদা পোশাকে থাকায় জনতা তাদের তাৎক্ষণিক ভাবে প্রকৃত র‍্যাব বলে চিনতে ভুল করে। 


    র‍্যাব-১০ মুন্সিগঞ্জ ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার মো. আনোয়ার হোসেন জানান, গণপিটুনি দিয়ে যেন ভুয়া র‍্যাব সদস্যদের মেরে না ফেলে এই আশঙ্কায় আমরা জনগণের পিটুনি থেকে তাদের বাঁচানোর চেষ্টা করি। তবে প্রথম পর্যায়ে জনগণ আমাদেরও ভুয়া র‍্যাব মনে করেছিল। এ কারণে আমাদের সঙ্গে কিছু ঘটনা ঘটেছিল, তবে তা আমলযোগ্য নয়। এ বিষয়গুলো আমলে নেওয়ার দরকার নেই।


    প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ‘এবার আওয়াজ তুলুন’ স্লোগানে

    জয়পুরহাটে দুদকের গণশুনানি ১১ই আগস্ট

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ২৯ জুলাই, ২০২৫ ২০:৫০
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    জয়পুরহাটে দুদকের গণশুনানি ১১ই আগস্ট

    দুর্নীতির বিরুদ্ধে জনগণকে সম্পৃক্ত করে প্রতিরোধ ও প্রতিকার নিশ্চিত করতে জয়পুরহাটে আয়োজন করা হচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উন্মুক্ত গণশুনানি।

    আগামী ১১ই আগস্ট জয়পুরহাট সদর জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে এ গণশুনানি অনুষ্ঠিত হবে ।

    গণশুনানিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার (অনুসন্ধান) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহসান ফরিদদ।

    গণশুনানির মূল স্লোগান ‘এবার আওয়াজ তুলুন’, যার মাধ্যমে সাধারণ মানুষ সরাসরি দুদকের কাছে দুর্নীতির অভিযোগ জানাতে পারবেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিকার পাওয়ার সুযোগও পাবেন।

    দুদক জানিয়েছে, এই ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগের মাধ্যমে সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানসহ ব্যাংক ও আর্থিক খাতে বিদ্যমান অনিয়ম, দুর্নীতি ও হয়রানির বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। সাধারণ মানুষ সরাসরি অভিযোগ জানাতে পারবেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিকার পাওয়ার সুযোগও থাকবে।

    গণশুনানিতে যেসব বিষয়ে অভিযোগ করা যাবে:

    1. ঘুষ গ্রহণ ও দাবি;
    2. ক্ষমতার অপব্যবহা ;
    3. সরকারি সম্পদ ও অর্থ আত্মসাৎ;
    4. অবৈধ সম্পদ অর্জন;
    5. অর্থপাচার।

    ব্যক্তিগতভাবে কেউ যদি এসব দুর্নীতির শিকার হন বা প্রত্যক্ষদর্শী হন, তাহলে গণশুনানিতে অভিযোগ জানাতে পারবেন। কমিশন জানিয়েছে, প্রাপ্ত অভিযোগসমূহ প্রয়োজনীয় তদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    গণশুনানিতে অংশগ্রহণকারীদের আগামী ১০ আগস্টের মধ্যে অভিযোগ দাখিল করতে হবে। এ লক্ষ্যে জয়পুরহাট শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে দুদকের পক্ষ থেকে স্থাপন করা হয়েছে অভিযোগ গ্রহণ বুথ।

    গণশুনানির আয়োজন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয়, নওগাঁ। সহযোগিতায় রয়েছে জয়পুরহাট জেলা প্রশাসন ও জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি, জয়পুরহাট।

    দুদক মনে করছে, সরকারি সেবা প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হলে জনগণকে সম্পৃক্ত করাই সবচেয়ে কার্যকর পন্থা। গণশুনানির মতো উদ্যোগ জনগণের কাছে রাষ্ট্রের জবাবদিহিতা বাড়ায় এবং আইনের শাসনের প্রতি আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখে।

    ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই কোনো একক প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব নয়— এটি জনগণের সম্মিলিত দায়িত্ব’, এমনটাই জানিয়েছেন কমিশনের শীর্ষ কর্মকর্তারা।

