শিরোনাম
দুর্নীতি-অনিয়ম ঠেকিয়ে স্বচ্ছতার দৃষ্টান্ত রেখে গেলেন ইউএনও রুলি বিশ্বাস
খুলনার কয়রা উপজেলার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে গতিশীলতা আনতে, প্রশাসনে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং দুর্নীতি-অনিয়ম ঠেকাতে বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখে গেলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুলি বিশ্বাস। সততা, নিষ্ঠা ও জনসেবায় আত্মনিয়োগের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে সম্প্রতি তিনি অন্যত্র বদলি হয়েছেন। তাঁর এই বদলি কয়রাবাসীর মাঝে রেখে গেছে প্রশংসা, কৃতজ্ঞতা ও কিছুটা হতাশাও, কারণ অনেকে মনে করেন, এই দক্ষ ও সৎ কর্মকর্তার প্রয়োজন ছিল আরও কিছুদিন।
রুলি বিশ্বাসের দায়িত্বকালে কয়রায় প্রকল্প বাস্তবায়নের ধরন বদলে যায়। প্রশাসনিক উৎসাহ, সময়মতো নজরদারি এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কারণে প্রকল্পগুলোতে আসে স্বচ্ছতা। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কয়রার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) ও রাজস্ব উন্নয়ন সহায়তা প্রকল্পে মোট বরাদ্দ ছিল এক কোটি ৮৩ লাখ ৪১ হাজার টাকা। এই অর্থে ৫৭টি উন্নয়ন স্কিম বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়, যার মধ্যে ছিল বিদ্যালয়ের সংস্কার, রাস্তা উন্নয়ন, পুল নির্মাণ, কৃষি সহায়তা ও বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক কাজ।
প্রকল্পগুলোর কোনোটি দরপত্রের মাধ্যমে, কোনোটি কোটেশনের ভিত্তিতে আবার কিছু প্রকল্প বাস্তবায়ন হয় পিআইসি অর্থাৎ প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির মাধ্যমে। প্রতিটি ক্ষেত্রেই ইউএনও রুলি বিশ্বাস সরাসরি যুক্ত ছিলেন পরিকল্পনা ও তদারকিতে। কোথাও সামান্য অনিয়ম বা গাফিলতির প্রমাণ পেলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
একজন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন, ‘আমাদের বিদ্যালয়ের নতুন বেঞ্চ ও পাঠ্য উপকরণ যেভাবে এসেছে, সেটি সঠিক সময়ে ও মানসম্মতভাবে এসেছে। কোনো তদবির করতে হয়নি। ইউএনও ম্যাডাম নিজেই সব তদারকি করেছেন।’
নারী উন্নয়ন, শিশু সুরক্ষা, সামাজিক নিরাপত্তা ও শিক্ষাসহ বিভিন্ন খাতে বরাদ্দকৃত সরকারি সহায়তা যেন নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা মহলের হাতে সীমাবদ্ধ না থাকে, সেটি নিশ্চিত করেছেন রুলি বিশ্বাস। নারীদের জন্য বিতরণকৃত সেলাই মেশিন, দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুলব্যাগ, খেলাধুলার সামগ্রী কিংবা বিশেষ প্রণোদনা—সবই নির্দিষ্ট তালিকা অনুযায়ী প্রকৃত উপকারভোগীর হাতে পৌঁছেছে।
উপজেলা পরিষদের নির্বাচিত পদসমূহ দীর্ঘদিন শূন্য থাকার পরও তিনি প্রশাসনিক ভারসাম্য ধরে রেখেছেন দক্ষ হাতে। অনেক সময় জনপ্রতিনিধিদের অনুপস্থিতিতে প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ভেঙে পড়ে। কিন্তু রুলি বিশ্বাস নিজেই নেতৃত্ব দিয়েছেন বিভিন্ন সভা, পরিদর্শন ও প্রকল্প বাস্তবায়নে। জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করে গেছেন, আবার তাঁদের অনুপস্থিতিতেও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে কোনো ব্যাঘাত ঘটেনি।
মহারাজপুর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মাওঃ মাছুদুর রহমান বলেন, ‘তিনি ছিলেন কঠোর, কিন্তু মানবিক। কোথাও পক্ষপাতিত্ব ছিল না। সবার সঙ্গে সমান আচরণ করতেন। সরকারি টাকায় যেন অপচয় না হয়, সেই বিষয়টি সব সময় নজরে রাখতেন।’
রুলি বিশ্বাসের বদলির খবরে অনেকেই বিস্মিত হয়েছেন। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক সবাই তাঁর দায়িত্বপালনের প্রশংসা করেছেন। অনেকেই মনে করেন, এমন সৎ, যোগ্য এবং দায়িত্বশীল কর্মকর্তার আরও কিছুদিন কয়রায় থাকা দরকার ছিল।
স্থানীয় সাংবাদিক আবির হোসেন বলেন, ‘মাঠপর্যায়ের অনেক প্রশাসনিক কর্মকর্তা কেবল অফিসকেন্দ্রিক থাকেন। কিন্তু রুলি বিশ্বাস মাঠে ছিলেন। নিজে গিয়ে কাজ দেখেছেন। মানুষের কথা শুনেছেন। এমন কর্মকর্তাই আদর্শ।’
তাঁর বদলি সত্ত্বেও কয়রার মানুষ আশা করছেন, ভবিষ্যতেও তিনি উচ্চপর্যায়ে থেকে সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করে যাবেন। কারণ একটি উন্নয়নশীল অঞ্চলের অগ্রগতির জন্য প্রয়োজন এমনই সৎ, মানবিক ও দূরদর্শী নেতৃত্ব।
রুলি বিশ্বাস যেমন প্রশাসনিক দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন, তেমনি জনসেবার এক মানবিক চেহারাও। বিশেষ কোনো শ্রেণি নয়, সমগ্র জনগণের কল্যাণকে অগ্রাধিকার দিয়েই তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর কাজ অনেকের কাছে হয়ে উঠেছে অনুপ্রেরণার উৎস। কয়রাবাসী মনে করেন, রুলি বিশ্বাসের মতো কর্মকর্তারাই বদলে দিতে পারেন দেশের মাঠপর্যায়ের প্রশাসন ও উন্নয়নের চিত্র।
ইসরায়েলির কান ছিঁড়ে ফেললেন এক সিরীয়
সিরীয় এক নাগরিকের হামলায় ইসরায়েলি পর্যটক আহত হয়েছেন। ওই ইসরায়েলি পর্যটকের কান ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে সিরীয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটে গ্রিসের অ্যাথেন্সিয়ান রিভেরার বলিভার সৈকতে।
সম্প্রতি স্ত্রীকে নিয়ে গ্রিসে বেড়াতে গিয়েছিলেন ইসরায়েলি পর্যটক স্টাভ বেন-সুসান। সৈকতে অবস্থানকালে এক ব্যক্তি তাদের ভিডিও করতে থাকেন এবং ফ্রি ফিলিস্তিন, ইসরায়েল নিপাত যাকসহ নানা স্লোগান দিতে থাকেন।
বিরূপ পরিস্থিতিতে ওই ব্যক্তি তাদের দিকে বালু ছুড়ে মারলে বেন-সুসান তাকে ধাক্কা দেন। পরে নিরাপত্তা কর্মীরা এসে উভয় পক্ষকে আলাদা করে দেন এবং সিরীয় ব্যক্তিকে সরিয়ে নেওয়া হয়।
বেন-সুসানের দাবি, এ ঘটনার এক ঘণ্টা পর যখন তিনি ও তার স্ত্রী বাথরুম থেকে বের হচ্ছিলেন, তখন ওই সিরীয় ব্যক্তি আবার ফিরে এসে তার স্ত্রীর দিকে হামলার চেষ্টা করেন। বাধা দিতে গেলে ওই ব্যক্তি তার কানের একটি অংশ ছিঁড়ে ফেলেন। চ্যানেল-১২ এর বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে টাইমস অব ইসরায়েল।
ঘটনার পর গ্রিস পুলিশ ইসরায়েলি পর্যটককেই কিছু সময়ের জন্য হেফাজতে নেয়, কারণ তিনি সিরীয় নাগরিককে উদ্দেশ করে বর্ণবৈষম্যমূলক মন্তব্য করেছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। ঘটনাটি ঘিরে স্থানীয় পর্যটকদের মাঝে আতঙ্ক দেখা দেয়।
সৌদিতে তিন খাতে সীমিত হচ্ছে প্রবাসীদের কাজের সুযোগ
নিজেদের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ খাতে ধীরে ধীরে প্রবাসীদের কাজের সুযোগ সীমিত করে আনছে সৌদি আরব। এসব খাতে সৌদির নাগরিকদের প্রাধান্য দিচ্ছে তারা। একটা সময় এসব খাত পরিচালনা করবেন সৌদির নাগরিকরাই। সেগুলো হলো— ফার্মেসি, দন্তচিকিৎসা এবং প্রকৌশল খাত।