    স্থানীয় বাসিন্দা, নাগরিক সমাজ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা এই উদ্যোগকে সময়োপযোগী এবং কার্যকর হিসেবে দেখছেন। তাঁদের আশা— অভিযোগ শুধু শোনা নয়, সেসবের দ্রুত নিষ্পত্তিও হবে। এক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করবে দুদক।


    অভিযোগ সংক্রান্ত তথ্য বা বিস্তারিত জানার জন্য যোগাযোগ করা যাবে নিচের নম্বরগুলোতে:

    ০১৭১৯-৩৬০৩২১, ০১৭৯৮-৩৮১৮২৯, ০১৫১৫-৬৪৯৫৯৫, ০১৭১৮-৬৭৬৬৫০, ০১৭১২-৫৮৩৩০০ ও ০২-৫৮১১৪৭০৩২।

    যোগাযোগের ঠিকানা: উপপরিচালক, দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয়, নওগাঁ। ফোন: ০২-৫৮১১৪৭০৩২, ই-মেইল: dd.ido.naogaon@acc.org.bd

    মন্তব্য

    ফিলিস্তিনকে জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্যপদ দেওয়ার দাবি পাকিস্তানের

    অনলাইন ডেস্ক
    ২৯ জুলাই, ২০২৫ ১৮:১১
    অনলাইন ডেস্ক
    ফিলিস্তিনকে জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্যপদ দেওয়ার দাবি পাকিস্তানের

    ফিলিস্তিনকে জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্যপদ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে পাকিস্তান। সেইসঙ্গে গাজায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে ইসলামাবাদ। জাতিসংঘে অনুষ্ঠিত ‘ফিলিস্তিন প্রশ্নের শান্তিপূর্ণ সমাধান ও দ্বি-রাষ্ট্র ভিত্তিক সমাধান বাস্তবায়ন’ বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে এ দাবি জানান পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার। খবর জিও নিউজের।


    ইসহাক দার বলেন, ‘ফিলিস্তিনে সহিংসতা, খাদ্য সহায়তা আটকে রাখা এবং হাসপাতাল, শরণার্থী শিবিরে সাহায্য প্রার্থীদের হামলা আন্তর্জাতিক আইন ও মানবিক নীতিমালার সকল সীমা অতিক্রম করেছে।’ তিনি দৃঢ় ভাষায় বলেন, ‘এই সম্মিলিত শাস্তি বন্ধ করতে হবে এখনই।’


    দুই দিনব্যাপী এই সম্মেলনের সহ-আয়োজক ছিল সৌদি আরব ও ফ্রান্স। সম্মেলনে ইসহাক দার ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়ার বিষয়ে ফ্রান্সের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান।


    তিনি বলেন, 'গাজা এখন আন্তর্জাতিক আইন ও মানবিক নীতির কবরস্থান হয়ে উঠেছে। ৫৮ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু, নিহত হয়েছেন-এটি আন্তর্জাতিক মানবিক আইন এবং আন্তর্জাতিক আদালতের বাধ্যতামূলক সিদ্ধান্ত লঙ্ঘনের জঘন্য উদাহরণ।’


    ইসহাক দার বলেন, ‘পাকিস্তান শুধু রাজনৈতিক বিবৃতি নয়, বরং ফিলিস্তিনের প্রাতিষ্ঠানিক ও মানবসম্পদ উন্নয়নে বাস্তব সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত।' তিনি জানান, পাকিস্তান জনপ্রশাসন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও সেবাদানে ফিলিস্তিনকে কারিগরি সহায়তা দিতে প্রস্তুত এবং ওআইসি ও আরব পরিকল্পনার আওতায় সংস্থাগুলো গঠন ও রক্ষা ব্যবস্থায় অংশগ্রহণ করতে ইচ্ছুক।


    এদিকে, জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস সম্মেলনের উদ্বোধনে বলেন, ‘গাজার ধ্বংসযজ্ঞ সহ্য করার মতো নয়। এখনই পদক্ষেপ নিতে হবে- দ্বি-রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান ছাড়া বিকল্প নেই।’ ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জঁ-নোয়েল ব্যারো বলেন, 'যুদ্ধ থামাতে হবে-কিন্তু সেটাই শেষ নয়। এরপর প্রয়োজন টেকসই রাজনৈতিক সমাধান। একমাত্র দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানই ফিলিস্তিনি ও ইসরায়েলিদের বৈধ আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে পারে।'


    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য
      সর্বশেষ সংবাদ
        সর্বাধিক পঠিত