বার্তাসংস্থা সৌদি গেজেট জানিয়েছে, মানব সম্পদ এবং সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয় গুরুত্বপূর্ণ পেশাদার খাতে সৌদির নাগরিদদের সুযোগ দেওয়ার নতুন লক্ষ্য প্রয়োগের ঘোষণা দিয়েছে। যা রোববার (২৭ জুলাই) থেকে শুরু হয়েছে।
প্রবাসীদের সরিয়ে সৌদির নাগরিকদের সুযোগ দেওয়ার বিষয়টিকে ‘সৌদিকরণ’ হিসেবে অভিহিত করছে সৌদি আরব।
সৌদিকরণে নতুন খাত হিসেবে ফার্মেসি, দন্তচিকিৎসা এবং প্রযুক্তিগত প্রকৌশলকে লক্ষ্য করা হয়েছে।
এর অংশ হিসেবে এখন থেকে কমিউনিটি ফার্মেসি এবং মেডিকেল কমপ্লেক্সের ফার্মেসিগুলোর জনবলের ৩৫ শতাংশ সৌদির নাগরিক হতে হবে। হাসপাতালগুলোর ফার্মেসিতে এ সংখ্যা ৬৫ শতাংশ থাকতে হবে। অন্যান্য ফার্মেসি সংক্রান্ত কার্যক্রমে এ সংখ্যাটি ৫৫ শতাংশ থাকতে হবে।
যেসব ফার্মেসিতে পাঁচ বা তার বেশি কর্মী আছে সেসব জায়গায় এটি কার্যকর করতে হবে। আর সৌদির নাগরিকদের বেতন ন্যূনতম সাত হাজার রিয়াল থাকতে হবে।
অপরদিকে দন্তচিকিৎসা খাতে এখন থেকে ৪৫ শতাংশই সৌদির নাগরিক থাকতে হবে। তাদের ন্যূনতম বেতন হতে হবে ৯ হাজার রিয়াল।
অপরদিকে প্রযুক্তিগত প্রকৌশল খাতে ৫ বা তারও বেশি লোক নিয়ে প্রতিষ্ঠান খুললে সেখানে ৩০ শতাংশ সৌদির নাগরিক থাকতে হবে। তাদের বেতন হবে ন্যূনতম ৫ হাজার রিয়াল।
সৌদির নাগরিকদের আরও বেশি সুযোগ দিতে এবং সেবা আরও সুন্দর করতে বিভিন্ন খাতে সৌদিকরণের উদ্যোগ নিয়েছে দেশটির সরকার।
সূত্র: সৌদি গ্যাজেট
পুকুরে জাল ফেলে দুই ভাইয়ের লাশ উদ্ধার
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় পুকুরের পানিতে ডুবে আপন দুই জেটাতো-চাচাতো ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে।
রোববার (২৭ জুলাই) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার চরপার্বতী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের রবিউল লালের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত দুই শিশু হলো একই ইউনিয়নের চৌধুরীহাট বাজার সংলগ্ন রবিউল লালের বাড়ির মো. আবু সুফিয়ান সজিবের ছেলে মো.ইব্রাহীম (৪) ও মো.শরীফের ছেলে নাদিম হোসেন (৩)।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, সকালে দুই পরিবারের নারী সদস্যরা গৃহস্থালির কাজে ব্যস্ত ছিলেন। ওই সময় শিশু দুটি বাড়ির উঠানে খেলা করছিল। খেলার একপর্যায়ে সবার অগোচরে দুজন পাশের পুকুরে পড়ে যায়। একপর্যায়ে তাদের না দেখে খোঁজাখুঁজি শুরু করে পরিবারের সদস্যরা। পরে নিখোঁজ শিশুদের সন্ধানে পুকুরে জাল ফেলে তাদের লাশ পাওয়া যায়। তাৎক্ষণিক তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তাদের মৃত্যুতে পরিবারসহ এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ও হৃদরোগ কনসালটেন্ট ডা.মো.সাহাদাত হোসেন সাগর বলেন, দুই শিশুকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসে স্বজনেরা। তাদের ভাষ্যমতে, পানিতে ডুবে ওই শিশুদের মৃত্যু হয়।
যোগাযোগ করা হলে কোম্পানীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) বিমল কর্মকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েয়ছে। নিহত শিশুদের পরিবারের সাথে কথা বলে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
নোয়াখালীর নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, ভাঙনের মুখে শতাধিক বাড়িঘর
সাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার মেঘনা নদীতে অস্বাভাবিক জোয়ার প্রবাহিত হচ্ছে। প্রবল জোয়ারের কারণে কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুর ইউনিয়ন ও চরএলাহী ইউনিয়নের কিছু অংশ ও হাতিয়ার নিঝুম দ্বীপসহ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে । কিছু কিছু জায়গায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। এর ফলে ভাঙনের মুখে পড়েছে শতাধিক বাড়িঘর।
শনিবার (২৬ জুলাই) বিকেল পর্যন্ত উপজেলার টাংকির ঘাট ও চেয়ারম্যানঘাট এলাকায় নদী ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করায় অর্ধশতাধিক বাড়ি ঘর সরিয়ে নেওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
জানা যায়, গতকাল শুক্রবার সকালে জোয়ারের পানিতে নিঝুম দ্বীপের প্রধান সড়ক পুরোপুরি তলিয়ে যায়। একই সাথে নিঝুম দ্বীপের নামার বাজার এলাকা প্লাবিত হয়েছে। মানুষের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকেছে। এলাকার অনেক পুকুরের মাছ ভেসে গেছে। এছাড়া জোয়ারের পানিতে উপজেলার নলচিরা, সোনাদিয়া ও সুখচর ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

স্থানীয়রা জানায়, জোয়ারের পানিতে অনেক ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও সড়ক প্লাবিত হয়েছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন হাজারো পরিবার। বিশেষ করে নিঝুম দ্বীপ জাতীয় উদ্যানের হরিণসহ বন্য প্রাণীগুলোর জন্য এ দুযোর্গপূর্ণ আবহাওয়াহ হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
অপরদিকে জেলা শহর মাইজদীর বেশ কয়েকটি এলাকায় এখনো জলাবদ্ধতা রযেছে। এতে জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। নোয়াখালী পৌরসভার ড্রেন ও খালে ময়লা আবর্জনা জমে থাকার কারণে পানি নামতে না পারায় এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে বলে জানান স্থানীয় বাসিন্দারা।
জেলা আবহাওয়া কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলে দমকা হাওয়া ও গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। গত ২৪ ঘন্টায় নোয়াখালীতে ৫১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রের্কড করা হয়েছে। মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থাকতে বলা হয়েছে।

হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলাউদ্দিন বলেন, সুখচর ইউনিয়ন, সোনাদিয়া ইউনিয়নের কিছু অংশ ও নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়নের বেশ কিছু গ্রাম পানির নিচে তলিয়ে আছে। কোথাও ২-৩ ফুট করে পানি আছে। সুখচরের একটি বেড়িবাঁধ গতকাল শুক্রবার ভেঙ্গে গিয়ে সেখানে প্লাবিত হয়।
ইউ্এনও আরও বলেন, বেড়ির বাহিরে জেলে পাড়া গুলোতে পানি উঠে নামে। বেশ কিছু জায়গায় বেড়ির বাহিরে ও নলচিরা ইউনিয়নের কিছু জায়গায় নদী ভাঙনের মুখে অনেকেই তাদের ঘরবাড়ি,দোকান ঘর সরিয়ে নিয়েছে। আজকে বিকেলে নদীর অবস্থা কিছুটা ভালো থাকায় কয়েকটা রুটে বোট চলেছে।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য